21/03/2025
“৫ বছর বয়সী একটি শিশুর শ্বাসনালীতে আঙ্গুর আটকে যাওয়ার এক্স-রে - এটি"
এটি অপসারণ করতে অপারেশনের প্রয়োজন হয়েছিল এবং শ্বাসনালী সম্পূর্ণরূপে ব্লক না হয়ে কিছুটা ফাঁকা থাকায় শিশুটি সুভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিল। তাই শিশুদের কমপক্ষে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত আঙ্গুর অর্ধেক (অথবা আরও ভালভাবে চার ভাগে ভাগ করে) কাটা প্রয়োজন। এক্সরেটি একটি ৫ বছর বয়সী শিশুর। আপনার বাচ্চা ৫ বছরের উপর না হওয়া পর্যন্ত আঙ্গুর কেটে খাওয়ান। #সংগৃীত
17/01/2025
ইলেকট্রিক কেটলি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
১. প্রথমবার ব্যবহারের আগে পরিষ্কার করুন
ইলেকট্রিক কেটলির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রথমবার ব্যবহারের আগে এটি পরিষ্কার করা জরুরি।
• কেটলিতে পানি ঢেলে একবার ফুটিয়ে ফেলুন।
• ফুটানো পানি ফেলে দিন এবং নরম কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার করুন।
• এতে কেটলির অভ্যন্তরে জমে থাকা ধুলো, রাসায়নিক বা উৎপাদনকালীন ময়লা দূর হবে।
২. পানি ঢালার সময় সতর্কতা বজায় রাখুন
সঠিক পরিমাণে পানি ঢালাই কেটলির দীর্ঘস্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠি।
• কেটলির ভেতরে থাকা মিনিমাম ও ম্যাক্সিমাম স্তরের চিহ্ন দেখে পানি ঢালুন।
• মিনিমাম স্তরের চেয়ে কম পানি দিলে হিটিং এলিমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
• ম্যাক্সিমাম স্তরের বেশি পানি দিলে তা ফুটে বের হয়ে যেতে পারে।
• শুধুমাত্র পানি ফুটানোর জন্য ব্যবহার করুন। দুধ, তেল বা অন্য কোনো তরল ফুটানোর জন্য কেটলি ব্যবহার করবেন না।
৩. ইলেকট্রিক সংযোগ দেওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। বিদ্যুৎ সংযোগের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
• প্লাগ ইন করার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার হাত এবং প্লাগ শুকনো।
• কেটলিকে সমতল এবং শুকনো স্থানে রাখুন, যেন বিদ্যুতের কোনো সমস্যা না হয়।
• প্লাগ ও তার পরীক্ষা করে নিন এবং নিশ্চিত করুন যে এগুলো সঠিক অবস্থায় আছে।
৪. পানি ফুটানোর সময় সঠিক নিয়ম মানুন
• কেটলিতে পানি ঢালার পর ঢাকনা ভালোভাবে লাগিয়ে দিন।
• আধুনিক কেটলিতে থাকা অটোমেটিক শাট-অফ ফিচার ব্যবহার করুন। এটি পানি ফুটে গেলে নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।
• যদি কেটলিতে অটোমেটিক ফিচার না থাকে, তবে ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সুইচ বন্ধ করুন।
• খালি অবস্থায় কেটলি চালাবেন না। এতে হিটিং এলিমেন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৫. ব্যবহারের পর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
সঠিক যত্ন কেটলির কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী করে।
• ব্যবহারের পর প্লাগ খুলে রাখুন।
• কেটলি সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলে ভেতর ও বাইরের অংশ নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন।
• সপ্তাহে অন্তত একবার কেটলির ভেতরে জমে থাকা ক্যালসিয়াম বা পানির দাগ পরিষ্কার করুন। এজন্য পানি এবং ভিনেগার সমান পরিমাণে মিশিয়ে ফুটিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৬. সুরক্ষা নিশ্চিত করুন
• ইলেকট্রিক কেটলিকে শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
• ভেজা জায়গায় কেটলি ব্যবহার করবেন না।
• একাধিকবার ব্যবহার করার মাঝে কেটলিকে ঠান্ডা হতে কিছুটা সময় দিন।
৭. কী করবেন না (Don'ts)
• কেটলিতে দুধ, তেল বা খাবার ফুটানোর চেষ্টা করবেন না।
• পানির বাইরে অন্য কোনো তরল বা উপাদান যোগ করবেন না।
• ভেজা জায়গায় কেটলি রাখবেন না বা ভেজা হাতে এটি ব্যবহার করবেন না।
সঠিক নিয়মে ব্যবহারের মাধ্যমে এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং আপনার সময়, শ্রম ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে। একটি মানসম্মত ইলেকট্রিক কেটলি কিনুন এবং নিরাপদে ব্যবহার করুন।
28/08/2022
ভেজালের সুষম বন্টন 🙃
দুধ বিক্রেতা ভাবে
আমি ৫ কেজি দুধে ৩ কেজি পানি মিশিয়ে নেই, তারপর অতিরিক্ত দুধ বিক্রির টাকা দিয়া আমার ছেলে মেয়েদের জন্য ফ্রেশ ফল কিনে আনব।
ফল বিক্রেতা ভাবে
আমি আমে ক্যালসিয়াম কার্বনেট মিশাইয়া লই, সেই আম বিক্রি করে বাজার থেকে ফ্রেশ দুধ কিনে আমার সন্তানদের খাওয়াব।
সবজি বিক্রেতা ভাবে আমি সবজি তাজা রাখতে সবজিতে ইথানল মিশাইয়া লই, তারপর সেই সবজি বিক্রি করে বাজার থেকে ফ্রেশ মাছ কিনে ছেলে মেয়েদের খাওয়াব।
মাছ বিক্রেতা ভাবে
আমি মাছে ফর্মালিন দিয়া মাছ তাজা রাখি,তারপর সেই মাছ বিক্রি করে বাজার থেকে মাংস কিনে ছেলে মেয়েদের খাওয়াব।
মাংস বিক্রেতা ভাবে
আমি তাজা মাংস,পঁচা মাংস মিক্স কইরা বেইচ্চা লই,সেই টেকা দিয়া বাজার থেইকা পোলা মাইয়ারে ফ্রেশ মাছ কিইন্না খাওয়ামু।
সরকারি চাকুরীজিবি ভাবে এই ফাইলের জন্য অতিরিক্ত যা কিছু নিতে পারব তা দিয়ে ছেলে মেয়েদের জন্য শপিং করে দিব।
কাপড়ের দোকানি ভাবে ভালো কোয়ালিটির মালের লগে কিছু রিজেক্ট কাপড় মিশাই রাখি,লাভের পরিমান একটু বাড়লে সন্তানদের ভালো স্কুলে পড়াতে পারব।
এরকম প্রায় প্রতিটি পেশাজিবি মানুষেরা শুধু মাত্র নিজেদের সন্তানদের কথা ভেবে অন্যের সন্তানদের ক্ষতি করে চলেছে।
অতঃপর এভাবেই বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে নিশ্চিত হয়ে চলছে ভেজালের সুষম বন্টন !!
©কপিকৃত।
27/08/2022
চিপস খাওয়া থেকে সাবধানঃ☠️
কথায় আছে- "এক প্যাকেট চিপস কেনা মানে টাকা দিয়ে বাতাস কেনা"। গ্যাস দিয়ে চিপসের প্যাকেট ফুলিয়ে রাখাকে Slack Filling বলে। আর ভিতরে নাইট্রোজেন গ্যাস দেয়া হয় দুইটি কারনে-
১. বাইরের প্রেশারে যেন চিপস না ভেঙে যায়।
২. নাইট্রোজেন গ্যাস চিপ্স কে দীর্ঘদিন মচমচা রাখে।
আসুন এবার স্বাদের জিনিসে বিস্বাদের গল্প শুনাই।।
বাচ্চারা কাঁদে, তাই তার হাতে চিপস দিলেন। বাচ্চা ঠান্ডা! কিন্তু এইটা দিয়ে যে বাচ্চার ভবিষ্যত শেষ করে দিলেন সেটা থেকে যায় অজানায়। ১৯৯০ সালের দিকে বাংলাদেশে প্রথম আলুর চিপস বানানো শুরু করে। মাত্র ৩০ বছরের ইতিহাসে এই আলুর চিপস বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছে।। যদিও আমেরিকা আলু চিপস আবিষ্কৃত হয় ১৮৫৩ সালে এক্সিডেন্টাল ভাবে।
আসুন জেনে নেই - এই চিপস কিভাবে সব পাল্টায় দিলো। বাংলাদেশের ৩০ বছরের উপরে ৩০% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে।। আর ৫০ বছরের উপরে প্রায় ৬৫% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে। এই হিসেবে বাংলাদেশে কয়েক কোটি প্রেশারের রোগী আছে। যদিও ডায়াগনোসিস হয় বা হইছে ১০% এর কম। এতো প্রেশার কই থেকে আসল দেশে। আর এতো অল্প বয়সে প্রেশারে কেমনে ধরে?
আমরা জানি চিপসের প্রতি এক আউন্সে সোডিয়াম থাকে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম। তাও ভালো আয়ন পিউর সোডিয়াম ক্লোরাইড না। মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, বা টেস্টিং সল্ট। খাইতে খুব মজা লাগে। কিন্তু প্রতিদিন উচ্চ ডোজে শরীরে লবণ প্রবেশ করছে। এই লবন জীবনের শুরু থেকেই আপনার Renin Angiotensin system কে উত্তেজনার সিগনাল দিয়ে যায়। সে তখন Aldoesterone সাথে পাল্লা দিয়া শরীরের ফ্লুইড ভলিউম বাড়িয়ে রাখে। সাথে সাথে Hyperosmolarity এর জন্য ADH release হতে থাকে। শুরু হয়ে যায় অল্প বয়সেই হাই প্রেশার। চিপস এ যেহেতু হাই ক্যালরি আলু কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই তারা শরীরে সহজেই জমা হতে পারে। সেই জমার ফলে খুব দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে। সাথে বাড়ে চর্বিও। সেই চর্বি জমা হয় রক্তনালীতে। রক্তনালী হার্টে বন্ধ হলে হার্ট এটাক। আর ব্রেইনে বন্ধ হলে স্ট্রোক অবধারিত (Ischemic stroke).. আর আগেই সৃষ্ট হাই প্রেশারে রক্তনালী ছিড়ে যেতে পারে। তাতে হবে Hemorrhagic stroke... হাই ক্যালরি influence এ বার বার ইনসুলিনের বেটা সেল ধ্বংসের পায়তারাও চলে পাশাপাশি।
এক সময় ধরা পড়ে ডায়াবেটিস। এছাড়াও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট শরীরে ক্যান্সার তৈরির রিস্ক ফ্যাক্টর!