সাবস্টেশন কি? সাবস্টেশনের কাজ কি?
উত্তরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার একটি অংশ।
পাওয়ার সাবস্টেশন কত প্রকার ও কি কি?
Generating Substation:
মুলত পাওয়ার প্ল্যান্ট গুলো যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জেনারেটিং সাবস্টেশন বলে।
Grid Substation:
পরিবহনকারী তার (transmission line) সমূহ এই গ্রীড সাবস্টেশন নামে পরিচিত।
Secondary Substation:
শিল্প ও কল-কারখানায় নিজস্ব transformer গুলো সেকেন্ডারি সাবস্টেশন নামে পরিচিত। এগুলো অনেক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন।
Distribution Substation:
বাসা-বাড়ি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ ইত্যাদি সাধারন ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ যেখান থেকে করা হয়, সেটাই ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশন।
Engineering Solution
When you get some free time pls study.
সুইচগিয়ার কাকে বলে?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক সিস্টেমের স্বাভাকিক ও অস্বাভাবিক কার্যকলাপের সংযোগকারী,বিচ্ছিন্নকারী,রক্ষণাবেক্ষণকারী,নিয়ন্ত্রনকারী,পাঠদানকারী ও ভারসাম্য রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি একত্রে অবস্থানকে সুইচগিয়ার বলে। সুইচগিয়ারের মূল উপাদান সুইচ,ফিউজ,সার্কিট ব্রেকার,আইসোলেটর,রিলে,কন্ট্রোল প্যানেল,আর্থিং সুইচ,বাসবার,লাইটিনিং এরেস্টার,কারেন্ট ট্রান্সফরমার,পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার ও ট্রিপিং মেকানিজম ইত্যাদি ।
ফেজ সিকুয়েন্স কি?
উত্তরঃ যে ক্রম অনুসারে পলি ফেজ সিস্টেমের ফেজ ভোল্টেজ গুলো এদের পজেটিভ সর্বোচ্চ মান এবং অন্যান্য তাৎক্ষনিক মান অতিক্রম করে তাকে ফেজ সিকুয়েন্স বলে।
স্কিন ইফেক্ট কি?
উত্তরঃ এসি বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় সে পরিবাহির ভিতরে প্রবেশ না করে উহার সারফেস দিয়ে প্রবাহিত হতে চেষ্টা করে এটাকে স্কিন ইফেক্ট বলে। স্কিন ইফেক্ট এর কারনে লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়, ফলে লাইন লসও বৃদ্ধি পায়।
১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
উত্তরঃ হর্সপাওয়ার কাজ বা ক্ষমতা (পাওয়ার) মাপার একক । ১ হর্সপাওয়ার ৭৪৬ ওয়াটের সমান যা প্রতি মিনিটে ৩৩,০০০ ফুট–পাউন্ডের সমান।
ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তর : কারেন্ট: কোন পরিবাহির মধ্যে দিয়ে মুক্ত ইলেকট্রনসমূহ প্রবাহিত হওয়াকে কারেন্ট বলে৷ভোল্টজ: এই ইলেকট্রন সমূহ স্থানচূত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন হয় তাকে ভোল্টজ বলে৷এটা মূল পার্থক্য।
পিএলসি কি? কেন পিএলসি ব্যাবহার করি?
উত্তর : প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলার ৷ ফুল একটি প্রোগ্রাম সিস্টেম কে কন্ট্রোল করার জন্য৷
সার্ভো ড্রাইভ মোটর কি?
উত্তর : লোড নিয়ন্তণ করা নির্দিষ্ট লোড অনুযায়ী জ্বালানী সরবরাহ দেওয়া৷
সার্কিট ব্রেকারে আগুন লাগলে কিভাবে নিভাবেন?
উত্তর : CO2 ফায়ার সিলিন্ডার দ্বারা৷
একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে আপনি প্রথমে কি করবেন?
উত্তর : প্রথমে মেইন সুইচ অফ করব৷
সাধারণত পিটির সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হয়?
উত্তর : 110 ভোল্ট৷
একটি সিটির রেশিও বলুন।
উত্তর : সিটির রেশিও 100/5.
আমরা সিটি/পিটি কেন ব্যবহার করি?
উত্তর : CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
রিলে কি? কেন ব্যবহার করি? একটি ব্যবহার খেত্র বলেন।
উত্তর : রিলে এমন একটি সয়ংক্রীয় ডিভাইস, যেটি বৈদ্যুতিক সার্কিট এ কোন ফল্ট সংঘটিত হলে, সার্কিট এর প্রটেকটিভ ডিভাইস গুলো কে সয়ংক্রীয় ভাবে অপারেট করে এবং ফল্টযুক্ত অংশ কে ফল্টবিহীন অংশ হতে আলাদা করে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে৷
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জেনারেশন ভোল্টেজ কত?
উত্তর : 11 হাজার ভোল্ট৷
পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট কেন করি?
উত্তরঃ রিয়্যাক্টিভ পাওয়ারের মান কমানোর জন্য,এক্টিভ পাওয়ার মান বাড়ানোর জন্য৷
রেজিস্ট্যান্স কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহির যে বৈশিষ্ট্যর কারনে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় উক্ত বৈশিষ্ট্যকে রেজিস্ট্যান্স বলে । রোধকে R দিয়ে প্রকাশ করে হয়ে থাকে। এর একক ওহম (Ω) ।
ওহম কাকে বলে?
উত্তরঃ কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের মান ১ ভোল্ট হলে তার মধ্য দিয়ে যদি ১ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ চলে তবে সেই পরিবাহকের রোধকে ১ ওহম (Ω) বলে।
ওহমের সূত্র কাকে বলে?
উত্তরঃ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন একটি পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবাহীর দুই প্রান্তের মধ্যকার বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক এবং রেজিস্ট্যান্সের ব্যাস্তানুপাতিক।“
প্রাইম মুভার কি?
উত্তরঃ এটি এমন এক ধরনের মেশিন যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় আর এই বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করার জন্য একটি চুম্বক-ক্ষেত্র এবং একটি আর্মেচার যার উপরি ভাগে তারের কয়েল প্যাঁচানো থাকে এবং যাকে যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে চুম্বক ক্ষেত্রে ঘুরানো হয়। আর যে যন্ত্রের মাধ্যমে একে ঘুরানো হয় তাকে প্রাইম মুভার বলে যেমনঃ টারবাইন।
কারেন্ট কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে । ইহাকে I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.) ।
ভোল্টেজ কাকে বলে?
উত্তরঃ ভোল্টেজ হল এক ধরনের বৈদ্যুতিক চাপ । পরিবাহীর অভ্যন্তরীণ থাকা ইলেকট্রন (ঋণাত্মক কনিকা) সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে ফোর্স বা চাপের প্রয়োজন হয় তাকে ভোল্টেজ বলে ।ভোল্টেজের প্রতীক হলো V এবং এর একক হলো ভোল্ট (Volt) ।
পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ
এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কম হলে কি হয়?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কম হলে (ক) কারেন্ট বেশি প্রবাহিত হয়, (খ) কপার লস বৃদ্ধি পায়, (গ) তাপ বেড়ে যায়, (ঘ) আউটপুট কমে যায়, (ঙ) ভোল্টেজ ড্রপ বেড়ে যায়, (চ) বিভিন্ন বৈদ্যুতিক মেশিনারি তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়, (ছ) বিভিন্ন বৈদ্যুতিক মেশিনারি ও অ্যাপ্লায়েন্সের আয়ুষ্কাল কমে যায়।
পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল না কম হলে ভাল?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল ।
আল্টারনেটরের আর্মেচার স্থির রেখে ফিল্ড ঘুরানোর সুবিধাগুলো কি কি?
উত্তরঃ আল্টারনেটরের আর্মেচার স্থির রেখে ফিল্ড ঘুরানোর সুবিধাগুলো হলঃ-
ফিল্ড ওয়েন্ডিং এর চেয়ে আর্মেচার ওয়েন্ডিং অনেক জটিল তাই আর্মেচার ওয়েন্ডিং কে ঘুরানোর চেয়ে স্থির রাখা সুবিধাজনক।
আর্মেচার ওয়েন্ডিং এ বেশি সংখ্যক কন্ডাক্টর থাকে ফলে ইহা বেশ বড় ও ভারী।ইহাকে ঘুরাতে হলে বড় ধরনের প্রাইম মুভারের দরকার হয় । তাই স্টেটর বা আর্মেচারকে স্থির রাখা হয়।
আর্মেচারকে উচ্চ ভোল্টেজে স্থির রেখে ইন্সুলেশন করা সুবিধাজনক।
অতি উচ্চ ভোল্টেজকে ঘুরন্ত অবস্থায় স্লিপ রিং ও কার্বন ব্রাশের মাধ্যমে সংগ্রহ করা বেশ জটিল।
আর্মেচারকে স্থির রাখলে সেন্টিফিউগাল ফোর্স হতে রক্ষা পওয়া যায়।
আর্মেচারকে স্থির রাখলে এতে অনেক বেশি সংখ্যক কন্ডাকটর বসানো যায়।
অল্টারনেটরের ভোল্টেজ রেগুলেশন ও সমীকরণ কি?
উত্তরঃ একটি অল্টারনেটরের নো লোড ভোল্টেজ ও ফুল লোড ভোল্টেজ এর পার্থক্যকে ফুল লোড ভোল্টেজ দ্বারা ভাগ করে এর শতকরা প্রকাশ করলে তাকে ভোল্টেজ রেগুলেশন বলে।
অর্থাৎ ভোল্টেজ রেগুলেশন =[ ( নো লোড ভোল্টেজ – ফুল লোড ভোল্টেজ)/ ফুল ভোল্টেজ ] *১০০
আল্টারনেটরের কি কি লস হয়?
উত্তরঃ আল্টারনেটরের লস- সমূহঃ
কোর লসঃইহা আবার দুই প্রকার।১) এডি কারেন্ট লস ২) হিস্টেরেসিস লস
কপার লসঃ ইহা আবার দুই প্রকার।১) আর্মেচার লস ২) ফিল্ড কপার লস
স্টে লোড লস
সিনক্রোনাইজিং এর শর্ত গুলো কি কি?
উত্তরঃ সিনক্রোনাইজিং এর শর্ত হলো তিনটি।যথাঃ
i) পোলারিটি এক হতে হবে।
ii) ফেজ সিকোয়েন্স এক হতে হবে।
iii) অল্টারনেটরের স্পীড এমন হতে হবে যেন সবগুলো ফ্রিকুয়েন্সী এক হয়।
সিনক্রোনাইজিং কি ও এটা করার উদ্দেশ্য কি?
উত্তরঃ সার্কিটের লোড বৃদ্ধি পেলে একটি অল্টারনেটর দ্বারা বর্ধিত চাহিদা পূরন করা সম্ভব নয়।এমন অবস্থায় দুই বা ততোদিক অল্টারনেটরকে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে প্যারালাল অপারেশনে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত লোডের চাহিদা পূরণ করার পদ্বতিকে সিনক্রোনাইজিং বলে।
উদ্দেশ্যঃ i)সর্বোচ্চ দক্ষতা পাওয়ার জন্য
ii)সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য
iii)মেরামত ও ওভার হোলিং করার জন্য
iv)ভবিষ্যতে বর্ধিত লোড বহন করার জন্য।
অল্টারনেটরের রেটিং KW না লিখে KVA তে লিখা হয়ে থাকে কেন?
উত্তরঃ অল্টারনেটরের রের্টিং KW না লিখে KVA তে লিখা হয় কারণ অল্টারনেটরের কপার লস নির্ভর করে উহার কারেন্ট এর উপর এবং কোর লস নির্ভর করে উহার ভোল্টেজের উপর।অর্থাৎ মোট লস নির্ভর করে কারেন্ট ও ভোল্টেজের উপর কিন্তু উহাদের ফেজ এঙ্গেলের উপর নয়।কিলোওয়াট রের্টিং এর সাথে পাওয়ার ফ্যাক্টর জড়িত থাকে কিন্তু প্রস্তুতকারী কোম্পানির জানা থাকে না উহাতে কোন ধরনের পাওয়ার ফ্যাক্টর ব্যবহিত হবে।পাওয়ার ফ্যাক্টর পরিবর্তনের সাথে মোট লসের কোন সম্পর্ক নেইে।এজন্য মূলত অল্টারনেটরের রের্টিং KW না লিখে KVA তে লিখা হয়।
দশটি সেন্সরের নাম বলো।
উত্তরঃ i) Battery Volt Sensor ii) Water Temperature Sensor iii) Water Pressure Sensor iv) L**e Oil Temperature Sensor v) Cylinder Temperature Sensor vi) Pic up Sensor vii) Intake Manifold Sensor viii) Exhaust Manifold Sensor ix) Oil Pressure Sensor x) Knock Sensor xi) PT 100 Sensor
আন্ডার ফ্রিকোয়েন্সি কি?
উত্তরঃ জেনারেটরের আন্ডার ফ্রিকোয়েন্সি হচ্ছে কোন ডিভাইসের নির্দিষ্ট রেঞ্জের নিচের যখন ফ্রিকোয়েন্সি অবস্থান করে তখন তাকে আন্ডারফ্রিকোয়েন্সি বলে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Narayanganj