Ruqyah center Bangladesh

Ruqyah center Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruqyah center Bangladesh, dashergong, bandor, Narayanganj.

১৬ বছরের অভিজ্ঞতায় কুরআন-সুন্নাহর আলোকে চিকিৎসা ও পরামর্শ।
জিনের প্রভাব, জাদু-টোনা, বদনজর, দাম্পত্য সমস্যা,সন্তান না হওয়া,ব্যবসায় ক্ষতি ও দীর্ঘস্থায়ী বিভিন্ন সমস্যায় পরামর্শভিত্তিক সেব।

11/07/2026

📌📌রুকিয়াহ আধ্যাত্মিক চিকিৎসা ও সুরক্ষার প্যাকেজসমূহ📌📌
​--------------------------------------------------------------------------------

​১. রুকইয়াহ আল-আজিল (Ruqyah Al-Aajil)
​অর্থ: দ্রুত ও তাৎক্ষণিক কাট (শর্ট-টাইম চিকিৎসা)
👉​মেয়াদ: ১৫ দিন
👉 ০২টি সেশন
👉​মোট হাদিয়া: ৭,৫০০ টাকা
👉​পরিশোধ পদ্ধতি: ২ ধাপে পরিশোধযোগ্য (চিকিৎসা শুরুর আগে এবং শুরুর দিন)।
​যাদের জন্য: যারা হঠাৎ কোনো অস্বস্তি বা প্রাথমিক সমস্যার দ্রুত সমাধান চাচ্ছেন।
-----------------------------------------

​২. প্যাকেজ আল-বুরহান (Package Al-Burhan)
👉​​মেয়াদ: ১ মাস (৩০ দিন)
👉০৪টি সেশন
​মোট হাদিয়া: ১৬,৭০০ টাকা
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ৫,০১০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ৬,৬৮০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ৫,০১০ টাকা
​যাদের জন্য: প্রাথমিক স্তরের রুকইয়াহ চিকিৎসা, যা সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত ও নিরাময় করে।
-----------------------------------------
​৩. প্যাকেজ আস-সারিম (Package As-Saarim)
​অর্থ: ধারালো তলোয়ার (জিনের আছর কাটার জন্য)
​মেয়াদ: ২ মাস (৬০ দিন)
​মোট হাদিয়া: ২১,৭০০ টাকা
👉০৮টি সেশন
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ৬,৫১০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ৮,৬৮০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ৬,৫১০ টাকা
​যাদের জন্য: জিনের আছর, বদনজর এবং মাঝারি ধরনের নেতিবাচক প্রভাব চিরতরে কাটার জন্য।
---------------------------------------

​৪. প্যাকেজ আল-আজিম (Package Al-Azeem)
​অর্থ: শক্তিশালী ও সুদৃঢ় চিকিৎসা (জটিল জাদু)
👉​মেয়াদ: ৩ মাস (৯০ দিন)
👉 ১২টি সেশন
​মোট হাদিয়া: ২৯,৭০০ টাকা
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ৮,৯১০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ১১,৮৮০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ৮,৯১০ টাকা
​যাদের জন্য: দীর্ঘদিনের পুরনো, জটিল ও অবাধ্য জাদুর (Black Magic) প্রভাব সম্পূর্ণ ধ্বংস করার জন্য।
-----------------------------------------
​৫. প্যাকেজ আশ-শামেল (Package Ash-Shamel)
​অর্থ: সর্বব্যাপী ও চতুর্মুখী শক্তিশালী সুরক্ষা
​👉 ৪ মাস (১২০ দিন)
👉১৬টি সেশন
​মোট হাদিয়া: ৩১,৭০০ টাকা
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ৯,৫১০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ১২,৬৮০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ৯,৫১০ টাকা
​যাদের জন্য: শরীর, পরিবার এবং বাসস্থানকে সব ধরনের শয়তানি আক্রমণ থেকে চারপাশ দিয়ে ঘিরে সুরক্ষিত রাখার জন্য।
----------------------------------------
​৬. প্যাকেজ আল-কাতি’ (Package Al-Qaati’)
​অর্থ: সমূলে উপড়ে ফেলা বা চূড়ান্তভাবে বিচ্ছিন্ন করা
​মেয়াদ: ৫ মাস (১৫০ দিন)
👉২০টি সেশন
​মোট হাদিয়া: ৩৭,০০০ টাকা
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ১১,১০০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ১৪,৮০০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ১১,১০০ টাকা
​যাদের জন্য: যেসব সমস্যা বা জাদু বারবার ফিরে আসে, সেগুলোকে শরীর ও মন থেকে সমূলে উপড়ে ফেলার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা।
-----------------------------------------

​৭. প্যাকেজ আল-কালা’হ (Package Al-Qala'ah)
​অর্থ: দুর্ভেদ্য কেল্লা বা চিরস্থায়ী দুর্গ (বংশগত জাদু)
👉​মেয়াদ: ৬ মাস (১৮০ দিন)
👉২৪টি সেশন
👉​মোট হাদিয়া: ৪১,৭০০ টাকা
​👉​১ম ধাপ (৩০%): ১২,৫১০ টাকা
👉​২য় ধাপ (৪০%): ১৬,৬৮০ টাকা
👉​৩য় ধাপ (৩০%): ১২,৫১০ টাকা
​যাদের জন্য: বংশগত জাদু ও অতি প্রাচীন জটিল সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তি এবং ভবিষ্যতের জন্য এক শক্তিশালী আত্মরক্ষা।
-----------------------------------------

​⚠️ নো-রিফান্ড ও বিশেষ শর্তাবলী (বাধ্যতামূলক)

​🚫 নো-রিফান্ড পলিসি (টাকা ফেরত অযোগ্য): কোনো রোগী আংশিক বা অর্ধেক চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ার পর নিজে থেকে চিকিৎসা বন্ধ করতে চাইলে, পূর্বের জমা দেওয়া কোনো টাকা ফেরত (Refund) দেওয়া হবে না। কারণ, রাকির শ্রম, সময় এবং চিকিৎসায় ব্যবহৃত উপকরণ ইতিমধ্যেই ব্যয় হয়ে গেছে।
-----------------------------------------

​👑 ভিআইপি (VIP) ক্যাটাগরি: ভিআইপি রোগীদের ক্ষেত্রে কোনো কিস্তি সুবিধা নেই। কাজ শুরুর দিনই ১০০% হাদিয়া অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।
-----------------------------------------

​🤝 দরিদ্র তহবিল (অসচ্ছল ভাই-বোনদের জন্য): সমাজের প্রকৃত অসচ্ছল ও দরিদ্র রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড় বা ফ্রিতে চিকিৎসা করার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর জন্য সঠিক প্রমাণসহ সত্যতা যাচাই করা হবে। সত্যতা প্রমাণিত হলে রাকির পারিশ্রমিক সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে, তবে রুকইয়াহর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ও উপকরণের মূল কেনা দাম (Cost Price) রোগীকে দিতে হবে।
-----------------------------------------

​📞 যোগাযোগ ও সিরিয়ালের জন্য: আপনার সমস্যার গভীরতা বুঝতে এবং সঠিক প্যাকেজটি বেছে নিতে হোয়াটসঅ্যাপে কল করুন অথবা সরাসরি কল করুন:
(আল্লাহ আপনাকে পূর্ণ শিফা দান করুন।)

Ruqyah Center bangladesh
দাশেরগাও, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ
01998765809।

কেন আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করাবেন? ​অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাজারে তো অনেকেই রুকইয়াহ করেন, তাহলে আমাদের বিশেষত্ব কী?​উত্তর হ...
10/07/2026

কেন আমাদের মাধ্যমে রুকইয়াহ করাবেন?

​অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাজারে তো অনেকেই রুকইয়াহ করেন, তাহলে আমাদের বিশেষত্ব কী?
​উত্তর হলো: আমাদের রুকইয়ার সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—পবিত্র কুরআনের বরকতে আপনি নিজেই নিজের চিকিৎসার স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী হতে পারবেন!

🕋​ আমাদের রুকইয়ার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

​👁️ নিজের চোখে সমস্যা দেখা:
এখানে ছোট-বড় যেকোনো রোগী, রোগীর পরিবারের সদস্য অথবা সম্পূর্ণ অপরিচিত কোনো ব্যক্তি—যার দেখার ক্ষমতা ও আত্মিক শক্তি আছে, তিনি আল্লাহর রহমতে নিজের চোখেই সব সমস্যা দেখতে পাবেন।

​🔍 নিখুঁতভাবে জাদুর উৎস চিহ্নিতকরণ:
যিনি দেখতে পাবেন, তিনি তার বিশ্বাসের যেকোনো মানুষের সমস্যাও স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে পারবেন। কে বা কারা, কোথায় এবং কী ক্ষতি করেছে—তা একদম আপনার সামনে প্রকাশ পাবে, ইনশাআল্লাহ।

​📍 তা সে যেকোনো জায়গাতেই লুকানো থাকুক না কেন:

​🏡 বাড়ি-ঘরে বা ভিটায় পুঁতে রাখা জাদু

​🪦 কবর, গোরস্থান বা রাস্তাঘাটে লুকানো কুফরি

​⛩️ মন্দিরে বা নির্জন স্থানে করা ক্ষতিকারক কাজ

​🌊 নদীতে ফেলে দেওয়া বা মাছের পেটে লুকিয়ে রাখা জাদুর প্রভাব

​💪 কুরআনের অলৌকিক ক্ষমতা:
আল্লাহর কালামের অলৌকিক শক্তিতে আপনি কেবল এসব দেখতেই পাবেন না, বরং:

​❌ জাদুর প্রভাব সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে পারবেন।
​🧝‍♂️ ক্ষতিকারক জিন তাড়াতে (বা জিন জ্বালাতে) পারবেন।

​⛓️ যেকোনো জটিল বন্ধন চিরতরে কাটতে পারবেন—ইনশাআল্লাহ।

​🛡️ কুরআনি চিকিৎসার ওপর ভরসা রাখুন, সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।

Ruqyah Center bangladesh
দাশেরগাও, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ
​📞 ০১৯৯৮-৭৬৫৮০৯
📩 যেকোনো জিজ্ঞাসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন।
​ #রুকইয়াহ #কুরআনি_চিকিৎসা #সুস্থতা #ইসলামিক_চিকিৎসা

👁️‍🗨️​ চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠত মূর্তি, বলত—"আমি তোমার খোদা!" (নাউজুবিল্লাহ)👉​ভারত থেকে আসা মধ্যবয়সী এক বোনের কেসটি আমার ...
09/07/2026

👁️‍🗨️​ চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠত মূর্তি, বলত—"আমি তোমার খোদা!" (নাউজুবিল্লাহ)

👉​ভারত থেকে আসা মধ্যবয়সী এক বোনের কেসটি আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের রুকইয়াহ জীবনের অন্যতম জটিল একটি ঘটনা। আজান দিলে সমস্যা শুরু হতো, নামাজে বসলেই বেহুঁশ হয়ে যেতেন, আর কোরআনের আয়াত শুনলে কষ্ট বেড়ে যেত বহুগুণ। তীব্র আক্রমণের কারণে রোগীকে সরাসরি কোরআন শোনানো বা চিকিৎসা করাও সম্ভব ছিল না। ইন্ডিয়ার বড় বড় রাকী ও কবিরাজ দেখিয়েও কোনো কাজ হয়নি।
​অবশেষে তারা আমাদের সন্ধান পান। ভৌগোলিক দূরত্ব এবং রোগীর তীব্র অসুস্থতার কারণে আমরা রোগীকে সরাসরি না জড়িয়ে, বাংলাদেশে বসে আমাদের নিজস্ব ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষ লোক বা সহকারীদের মাধ্যমে দূর থেকেই ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা শুরু করি। আল্লাহর কালামের নূরে সজ্ঞানেই ভেসে উঠল জাদুর মূল উৎস। জানা গেল, পুরো পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে 'জিন চালান' দেওয়া হয়েছে!

👉​আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর কালামের শক্তির সামনে জাদুর চক্রান্ত ধুলোয় মিশে গেছে। মাত্র ১ সপ্তাহেই পুরো পরিবার এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক! এর চেয়েও কঠিন কঠিন কাজ আল্লাহ আমাদের দ্বারা সহজ করেছেন। কারণ আল্লাহ চাইলে সব সহজ!
​নিচে আমাদের এই বিশেষ ও অলৌকিক অভিজ্ঞতাভিত্তিক পুরো আর্টিকেলটি তুলে ধরা হলো:
​কোরআনিক রুকইয়াহর মাধ্যমে জাদুর উৎস অনুসন্ধান ও নিরাময়: একটি বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক পদ্ধতি
(২০১১ সাল থেকে কর্মরত একজন অভিজ্ঞ রাকী)

​১. ভূমিকা (Introduction)
​বর্তমান বিশ্বে মুসলিম উম্মাহর একটি বড় অংশ জিন, জাদু (সিহর), এবং বদনজরের মতো মারাত্মক আধ্যাত্মিক ব্যাধিতে আক্রান্ত। এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দেওয়া অন্যতম বড় নিয়ামত হলো 'রুকইয়াহ শারইয়াহ'। তবে সাধারণ মানুষের মাঝে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে, রুকইয়াহ মানেই হলো কেবল রোগীকে কিছু তিলাওয়াত বা অডিও শুনিয়ে দেওয়া।
​দীর্ঘ ১৫ বছর (২০১১ থেকে বর্তমান) রুকইয়াহর ময়দানে প্রত্যক্ষ কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দেখেছি যে, রুকইয়াহর পরিধি কেবল তিলাওয়াত শোনার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। কোরআনের আয়াতের ভেতরে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এমন এক অলৌকিক ক্ষমতা ও নূর রেখেছেন, যার মাধ্যমে জাদুর ধরন, জাদুর স্থান এবং উপাদান চাক্ষুষ দেখে তা ধ্বংস করা সম্ভব। তীব্র আক্রান্ত রোগীর কষ্ট না বাড়িয়ে, নিরাপদ উপায়ে জাদুর মূল শিকড় উপড়ে ফেলার বিশেষ পদ্ধতিটি নিয়েই এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হলো।
​
২.শরয়ী ভিত্তি ও মূলনীতি(The IslamicFoundation)
​আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন:
​"আমি কোরআনে এমন কিছু অবতীর্ণ করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত..." (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৮২)।

​কোরআনের আয়াত কেবল রোগ নিরাময়ই করে না, বরং এটি অন্ধকারের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী আলো হিসেবে কাজ করে। যখন পূর্ণ ইখলাসের সাথে আল্লাহর কালাম পাঠ করা হয়, তখন আল্লাহর বিশেষ রহমতে এবং আয়াতের বরকতে মানুষের অন্তর্দৃষ্টি বা 'বাছীরাহ' উন্মোচিত হতে পারে। এটি কোনো জাদুটোনা বা গণকের কাজ নয়, বরং সজ্ঞানে থেকে কোরআনের নূরের মাধ্যমে অদৃশ্য চক্রান্তের পর্দা উন্মোচিত হওয়া। যখন জাদুর স্থান বা মাধ্যম স্পষ্ট হয়ে যায়, তখন দূর থেকেই জাদুর প্রভাব নষ্ট করা অনেক সহজ ও নিখুঁত হয়।

​৩. রোগ নির্ণয় ও চাক্ষুষ দর্শনের বিশেষ প্রক্রিয়া (Methodology)
​আমার দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিটি নিম্নরূপ:
​শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পবিত্রতা: চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের আগে সুন্দরভাবে ওজু করিয়ে নেওয়া হয়। রাকী এবং সাহায্যকারী দল পূর্ণ পবিত্রতা ও ইখলাসের সাথে প্রস্তুতি নেন।
​সজ্ঞানে মনোযোগ স্থাপন: পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অচেতন বা অবশ করা হয় না। সবাইকে সম্পূর্ণ সজ্ঞানে রাখা হয়।
​উৎস দর্শন ও যোগ্যতার ভিন্নতা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়): কোরআনের আয়াতের বরকতে এবং আল্লাহর বিশেষ হুকুমে এই চাক্ষুষ দেখার ক্ষমতাটি কার্যকর হয়। তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা দরকার—সবাই কিন্তু এই দৃশ্য দেখতে পায় না। কেবল যার ভেতরে দেখার মতো বিশেষ আত্মিক শক্তি বা পাওয়ার (ক্ষমতা) সচল থাকে, সে-ই দেখতে পায়।
​তীব্র রোগীর ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষ মেথড: তীব্র জিন চালান বা জাদুতে আক্রান্ত রোগীকে সরাসরি কোরআনের আয়াত শোনালে সে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে, যা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এই কারণে আমরা রোগীকে সরাসরি না জড়িয়ে, বাংলাদেশে বসে আমাদের নিজস্ব ক্ষমতাসম্পন্ন (পাওয়ারফুল) লোক বা সহকারীদের মাধ্যমে দূর থেকেই ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা পরিচালনা করি। আমাদের এই বিশেষ লোকেরা সজ্ঞানে চোখ বন্ধ করে কোরআনের আয়াতের বরকতে আক্রান্ত㶪ক্তির সমস্যার মূল উৎস, জাদুর উপাদান এবং অবস্থান পরিষ্কার দেখতে পান।
​ক্ষতিকারক জিনের প্রতিবন্ধকতা: অনেক সময় দেখা যায় কোনো ব্যক্তির এই বিশেষ দেখার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রথমদিকে কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। এর মূল কারণ হলো—কুফরি জাদু বা ক্ষতিকারক দুষ্ট জিনেরা তাদের চক্রান্ত গোপন রাখার জন্য ওই ব্যক্তির দেখার ক্ষমতাটিকে সাময়িকভাবে ব্লক বা বন্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে রুকইয়াহর মাধ্যমে সেই বন্ধন ও জাদুর প্রভাব কেটে গেলে তিনি আবার সবকিছু দেখতে পান।

​৪. জাদুর প্রভাব নষ্ট করার চূড়ান্ত আমল (Destruction of Sihr)
​যখন আমাদের লোকদের মাধ্যমে জাদুর উৎস ও উপাদান চিহ্নিত হয়ে যায়, তখন কোরআনের আয়াতের ফুঁ এবং বিশেষ আমল দ্বারা দূর থেকেই সেই জাদুর সমস্ত প্রভাব ও বন্ধন নষ্ট করে দেওয়া হয়। আল্লাহর কালামের শক্তির সামনে জাদুর সমস্ত চক্রান্ত পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
​विशेष সতর্কবার্তা: আধ্যাত্মিক চিকিৎসার একটি কঠোর সীমারেখা রয়েছে—আমাদের দ্বারা কেবল আধ্যাত্মিক (জিন ও জাদু সংক্রান্ত) সমস্যার সমাধান সম্ভব, কোনো শারীরিক বা অর্গানিক রোগের চিকিৎসা আমাদের ক্ষেত্র নয়। শারীরিক বিষয়ের জন্য রোগীকে অবশ্যই উপযুক্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

​৫.পরবর্তী সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদী ফলোআপ
(Aftercare & Prevention)
​জাদুর জট বা ঝামেলা কেটে যাওয়ার পর রোগী পুরোপুরি সুস্থতা লাভ করেন। তবে পরবর্তীতে যেন জিন বা জাদুকর নতুন করে কোনো পাল্টা আক্রমণ (Counter-attack) করতে না পারে, সেজন্য রোগীকে একটি শক্তিশালী সুরক্ষার দুর্গের মধ্যে থাকতে হয়।

✅ আমাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার অংশ হিসেবে সুস্থ রোগীকে নিয়মিত নিচের আমলগুলো দেওয়া হয়:
👉​পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামায়াতের সাথে (পুরুষদের জন্য) এবং সঠিক সময়ে আদায় করা।
👉​প্রতি ফরয সালাতের পর বাধ্যতামূলকভাবে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা।
👉​সকাল-সন্ধ্যার আমল হিসেবে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস (তিন কুল) পাঠ করা।
👉​মানসিক প্রশান্তি, মনের ভয় এবং জিনের ওয়াসওয়াসা দূর করতে সূরা আল-ইমরানের ১৫৪ নম্বর আয়াতটি প্রতিদিন ২৯ বার মনোযোগ দিয়ে শোনা বা পাঠ করা।

​রোগীর অবস্থা প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং যতদিন প্রয়োজন, ততদিন নিয়মিত চেক দেওয়া হয়। যতক্ষণ না রোগী পুরোপুরি ঝামেলামুক্ত হচ্ছেন, ততক্ষণ এই তদারকি জারি থাকে।

​৬. কেস স্টাডি: দূরদূরান্তের জটিল কেস এবং অনলাইন রুকইয়াহর সাফল্য (Case Study)
​আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের চিকিৎসা জীবনে দেশ-বিদেশের অসংখ্য জটিল ও অলৌকিক কেস সমাধানের সৌভাগ্য আল্লাহর রহমতে হয়েছে। তার মধ্যে সম্প্রতি ভারত থেকে আসা এই নিউদিল্লির কেসটি রুকইয়াহর ময়দানে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

✅✅রোগীর বিবরণ ও লক্ষণ: রোগী ছিলেন ভারতের নিউদিল্লির বাসিন্দা, একজন মধ্যবয়সী নারী। হঠাৎ করেই তার মধ্যে অত্যন্ত অদ্ভুত ও ভয়াবহ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। তিনি একা একা হাসতেন, আবার হঠাৎ করে কেঁদে উঠতেন। নামাজে বসলেই তিনি বেহুঁশ হয়ে যেতেন, আজান দিলেই সমস্যা শুরু হতো এবং রুকইয়ার আয়াত বা কোরআন তিলাওয়াত শুনলে কষ্ট আরও বহুগুণ বেড়ে যেত। সবচেয়ে ভীতিজনক বিষয় ছিল—চোখ বন্ধ করলেই তিনি একটি ভৌতিক মূর্তি দেখতে পেতেন। সেই মূর্তিটি নিজেকে তার খোদা দাবি করত (নাউজুবিল্লাহ)। কিন্তু ওই বোনটি যখনই ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বলতেন, "না, আমার মালিক একজন, তিনি আমার রব আল্লাহ", ঠিক তখনই তার ওপর পাল্টা আক্রমণ হতো। শরীর প্রচণ্ড ঘামতে শুরু করত, অদৃশ্য কেউ যেন তার গলা চেপে ধরত, কথা বলতে পারতেন না এবং শুধু যন্ত্রণায় গোঙাতে থাকতেন।
​পূর্ববর্তী চিকিৎসার ব্যর্থতা: এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য তার পরিবার ভারতের স্থানীয় অনেক নামকরা রাকী এবং বিভিন্ন কবিরাজের শরণাপন্ন হন। কিন্তু দীর্ঘ চিকিৎসাতেও রোগীর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি, বরং দিন দিন সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করছিল।
​আমাদের রোগ নির্ণয় ও অভিনব পদ্ধতিতে চিকিৎসা: অবশেষে, আমাদের পূর্বের একজন সুস্থ হওয়া রোগীর মাধ্যমে সন্ধান পেয়ে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। যেহেতু ওই বোনটি কোরআনের আয়াত শুনলেই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলেন এবং তাকে সরাসরি শোনানো সম্ভব ছিল না, তাই আমরা ভৌগোলিক দূরত্ব ও রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করি। আমরা রোগীকে সরাসরি যুক্ত না করে, বাংলাদেশে বসে আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞ ও দেখার ক্ষমতাসম্পন্ন লোকদের মাধ্যমে দূর থেকেই এই 'ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ' সম্পন্ন করি। আমাদের বিশেষ পদ্ধতিতে নিশ্চিতভাবে ধরা পড়ে যে, তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী 'জিন চালান' (Jinn Trafficking) এবং কুফরি জাদুর শিকার। আরও গভীরে অনুসন্ধান করে আমরা জানতে পারি, সমস্যাটি শুধু ওই বোনের একার নয়, বরং শত্রুতাবশত তাদের পুরো পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে 'জিন চালান' দিয়ে ধ্বংস করার চক্রান্ত করা হয়েছে।

✅​চিকিৎসার অগ্রগতি ও বর্তমান অবস্থা: সমস্যার গভীরতা বিবেচনা করে আমরা পুরো পরিবারের জন্য যৌথভাবে একটি দীর্ঘমেয়াদী বিশেষ রুকইয়াহ চিকিৎসা শুরু করি। যেহেতু এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর জট, তাই আমরা ২ মাসের একটি পূর্ণাঙ্গ ট্রিটমেন্ট ও চেকআপ প্ল্যান তৈরি করি। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর কালামের অলৌকিক শক্তিতে আমাদের দূরবর্তী চিকিৎসার মাধ্যমে রোগী ক্রমান্বয়ে সুস্থতা অনুভব করতে থাকেন। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হলো, গত ১ সপ্তাহ ধরে ওই বোনটি এবং তার পরিবার সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন। মূর্তি দেখা, গলা চেপে ধরা বা বেহুঁশ হওয়ার মতো কোনো লক্ষণ এখন আর নেই। তবে জাদুর প্রভাব যেন শতভাগ নির্মূল হয়, সেজন্য তিনি ও তার পরিবার পুরো ২ মাস আমাদের কঠোর পর্যবেক্ষণে ও নিয়মিত চেকআপে থাকবেন।

​৭. উপসংহার (Conclusion)
​নিউদিল্লির এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, জাদুর চক্রান্ত যত বড়ই হোক না কেন, সঠিক পদ্ধতিতে রোগ নির্ণয় করে ইখলাসের সাথে আল্লাহর কালাম দিয়ে চিকিৎসা করলে—দূরত্ব কোনো বাধা নয়। রোগীকে সরাসরি কষ্ট না দিয়ে, দূর থেকে নিজেদের অভিজ্ঞ লোক দিয়েও জিন চালানের মতো জটিল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের কাছে এমন হাজারো জীবন্ত প্রমাণ রয়েছে। আসুন, আমরা কবিরাজি বা কুফরি চিকিৎসা বর্জন করে সম্পূর্ণ কোরআন ও সুন্নাহর রুকইয়ার দিকে ফিরে আসি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

​📞 যোগাযোগ ও পরামর্শের জন্য:
Ruqyah Center bangladesh
দাশেরগাও, বন্দর,নারায়ণগঞ্জ
01998-765809

​ #রুকইয়াহ #জাদু_থেকে_মুক্তি #ইসলামিক_চিকিৎসা #অনলাইন_রুকইয়াহ #জিন_জাদু #জিন_চালান

30/06/2026

♦️ জিন ও শয়তান থেকে হেফাজতের আমল♦️ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। জিন ও শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ক্ষতি থেকে বা...

27/06/2026

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনি কি এমন কোনো সমস্যায় আছেন যার কোনো সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? ✨ রুকিয়া সেন....

Address

Dashergong, Bandor
Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah center Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Ruqyah center Bangladesh:

Shortcuts

Share