গোবরা পার্বতীবিদ্যাপীঠকে আমার আভূমি প্রণাম জানাই। ১৯৫২সালে আমি সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হই।তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন প্রণম্য রামগোপাল রায়চৌধুরী, সহশিক্ষক বিনয় মিত্র, শরৎ মিত্র, বিধুভূষণ পালিত,অজিত রায়, সুনীলবাবু(টালুবাবু),এলাহি বকস,শামসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, কালীপদ রায়, উর্দুর শিক্ষকের নাম মনে করতে পারছি না। সকলকে আমার বিনম্র প্রণাম জানাই। আমরা নবম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণীতে উঠার রেজাল্ট পাঠ করেই আমাদের প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় রামগোপাল রায়চৌধুরী ইন্ডিয়ায় চলে আসেন।পরবর্তী প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় আমজাদ হোসেন। তাঁকে আমার আদাব জানাই। পার্বতীবিদ্যাপীঠ তখন পাকা দেওয়াল, টিনের চাল ছিল। এখন অনেক ভালো হয়েছে। পার্বতীবিদ্যাপীঠের বর্তমান প্রধান শিক্ষক, সহশিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও বিনম্র ভালোবাসা জানাই।।
সুবোধ কুমার মোহন্ত
Parbati Bidyapith "08-Batch
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Parbati Bidyapith "08-Batch, Education, Parbati Bidyapith High School, Gobra Bazar, Narail.
21/06/2020
বাবা!!
26/05/2020
🤣🤣🤣🤣
(শ্রদ্ধেয় আনিসুল হক স্যারের টাইমলাইন থেকে.....)
..... করোনা কোনো ধাপ্পাবাজি নয়, হোক্স নয়। এটা বাস্তব। বাংলাদেশে আমরা কেন এত হাল্কাভাবে নিচ্ছি? মানুষকেও ঘরে আটকে রাখা যায় না। যাই, রাস্তায় দেখে আসি, ঘরে কতক্ষণ বসে থাকা যায়? বাইরে বেরুনোর এই অজুহাত কি গ্রহণযোগ্য?
গরমে, আর্দ্রতায় করোনা কমবে না, কারণ এটা বাতাসে ছড়ায় না, মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। আর বিদেশে বাংলাদেশিদের মৃত্যু প্রমাণ করছে যে করোনার রোগ প্রতিরোধক শক্তি আমাদের দেহে অন্য জাতির তুলনায় বেশি বা কম নয়!
লুকাছাপা ভাব লক্ষ্যণীয়। করোনা আমরা বানাই নাই। আপনারা বানান নাই। চার মাস আগে পৃথিবীতেই করোনা ছিল না, লক্ষ লক্ষ কিট আপনাদের জন্য কেউ বানায়ে রাখে নাই। নিজের দেশের নাগরিককে দেশে ঢুকতে দেব না, বলাও মানবাধিকার বা আইনে এলাউ করবে না। যা করার-- তা হলো, ঘরে থাকা, একলা থাকা। পরীক্ষা পরীক্ষা পরীক্ষা। সততা সততা সততা। স্বচ্ছতা স্বচ্ছতা স্বচ্ছতা। সত্য গোপন করে লাভ হবে না, ক্ষতি ছাড়া। বেশি করে পরীক্ষা করুন। সত্য বলুন, লকডাউনের সময় বাড়ান। গরিব মানুষকে সাহায্য করুন। হাসপাতাল রেডি করুন। আলাদা করোনা হাসপাতাল করুন ৬৪ জেলায়। অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর রেডি করুন। ডাক্তার নার্স রেডি করুন। ঢাকায় একাধিক শুধু করোনার হাসপাতাল চালু রাখুন। এখন কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেয়া নয়। এট লিস্ট আউটডোর চিকিৎসা যেন হান্ড্রেড পারসেন্ট রোগী পায়।
এটার বিস্তার ঘটবেই। শতকরা ৭০ জনের না হওয়া পর্যন্ত এই ভাইরাস থামবে না। সুবিধা হলো, আক্রান্তদের তিন ভাগের এক ভাগ জানবেনও না যে তিনি করোনা বহন করছেন। টেরও পাবেন না। অসুবিধা হলো, তারা ছড়াবেন।
এখন দরকার একসাথে যাতে সবাই আক্রান্ত না হয় সেই চেষ্টা করা। মহাবিস্তারটা পিছিয়ে দেয়া। করোনা রোগীকে দেখে না পালানো। করোনায় মৃতকে সঠিকভাবে দাফন কাফন সৎকার করা। আলাদা করোনা হাসপাতাল লাগবে। প্রত্যেক জেলায়। ঢাকায় অনেকগুলো।
হ্যালো, বাংলাদেশ, তুমি কি শুনতে পাচ্ছ?
নিউ ইয়র্ক ভেঙে পড়েছে, বাংলাদেশ, তুমি কি ব্যাপারটাকে সিরিয়াসলি নেবে?
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী, যুক্তরাজ্যের প্রিন্সের করোনা পজিটিভ হলে আমরা কী এমন নবাব হয়েছি, পালোয়ান হয়েছি যে, এ সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবই। আল্লাহর নামে সবাই প্রস্তুত হোন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, আপনারও হবে, এইভাবে প্রস্তুত হোন।
তবে হলেই তো মারা যাব না। তিনজনের একজন জানবেও না যে করোনা ধরেছিল। ৫ জনে চারজন সামান্য উপসর্গের পর আপনাপনিই সেরে উঠবেন। ৫ জনে একজনকে হাসাপাতালে নিতে হতে পারে। আক্রান্ত ৪৫ জনে একজন মারা যেতে পারেন।
সরকার কি প্রস্তুত? নাগরিক, আপনি কি প্রস্তুত? আপনি হাত ধুচ্ছেন? আপনি কি বাড়িতে থাকছেন? আপনি কি চোখে মুখে নাকে হাত দেয়া বন্ধ করেছেন?
ওয়েল, চীনা বিশেষজ্ঞ সবাইকে মাস্ক পরতে বলেছেন। আমাদের সরকারও সবাইকে মাস্ক পরতে বলছে। আমিও সবাইকে মাস্ক পরতে আবেদন জানাচ্ছি। তবে মাস্কে হাত দেবেন না। বাড়িতে এসেই মাস্ক ধুয়ে নেবেন। হাত ধুবেন।
উহানের চেয়েও বড় হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে, বানাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেছে, যে কোন মুহুর্তে কাজ শুরু।
পনেরো কোটি টাকার মেডিক্যাল সরঞ্জাম আর পিপিই দিচ্ছে বেক্সিমকো
নিজেদের জমিতে আকিজ গ্রুপ গড়ে তুলছে তিনশ এক শয্যার স্পেশাল হাসপাতাল, সহযোগিতায় আছে গণস্বাস্থ্য ( এছাড়াও গণস্বাস্থ্য স্বল্পমূল্যে টেস্টিং কিট তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে )
বিদ্যানন্দ, এক টাকার আহার সারাদেশ ব্যাপী প্রায় দশ লক্ষ মানুষের খাবারের আয়োজনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, ডোনেশন ফান্ডে প্রতি মুহুর্তে অর্থ সাহায্য জমা হচ্ছে, পাঠাচ্ছে দেশের ও দেশের বাইরের অসংখ্য বাংলাদেশী
বেতনের অর্ধেক টাকা করোনা তহবিলে দান করেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারা
সেবা, ডেইলি স্টার, সমকাল 'মিশন সেইভ বাংলাদেশ' ব্যানারে সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করতে ক্নাজে মেছে, তাদের সাথে যোগ দিয়েছে সাকিবের ফাউন্ডেশনল। নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় বারশো দরিদ্র পরিবারকে খাদ্যের যোগান দিচ্ছে মাশরাফি
করোনা চিকিৎসায় মিরপুর স্টেডিয়াম ছেড়ে দিতে প্রস্তুত বিসিবি
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বুয়েট আলমনাই, M&S গার্মেন্টসের সম্মিলিত চেষ্টায় চিকিৎসকদের জন্য পিপিই বানানর কাজ শুরু করেছে
নোয়াখালির এমপি ইকরাম ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে
ব্যারিস্টার সুমন নিজের গাড়ি এলাকার হাসপাতালে কাজে ব্যবহারের জন্য দিয়েছে
বস্তায় বসে হিরো আলম নিজ এলাকায় ত্রাণ দিচ্ছে
বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তারগন নিজেরা গ্রুপ তৈরি করে ফোনের মাধ্যমে চব্বিশ ঘণ্টা সেবা প্রদানের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে
আরও দেখেছি, বেড়িবাঁধের এক বাড়িওয়ালা ভারায় থাকা নিম্ন আয়ের মানুষদের বাসা ভাড়া মওকুফ করে দিয়েছে,
একজন ফ্ল্যাটের চাবি দিয়েছিল যেন করোনা চিকিৎসায় তার নতুন কেনা ফ্ল্যাট ব্যবহার করা হয়,
রাজধানীর প্রধান সড়কে তিন অচেনা যুবক নিজে থেকে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছে গাড়িতে রিক্সায়, ভ্যানে,
সাত মসজিদ রোডের এক ছোট্ট মুদির দোকানদার তার দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়া রিক্সাওয়ালাদের রিক্সায় তুলে দিচ্ছে খাবার,
বৃদ্ধ বাবা চোখে চশমা এঁটে ডাক্তার ছেলের পোশাক বানিয়ে দিচ্ছে
করোনায় আক্রান্ত কেউ মারা গেলে মৃতের গোসলের দায়িত্ব নিচ্ছে একজন মুসুল্লী
একদিন অবশ্যই মহা প্রলয় শেষ হবে।
তখন করোনার আগের আর করোনার পরবর্তি বিশ্ব এক থাকবে না।
আমূল বদলে যাবে গোটা বিশ্ব
নয়া বিশ্বে একদিন আমরা সবাই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে মুক্ত বাতাসে প্রাণ ভরে শ্বাস নিবো, সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং নিকুচি করে আনন্দে চিৎকার করে একে অপরকে বুকে জড়িয়ে আমরা হাসবো, কাঁদবো
নয়া সেই দুনিয়ার জন্য ভালোবাসার গল্পগুলো জমা রইল
(Collected)
উত্তরার দিয়াবাড়িতে কোয়ারেন্টিন কেন্দ্র করতে চাইলো সরকার। আমরা এলাকাবাসী রুখে দিলাম। অভিজাত এলাকায় কোয়ারেন্টিন কেনো? ঘামে ভেজা টাকায় ফ্ল্যাট কিনেছি কোয়ারেন্টিন বানানোর জন্য? যাও ফুটো! ফুটে দূরে যাও। দূরে গিয়ে উড়ে যাও!
রিজেন্ট হসপিটাল করোনা সেবা দিতে চাইলো। আমরা এলাকাবাসী আবারো ফুঁসে উঠলাম। আবাসিক এলাকার হাসপাতালে করোনা কেনো? তোমরা মরুভূমি চোখে দেখো না? যাও মরুভূমিতে যাও!
কিশোরগঞ্জে এক ড্রাইভার হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকতে চাইলো। আমরা এলাকাবাসী বললাম, ‘আমাদের এলাকায় এসব চলবে না বাপু! পিটুনি চেনো পিটুনি? পিটিয়ে পিঠের ছাল তুলে দেবো!’ বেচারা ড্রাইভার জান বাঁচাতে রাতের আঁধারে পালিয়ে গেলো।
আমরা চুকচুক করে বললাম, ‘চায়না সাতদিনে হাসপাতাল বানিয়ে ফেললো তোমরা কি ছালটা তুললা?’ আমাদের চুকচুকানিতে আকিজ গ্রুপ এগিয়ে এলো। কাজও শুরু হলো। আমরা কাউন্সিলরসহ হাগার হাগার জনতাকে সাথে নিয়ে থ্রেট দিয়ে এলাম। ‘বিড়ি বেচা টাকায় আমরা পবিত্র করোনা হাসপাতাল হতে দেবো না। সেটাও আবার আমাদের বিশুদ্ধ মহল্লায়! চাইলে তোমরা চাঁদে হাসপাতাল করো, নেপচুনে করো, এখানে কেনো??’ আমাদের ধমকে হাসপাতালের কাজ থেমে গেলো।
খিলগাঁওয়ে আমরা সাইনবোর্ড টানিয়ে দিলাম। শুধু করোনা না, করোনার বাপ দাদা চোদ্দগুষ্টি এমনকি করোনায় মরা লাশকেও আমরা কবরে আসতে দেবো না! এটা আমাদের স্বর্গীয় কবরস্থান! এখানে করোনা ফরোনার জমিদারি চলবে না! করোনা ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলো!
আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সেই সাথে সচেতন এলাকাবাসী। আমার এলাকায় করোনা? আমি লাত্থি মারি করোনা!
©
বাংলাদেশের মানুষের করোনা ভাইরাস নিয়ে আতংকিত হবার কিছু নেই। কারণ :
(১) চীনসহ অন্যান্য দেশে ৯৫১২৪ হাজার আক্রান্ত মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যে ৫১১৭১ জন মানুষ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে গেছে। (এই তথ্য ৪ মার্চ ২০২০ অনুযায়ী)।
(২) এই রোগে মৃত্যু হার মাত্র ১ দশমিক ০২ পারসেন্ট। মানে একশো জনে মাত্র একজন। সড়ক দুর্ঘটনায় এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষ প্রতিদিন মারা যায়।
(৩) শিশু এবং কিশোরদের ঝুঁকি খুবই কম। যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে শিশু এবং কিশোর নেই বললেই চলে।
(৪) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই মারা যায় না। সুতরাং এত ভয়ের কিছু নেই।
(৫) ২৩ ডিগ্রি কিংবা বেশি তাপমাত্রার দেশে করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারবে না। যারা আক্রান্ত হয়েছে তারা কোনো না কোনোভাবে চায়না গিয়েছে অথবা চায়না থেকে আগত কারো দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে। সিঙ্গাপুর থেকে তথ্য নিন। সেখানে কিছু মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু রোগটি মহামারী আকারে ছড়াতে পারেনি। কারণ তাপমাত্রা।
(৬) ইরানের তাপমাত্রা এই মুহূর্তে ১০-১২ ডিগ্রি। বিশ্বাস না হলে গুগলে চেক করে দেখুন। ইতালিতে, জার্মানিতে, ওয়াশিংটনে তাপমাত্রা কম।
(৭) ২৩ ডিগ্রির চেয়ে বেশি তাপমাত্রার দেশে মৃত্যু হার কিংবা সংখ্যা খুবই নগণ্য।
(৮) বাংলাদেশে কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় এখন গ্রীষ্মকাল। সুতরাং ভয়ের কিছু নেই।
(৯) মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
*** বাংলাদেশে সাপের দংশনে যত মানুষ মারা যায়, তার অধিকাংশই বিষহীন সাপের দংশনে মারা যায়। কারণ রোগী মনে করে, যেহেতু তাকে সাপে দংশন করেছে, আর রক্ষা নাই। সে মরেই যাবে। ভয়ে হার্টফেল করে। সুতরাং প্যানিকড হবেন না। আতংক ছড়াবেন না।
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Narail
7500