MR English

MR English

Share

Grammar, Writing, Speaking, Academic English, University Admissions, Job Preparation, and Others.

16/10/2025

ব্রেকিং নিউজ 🔥🔥🔥

এবারের এইচএসসি পরীক্ষার সামগ্রিক ফলাফল বিগত ১৯ বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইংরেজি বিষয়ে আশানুরূপ ফল না পাওয়া এই নিম্নগতির অন্যতম প্রধান কারণ।

তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৬০ শতাংশের কাছাকাছি । বরিশাল বোর্ড এবার সর্বোচ্চ ৭৫.১৬ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে, এরপর রয়েছে ঢাকা বোর্ড ৭৩.৬৬ শতাংশ নিয়ে। অন্যদিকে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৮.৮২%, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.২৮%, চট্টগ্রামে ৬৩.৭৬%, সিলেটে ৬৪.৫৩%, দিনাজপুরে ৬৪.৪৭% এবং ময়মনসিংহে ৬১.৯২%।

শিক্ষাবিদদের মতে, ইংরেজি বিষয়ের ফলাফল দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। এবারের ফলাফলেও সেই একই চিত্র , যা সামগ্রিক পাসের হারকে উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নামিয়ে দিয়েছে।

28/07/2025

🕊️
We are all sinners,
Yet we weigh others' sins
On the scales of our own.

21/07/2025

✈️ প্রসঙ্গঃ আমাদের F-7 বিমান ও তার বিধ্বস্ত হওয়ার ইতিহাস 🇧🇩

আমার এক সহকর্মী প্রায় বলেন—
👉 "এই দ্যাশ আল্লাহ চালায়, তাই চলে!"
সত্যিই, মাঝে মাঝে শুনে মনে হয়— কথাটা কি শুধুই রসিকতা?

নাকি নিষ্ঠুর বাস্তবতা?

🔻 ২০০৬ সালে বাংলাদেশ চীন থেকে কিনেছিল ১৬টি F-7 যুদ্ধবিমান।
প্রতিটি বিমানের প্রাথমিক মূল্য ছিল প্রায় ৫.৮৮ মিলিয়ন USD, আর মোট চুক্তি আনুষঙ্গিক খরচসহ দাঁড়িয়েছিল প্রায় ১১৭.৯ মিলিয়ন USD!
এই বিপুল অর্থের কত ভাগ প্রকৃতপক্ষে দেশের প্রতিরক্ষায় গেছে, আর কতটা গেছে মন্ত্রী মহাশয়, আমলা আর তাদের উপরওয়ালার পকেটের স্বাস্থ্য মোটা করায় — তা একমাত্র তারা ও তাদের উপরওয়ালাই জানেন।

📉 অথচ...
এই বিমান কেনার আগেই F-7 বিধ্বস্ত হয়েছে পাকিস্তান, শ্রীলংকা, তানজানিয়া, নামিবিয়া সহ বেশ কিছু দেশে!
জানার পরেও কেন আমরা এই "মরণযন্ত্র" কিনেছি?

📌 আমাদের ইতিহাস:

🔻 ৮ এপ্রিল ২০০৮ – ঘাটাইলে বিধ্বস্ত, স্কোয়াড্রন লিডার মোরশেদ হাসান শহীদ।

🔻 ২৯ জুন ২০১৫ – যান্ত্রিক ত্রুটিতে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ নিখোঁজ ও পরে শহীদ।

🔻 ২৩ নভেম্বর ২০১৮ – মধুপুরে বিধ্বস্ত, উইং কমান্ডার আরিফ আহমেদ দীপু শহীদ।

এত প্রাণ গেল... তবু এই ধ্বংসাত্মক যন্ত্র আকাশে ওড়ে!
আর আজ...
আরও কত মায়ের কোল শুন্য হলো...

❗ এ দায়ভার কে নেবে?
❗ কাদের ব্যর্থতায় এই মৃত্যুর মিছিল?

🫤 এই দ্যাশে আমরা হচ্ছি ভাড়াটিয়া, প্রতি বছর ট্যাক্স দেওয়া ছাগলের ৮নং বাচ্চা।

🗣️ শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি…......

হায় সেলুকাস!
সত্যিই সেলুকাস!!!

01/07/2025

নির্বাচনের PR পদ্ধতির আদ্যোপান্ত:

🗳️ PR পদ্ধতিতে নির্বাচন: জনপ্রতিনিধিত্বের নতুন দিগন্ত!

বর্তমানে আমরা সাধারণত যে নির্বাচনী পদ্ধতির সাথে পরিচিত, সেটি First Past the Post (FPTP) বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা-ভিত্তিক পদ্ধতি। তবে পৃথিবীর অনেক দেশেই এই পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে PR (Proportional Representation) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তাহলে চলুন জেনে নিই—

🔍 PR পদ্ধতি কী?

PR বা Proportional Representation হলো এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন পায়। অর্থাৎ, যদি কোনো দল ৩০% ভোট পায়, তাহলে তারা প্রায় ৩০% আসনে প্রতিনিধিত্ব পায়।

🧠 PR পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য:

✅ এটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়, ভোটের অনুপাত ভিত্তিক।

✅ ছোট দলগুলোও সংসদে প্রতিনিধিত্ব পায়।

✅ একাধিক প্রতিনিধি এক আসন থেকে নির্বাচিত হতে পারে (মাল্টি-মেম্বার কনস্টিটুয়েন্সি)।

✅ এটি জনগণের বৈচিত্র্যময় মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
🧩 PR পদ্ধতির ধরন:
List PR System:
ভোটাররা একটি দলকে ভোট দেন, পরে দল নিজস্ব তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়।
Mixed-Member Proportional (MMP):
এটি FPTP ও PR পদ্ধতির সংমিশ্রণ। কিছু আসন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়, বাকিগুলো দলীয় অনুপাতে বরাদ্দ হয়।
Single Transferable Vote (STV):
ভোটাররা প্রার্থীদের পছন্দক্রমে ভোট দেন। এটি ব্যক্তিগত পছন্দের পাশাপাশি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।

🌍 PR পদ্ধতি কোন কোন দেশে প্রচলিত?
দেশ:
🇩🇪 জার্মানি
🇳🇱 নেদারল্যান্ডস
🇸🇪 সুইডেন
🇳🇿 নিউজিল্যান্ড
🇨🇭 সুইজারল্যান্ড
🇮🇳 ভারতের রাজ্যসভার কিছু নির্বাচন
🇮🇪 আয়ারল্যান্ড

📊 PR পদ্ধতির উপকারিতা:

✅ জনগণের সর্বোচ্চ মতামতের প্রতিফলন ঘটে
✅ ছোট দল, সংখ্যালঘু ও নারীর অংশগ্রহণ বাড়ে
✅ বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্যের রাজনীতি উৎসাহিত হয়

⚖️ সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ:
❌ সরকার গঠনে সময় লাগে
❌ জোট সরকার অনেকে অকার্যকর মনে করে
❌ ভোটার ও দলের মাঝে দূরত্ব বাড়তে পারে

📝 শেষ কথা:
PR পদ্ধতি শুধু একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা নয়— এটি বহুমত, ন্যায্যতা এবং জনগণের বৈচিত্র্যময় মতামতের প্রতিফলন ঘটানোর একটি মাধ্যম। বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে নানা মত ও চিন্তার জনগণ বাস করে, সেখানে PR পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হওয়া সময়ের দাবি।

🔁 পোস্টটি শেয়ার করুন যদি আপনি মনে করেন, আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আরো জানার ও ভাবার সময় এসেছে!

্ধতি #নির্বাচন_ব্যবস্থা #ভোট #রাজনীতি #গণতন্ত্র #সুশাসন

19/11/2024

এক রাজার একটি চোখ ও একটি পা অকেজো ছিল। তিনি একদিন দেশের সব অঙ্কনশিল্পীদের ডেকে বললেন, তাঁর একটা সুন্দর পোর্ট্রেইট আঁকতে, কিন্তু কেউ রাজি হলো না। কারণ সবাই ভাবল- কানা আর ল্যাংড়া রাজাকে ছবিতে সুন্দর কিভাবে দেখানো সম্ভব(!)?

একজন রাজি হলো। তার আঁকা শেষ হওয়ার পর সবাই দেখে অবাক হয়ে গেল। তাঁর ছবিতে রাজা একটা হরিণ শিকার করছিল... এক চোখ বন্ধ করে লক্ষ্য স্থির করছিল আর এক পা মুড়ে শরীরের ব্যালেন্স রাখছিল!

সেই আঁকিয়ে অনেক দামি পুরস্কার পেয়েছিল, কিন্তু শুধু তাঁর ছবির জন্যে নয়, বরং সেই অমোঘ বার্তাটার জন্য যেটা সে তাঁর ছবির মাধ্যমে সবাইকে দিয়েছিল, সেটা হলো- সবারই কিছু না কিছু দুর্বল জায়গা আছে... সেইটুকু বাদ দিলে সবাই সুন্দর। কিন্তু কিভাবে সেটা বাদ দিয়ে কাউকে দেখবে- তা নির্ভর করছে তোমার ওপর।

(সংগৃহীত পোস্ট)

16/04/2024

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার
নাম হেলেন। এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু Stefanie
Isak নামটি আমরা অনেকেই জানি না। ১৬ বছরের এই
ইহুদী মেয়েটির কারণে সারা দুনিয়া ধ্বংস হবার
উপক্রম হয়েছিল।
১৯০৬ সাল, ভিয়েনা শহরে বসবাসরত মেয়েটির বয়স
তখন ১৬। ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন রাস্তার ধাঁরে
বসে থাকা এক আর্টিষ্ট কে দিয়ে শখ করে মেয়েটি
তার একখানা পোট্রেট বানালো। অসম্ভব রূপবতী এই
নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে আর্টিষ্ট
তার প্রেমে পড়ে গেল।
আর্টিষ্ট এর বয়স তখন ১৮। ছেলেটির স্বপ্ন
চিত্রশিল্পী হওয়া। একাডেমি অব ফাইন আর্টস্
ভিয়েনা (Academy of Fine Arts Vienna) তে চেষ্টা
করছে ভর্তি হবার জন্য। কিন্তু পারছে না। ছেলেটির
অবসর কাটে রাস্তার ধাঁরে ছবি একে। আবার মাঝে
মাঝে পথচারীদের পোট্রেইট এঁকে দু চার পয়সা
রোজগার করে।
শিল্পীদের মন অনেক রোম্যান্টিক হয়। এটাই
স্বাভাবিক। তো পরদিন মেয়েটিকে সে প্রোপোজ
করে। মেয়েটি হা কিংবা না, কিছুই বলেনা।
ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির বাড়ির সামনে
গিয়ে বসে থাকতো। একপলক দেখার জন্য। বিশাল
বাড়িটি উচু প্রাচীরে ঘেরা। বিশাল লোহার গেট।
মাঝে মাঝে ছেলেটি তার পোষা কুকুরকে গেটের
ফাঁক দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিত বাড়ির ভিতরে।
কুকুরটির মুখে থাকত প্রেম পত্র।
কুকুরটি ছিল ছেলেটির অনেক প্রিয় ভিয়েনা আসার
সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল। বলা
যায়, কুকুরটি ছিল মায়ের দেয়া শেষ উপহার। কারণ,
এইপর আর কোনদিন ছেলেটির দেখা হয়নি তার মা
ক্লারা (Clara) এর সাথে। তিনি মারা যান। মেয়েটির
পরিবার বিষয়টি আমলে নিলো। ছেলেটি চাল
চুলোহীন, রাস্তার ছেলে। তার উপরে non-Jewish… এই
সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয়। আর ছেলেটির 'ভবিষ্যৎ'
বলে কিছু নেই। তারা ছেলেটিকে বারবার বারণ করে
দিলো। কিন্তু প্রেম কি আর বারণ শোনে?
ছেলেটি সুযোগ পেলেই মেয়েটিকে দূর থেকে
দেখতো। উত্তর না এলেও প্রেম পত্র দিতো। তো
একদিন প্রেমপত্র সমেত কুকুরটিকে আবার পাঠালো
মেয়েটির বাড়িতে। কিন্তু এইদিন আর কুকুরটি ফিরে
এল না। ছেলেটি সারারাত অপেক্ষা করে, সকালে
চলে গেল। পরদিন আবার মেয়েটির বাড়ির সামনে
গেল। বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে ছেলেটি তার
সেই প্রিয় কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল। নির্মমভাবে
তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
সেইদিন কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটি চলে এলো। আর
কোনদিন ঐ বাড়ির সামনে যায় নি সে। চালচুলোহীন
ওই রাস্তার ছেলেটি পরে যা করেছিলো তা ইতিহাস!
বলা যায় রাস্তার সেই ছেলেটি নিজ হাতে গত
শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে এমনকি,
পরবর্তীতে তার পোষা কুকুর Blondi, এতটাই বিখ্যাত
হয়েছিল যে তার wiki page এর সাইজ অনেক বিখ্যাত
সেলিব্রেটিদের চেয়ে বড়!!
অনেক পরে মেয়েটি নাকি বলেছিল, সে ছেলেটিকে
মনে মনে ভালবাসত। সাহস করে বলতে পারে নি। যাই
হোক, ছেলেটির
নাম ছিল - 'এডলফ হিটলার'! হ্যা; হিটলার ছোটবেলায়
পোষ্ট কার্ড আঁকিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন।

28/08/2023

❤️মানবতাই প্রকৃত সূখ দিতে পারে❤️

নাইজেরিয়ান তেল কোম্পানীর মালিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফেমি ওতেদোলা একবার এক রেডিও ইন্টারভিউতে তার জীবনের অজানা অনেক কিছু জানাচ্ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে উপস্থাপক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কি এমন কোনো স্মৃতি আছে, যখন আপনার মনে হয়েছিল আপনি এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ?’
ওতেদোলা বললেন, "আমার জীবনে আমি সুখের খোঁজে চারটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। তারপর অবশেষে আমি সত্যিকারের সুখের খোঁজ পেয়েছি।
প্রথম পর্যায় ছিল যত পারা যায় ধনসম্পদ উপার্জন। কিন্তু সবকিছু অর্জন করেও আমি সুখের দেখা পাইনি।
এরপর দ্বিতীয় পর্যায় ছিল দামি ও বিলাসবহুল জিনিসপত্র কেনা। আমার কাছে মনে হতো এর মাধ্যমে আমি সুখ পাব। কিন্তু এবারও আমি সুখের দেখা পেলাম না।
এরপর তৃতীয় পর্যায়ে বড় বড় প্রজেক্ট নিজের করে নেয়া শুরু করলাম। একটা সময় নাইজেরিয়া ও আফ্রিকার ৯৫% ডিজেলের সাপ্লাইয়ার ছিলাম আমি। আফ্রিকা ও এশিয়ায় সবচেয়ে বড় জাহাজ ছিল আমার। কিন্তু এরপরও আমি সুখ পেলাম না।
এই অবস্থায় একদিন আমার এক বন্ধু অনুরোধ করল ২০০ প্রতিবন্ধী বাচ্চার জন্য হুইলচেয়ার কিনে দিতে।
বন্ধুর অনুরোধে আমি তখনই ২০০ হুইলচেয়ার কিনে ফেললাম। কিন্তু আমার বন্ধু বলল আমি নিজেই যেন বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ারগুলো তুলে দিই। তাই বন্ধুর সাথে আমি সভাস্থলে উপস্থিত হলাম।
আমি গিয়ে বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলাম। হুইলচেয়ার পেয়ে তারা আনন্দের সাথে এখানে ওখানে ছুটাছুটি করতে লাগল। একেকজনের মুখে সে কি অপার্থিব হাসি। যেন এর চেয়ে আনন্দের দিন তাদের জীবনে আর আসেনি।
এসব দেখে নিজের মধ্যে কেমন এক আনন্দ অনুভূত হলো। মনে হলো জীবনে আগের চারটি পর্যায় পার হয়েও, সবকিছু পেয়েও , এতটা আনন্দ কখনও হয়নি।
এরপর যখন আমি অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে যাব হঠাৎ এক বাচ্চা আমার পা জড়িয়ে ধরল। আমি তার কাছ থেকে নিজের পা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু বাচ্চাটি আরও শক্ত করে পা ধরে এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
আমি হাঁটু গেড়ে বসে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার কি আর কিছু দরকার?’
বাচ্চাটি বললো, ‘আমি আপনার চেহারাটা ভালোভাবে মনে রাখতে চাই। যদি জান্নাতে আমাদের দেখা হয় সেদিনও যেন আমি আপনাকে চিনতে পারি আর আজকের এই দিনটির জন্য আরও একবার ধন্যবাদ দিতে পারি।’
ছোট বাচ্চার জবাবে ফেমি ওতেদোলার দুচোখের জল বাঁধ ভেঙ্গে গেলো। ছোট বাচ্চাকে জড়িয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি।
ফেমি ওতেদোলা বলেন, ছোট্ট এই ঘটনা আমাকে কেবলই আনন্দিতই করেনি, বরং সেদিন থেকে আমার কাছে জীবনের অর্থই পাল্টে গিয়েছে। আজ আমি আনন্দের সংজ্ঞা কি সেটা জানি। আর সেই আনন্দ নিয়েই আমি আমৃত্যু থাকতে চাই।
[সংগৃহীত]

16/06/2023

Iron-লোহা
Irons-শিকল

12/06/2023

Desert-মরুভূমি
Dessert-মিষ্টান্ন

Want your school to be the top-listed School/college in Narail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Narail