Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১

  • Home
  • Bangladesh
  • Narail
  • Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১

Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১ The greatest pride

কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের তফশিল।
27/10/2025

কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের তফশিল।

01/10/2025

ভুলবশত ব্যক্তিগত ছবি আপলোড হওয়ায় আন্তরিক ভাবে দু:খিত।

15/09/2025

আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে দেশের সকল স্কুল কলেজের নিয়মিত গভর্নিং বডি /ম্যনেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রালয়ের অধীনস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)!

আমাদের আশা থাকবে প্রানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় যেসব অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে তাহারা হোক শিক্ষিত,শিক্ষানুরাগী সামাজিক ও সচেতন!
গঠিত হোক একটি শিক্ষা বান্ধব ম্যানেজিং কমিটি।

ব্যাকবেঞ্চার নয়, এখন সবাই ফার্স্ট বেঞ্চার — কেরালার স্কুলে শিক্ষা-দর্শনের এক বিপ্লববিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ মানেই কেবল পাঠদ...
15/07/2025

ব্যাকবেঞ্চার নয়, এখন সবাই ফার্স্ট বেঞ্চার — কেরালার স্কুলে শিক্ষা-দর্শনের এক বিপ্লব

বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ মানেই কেবল পাঠদানের জায়গা নয়; এটি একটি অনুভব, একটি পরিবেশ, একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। যুগের পরিবর্তনে বই-পুস্তকের পাশাপাশি শিক্ষাদর্শনেও নতুন নতুন ধারা আসছে। আর এই পরিবর্তনের অন্যতম অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে এক টুকরো সিনেমা—যা বদলে দিয়েছে ‘ব্যাকবেঞ্চার’ শব্দের অর্থ ও অস্তিত্ব।

🎬 একটি সিনেমা, একটি চিন্তায় বিপ্লব

ভারতের কেরালা রাজ্যের তরুণ পরিচালক বিনেশ বিশ্বনাথন তার প্রথম মালয়ালম চলচ্চিত্র ‘স্থানার্থী শ্রীকুট্টন’-এ তুলে ধরেন এমন চারজন শিক্ষার্থীর গল্প, যারা শিক্ষায় অনাগ্রহী, স্কুলজীবনে পিছিয়ে পড়া এবং আচরণে কিছুটা বিদ্রোহী প্রকৃতির।

এই সিনেমার ক্লাইম্যাক্স মুহূর্তে একজন শিক্ষকের মানসিক উত্তরণ ও চিন্তার পরিবর্তন এতটাই গভীরভাবে দর্শকদের নাড়া দেয় যে, তা বাস্তবজীবনের শ্রেণীকক্ষেও ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষকরা উপলব্ধি করতে শুরু করেন—পেছনের বেঞ্চ মানেই কোনো শিক্ষার্থীর অবাধ্যতা বা দুর্বলতা নয়, বরং অনেক সময় তা হতে পারে আমাদেরই তৈরি করা একটি মানসিক দেয়াল।

🏫 ব্যাকবেঞ্চারের মৃত্যু, ফার্স্ট বেঞ্চারদের নবজন্ম

কেরালার ভালাকম, কন্নুর, আন্দুর, ত্রিশুর ও পালাক্কড় জেলার একাধিক স্কুলে শিক্ষকেরা উদ্যোগ নেন শ্রেণীকক্ষে আসন বিন্যাসের পদ্ধতিগত পরিবর্তনে। পেছনের বেঞ্চগুলোকেই সম্পূর্ণ তুলে ফেলা হয়, অর্থাৎ ‘ব্যাকবেঞ্চার’ নামক সামাজিক তকমারই বিলুপ্তি ঘটে। এখন প্রত্যেক শিক্ষার্থীই বসছে সামনে—সোজা চোখের সামনে, শিক্ষক এবং সহপাঠীদের সমান ঘনিষ্ঠতায়।

এর ফলে একদিকে যেমন শিক্ষকরা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ওপর সমান মনোযোগ দিতে পারছেন, তেমনি শিক্ষার্থীদের মাঝেও অংশগ্রহণের আগ্রহ বাড়ছে, তারা আগের চেয়ে বেশি প্রশ্ন করছে, আলোচনা করছে এবং শ্রবণশক্তিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

🔁 বেঞ্চ বিন্যাসের কৌশলী পরিবর্তন

এই নতুন শিক্ষাদর্শনে বেঞ্চগুলো রাখা হচ্ছে অর্ধবৃত্তাকারে বা ‘U’ আকৃতিতে। এটি শুধু জায়গার পরিবর্তন নয়, বরং শিক্ষার্থীর মনোজগতের সঙ্গে শিক্ষকের সম্পর্কেরও এক নতুন সংজ্ঞা। এখন আর কেউ কারও পেছনে নেই—সবাই একসাথে, এক বিন্দুতে, এক আলোয়।

প্রচলিত যে দৃশ্য আমরা সবসময় দেখে এসেছি—ক্লাসের প্রথম বেঞ্চে ‘ভালো ছাত্র’, আর পেছনে ‘দুষ্টু বা মনোযোগহীন’—এই বিভাজন এবার ভেঙে দিয়েছে শিক্ষকেরা নিজেরাই। এটা যেন এক নতুন প্রজন্মের ক্লাসরুম—যেখানে প্রতিটি ছাত্রই গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটি কণ্ঠই শোনা হয়।

📷 উদ্ভাবনী কক্ষপটের উদযাপন

এই বদলানো ক্লাসরুমের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। পরিচালক বিনেশ বিশ্বনাথন নিজেও এসব ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁর এক টুকরো কল্পনার ছায়া বাস্তবের মাটিতে এভাবে রূপ নেবে—তা হয়তো ভাবেননি তিনিও।

🧠 শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা

একজন শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি, শিক্ষার এই নতুন প্রবাহ শুধু শ্রেণীকক্ষের আসনের পরিবর্তন নয়—এটি মানসিকতার পরিবর্তন। এটি এমন একটি শিক্ষা পদ্ধতির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে শিশুর আচরণ বা অবস্থান দিয়ে নয়, বরং তাদের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা, আগ্রহ এবং সুযোগ দিয়ে তাদের মূল্যায়ন করা হয়।

এই উদ্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি সম্ভাবনা আছে। আমাদের কাজ সেই সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়া—not by judgment, but by understanding and inclusion.

🌱 আমরা কী শিখলাম?

কেরালার এই উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও অনেক কিছু শিখতে পারে। যদি আমরা ব্যাকবেঞ্চার তকমা সরিয়ে দিয়ে সকল শিক্ষার্থীকে সম্মানের চোখে দেখি—তবে হয়তো অনেক অমল ছেলেই একদিন হয়ে উঠবে আলোচ্য।

জ্ঞান তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সকলের কাছে সমানভাবে পৌঁছে যায়। আর শ্রেণীকক্ষ তখনই জীবন্ত হয়, যখন প্রতিটি শিক্ষার্থীর চোখের চাহনিতে আমরা দেখতে পাই আত্মবিশ্বাস ও আগ্রহের দীপ্তি।

✍️ লেখায়: Suman Chowdhury

ছবি সংগৃহীত

15/07/2025

ইনশাআল্লাহ, দ্রতই আমাদের সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
আমাদের উদ্দেশ্য একটি,
আমরা আমাদের প্রানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হারানো গৌরব, ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যহত রাখবো।
সকলের সহযোগিতা আশা করছি।

04/04/2024
মনের সৌখিনতা বড় সৌখিনতা। এদেশে বাজারের বড় মাছটি যিনি কিনেন তাকে সমাজে সৌখিন টাইপ মানুষ ভাবা হয়। রুচির ক্ষেত্রেও সামাজিকভ...
18/03/2024

মনের সৌখিনতা বড় সৌখিনতা। এদেশে বাজারের বড় মাছটি যিনি কিনেন তাকে সমাজে সৌখিন টাইপ মানুষ ভাবা হয়। রুচির ক্ষেত্রেও সামাজিকভাবে বিশেষ বিশেষনে বিশেষায়িত হন তারা৷ কিন্তু যারা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও বড় মাছ অন্যে কিনে নিয়ে গেলে পাশে চেয়ে চেয়ে আগ্রহী ও তৃপ্ত চোখে দেখে মজা পান তারা কোন বিশেষনে বিশেষায়িত হন সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ হলেও আমার মতে তারা মূলত অর্থের অভাবে সৌখিন না। কিন্তু মনের দিক থেকে সৌখিন হতেও পারে।

উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থায় দাম নির্ধারনে ডিমান্ড ও সাপ্লাই এর স্বাভাবিক যে ইকুইয়েশন সেটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এদেশে অর্থনীতির অধিকাংশ সুত্র কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় প্রযোজ্য বা কার্যকর নয়। এদেশে দাম নির্ধারন আসলে কিসের ভিত্তিতে হয় সেই ব্যাপারে যিনি বা যারা দাম নির্ধারণ করেন বা দাম নির্ধারনে প্রভাব রাখেন তারাও নিশ্চিত নয় বলে মনে হয়। তবে একটা বিষয়ে তারা নিশ্চিত যে যতদিন পর্যন্ত ভোক্তাকে হুজুগে রেখে চাপে ফেলে বেশি আদায় করা যায় ততদিন পর্যন্ত সুযোগ নিতে বাধা নেই।

এর পেছনে দায়ি যে বিষয়গুলি তার অনেকটাই পূর্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে লেখায় উঠে এসেছে। তবে এবার অন্য আঙ্গিকে চিন্তা করে যে বিষয়গুলি সম্ভাব্য বলে মনে হয় সেগুলির মধ্যে প্রধান কিছু বিষয় বলি-

১. ভোক্তাদের বাজার সম্পর্কে সচেতনতা কম। নিজের অধিকার আইন সম্পর্কেও ধারনা কম। আর একারনেই ভোক্তাদের ভেতর সবসময় একটা অঘোষিত আতঙ্ক বিরাজ করে। ভোক্তা তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে সন্দিহান থাকায় সব সময় দ্বিধায় থাকতে হয় আসলেই সে ঠকছে কিনা। এত বেশি বাজার নিয়ে হতাশা অধিকাংশের ভেতর বিরাজ করে যে, অনেক সময় ন্যয্য মূল্যকেও তারা বিশ্বাস করতে পারেনা সহজে। ধরে নেয় হয় পণ্য খারাপ অথবা কোন সমস্যা আছে। এই পরিস্থিতির জন্য ব্যবসায়ী ট্রিক যেমন দায়ী তেমনি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির ব্যর্থতাও দায়ী। ভোক্তাদের পক্ষে সাধারণত কিভাবে একটা পণ্যের ন্যায্য মূল্য নির্ধারিত হবে বা হওয়া উচিত সে ব্যাপারেও পর্যাপ্ত তথ্যের এক্সেস থাকেনা। ফলে অধিকাংশ সময় সঠিক মূল্য বুঝবার মত সামর্থ্য গড়ে উঠেনা। বাজারে সহজ ভাষায় দাম বেশি মানে মান ভাল টাইপ হাইপে বিশ্বাস করতে বাধ্য করা হয়। আর এখানেই সমস্যা। দাম নির্ধারনে ক্রেতাদের এত চিন্তার কারন থাকত না যদি কিনা একটা দাম নির্ধারনী মেকানিজম অনুসরন নিশ্চিত করা যেত। এই দায়ীত্বগুলি আসলে ভোক্তাদের নয়। তাদের ক্ষমতা বয়কট পর্যন্ত তাও দেয়ালে পীঠ ঠেকে যাওয়া সাপেক্ষে।

২. প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক ভোক্তা বা ক্রেতা। অর্থাৎ পারচেজিং পাওয়ায় ডেনজিটি অনেক বেশি। কেউ যদি স্বাভাবিক মূল্যের ১.৫ গুন দাম হাকিয়ে কিছু আপেল নিয়ে এলিফ্যান্ট রোড বা ঢাকার কোন রাস্তার পাশে বসে, তবে দেখা যাবে ১০ জন ক্রেতা দাম জিজ্ঞেস করে চলে গেলেও একজন ঠিকি কিনে ফেলছে। এত ক্রেতার জন্য স্বাভাবিক ক্রেতাদের সঠিক দামে কেনার সুযোগ কমে যায়। এর সাথেও বাজার সচেতনতার যোগসূত্র যেমন আছে, তেমনি মধ্যবিত্তের বড় লোকি ভাব দেখানোর সেন্টিমেন্ট থাকতে পারে। অনেকেই দাম করে কিনেন না এটাকে বেশ গর্বের সাথেও প্রচার করেন। তাদের এরকম ব্যবহার বাজার ব্যবস্থার অন্য প্রান্তের কম সামর্থের ক্রেতার জন্য সুখকর হয়না৷

৩. ভয়ঙ্কর বাজার অব্যবস্থাপনা। এবং নিয়ন্ত্রনে চরম ব্যর্থতা। অতিতে মহাজন বা দাদন ব্যবসায়ীরা জেলে বা কৃষককে বাটে ফেলে সল্প মূল্যে ফসল, মাছ কিনে ফেলত। বর্তমানে আধুনিকায়ন হলেও সেই মানসিকতায় পরিবর্তন হয়েছে সীমিত। বর্তমানে ডিজিটালি সেটা করা হয়। দাম নির্ধারনে আসলে যে যত বেশি রাখতে পারে সেই প্রতিযোগিতা চলে।

৪. হুজোগ।।

এই ব্যাপারটা মজার। ধরুন দেশে আসলেও লবনের সঙ্কট নেই। কিন্তু ভোক্তাদের বাজার নিয়ে সল্প তথ্য প্রাপ্তি সব সময় ব্যাবসায়ীদের বেশ ভাল একটা হুজগের ব্যবসার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাখে। এই ধরুন বলা হল, লবনের দাম বাড়বে। ১ নং পয়েন্টের সাইকোলজির কবলে পিষ্ট ভোক্তা তখন হুমড়ি খেয়ে পড়ে নিজের ক্ষতির পরিমান কমিয়ে আনতে। যতটুকু পারে লবন কিনে রাখতে চায়। ফলাফল চরমভাবে প্রতারিত ও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা স্টক করে মোটামুটি চড়া প্রফিট নিশ্চিত করে। আবার কিছু ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের উদয় হয় যারা সিজেনাল সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাতারাতি অনেক পাত্তি কামাতে পারে।

পেয়াজ, তেল, চিনি, আদা, রসুন, চাল, ডাল এরকম সব নিত্য পণ্যেই হুজোগের খেলা বেশি। এই ধরুন এখন বাজারে নতুন পেয়াজ আসছে। স্বাভাবিক হিসাবে এর দাম ২৫-৩০ টাকা কেজির বেশি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। কারন এটা ঘাটতির সময় না। কিন্তু যেহেতু রমজান তাই জান্নাত নিশ্চিত করতে স্বাভাবিকভাবেই এদেশের ব্যবসায়ী মহল এটাকে ৭০-১০০ আবার কোথাও ১২০ টাকায় বিক্রি করে। সকালে এক রকম দাম থাকে। দুপুরে এক রকম, সন্ধ্যায় একরম, আবার রাতে আরেক রকম দাম থাকে। পণ্য এক। শুধু সুযোগ আর সময় বুঝে দামে পার্থক্য। এখানে চাহিদা যোগানের হিসাব মিলালে অনিশ্চিত হিসাব দিয়ে মেলাতে হবে।

সাধারন ধারনাই হল, রমাজানে দাম বাড়বে। কেন বাড়বে? এর উত্তর রমজানে দাম বাড়ে। অর্থাৎ রমজানের অপর নাম দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। আমাদের দেশের বাজার বাস্তবতা অন্তত সেটাই বলে।

ডিমের দাম নিয়ে রিপোর্ট দেখলাম খ্যাতনামা কিছু প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। তারা সকালে বলে দিত এই দামে বিক্রি হবে। সেই মতেই দেশের ডিমের দাম নির্ধারিত হত। কিসের ভিত্তিতে এই দাম নির্ধারণ? নিশ্চিত এর ব্যাখা তারা দিতে পারবেনা। শুধু বাজারের মোট সাপ্লাই এর ২০% তাদেএ দখলে এটা কারন হতে পারে। অথবা তাদের মনে হয়েছে জনগন এই দাম পর্যন্ত কিনতে পারবে। ১২ টাকা ডিম কিনলে ১৩ টাকা কিনতে পারবে না? আমি আসলেও এই সাইকোলজি সম্পর্কে নিশ্চির নই। তবে এটা নিশ্চিত যে এই দাম নির্ধারনের সাথে কোন ভাবেই উৎপাদিত পণ্যের খরচ প্লাস প্রফিট মার্জিন হিসাব করে বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়না। এই ধরুন তেলের দাম বাড়ছে, এর জন্য মরিচের দাম বেড়ে যেতে পারে। কেউ প্রশ্ন করতে পারবেনা কেন? এই ধরুন ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৩ টাকা বৃদ্ধিতে রেস্টুরেন্টে বার্গার ৮০ টাকারটা হয়ে যাবে ১২০/-। যুক্তি সব কিছুর দাম বাড়তি। এই সব কিছুর দাম বাড়তির যন্ত্রনা থেকে যেন কোন মুক্তি নেই।

বাজারে তরমুজ কিনতে গিয়ে ভয়ে ভয়েই দাম জিজ্ঞেস করা লাগে। ছোট্ট তরমুজ কেজিতে নিলে ৮০ টাকা কেজি। কয়েক বছর আগেও জানতাম না এটা কেজিতে বিক্রি হয়। আর পিস নিলে ছোট্ট একখানের দাম ৪০০। ৮০০ বা হাজারের গুলা চয়েস করার মত সৌখিন হইতে ভয় লাগে। সেই তরমুজের ভেতরে আবার সাদা। কেন এই দাম? কৃষক পায় ৪০-৫০ টাকা পিস। খুব বড় সাইজ হলে ৮০ টাকা পিস। সেটা খুচড়া বাজারে পুরো ৫০০ টাকার একটা নোট জাদুর কাঠিতে উধাও করে ফেলে। ভয়ঙ্কর ব্যাপার।

গরুর গোশত ৩ মাস আগে কিনছি ৬৫০ টাকা। একমাস আগে কিনতে গিয়ে দেখি ৭৫০ টাকা। রোজার প্রথম দি ৮৫০ টাকা। খলিল ভাই এর চাপে এই দাম আর কমিয়েছে কিনা জানিনা। কারন গোশত কেনার মত সৌখিন মনে হয়না এখন।

সিন্ডিকেট নিয়ে অনেক কিছুই আমরা বলি। কিন্তু এই ভয়ানক বাজার ব্যবস্থা নিয়ে কোন সমাধান আর হয়না। ভোক্তা অধিকারের অভিযানের ভিডিও দেখি ইউটিউবে৷ অবাক হই ভয়ংকর সব তথ্য দেখে। অভিযান পরিচালনা অবশ্যই ভাল একটা দিক৷ কিন্তু এটাই সব নয়। এখানে পুরো ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কাজ করতে হবে।।

অতিতে এটা নিয়ে অনেক রিকমেন্ডেশন বিস্তারিত আলোচনা করেছি। বর্তমান প্রেক্ষিতে আমার ধারনা ডিমান্ড সাপ্লাই এর এর নীতির উপর বাজার মূল্যকে ছেড়ে দিলে চলবে না। এটা এখন শুধুমাত্র একটা অজুহাত হয়ে আছে দাম বৃদ্ধির। এর জন্য এখন যেটা করা যেতে পারে সেটি হল -

১. কৃষক পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন খরচ নির্ধারণ যেটা কৃষি অধিদপ্তর সহজেই করতে পারবেন। এই খরচের সাথে লাভ যোগ করে পণ্যের ক্যাটাগরি বা মান অনুযায়ী দুইটি শ্রেণীতে ভাগ করতে হবে। যেমন ভাল মান ও মধ্যম মান। এই দুই শ্রেণীতে কৃষকের ফসল বিক্রিত লোয়েস্ট সিলিং বেধে দিতে হবে। এই ধরুন তরমুজ। যেগুলা আকারে বড় হবে এবং পরিপক্ক হবে সেগুলাকে ভাল মান ধরে নূন্যতম ১২০ টাকা প্রতি পিস নির্ধারণ করা যেতে পারে। কম পরিপক্ক ও ছোট তরমুজের ক্ষেত্রে দাম অনূন্য ৫০ টাকা ধার্য্য করা যেতে পারে। তবে সরকার নির্ধারিত লোয়ার সিলিং থেকে ১০% এর বেশি মূল্যে ক্রয় করা যাবেনা বলেও নিয়ম করা যেতে পারে। এতে কৃষক বাজারে অপরিপক্ক ফল বিক্রিতে নিরুৎসাহিত হবে যদিও ৫০ টাকা এই মানের তরমুজে কৃষক পায়না। ক্ষেত ধরে বিক্রি হয় এবং দাম ২০-৩০ টাকা বা তারো কম পড়ে। এতে বাজারে অপরিপক্ক তরমুজের সাপ্লাই কমবে। কেমিক্যাল ব্যবহার করা কমবে। এবং কৃষক জানবে যে সে তরমুজ পরিপক্ক করে বিক্রি করলেই ভাল দাম পেতে পারে যা ১০০ টাকা প্রতি পিসের কম নয়। এই স্লাব সিজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা যেতে পারে। যেমন আর্লি ভ্যারাইটি বা লেইট ভারাইটির ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধি করা যেতে পারে। আর পূর্ন সিজনে দাম কমিয়ে আনা যেতে পারে। এই সংক্রান্ত সরকারি ঘোষনা থাকবে। সংশ্লিষ্ট দফতর অন্য দফতরের সাথে সমন্বয় করে কাজটি করতে পারে। তবে এই অনুন্য সিলিং এর কমে বিক্রি করা অপরাধ হিসাবে গণ্য করা করে অপরাধীর ব্যবসার অধিকার কেড়ে নেয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে ইস্যু থাকে যে যদি ব্যবসায়ীরা না কিনে? সেক্ষেত্রে কেনার ক্ষেত্রে সরকারি অনুমতি পত্র নিয়ে বা চালান টাইপ নিয়ে অগ্রিম বুক করে রাখতে পারে তারা। সেটা না হলে সরকার ওই অংশটুকু অন্য ব্যবসায়ীকে বরাদ্ধ দিতে পারে।

২. পাইকারী ব্যাবসার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সিলিং হবে কৃষকের সর্বনিম্ন সিলিং হতে ১৫% বেশি। এই ১৫% এর ভেতর ১০% মুনাফা এবং বাকি ৫% ক্যারিয়িং কস্ট। সর্বোচ্চ সিলিং এর ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে ৪০% পর্যন্ত যুক্ত করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ভালমানের তরমুজের মূল্য একজন পাইকার কোন অবস্থাতেই ১৪০ টাকার বেশি বিক্রি করতে পারবেন না। এই সর্বোচ্চ সিলিং এর তথ্য ভোক্তার কাছে পৌছাতে জাতীয় পত্রিকায় প্রাইস আপডেট দেয়া যেতে পারে। যেমনটা বিশ্ব বাজারের তেল, সোনা, কয়লা নিয়ে দেয়া হয়। জাতীয় পত্রিকাগুলিতে ছাপানো এসব তথ্য আদতে এদেশের ভোক্তাদের খুব বেশি প্রয়োজনীয় তথ্য নয়। বরং এর থেকে নিত্য পণ্যের পাইকারি সিলিং পত্রিকায় প্রকাশ করলে সেটা খুব সহজেই ভোক্তার কাছে এর প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে তথ্য যাবে।

৩. খুচড়া পর্যায়ে পাইকারী সর্বোচ্চ মূল্যের সাথে মুনাফা হিসাবে সর্বোচ্চ সিলিং ৩০% নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫% ক্যারিয়িং কস্ট হিসাবে কোন অবস্থাতেই এটা ৩৫% অতিক্রম করার সুযোগ বন্ধ করতে হবে। একাধিক হাত বদল নিরুৎসাহিত হবে৷ যেহেতু সিলিং অতিক্রম করে বিক্রি করা যাবেনা বিধায় হাত বদলের ক্ষেত্রে প্রফিটের শতাংশ কম হবে৷ যতবার হাতবদল তত কমতে থাকবে প্রফিটের অংশ। স্বাভাবিকভাবেই হাতবদল নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য। সেক্ষেত্রে একটা তরমুজের দাম আসবে ১৮২ টাকা। পর্যাপ্ত ন্যায্য লাভের অংশ রেখেই। এই ন্যায্যতা নিশ্চিত করা গেলে ৮০০ টাকার তরমুজ ২০০ টাকার নিচে কেনা সম্ভব৷

সমস্যা হল এদেশে ব্যবসায়ীদের একটা অংশ ফটকা ব্যাবসার সাথে যুক্ত৷ অতিরিক্ত লাভ করা বা অতিমুনাফাখোরি তাদের কাছে অপরাধ মনে হয়না। অনেকে বাজার বুজে ১৫-৩০ দিনের ব্যবসা করে। এই এক মাসেই কোটি টাকা কামাই করে পরিশ্রন ছাড়াই। এই অতিমুনাফা দিনশেষে ভোক্তার পকেট থেকেই যাই। এইসব ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। ন্যায্য মুনাফার প্রাকটিস থাকতে হবে ব্যবসায়।

আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে এলসি মূল্যের সাথে ডিউটি খরচ ও ল্যান্ডিং কস্ট হিসাব করেই বাজার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। নিত্য দ্রব্যে প্রফিট ৫%-১০% এর বেশি করার সুযোগ বন্ধ করতে হবে। যেহেতু বেইজ প্রাইস হবে এলসি ভ্যালু। স্বাভাবিকভাবেই আন্ডার ইনভয়েসিং কমাতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বভাবিক ব্যবসার প্রাকটিস ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হতে চলেছে। ভাল ব্যবসায়ী হলে বাজারে টিকে থাকার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই শুধুমাত্র প্রাইস সংক্রান্ত নীতিমালার প্রয়োগ সকল সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ফেলতে সক্ষম বলে মনে করি।



লেখা: মার্চ ১৮, ২০২৪

29/02/2024

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে কোন উন্নয়ন মুলক কাজে বা যে কোন ক্রান্তিকালে Alunmi Association একটা গুরুত্বপূর্ণ পুর্ন ভুমিকা পালন করতে পারে!
শতবর্ষী প্রাচীন বিদ্যালয় কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় আজ ও এমন একটা সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব হইনি শুধু মাত্র কিছু মানুষের কুট রাজনীতি ও এলাকার অপরাজনীতি।

বিষয় অতীব দু:খজনক।

Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১ এর কার্যক্রম ও সাংগঠনিক একটা কাঠামো দাড় করানোর জন্য কেউ এগিয়ে আসলে স্বাগত।

শেখ হাফিজ উদদীন -রয়েল
সভাপতি এডহক (সাবেক) কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়।

22/02/2024
কখনো কি মনে হয়েছে, আমাদের জাতীয় বীরেরা দেখতে কেমন ছিলেন?[ছবি কৃতজ্ঞতা - Hawk Eye Digital]▪️▪️এক নজরে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ।বা...
11/02/2024

কখনো কি মনে হয়েছে, আমাদের জাতীয় বীরেরা দেখতে কেমন ছিলেন?

[ছবি কৃতজ্ঞতা - Hawk Eye Digital]

▪️▪️এক নজরে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ।

বাংলাদেশে আয়রনম্যান, সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, ক্যাপ্টেন আমেরিকার মত কমিকবুক সুপার হিরো নেই।

তবে আমাদের বাস্তবের সুপারহিরো মুক্তিযোদ্ধারা আছেন, অসীম সাহসীকতায় যারা ১৯৭১ সালে পরাক্রমশালী পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাত থেকে এই দেশকে মুক্ত করেছেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৭ জনকে দেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান 'বীরশ্রেষ্ঠ'।

চাকরির পরীক্ষায় প্রায় নিয়মিতই বীরশ্রেষ্ঠ দের নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকে। চলুন দেখে নেই পরীক্ষায় আসার মত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

◾️ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সনায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

জন্মস্থান - সালামতপুর গ্রাম, মধুখালী, ফরিদপুর
কর্মস্থল - ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)
১ নং সেক্টর
মৃত্যু - ৮ এপ্রিল, মহালছড়ি, রাঙামাটি। (বীরশ্রেষ্ঠ দের মধ্যে প্রথম শহীদ)
সমাধি - রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পাশে।
গেজেট নং- ৬
সালামতপুরের বর্তমান নাম রউফনগর

◾️ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল
জন্মস্থান - পশ্চিম হাজিপাড়া গ্রাম, দৌলতখান, ভোলা।
কর্মস্থল - সেনাবাহিনী
২ নং সেক্টর
মৃত্যু - ১৮ এপ্রিল, দরুইন গ্রাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
সমাধি - দরুইন গ্রাম
গেজেট নং- ৩
পশ্চিম হাজিপাড়ার বর্তমান নাম মোস্তফা কামাল নগর।

◾️বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান

জন্মস্থান - খদ্দখালিশপুর গ্রাম, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
কর্মস্থল - সেনাবাহিনী
৪ নং সেক্টর
মৃত্যু - ২৮ অক্টোবর, ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
সমাধি - ভারতের আম্বাসার হাতিমারাছড়া গ্রামে দাফন করা হয়।
২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রাষ্টীয় সম্মানে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়। তিনি সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ।
গেজেট নং - ২
খদ্দখালিশপুরের বর্তমান নাম হামিদ নগর।

◾️ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

জন্মস্থান - রহিমগঞ্জ গ্রাম, বাবুগঞ্জ, বরিশাল।
কর্মস্থল - সেনাবাহিনী
৭ নং সেক্টর
মৃত্যু - ১৪ ডিসেম্বর, বারঘরিয়া, চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ। বীরশ্রেষ্ঠ দের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ।
সমাধি - চাঁপাইনবয়াবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।
গেজেট নং- ০১
তাঁর ইউনিয়নের নাম 'আগরপুর' পরিবর্তন করে 'মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর' ইউনিয়ন করা হয়েছে।

◾️ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ

জন্মস্থান - মহেষখোলা গ্রাম, নড়াইল।
কর্মস্থল - ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)
৮ নং সেক্টর
মৃত্যু - ৫ সেপ্টেম্বর, গোয়ালহাটি, যশোর।
সমাধি - কাশিপুর গ্রাম, যশোর।
গেজেট নং - ৭
মহিষখোলার বর্তমান নাম নূর মোহাম্মদ শেখ নগর।

◾️ বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন

জন্মস্থান - বাগপাঁচড়া গ্রাম, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
কর্মস্থল - নৌবাহিনী
১০ নং সেক্টর
মৃত্যু - ১০ ডিসেম্বর, মোংলা
সমাধি - রুপসা নদীরপার, বাগমারা, খুলনা।
গেজেট নং - ৪
বাঘচাপড়ার বর্তমান নাম রুহুল আমিন নগর।

◾️ বীরশেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান

জন্মস্থান - ঢাকা (পৈতৃক নিবাস নরসিংদী)
কর্মস্থল - বিমানবাহিনী
সেক্টর - মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান (ছদ্মনাম 'ব্লু বার্ড-১৬৬') ছিনতাই করে নিয়ে দেশে ফেরার পথে বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হন।
মৃত্যু - ২০ আগস্ট
সমাধি - করাচির মৌরিপুর মাশরুর ঘাঁটি থেকে তাঁর দেহাবশেষ এনে ২০০৬ সালের ২৫ জুন মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পৈতৃক নিবাস গ্রাম রামনগরের বর্তমান নাম মতিউর নগর।

**গেজেট নং দিয়ে বোঝানো হচ্ছে কে কত নম্বর গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে।

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
15/12/2023

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

Address

Narail

Telephone

+8801713337540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Alunmi Association-কলাবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় -১৯৩১:

Shortcuts

Share

Category