06/08/2025
Solve: Mymensingh Board HSC-25 (Higher Math-2nd Paper)
Academic & Admission Care
06/08/2025
Solve: Mymensingh Board HSC-25 (Higher Math-2nd Paper)
04/08/2025
Solve: Mymensingh Board HSC-25 (Higher Math-1st Paper)
Be careful✋ before using "option test method" all the time because it doesn't always work. Invest 20min in this video & save your mark in MCQ.
For HSC Batch- 25,26,27
SSC- স্থানাঙ্ক জ্যামিতি- Coordinate Geometry (Part-3)
Subscibe: http://www.youtube.com/.F.S
Join: https://www.facebook.com/groups/3950320861779881
SSC- স্থানাঙ্ক জ্যামিতি- Coordinate Geometry (Part-2)
Subscibe: http://www.youtube.com/.F.S
Join: https://www.facebook.com/groups/3950320861779881
SSC-স্থানাঙ্ক জ্যামিতি-Coordinate Geometry (Part-1)
Subscibe: http://www.youtube.com/.F.S
Join: https://www.facebook.com/groups/3950320861779881
আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে!
যতদিন এই পেজ এবং এর সংশ্লিষ্ট YouTube চ্যানেল থেকে টিউটোরিয়াল আপলোড করা হবে, সর্বক্ষেত্রে একটি ব্যাপার নিশ্চিত করা হবে যে, ভিডিওর কোন অংশে অযথা হাই, হ্যালো, কেমন আছি/ ভালো আছি, লাইক করো, কমেন্ট করো, ফানি জোক্স, অন্যের সমালোচনা এগুলো করে স্টুডেন্টদের মূল্যবান সময় নষ্ট করা হবে না। যত সেকেন্ডের ভিডিও তার প্রতি সেকেন্ডেই শুরু টপিক নিয়ে আলোচনা থাকবে। ছোট ছোট টপিকভিত্তিক ভিডিও থাকবে যেন পরীক্ষার আগে একটি টপিকের জন্য ৪ঘন্টার ক্লাস না করা লাগে।
20/07/2025
I've taken the initiative to create a resource for SSC students to help them better understand a specific topic. If you know someone who could benefit, please share it with them. Let's help each other succeed!
Check the playlist, subscribe the channel for updates. More videos will be available soon in SSC, HSC & Admission Section.
SSC Higher Math - Coordinate Geometry - দুটি বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় Basic description of coordinate geometry, identity of axes, coordinates of different points with examples, distance between two points
Dear HSC students,
SSC রেজাল্টের পর এখন যারা উচ্ছ্বসিত, তোমাদের উচ্ছ্বাস যেন দুই বছর পরেও ধরে রাখতে পারো, তার জন্য কিছু পরামর্শ দিই। কার কতটুকু উপকারে আসবে জানিনা। কিন্তু নিজের ইন্টার জীবনে ফেস করা প্রব্লেমস এবং দীর্ঘ ৮বছর স্টুডেন্টদের Physics পড়ানোর সময় তাদের হতাশাপূর্ণ দিনগুলো দেখে এইটুকু অনুভব করেছি যে কিছু জিনিস যদি আগে থেকে তারা জানতো, তবে তাদের কষ্ট বা অনুশোচনা একটু কম হতো। তাই ঐ তাড়না থেকে কিছু বাস্তব, কিছু সত্য, কিছু তেতো জিনিস তুলে ধরি। লেখা অনেক বড় হতে পারে। যাদের দরকার তারা পড়লেই হলো। একদম শুরু থেকে শুরু করি।
কেও শর্টকাট আগাতে চাইলে (৬নং পয়েন্ট থেকে পড়তে পারো)
১. সর্বপ্রথম যেটা শুরু হবে, সেটি হচ্ছে তোমাদের দিয়ে সংবর্ধনা ব্যবসার শুরু। বিশ্বাস করো, আর না ই করো, কোচিং এবং বেসরকারি ভিত্তিক কলেজ ভিত্তিক সংবর্ধনা শুধুই তোমার ফোন নাম্বার কালেক্ট করে Advertisement এর পদ্ধতি। কিন্তু এটার পিছনে রেজিস্ট্রেশন, প্রোগ্রাম এটেন্ড এর প্রস্তুতি, প্রোগ্রামে মজা মাস্তি, এগুলোর আড়ালে ভুলেই যাবে যে তুমি আরেকটা যুদ্ধে অলরেডি অবতীর্ণ হয়ে গিয়েছো। এখন কথা হচ্ছে করণীয় কি? করণীয় হলো, পার্টিসিপেট করবে তবে নিজের আবেগকে সীমাবদ্ধ রেখে এবং স্বল্প সময় এটার পিছনে ইনভেস্ট করে।
২. এর পরবর্তী কনফিউশন ফেস করবে কলেজ সিলেকশনে। ঢাকার কিছু নামকরা কলেজ ছাড়া বাংলাদেশের মোটামুটি সব কলেজই সেম। ক্লাসের লিমিটেড টাইমের ভিতর কোন কলেজেই তেমন একটা ডিটেইলস পড়াশুনা হয় না। আমি যেহেতু ময়মনসিংহের মানুষ এবং HSC তে আনন্দমোহন কলেজের ছাত্র ছিলাম, সেখান থেকে একটা বিষয় রিয়েলাইজ করেছি। সাধারণত সরকারি কলেজগুলোতে উপস্থিতির ব্যাপারে কিছুটা ফ্লেক্সিবিলিটি পাওয়া যায়। এতে করে টাইম সেভ করে সেটাকে নিজে বাসায় পড়া এবং ইফেক্টিভ প্রাউভেট বা কোচিং এ দেওয়া ফলপ্রসূ। এখন কথা হচ্ছে সবার নিজের পছন্দসই কলেজে হবে না। এতে অনেকের মন খারাপ হবে। তবে বিশ্বাস করো, কলেজের নাম আর কোথাও কাজে লাগে না। তুমি তোমার চয়েজলিস্টের লাস্ট কলেজে পড়েও টপ ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেতে পারো যদি তোমার অদম্য স্পৃহা, পরিশ্রম করার মানসিকতা, এবং ভাগ্য সহায় থাকে। সো কলেজ যেটাই হোক, বিসমিল্লাহ বলে খুশি মনে পড়াশুনা করবে। আমি ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই দেখি কলেজ পছন্দ না হওয়ায় ৬ মাস এই মন খারাপেই সময় নষ্ট করে। মনে রাখবে, কলেজে তুমি মাত্র ১৮ মাসের জন্য এসেছো, সারাজীবনের জন্য না।
৩. এরপর যে সমস্যার আবির্ভাব হবে সেটা হচ্ছে আবাসিক জনিত সমস্যা। ময়মনসিংহ শহরে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে যারা আসবে, তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খেই হারিয়ে ফেলে৷ বাসা থেকে দূরে থাকা, কিশোর মন, ভুল বন্ধুর সঙ্গ, সঠিক গাইডলাইন না পাওয়া, SSC এর পুকুর সমান সিলেবাস থেকে হঠাৎ করে HSC তে সাগরসম সিলেবাসে হাবুডুবু খাওয়া, খাবার দাবার সমস্যা ইত্যাদি হলো মূল কারণ। এজন্য যেটা করতে পারো, পড়ুয়া সহপাঠীদের সঙ্গ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারো। এতে দেখবে নিজের ভেতরেও পড়ার স্পৃহা তৈরি হয়। যদিও আমি জানি কখনো তাদের ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত ইগ্নোরেন্স এর স্বীকার হতে পারো। কিন্তু সেখানেও কল্যাণ। কারণ তুমি তোমার অবস্থান বুঝতে পারবে। হুট করে ব্যার্থতার সাগরে হারিয়ে যাওয়ার থেকে নিজের দূর্বলতা সম্পর্কে যত আগে বুঝতে পারা যায় ততই ভালো।
৪. পরবর্তী সমস্যা আবির্ভাব হবে ভুল জায়গায় প্রাইভেট পড়া। সবাই স্যারই ভালো পড়ান, কিন্তু তোমার কোথায় পড়লে ভালো হবে তা তোমাকেই বুঝতে হবে। তোমার নিজস্ব মেধা, টপিক ক্যাচ করার ক্ষমতা, তোমার Admission Goal, তোমার দূর্বলতা এর সাথে যেখানে align করে সেখানেই পড়বে। ক্লাসের টপার কোথায় গিয়েছে সেখানে গিয়ে টপিক না বুঝলেও দিনের পর দিন কন্টিনিউ করতে হবে, এমন কোন কথা নেই। ক্লাস টপার ব্যাচে এক জায়গায় পড়ে আর বাসায় ভালো করে বোঝার জন্য আরেকজনের কাছে পড়ে যেটা তুমি জানো না। এজন্য নিজের ভালো নিজেকেই বুঝতে হবে।
বেস্ট সলিউশন হলো Hsc'24 এবং Hsc'25 এর কাছে পরামর্শ নেওয়া। কারণ তারাই এখন রিয়েলাইজ করছে যে, যে পথে হেটে আসলাম সেখানে কি কি ভুল করেছি। কোন সিনিয়রই চায় না, তার জুনিয়র একই ভুল করুক। কারণ জুনিয়রের সাথে তার কম্পিটিশন নেই।
৫. এরপর আসি বই কেনার ব্যাপারে। বাজারে প্রচলিত বই গুলোর মাঝে
Physics: আমির হোসেন খান স্যার, শামসুর রহমান সেলু স্যার
Chemistry: সঞ্জিত কুমার গুহ, হাজারী স্যার
Higher Math: এস.ইউ আহমেদ, কেতাব উদ্দীন স্যার
Botany: হাসান স্যার
Zoology: গাজী আজমল স্যার, আলিম স্যার
এগুলো অন্তত পড়বে। এর বেশিও পড়তে পারো। ভালোরা এর বেশিও পড়ে। শেখার কোন শেষ নেই।
৬. পড়ার পদ্ধতিঃ প্রথমে বেসিক ভালো করে পড়বে বুঝে বুঝে। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত টেক্সট বই গুলো এমন ভাবে লিখা যে ওখান থেকে বেসিক সত্যিকার অর্থেই ক্লিয়ার কন্সেপ্ট তৈরি হয় না। কোত্থেকে একটা সংজ্ঞা দিয়ে, কিছু derivation করে ফাইনাল একটা সূত্র প্রতিপাদন করে টপিক শেষ! এভাবে করে জ্ঞানার্জন স্পষ্ট হয় না।তাহলে করণীয় কি: ঐ যে বললাম সিনিয়রের পরামর্শ অনুযায়ী স্যারের কাছে পড়বে। সেখানেই ক্লিয়ার হওয়ার কথা। তাও না হলে YouTube e ক্লাস দেখতে পারো৷ তবে খেয়াল রাখবে একটা টপিক এর জন্য ৩/৪ঘন্টার ক্লাস দেখতে বসবে না। অনলাইনে কোর্স কিনতে পারো, যদি তোমার নিজ তাগিদে পড়ার অভ্যাস থাকে। নাহলে শুধু কোর্স কেনাই হয়, পড়া আর হয় না।
৭. শুরুতেই এডমিশনের জন্য পড়তে যাবে না। HSC এর পড়ার পদ্ধতি অনেকটা বাড়ি তৈরি করার মতো। প্রথমে ফাউন্ডেশন, পরে পিলার,পরে সাইড ওয়াল, পরে প্লাস্টার, তারপরে গিয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইন। সেরকম আগে বইয়ের টপিক বোঝা, তারপর অনুশীলনীর সব ম্যাথ সলভ, তারপর টেস্ট পেপার সলভ (Ex Board Question), এরপর এডমিশন এর প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেন সলভ। কিন্তু তা না করে অনেকেই শুরুতে এডমিশনের ঐ গুটি কয়েক এবনরমাল ম্যাথ করতে যাও। কিছু স্যার/ভাইয়াও এই সুযোগে কিছু এবনর্মাল ম্যাথের ম্যাজিক দেখিয়ে তোমাকে ধরে রাখে, দিনশেষে পরীক্ষার আগে দেখা যায় বেসিক সূত্র দিয়ে সলভ করা যায় এই ম্যাথই পারো না। এভাবে করলে লাভ হবে না। ফাউন্ডেশন দূর্বল দিয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইন করলে লাভ নেই। বাড়ি ভেঙ্গেই পড়বে।
৮. কলেজে উঠেই শুরুতে যেটা হবে, দুটি কাল্পনিক ডানা গজাবে। এই ভুল করা থেকে কেওই মুক্ত নয়। তবে নিজ উদ্যোগেই এগুলো কেটে ছেটে ছোট রাখতে হবে। একটু আনন্দ ফূর্তি করা দোষের কিছু না তবে যত কম করা যাত ততই ভালো। এটা পাস করার পড় বুঝবে।
৯. ইন্টার লাইফের আরেক বিড়ম্বনা হলো, কোচিং বা প্রাইভেট সেন্টারের দৌড়াত্ম৷ এরা তোমাকে এমন এমন স্বপ্ন দেখাবে যে তোমার মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং এ হয়ে গেসে। সাথে দেখাবে গত বছর তার প্রতিষ্ঠান থেকে কতজন চান্স পেল। খোজ নিয়ে দেখা যাবে ঐ প্রতিষ্ঠানে ঐ ছাত্র/ছাত্রী শুধুমাত্র একবার মডেল টেস্ট দিয়েছিল। সো কোচিং/প্রাইভেটের বিজ্ঞাপনে ম্যানিপুলেটেড না হয়ে সিনিয়র ব্যাচের পরামর্শ নাও যে আসলেই ওখানে যাওয়া ফলপ্রসূ হয় কিনা। কারণ টাকার থেকে মূল্যবান তোমার সময়। ওটা নষ্ট হলে আর ফিরে আসবে না।
১০. HSC লাইফে অর্ধ বার্ষিক, ইয়ার চেঞ্জ, প্রিটেস্ট, টেস্ট, মডেল টেস্ট, দুই ঈদ, দুই রোজা, কলেজ পিকনিক, নিজের অসুস্থতা সব মিলিয়ে প্রচুর টাইম ব্যয় হয়। সেজন্য মাথায় রাখতে হবে যে সময় যতটুকু আছে মনে হয়, ততটুকু আসলে নেই।
১১. কোন টপিক বোঝো আর না বোঝো, সার্ভাইভ করার জন্য মুখস্থ হলেও করে সামনে আগাতে হবে। পরে গিয়ে কন্সেপ্ট ক্লিয়ার হয়ই। কিন্তু বেশি বুঝতে গিয়ে এক জায়গায় পড়ে থাকলে দেখবে, তোমার বন্ধুদের ট্রেন কত আগে গিয়েছে, আর তুমি কোথায়। ৭নং পয়েন্ট টি আবার পড়বে।
১২. যারা ভালো রেজাল্ট করেছো, তারা অহংকারী না হওয়াই শ্রেয়। জীবন অনেক বড়। একেকটা ধাপ একেকটা ট্রেন জার্নি। যারা ভালো করেছো তারা একটু আরামদায়ক এসি সিট পেয়েছো, আর যারা একটু পিছিয়ে পড়েছো তারা নন এসিতে আছো। দুজনেরই কিন্তু এই যাত্রা শেষ হবে ইন্টারের পর। তখন যেন আবার নতুন ট্রেনে সবাই ভালো সিট পাও, সেই চেষ্টা কর। অতি দু:খ ভারাক্রান্ত মন, আর অতি আবেগী হওয়া, দুটোই বর্জনীয়।
১৩. HSC এমন একটা যায়গা যেখানে ক্লাসের মধ্যে জিরো থেকে হিরো হওয়া সম্ভব, আবার হিরো থেকে জিরোও। কে কোনটা হবে, it’s your choice!
১৪. ভুল হবেই। মানুষ মাত্রই ভুল। পার্ফেক্ট কেওই নয়। সুতরাং, যেগুলো পরামর্শ হিসেবে দিলাম সেগুলো থেকে কিছুটা ব্যত্যয় হলেই যে জীবন শেষ হয়ে যাবে এমনটা নয়। যারা সেকেন্ড ইয়ারে আছো তারা একটা জিনিস মনে রাখবে, যেকোন সময়ই ট্র্যাকে ফেরত আসা যায়। একটু কষ্ট করতে হয়, তবে অসম্ভব নয়।
১৫. চারটা জিনিস লাগে HSC লাইফে সফল হতেঃ
Strong desire, Hard work, Guideline & Luck. প্রথম দুইটা নিজের হাতে, ৩য়টা শিক্ষক বা বড় ভাইয়ের, ৪র্থটা সৃষ্টিকর্তার। সবার জন্য শুভ কামনা রইল।
Omar Faruk Sarek
EEE, KUET'17.
(Was also blessed with DU, CUET, BAU, BUTex)
HSC: Ananda Mohan College
SSC: Mymensingh Zilla School.(19th Talent pool).
13/07/2025
Solve: Mymensingh Board Hsc-25 (Physics 2nd Paper)