Sohel Telecom & Mobile Exchange

Sohel Telecom & Mobile Exchange

Share

People for people.

04/12/2021

শাওমি, রিয়েলমি, অপ্পো মোবাইল ফোন কোম্পানির আপডেট মডেলের ব্যবহৃত স্মার্ট মোবাইল ফোন ক্রয় ও বিক্রয় করা হয়। তবে অবশ্যই মোবাইল ফোনের বক্স ও সকল বৈধ কাগজপত্র সাথে আনতে হবে বিক্রির ক্ষেত্রে। আসার সময় নিম্নোক্ত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে আপনার মোবাইল ফোনের বিবরণ বলুন এবং দাম সম্পর্কে জেনে আসার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো । যোগাযোগ নম্বর - ০১৯১৪২৬৩৬০২ । মোঃ মোতাছিম বিল্লাহ সোহেল, আব্দুল গফুর মার্কেট, বালুয়াপাড়া মোড়, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ। ধন্যবাদ।

Photos from Sohel Telecom & Mobile Exchange's post 05/06/2021
Photos 07/06/2017
Photos 26/10/2016

অলীক মানুষ: সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

26 Oct 2016

উনিশ-বিশ শতকের পটভূমিতে এক মুসলিম পীরপরিবারের লৌকিক-অলৌকিক ওতপ্রোত জীবনের কাহিনী ‘অলীক মানুষ’ উপন্যাসের উপজীব্য। দীর্ঘ প্রায় একশো বছরের এই কাহিনী বস্তুত উপস্থাপিত হয়েছে কোলাজ রীতিতে। কখনও সিধে ন্যারেটিভ, কখনও মিথ ও কিংবদন্তী আবার কখনও ব্যক্তিগত ডায়রি, সংবাদপত্রের কাটিং মিলিয়ে মিশিয়ে দূর-ধূসর এক সময় এবং বিস্ময়কর মানুষের বৃত্তান্ত। কিন্তু সব মিলিয়ে আভাষিত হয়েছে বাঙালি হিন্দু-মুসলিম জীবনের এযাবৎ অনাবিষ্কৃত একটি সত্যিকারের ঐতিহাসিক সনদ। মর্ত্যে নিয়ত অমর্ত্যের নিদর্শন-অন্বেষী এবং ক্রমশ শূন্যমার্গে ধাবমান এক ধর্মগুরু, অন্যদিকে তাঁরই ঔরসজাত এক সন্তান ঘটনা-পরম্পরায় ধর্মদ্রোহী হতে হতে নৈরাজ্যবাদী চেতনায় জর্জরিত-পরিণামে আত্মদ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত সেই তরুণ নিষ্ঠুর ঘাতকে পরিণত হল, এই দুটি বিপরীত ব্যক্তিত্বের হঠকারী ও নানামুখী টানাপোড়েন শক্তিমান ঔপন্যাসিক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ আশ্চর্য দক্ষতায় চিত্রিত করেছেন। বাংলাসাহিত্যে এই উপন্যাস একেবারেই অনন্যসাধারণ-সব অর্থেই ট্রাডিশন বহির্ভূত। লৌকিক-অলৌকিক, প্রেম-অপ্রেম, মায়া-বাস্তবতার পরস্পর বিপরীত গতির মাঝখানে সংগ্রামরত মানুষ কী ভাবে অলীক মানুষে পরিণত হয় এবং কীভাবে সেই মানুষ মিথের বিষয় হয়ে ওঠে, এমন কুশলতায় আর কখনও বর্ণিত হয়নি। বহু অর্থেই এই উপন্যাস বঙ্গভূমির ইতিহাসের এক সন্ধিকালের প্রামাণ্য দলিল।

উপন্যাস জুড়ে আছে দৃশ্যমান জগৎ ও অদৃশ্য জগতের দ্বন্দ্ব। মানুষ বদিউজ্জামান ও সাধক বদু পীরের দ্বন্দ্ব। বাস্তব-অলীকের সংঘাত, লৌকিক-অলৌকিকের মায়াবী আলো-অাঁধারি জগৎ, গতি এবং বিপ্রতীপ গতির দ্বন্দ্ব দেখা যায় এই উপন্যাসে। সুদীর্ঘ প্রায় একশ বছরের দেশসমাজের নানা পরিবর্তনের ইতিহাস দেখা যায় একটি পরিবারকে কেন্দ্র করে। কখনো সলিটারি সেলে শফির আত্মকথন, কখনো বদিউজ্জামানের বয়ান। শফির ক্রমিক রূপান্তর। উপন্যাসের পর্বান্তরের মাঝে উনিশ-বিশ শতকের একটি পীর পরিবার, সামাজিক পট পরিবর্তন, মুসলমান সমাজ, ব্রাহ্মসমাজ ইত্যাদি সুন্দরভাবে চিত্রিত।

মায়া-বাস্তবতা মেশানো এই উপন্যাস সম্পর্কে লেখক সিরাজ বলেছেন : ‘অলীক মানুষ’ বলতে আমি বুঝিয়েছি ‘মিথিক্যাল ম্যান’। রক্তমাংসের মানুষকে কেন্দ্র করে যে মিথ গড়ে ওঠে - সেই মিথই (myth) একসময় মানুষের প্রকৃত বাস্তব সত্তাকে নিজের কাছে অস্পষ্ট এবং অর্থহীন করে তোলে। ব্যক্তিজীবনের এই ট্র্যাজেডি অলীক মানুষের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।... নিজের খুশিমতো নিজের আনন্দে লিখে গেছি। সেদিক থেকে দেখলে এই উপন্যাসের লেখক হিসাবে আমাকে অন্যতম নায়ক শফিউজ্জামানের মতোই স্বেচ্ছাচারী বলা যায়।’

সিরাজ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘মার্কেজের ওয়ান হানড্রেড ইয়ার্স অব সলিচ্যুইড উপন্যাসের সঙ্গে অলীক মানুষ উপন্যাসের কোথায় যেন একটা মিল আছে।’

পেশায় সাংবাদিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের 'অলীক মানুষ' উপন্যাসটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বঙ্কিম পুরস্কার - এসব ছাড়াও ভুয়ালকা পুরস্কার দ্বারা সম্মানিত । তাঁর 'অমর্ত্য প্রেমকথা' বইয়ের জন্য জন্য তিনি পেয়েছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত নরসিংহদাস স্মৃতিপুরস্কার । এছাড়া ১৯৭৯ সালে পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার । পেয়েছেন বিভূতিভূষণ স্মৃতি পুরস্কার,সুশীলা দেবী বিড়লা স্মৃতি পুরস্কার, দিল্লির OUF সংস্থার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুরস্কার, শরৎচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার ইত্যাদি আরও অনেক পুরস্কার তিনি তাঁর সামগ্রিক সাহিত্য-কৃতিত্বের জন্য পেয়েছেন । তাঁর অনেক কাহিনী চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে , যেমন 'কামনার সুখ দুঃখ' উপন্যাস অবলম্বনে 'শঙ্খবিষ" । দীনেন গুপ্তের পরিচালনায় 'নিশিমৃগয়া' । উত্তমকুমার অভিনীত 'আনন্দমেলা' । অঞ্জন দাশ পরিচালনা করেছেন সিরাজের ছোটগল্প 'রানীরঘাটের বৃত্তান্ত' অবলম্বনে 'ফালতু' । সিরাজের "মানুষ ভূত" কাহিনী চলচ্চিত্র ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মঞ্চে ক্রমাগত অভিনীত হয়ে চলেছে ৷

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের জন্ম ১৯৩০ সালের ১৪ অক্টোবর মুর্শিদাবাদ জেলায়। ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

(অলীক মানুষ উপন্যাস ও উইকিপিডিয়া অবলম্বনে)

চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ মহাপরিকল্পনা || Study Press 14/10/2016

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1856334314596342&id=1487847578111686

চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ মহাপরিকল্পনা || Study Press ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ মহাপরিকল্পনাটি করেছেন চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ৬০টি দেশের সঙ্গে চীনের মূল ভূখণ্ডকে সংযুক্ত করাই এই মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য। ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডে’র মূলত দুটো অংশ। এক. সড়কপথে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের সঙ্গে সংযুক্ত হবে চীন। চীন সড়ক পথের সঙ্গে রেলপথ ও তেলের পাইপলাইনও সংযুক্ত…

10/10/2016

সুশান্ত পালের ( সম্মিলিত জাতীয় মেধা তালিকায় ১ম, ৩০তম বিসিএস) এই লেখাটি আপনার জীবনকে বদলে দেবে।।
-
(পোস্টটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের মাধ্যমে অন্যকে জানান)
-
২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি
খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই
ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন।আপনার
ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের
টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই
চলে যাচ্ছে। কর্পোরেট যে সবসময় চেহারা
দেখে প্রমোশন দেয়,তা নয়।দিন
বদলাচ্ছে,কনসেপ্টগুলো বদলে যাচ্ছে।শুধু
বেতন পাওয়ার জন্য কাজ করে গেলে শুধু
বেতনই পাবেন।কথা
হল,কেন এমন হয়?সবচাইতে ভালটি সবচাইতে
ভালভাবে করে কীভাবে?কিছু ব্যাপার এক্ষেত্রে
কাজ করে। দুএকটি বলছি।
-
প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা। যারা আপনার
চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে বেশি পরিশ্রমী।
এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর
দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না। শুধু পরিশ্রম
করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের
রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।
অনলি ইওর রেজাল্টস্ আর রিওয়ার্ডেড,নট ইওর
এফর্টস্।আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা
মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?সবার দিনই তো
২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন
ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং
করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!আপনি বাড়তি
কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি
বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে
আপনি ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস রাতারাতি বিল
গেটস হননি।শুধু ভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস
কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।আমার মত অনার্সে ২.৭৪ সি
জিপিএ পেলেই বিসিএস আর আইবিএ ভর্তি পরীক্ষায়
ফার্স্ট হয়ে যাওয়া যাবে না। আউটলায়ার্স বইটি পড়ে
দেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।নজরুলের
প্রবন্ধগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা
স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই
নজরুল হয় না।
কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ
হয়ে যাওয়া যাবে না।সবাই তো বই বাঁধাইয়ের
দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে
পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই
করেই কাটিয়ে দেয়।
-
স্টুডেন্টলাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা
ঘামাবেন না।আমাদের ব্যাচে যে ছেলেটা
প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা
সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে কেউ
কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার
মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। ক্যারিয়ার নিয়ে
যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে
পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায়
মহাউত্সাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল
ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটা
অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।পাবলিক
ভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? কিংবা
ন্যাশনাল ভার্সিটিতে? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা
শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো
শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার
অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি?আপনাকে ডাক্তার-
ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?কিংবা ডাক্তারি পাস করে
কেন ডাক্তারিই করতে হবে?আমার পরিচিত এক
ডাক্তার ফটোগ্রাফি করে মাসে আয় করে ৬-৭ লাখ
টাকা।যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার
এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। শুধু
'ওহ শিট','সরি বেবি','চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন
চলবে না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ
দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে
গাড়িটা করে ভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি
করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?ওটা
নিয়ে ভাব দেখান কোন আক্কেলে?
-
একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।
তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ
এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু
ভাল বই পড়তে
হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক
শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল
মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে
হয়। জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য
নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে
হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি
সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে।
স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়।
এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে
লিখতে হলে
আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত
রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে
হবে?"এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি
বলি,"অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্।
সরি!"রিপ্লাই আসে,"কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না।
কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্নভাবে দিই।
আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে
সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার
টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি
গার্লস স্কুলের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন।
এখন সময় এসেছে,ও ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে
থাকবে আর আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।
-
জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে
সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলে,যে
সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে
সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন
না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন। মেনে নিতে না
পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়! বড় হতে হলে বড়
মানুষের সাথে মিশতে হয়,চলতে হয়,ওদের কথা
শুনতে হয়। এক্ষেত্রে ভার্সিটিতে পড়ার সময় বন্ধু
নির্বাচনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সাবকনশাস মাইন্ড
আপনাকে আপনার বন্ধুদের কাজ দ্বারা প্রভাবিত
করে। আমরা নিজেদের অজ্ঞাতসারেই আমাদের
চাইতে ইনফেরিয়র লোকজনের
সাথে ওঠাবসা করি,কারণ তখন আমরা নিজেদেরকে
সুপিরিয়র ভাবতে পারি।এ ব্যাপারটা সুইসাইডাল।
আশেপাশে কাউকেই বড় হতে না দেখলে বড়
হওয়ার
ইচ্ছে জাগে না।আরেকটা ভুল অনেকে করেন।
সেটি হল,ধনীঘরের সন্তানদের সাথে মিশে
নিজেকে ধনী ভাবতে শুরু করা।মানুষ তার বন্ধুদের
দ্বারা প্রভাবিত হয়।উজাড় বনে তো শেয়ালই রাজা
হয়। আপনি কী শেয়াল রাজা হতে চান,নাকি সিংহ রাজা
হতে চান,সেটি আগে ঠিক করুন।
-
বিনীত হতে জানাটা মস্ত বড় একটা আর্ট। যারা
অনার্সে পড়ছেন,তাদের অনেকের মধ্যেই
এটার অভাব রয়েছে। এখনো আপনার অহংকার করার
মত কিছুই নেই,পৃথিবীর কাছে আপনি একজন
নোবডি মাত্র।বিনয় ছাড়া শেখা যায় না।গুরুর কাছ
থেকে শিখতে হয় গুরুর পায়ের কাছে বসে।
আজকাল শিক্ষকরাও সম্মানিত হওয়ার চেষ্টা করেন
না,স্টুডেন্টরাও সম্মান করতে ভুলে যাচ্ছে।আপনি
মেনে নিন,আপনি ছোটো।এটাই আপনাকে
এগিয়ে রাখবে।বড় মানুষকে অসম্মান করার মধ্যে
কোন গৌরব নেই।নিজের প্রয়োজনেই
মানুষকে সম্মান করুন।

Photos 05/10/2016

অরুন্ধতি রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস: ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’

05 Oct 2016

ভারতীয় লেখিকা অরুন্ধতি রায়ের প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দ্য গড অব স্মল থিংস’ সে বছর সম্মানজনক বুকার পুরস্কার জিতেছিল। তবে এর পর দীর্ঘ ২০ বছরের বিরতি। অরুন্ধতি রায় ফিরছেন তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ নিয়ে। উপন্যাসটি প্রকাশিত হবে আগামী বছর।

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

কালীপুর মধ্যম তরফ, গৌরীপুর পৌরসভা, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ।
Mymensingh
2270