Edu-Tricks by Topu

Edu-Tricks by Topu 40'th BCS Non-Cadre

11/08/2025

চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য এখন থেকে এই পেজে নিয়মিত পোস্ট করা হবে।
ইনশাআল্লাহ।।।

16/05/2025

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে লেখা আমার পোস্টে আপনাদের আগ্রহ দেখে অনুপ্রানিত হয়েছি। বলেছিলাম এ জব নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখব।
আজকেই মুটামুটি সব কিছু লিখে ফেললাম। সবাইকে কষ্ট করে সবটুকু পড়ার অনুরোধ জানালাম। এর পর শুধু প্রস্তুতি নিয়ে কথা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদটি ১৩ তম গ্রেডের একটি চাকুরী। সরকারের রাজস্ব খাতের চাকুরী। যেটাকে বলা হয় একেবারে পিওর সরকারি। অর্থাৎ সরকার সম্পূর্ণ বেতন ভাতা দিয়ে থাকে। কয়েক বছর আগেও এ পদটি ১৭ গ্রেডে ছিল। বর্তমানে ১৩ তম গ্রেড। ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট পদটিকে শীঘ্রই ১২ গ্রেড ঘোষনা করবে। সহকারী শিক্ষকগন ১০ম গ্রেড/১১ তম গ্রেডের দাবিতে বর্তমানে আংশিক কর্ম বিরতিতে আছেন। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে হয়ত দশম গ্রেড পেতেও পারেন বলে মনে হয়।
যাহোক, এ পদে যোগদানকালে ১৩ তম গ্রেডে অর্থাৎ ১১০০০ টাকা বেসিকে, ৪৫% বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং সরকারের দেয়া ১০০০ টাকা প্রণোদনাসহ মোট ১৮০০০ টাকা+ বেতন পাওয়া যায়।
অন্যান্য সরকারি চাকুরির মতো উপরি ইনকামের কোন সুযোগ নাই।
আর্থিক সুবিধা এত কম যে, আর কোন ইনকাম সোর্স না থাকলে এ যুগে খেয়ে পড়ে চলা-ই কঠিন।
পাশাপাশি সকাল ও বিকেলে কিছু টিউশন বা অন্য কোন ইনকাম সোর্স বের করে নিতে হয়। আর মেয়েদের ব্যাপার ভিন্ন। তারা সাধারণত দুইজনই চাকুরীজীবি হয়ে থাকেন। এজন্য এটাকে অনেকে মেয়েদের চাকুরি বলে থাকে।
এর পর আর্থিক সুবিধার আরেকটা জায়গা হল - বড় কোন চিকিৎসা /সার্জারীর প্রয়োজন হলে, সিজার হলে, কল্যাণ তহবিল ও কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যায়।
এর পর আসছে পোস্টিং ও বদলির বিষয়ঃ
পোস্টিং নিজ উপজেলায় হয়। তবে গ্রাম থেকে সাধারণত অনেক দূরে হয়। যাতে পরবর্তীতে বদলির জন্য শিক্ষা অফিসের কেরানিদের পিছনে দৌড়ান এবং তেল মারেন। যেভাবেই হোক, কিছুদিন পরেই ডেপুটেশন বা স্থায়ীভাবে মুটামুটি পছন্দের স্কুলে বাড়ির কাছাকাছি স্কুলে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে উপজেলার কাছাকাছি,রাস্তার পাশে বা যেখানে যাতায়াত ব্যাবস্থা ভালো সেসব স্কুলে বদলির চাহিদা বেশি থাকে। বদলির তালিকা তৈরি করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়। এক্ষেত্রে সিনিয়রিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মার্কিং করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে আরও কিছু বিষয় অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

এবার বলতে চাই কেন এ জবে আসবেন আর কেন আসবেন না সে বিষয়ে-

কেন এ জবে আসবেনঃ

১/ যাদের নাড়ির টান বেশি, মানে হোমসিক, তাদের জন্য এ জব ভাল। তবে যুগ পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘদিন শহরে পড়াশোনা করে হঠাৎ করে গ্রামে চলে আসলে অনেকে এডজাস্ট করতে পারে না। আমি পরিবেশের কথা বলছি না। কোন পরিবেশ সে বিষয়ে একটু পরই জানতে পারবেন।
২/ যাদেরকে শুধু বেতনের উপর নির্ভর করতে হবে না, অন্য সোর্স আছে বা বের নিতে পারবেন তারাএ পেশায় আসতে পারেন।
৩/ যারা শিশুদের ভালবাসা পেতে চান বা ভালবাসতে চান তাদের জন্য এ পেশা সেরা।
৪/ যারা চান বৃদ্ধ বয়সে দু'চার জন সচিব, মেজিস্ট্রেট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার আপনাকে ভক্তি করবে, তারাও আসতে পারেন।
৫/ যারা চান ঢাকার মতো দূষিত, শীসাযুক্ত বাতাস ছেড়ে গ্রামের নির্মল হাওয়া খেয়ে, ফরমালিনমুক্ত সবজি, ফল খেয়ে বাঁচবেন তারা আসতে পারেন।

যারা এ পেশায় আসবেন নাঃঃ

১/ রিলাক্স জব খুজেন যারা, তারা আসবেন না। এ দেশে বেশিরভাগের মধ্যে একটা ধারণা আছে যে, প্রাইমারিতে চাকরি করা মানে আয়েশের চাকরি। ভোকেশনাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবে সব ধরনের সরকারি ছুটি মিলিয়ে, শুক্রবার, শনিবারসহ বছরের প্রায় অর্ধেক সময়ই স্কুল বন্ধ থাকে।( ভোকেশনাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবে এ ছুটিগুলো বলা যায় শিক্ষকদের টাকা দিয়ে কেনা কারন এরা ফুল পেনশান পায় না) কিন্তু অনেক জব আছে যেখানে সারাদিন কাজ করেও যতটুকু মাথা ব্যথা না হবে, প্রাইমারিতে একটা ক্লাসেই তার চেয়ে বেশি হয়। কোলাহলপূর্ণ কর্মপরিবেশ, সারাক্ষণ চিল্লাচিলি আপনার খুব অল্প সময়েই মাথা ব্যথা, ঘাড় ব্যথার কারন হতে পারে।
আর হ্যা, জাতীয় দিবসগুলোতে সব সরকারি কর্মচারীরা যখন ঘুমায়, তখন প্রাইমারি স্কুলে সকল শিক্ষকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

২/ আগেই বলেছি যাদের অল্প বেতনে পোষাবে না, তারা আসবেন না। সমাজের সাথে তাল মেলাতে পারবেন না। বেতাল হয়ে পরে ঘরকুনো হয়ে যাবেন।

৩/ যারা শিক্ষকতাকে সমাজের সবচেয়ে সম্মানের পেশা ভাবেন তারা আসবেন না। এর কারণ পরিবর্তিত যুগ। এ যুগে টাকা না থাকলে আপনি দাম পাবেন না। আপনি সমাজে হাস্যরসের পাত্র হবেন। এলাকাভেদে সম্মানের তারতম্য হবে। সভ্য সমাজে সবসময়ই শিক্ষকদের কদর থাকে। সম্মানের আশা করা ঠিকও না। আপনি একজন সরকারি চাকর। আপনি কাজের বিনিময়ে বেতন নিচ্ছেন। আর সম্মান আশা করবেন কেন?যতটুকু পাবেন তা বোনাস।
শিক্ষা অফিসারেরা বলবে, এ পেশা মহান পেশা। দিস ইজ নট এ জব, দিস ইজ মোর দ্যান এ জব😁
এগুলি ফাঁকা বুলি। বলার সময় মোর দ্যান এ জব। আর বেতন বেশি দিতে বললে বলবে, না পোষালে চাকরি ছেড়ে দেন।
৪/শিশুদের সহ্য করার ক্ষমতা না থাকলে এ পেশায় আসবেন না। ওরা জ্বালাবেই। ওদের মারতে পারবেন না। মারলে স্কুলে আসবে না। আর স্কুলে না আসলেই সে শেষ। পাঁচ বছর স্কুলের বারান্দায় শুধু হাটাহাটি করার সুযোগ দিলেও সে সভ্য হবে। নিজের নাম, বাবা-মার নামটা লিখতে পড়তে পারবে।
৫/ কর্মপরিবেশ একটা বড় ফ্যাক্ট হবে। ভাল অফিস পাবেন না, বিদ্যুত পাবেন না। ভালো স্মার্ট কলিগ পাবেন না। দেখবেন আপনার হেড স্যারেরই পুরোনো প্যান্ট, কবে আয়রন করা হয়েছে জানা নাই, ছিন্নভিন্ন চটি জুতা, সেখানে আপনার ফুলবাবু হয়ে স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছে মরে যাবে। এটা অনেক সময় পীড়াদায়ক হবে। আপনার অন্য কলিগরাও হয়ত আপনার মতো যোগ্যতার ও ব্যক্তিত্বের হবে না।
আর হল আপনার প্রোডাকশন হাউজ।
দিনমজুরের ছেলে, বস্তির ছেলে, ইট ভাটার মজুর, মধ্যবিত্ত, মূর্খ পিতামাতার ছেলে, মেম্বারের ছেলে, ধনীর ছেলেমেয়ে।
একেক রকম বিহেভিয়ার। পোশাক নাই, জুতা নাই, শীতের কাপর নাই, খাতা নাই, স্বাস্থ্য নাই। দেখে মনে হবে কিছু টাকা দিয়ে হেল্প করি। পকেটে হাত দিয়ে দেখবেন টাকা নাই। আর এদের সংখ্যাটাও অনেক।
অনেকের কাছে এ দৃশ্যটা বিশ্বাস না হতে পারে। তবে এটা এখনও বাস্তব চিত্র।

যাহোক এতসব বিষয় বিবেচনা করেও যারা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে আসতে চান আসুন। ওয়েলকাম। অনেকে নিরুপায় হয়েও আসবেন। আর হ্যা, আপনার কলিগরা ভালো হলে, প্রধান শিক্ষক ভাল হলে, দায়িত্বশীল হলে কাজ করে মজা পাবেন।
তবে অবশ্যই আপনার মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে যে, শিশুরা জ্বালাবে। আদর করলে আরও জ্বালাবে। বাঁদরের মত মাথায় চড়ে বসবে।
ওরা ভালওবাসবে।অকৃত্রিম ভালবাসা। কোন ভেজাল নেই, নিষ্পাপ তারা। শুধু পরিবেশ চায় তারা, আদর চায়। আর আপনি ওদেরকে একবার ভালবাসতে পারলে স্কুল ভাল লাগবে। বাচ্চারা স্কুলে আপনাকে খুজবে।
দল বেঁধে এসে বলবে," তুমি কালকে আসো নাই কেন?"
এরাই বড় হয়ে আপনার খোজখবর নিবে, বিপদে পাশে এসে দাড়াবে, আপনি না থাকাকালে আপনার সন্তানদের পাশেও।।
যাহোক নিজ অভিজ্ঞতা থেকে ভুলে ভরা অনেক কথা বলে ফেললাম। শিক্ষকদের নজরে আসলে এড়িয়ে যেতে পারেন। লিখাটা লিখলাম চাকুরী প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্য করে।
আর হ্যা,বিরাট সংখ্যায় একটা নিয়োগ আসতে যাচ্ছে শীঘ্রই। যারা প্রস্তুতি নিতে চান- আমি আপনাদেরকে পুরো সিলেবাসের উপর ক্লাস দিয়ে সহযোগিতা করতে পারব। প্রস্তুতি নিতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারব।
আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজ শেষ করলাম।

মুকছেদুল ইসলাম তপু
প্রধান শিক্ষক (বিসিএস নন ক্যাডার)
৫নং বাশাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

16/05/2025

ঈদের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে একটি বড় নিয়োগ আসতে যাচ্ছে।
এ পদে আগ্রহী চাকুরী প্রার্থীদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে আর প্রস্তুতি গ্রহনে সহায়তা করতে ধারাবাহিকভাবে আমার আইডিতে পোস্ট করা ও প্রস্তুতি ক্লাস দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।
আগ্রহীগন আমার আইডিতে চোখ রাখবেন। আশা করি প্রস্তুতি নিতে সহায়ক হবে।
যা যা জানতে পারবেন-
১/ ক্যারিয়ার হিসেবে এ জব কেমন?
২/ দায়িত্ব, কর্মঘন্টা ও ছুটিছাটা
৩/ বেতন-ভাতাদি
৪/পোস্টিং ও বদলি
৫/ পুরো প্রস্তুতিতে গাইডলাইন ও প্রয়োজনীয় ক্লাস( ভিডিও)

মুকছেদুল ইসলাম তপু
প্রধান শিক্ষক ( বিসিএস নন-ক্যাডার)
৫নং বাঁশাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

18/02/2025

একটি শূণ্যযুক্ত সংখ্যাকে ৫ দিয়ে ভাগ করার সহজ টেকনিক।

18/02/2025

পূর্ণ সংখ্যা থেকে ভগ্নাংশ সংখ্যা বিয়োগ করার সহজ পদ্ধতি

Address

Fulpur
Mymensingh
2150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Edu-Tricks by Topu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share