আস সালামু আলাইকুম।
জনাব,
Tarique Rahman,
প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
বিষয় - নদী ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা।
জনাব, তারেক রহমান আপনাকে ধন্যবাদ, আপনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন, যা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ।
তবে দেশের বাস্তব সমস্যার তুলনায় এটি যথেষ্ট নয়।
বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে একটি নদীমাতৃক দেশ হলেও দীর্ঘদিন ধরে নদী ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।
পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পরও কোনো সরকার নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা রক্ষায় পর্যাপ্ত মনোযোগ দেয়নি।
ফলে— উজান থেকে পলিমাটি জমে নদীর গভীরতা কমে গেছে
বিশেষ করে ভারতের উজানে বাঁধ নির্মাণ ও শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রত্যাহারের কারণে নদীর গতি কমে গেছে বর্ষাকালে হঠাৎ পানি ছেড়ে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয় স্বাধীনতার পর ভূমিদস্যুদের দখলে নদীর তীর সংকুচিত হয়েছে এই সব কারণে প্রতি বছরই বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়।
ভারত বা চীনের মতো উজানের দেশগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ করছে। আন্তর্জাতিক আইন দেখিয়েও তাদের এ নীতি পরিবর্তন করা বাস্তবে সম্ভব নয়। তাই বাংলাদেশের উচিত নিজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।
সমাধান:
নদী ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গঠন-
দেশের নদ-নদী ও খাল ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি স্বতন্ত্র নদী ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গঠন করা অত্যাবশ্যক। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রস্তাবিত করণীয়সমূহ-
১. নদী ও খালের পুনরুদ্ধার -
ব্রিটিশ আমলের নদী ও খালের মূল খাত চিহ্নিত করতে হবে। দখল হওয়া খাল ও নদী পুনরুদ্ধার করতে হবে। খাল ও ছোট নদীর ওপর দেওয়া বাঁধ অপসারণ করতে হবে। বাঁধের পরিবর্তে সেতু নির্মাণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে।
২. ব্যাপক ড্রেজিং কার্যক্রম-
নদী ও খালের গভীরতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ড্রেজিং করতে হবে। বর্ষাকালে ড্রেজিং করলে স্রোতের মাধ্যমে মাটি সহজে সাগরে চলে যাবে। ড্রেজিং করা মাটি নদীর পানিতে মিশিয়ে দিলে তা বঙ্গোপসাগরে গিয়ে নতুন চর সৃষ্টি করবে। এতে দেশের ভূমির পরিমাণ বাড়বে। পাইপের মাধ্যমে পানির চাপ দিয়ে নদীতল ভেঙে মাটি সরানোর আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। ছোট ড্রেজার দেশেই তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।
৩. পানির আধার নির্মাণ-
নদীর দুই তীরে বড় আকারের পানির রিজার্ভার তৈরি করতে হবে।
বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচ কাজে ব্যবহার করতে হবে। এসব আধারে মাছ চাষ করা যাবে। বর্ষার আগে জমে থাকা পলি অপসারণ করতে হবে।
৪. প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ-
নদী ও আধার নির্মাণের জন্য সরকারি জমি যথেষ্ট না হলে
ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ন্যায্য মূল্যে অধিগ্রহণ করতে হবে।
৫. সামগ্রিক সুফল-
বন্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে
নদীর নাব্যতা ও প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। সেচ ব্যবস্থার উন্নতি হবে
মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। ব্যয়বহুল বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন কমে যাবে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতায় নদী ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্রীয়ভাবে গুরুত্ব না দিলে বন্যা ও নদীসংকট থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। তাই একটি কার্যকর ও শক্তিশালী নদী ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গঠন সময়ের দাবি।
সংযুক্তি -
Dr. Mahbubur Rahman Liton
BNP Media Cell
Bangladesh Nationalist Party-BNP
ফজলুর রহমান হুমায়ুন মাস্টার
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ফজলুর রহমান হুমায়ুন মাস্টার, Mymensingh.
মো. ফজলুর রহমান হুমায়ুন মাস্টার
জন্মঃ- ১৩ এপ্রিল ১৯৪৩ খ্রি.
মৃত্যুঃ-২৩ জুন ২০০৩ খ্রি.
হরিরামপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, নিঘোরকান্দা গ্রামের ঐক্যের প্রতীক, সমাজ সেবক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সু-বক্তা।
16/03/2026
With ডা জুবাইদা রহমান – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
15/03/2026
সালাত শুধু পড়ার বিষয় নয়; সালাত হচ্ছে প্রভুর সাথে সংযোগ বা যোগাযোগ। সালাতে ইশকের মাধ্যমে মেরাজ রুপ ধারণ করানো। নিয়মিত সালাত প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করতে হয়, স্মরণে রাখা, যত্নসহকারে ও জীবনের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে সালাত প্রতিষ্ঠিত করা জরুরি। ওয়াক্তিয়া সালাত নবী (সা.) হতে এ পর্যন্ত ইজমায়ে উম্মাহর (ঐক্যমত) যা শরীয়তে অবশ্য পালনীয় নির্দেশ, সালাতে দায়েম (সালাতিহিম দায়েমুন) থাকা কোরানের স্পষ্ট নির্দেশ।
সত্যিকারের মুমিনের পরিচয় সালাতের মাধ্যমে প্রকাশ পায়; তাদের মাঝে বিকশিত হয় আসসালাতু মেরাজুল মুমেনিন।
রুকু ও সিজদার মাধ্যমে আল্লাহর প্রশংসা করা হয় এবং (কূউদে) বসে দরুদ ও সালাম পড়ে নবী (সা.) -এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। [আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলে মুহাম্মদ এবং আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান্নাবিউ]
সালাতের মধ্যে তাশাহহুদে সত্য সাক্ষ্য এবং সালাম দেওয়া হয়; এখানে কোনো মিথ্যা নেই, এটি ঈমানের সত্য স্বীকৃতি।
সালাত মানুষের মধ্যে লজ্জা, আল্লাহভীতি, বিনয় ও নম্রতা সৃষ্টি করে। অশ্লীলতা ও মন্দ দূর করে [ইন্নাস্ সালাতা তানহা আনিল ফাহশা-ই ওয়াল মুনকার।]
সালামের মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে শান্তি ও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। সালাতে মনোযোগ ও একাগ্রতা থাকতে হবে; মন অন্যদিকে ঘুরে বেড়ানো উচিত নয়। কিয়ামতের ময়দানে সালাতের ফলাফল দেখা যাবে, তখন প্রকৃত ইবাদতকারীরা আলাদা হয়ে যাবে।
যার জীবনের সাথী সালাত অর্থাৎ সালাত চোখের পুতলী হয়, তার ঈমান ও আত্মিক জীবন অমর থাকে। সালাত ঈমানকে রক্ষা করার দুর্গ বা সীমান্ত ঘাঁটির মতো, এটি মানুষকে পাপ ও শয়তানের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। কেউ সালাতে গভীর শান্তি ও আধ্যাত্মিক অনুভূতি পায়, আবার কেউ কেবল বাহ্যিকভাবে পড়ে। কেউ সালাতের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক পথিক (সালেক) হয়, আবার কেউ প্রেম ও ভক্তিতে মগ্ন (মাস্তানা) হয়ে যায়।
©️
তারেক মুহাম্মদ জুনায়েদ সিদ্দিকী।
বাউন্ডারি রোড, ময়মনসিংহ।
২৫ রমজান।
১৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।
14/03/2026
বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের অবাঞ্ছিত আচরণ।
১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমদ নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। কিন্তু বিরোধী দলীয় সদস্যরা দাঁড়িয়ে সম্মান জানাননি এবং তাঁর ভাষণের সময় ওয়াকআউট করেন—যা সংসদীয় রীতির পরিপন্থী।
প্রেসিডেন্ট আওয়ামী লীগের সমর্থনে নির্বাচিত হলেও বাস্তবতা হলো—সরকার পতনের পরও তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহাল ছিলেন। তাঁর অধীনেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বর্তমান সংসদ গঠিত হয়। তাই তাঁকে অবমাননা করা বিরোধী দলের স্ববিরোধী আচরণ।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি পূর্ববর্তী সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন; তাই তাঁর কাছ থেকে স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ আশা করা বাস্তবসম্মত না।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফলেই নির্বাচন হয়েছে এবং বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব নয়, বরং একটি সফল গণআন্দোলন বলা যায়। পুর্নাঙ্গ বিপ্লব হলে সবকিছু আমূল পরিবর্তন হতো। তা হয়নি।
আন্দোলনটি চাকরিতে বৈষম্যের প্রতিবাদ থেকে শুরু হয়। পরে দমন-পীড়নের কারণে তা তীব্র হয় এবং বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন শক্তি যুক্ত হয়ে তা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এটি দেশ গঠনের আন্দোলন ছিলোনা, আর ছিলো না স্বৈরাচার পতনের।
আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ চাইলে সংবিধান বাতিল করে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ, বিপ্লবী সরকার ও কমিটি গঠন এবং গণভোটের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে পারত—কিন্তু তারা তা করেনি। সুযোগ হাতছাড়া করেছে। কারণ তাদের আন্দোলনের লক্ষ্য তা ছিলো না। আর এখন প্যাক প্যাক করছে।
তারা সংবিধান বহাল রেখে রাষ্ট্রপতিকে পদে রেখেই মুহাম্মদ ইউনুস-কে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে।
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের জন্য সংসদীয় পদ্ধতিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারতো। কিন্তু তা না করে তাঁকে প্রকাশ্যে অবমাননা করে জাতীয় সংসদের জন্য একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো জামাত এনসিপি জোট।
©️
তারেক মুহাম্মদ জুনায়েদ সিদ্দিকী,
নিঘোরকান্দা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
১৫ মার্চ ২০২৬ খ্রি.
12/03/2026
''স্ববিরোধিতা সীমাহীন''
একেই বলে রাজনীতি!!!
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিরোধী দলের নেতারা ৫ ও ৬ আগস্টে আলোচনা করেছেন এবং অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নিয়েছে, সেই রাষ্ট্রপতির বৈধতাকে তখন তারা কার্যত স্বীকার করেছিলেন। তখন তারা কোন শব্দ করেনি।
এই রাষ্ট্রপতির কাছে সংসদ সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন তারা।
এখন সেই রাষ্ট্রপতির বৈধতা বা ভূমিকা অস্বীকার করে, রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের সময় সংসদ হতে ওয়াক আউট করে রাজনৈতিকভাবে চরম স্ববিরোধিতার পরিচয় দিচ্ছে তারা।
সত্যিই সেলুকাস, চলিতেছে সার্কাস!!!?
12/03/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
2220
15/03/2026
15/03/2026
12/03/2026