Ab. Kayum's Advice

Ab. Kayum's Advice

Share

B.A( Honours), M.A in English Language and Literature(NU,IIUB), B.Ed(NU), M.Ed(BOU)

20/05/2026

With MIJAN 72 – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

20/05/2026

20/05/2026
12/05/2026

With KA Alamin – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

16/04/2026

হুমায়ূন ফরিদী ৩ বছরের মেয়েকে ফেলে বিয়ে করেছিলেন সুর্বনাকে সেই মেয়ের কাছেই করুন মৃত্যু
একটু পেছনে ফিরে যাওয়া যাক ১৯৮০ সালে হুমায়ুন ফরিদী ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন - দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা মিনুকে,। তারপর বছর না পেরুতেই একটি কন্যা সন্তানের জনক হন মিনু এবং ফরিদী, নাম রাখেন দেবযানী।
তারপর অভিনয় করতে গিয়ে প্রেমে পড়েন # বিখ্যাত অভিনেতা গোলাম মোস্তফার মেয়ে সুর্বনা মোস্তফার - তারপর ১৯৮৪ সালে মিনুকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন # সুর্বনা মোস্তফাকে - তখন তার মেয়ে দেবযানীর বয়স মাত্র তিন বছর, ফরিদী কাপড় চোপড় যখন ব্যাগে ভরছিলেন, তখন ছোট্ট দেবযানী মা মিনুকে জিজ্ঞেস করেন -
মা বাবা কই যায় তখন মিনু উত্তরে বলেন # তোমার বাবা একে বারে চলে যাচ্ছে আমাদের ছেড়ে - তখন ছোট্ট দেবযানী চিৎকার করে কাঁদছিলেন, যেওনা বাবা যেওনা বাবা বলে - কিন্তু হুমায়ূন ফরিদীর পাষান হৃদয় বিন্দু পরিমানে গলেনি।
তারপর ১৯৮৪ সালেই সুর্বনাকে বিয়ে করেন ফরিদী চলে সুখের হানিমুন - ঠিক ২৪ বছর পর ২০০৮ সালে - সুর্বনা ফরিদীকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন নাট্য পরিচালক সউত কে আর ফরিদী ফ্যাল ফ্যাল করে সুর্বনার দিকে তাকিয়ে ছিলো -
যেমন ভাবে মিনু তাকিয়ে ছিলো ফরিদী যখন চলে যাচ্ছিলেন সুর্বনা মোস্তফার কাছে - সেম সেম ঘটনা ঘটে।
তারপর ফরিদী পর পর দুই বার হার্ট এ্যাটাক করলে হাসপাতালে ছুটে চলে যান তার সেই ফেলে আসা ৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে দেবযানী। তারপর ফরিদীকে তার বাসায় নিয়ে আসেন।
এরপর ধুকে ধুকে ফরিদী মারা যান তার মেয়ে দেবযানী বাসায় - একটি বাস্তব কাহিনীর গল্প এখানেই শেষ।

14/04/2026

বাঘের মাসি কেন বলা হয় বিড়ালকে? এটা কি কেবল একটা কথা নাকি মহান রবের নিপুণ এক পরিকল্পনা?
আপনি জানলে অন্যদেরও জানানো উচিত যে, বাঘ আর বিড়ালের ডিএনএ প্রায় হুবহু একই রকম! ৯৫.৬% জিনেটিক মিল থাকা মানে হলো, আপনার আদরের বিড়ালটির রক্তে আসলে বাঘের তেজ বইছে। বাঘের মতো গর্জন না করলেও, এদের ক্ষিপ্রতা আর শিকারি বুদ্ধি একদম একই।
আপনার বিড়ালটি কি মাঝে মাঝে বাঘের মতো রাগ দেখায়? আপনার বিড়ালের একটা কিউট ছবি কমেন্টে দেখতে চাই!
আল্লাহর এই অদ্ভুত নেয়ামত আর রহস্য অন্যদেরও দেখার সুযোগ করে দিন। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, তারা জেনে গর্ববোধ করবে।
আল্লাহ তায়ালার কুদরতের কোনো শেষ নেই, প্রতিটি প্রাণীই তাঁর মহিমা ঘোষণা করছে।
#বিড়াল_প্রেমী #বিজ্ঞান #মাশাআল্লাহ

14/04/2026

দাঁতের একটি ছোট্ট কালো দাগ বা সামান্য শিরশিরানিকে আমরা অনেকেই গুরুত্ব দিই না। কিন্তু এই ছোট অবহেলাই কীভাবে আপনার পুরো দাঁত এবং শরীরকে বড় বিপদে ফেলতে পারে, তার পেছনে দুটি প্রধান বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সংক্রমণের স্তর ও স্থায়ী ক্ষতি: আমাদের দাঁতের বাইরের শক্ত সাদা আবরণ হলো এনামেল (Enamel), যাতে কোনো স্নায়ু নেই। ক্যাভিটি যখন এই স্তরে থাকে, আমরা সাধারণত কোনো ব্যথা অনুভব করি না। কিন্তু অবহেলা করলে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে ডেন্টিন পার হয়ে রক্তনালী ও স্নায়ু সমৃদ্ধ ‘পাল্প’ (Pulp)-এ পৌঁছে যায়। একবার পাল্প সংক্রমিত হয়ে গেলে সাধারণ ফিলিং দিয়ে আর কাজ হয় না, তখন ব্যয়বহুল রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট বা দাঁত ফেলে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
২. হাড়ের ক্ষয় ও সিস্টেমেটিক ইনফেকশন: ডায়াগ্রামে লক্ষ্য করলে দেখবেন, দাঁতের গোড়ায় ইনফেকশন বা পুঁজ (Abscess) জমা হওয়া কতটা ভয়াবহ। এই সংক্রমণ কেবল দাঁতেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে দাঁতের চারপাশের চোয়ালের হাড়কে ক্ষয় করতে শুরু করে। আরও আশঙ্কার বিষয় হলো, দাঁতের রক্তনালীর মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জটিলতা তৈরির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
তাই দাঁতে কোনো ছোট গর্ত, কালো দাগ বা শিরশিরানি অনুভব করলেই দেরি না করে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দেওয়া কেবল প্রবাদ নয়, আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি জরুরি সতর্কতা!
আপনার দাঁতে কি এমন কোনো সমস্যা অনুভব করছেন? কমেন্টে জানান অথবা আপনার প্রিয়জনদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন। ✨
#দাঁতেরযত্ন #স্বাস্থ্যসচেতনতা

13/04/2026

With Mohammed Sahabi – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

13/04/2026

With Sarker Saiful – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Mymensingh