Busy= ব্যস্ত Bestow= দান করা
Flower= ফুল Full= পরিপূর্ণ Fool = বোকা
Wife= বৌ Bow= ধনুক
Fay= পরী Pori= বিল
Queen= রাণী Runny= ঢলঢলে
Smile= হাসি Hussy= বেহায়া
Call= ডাক Duck= হাঁস
Quilt = লেপ Lap= ভাঁজ
Tent= তাঁবু Taboo= নিষিদ্ধ
Chest= বুক Book= বই
Forest= বন Bon= উপভোগ
I= আমি Ami= বন্ধু
You= তুমি Tumi= তল
Left= বাম Bum= নিতম্ব
Profit= লাভ Love=ভালোবাসা
Month= মাস Mass= সম্পদ
Doll= পুতুল Putul= খাদ
Eraser= রবার Robber= ডাকাত।
What=কী key=চাবি
hand=হাত hat=টুপি
পড়া শেষ done লিখতে ভুলবেন না। ✅
Collected
কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
করুয়াপাড়া মৌজাস্ত এ বিদ্যালয়টি ১৯২৪ ?
. ( ভবিষ্যৎ গড়ি ) .
... Farabi ...
আমাদের বিদ্যালয়ের নাম
কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
এইখানেতে পড়ি,,,
ভবিষ্যতের জীবনটা তাই এইখানেতেই গড়ি,
ছাত্ররা সব ভাই এর মতো
পিতৃতুল্য স্যার,
প্রানে দরদ,মুখে শাসন, পরান চমৎকার।
ম্যাডামরা সব মায়ের মতো,
শাসন বারন করেন
নিত্য নতুন জিবনে সুখ বয়ে তারা আনেন
অধ্যক্ষ স্যার দয়ার সাগর দিলো দরিয়া মন।
শিক্ষা দীক্ষায় আদব কায়দাই
আমরা সজাগ সারাক্ষণ।..
লেখাঃ ফারাবী।
27/04/2022
এসএসসি ২০২২ ইং সালের পরীক্ষার সময়সূচি
আসুন জেনে নিই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসমুহ।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং আইনগত দিক দিয়ে শাস্তি???
=================
চলমান পরিস্থিতিতে ডিজিটালাইজেশন এর যুগে অপরাধেরও ধরন পাল্টেছে,পাল্টেছে অপরাধীদের দৌরাত্ব। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে, এবং এর ফলে সাইবার ক্রাইম গুলো দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এজন্যই দেশের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পাশ করা হয়েছে #ডিজিটাল #নিরাপত্তা #আইন।
চলুন দেখে আসি এক নজরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোন ধারায় কী শাস্তি।মানুষের মৌলিক চাহিদা কয়টি ও কী কী?
আইনে পুলিশকে পরোয়ানা ও কারও অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আইনের ১৪টি ধারার অপরাধ হবে জামিনঅযোগ্য। নতুন আইনের ১৭ থেকে ৩৮ ধারায় বিভিন্ন অপরাধ ও শাস্তির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। অত্র আইনের ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ ধারাকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। নতুন আইনের বেশিরভাগ ধারাই জামিন অযোগ্য হলেও এর মধ্যে মানহানির ২৯ ধারাসহ ২০, ২৫ ও ৪৮ ধারার অপরাধে জামিনের বিধান আছে।
#ধারা১৭: কেউ যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় অথবা রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, তাহলে তা হবে অজামিনযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা১৮: ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেমে বেআইনি প্রবেশ বা সহায়তা করলে সর্ব্বোচ তিন বছরের কারাদণ্ড। জরিমানা ১০ লাখ টাকা।
#ধারা১৯: বেআইনিভাবে যদি কোনো ব্যাক্তি কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম হতে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত ভাণ্ডার, তথ্য বা উদ্বৃতাংশ সংগ্রহ করেন বা কোনো উপাত্তের অনুলিপি সংগ্রহ করেন, তাহলে সর্ব্বোচ সাত বছরের কারাদণ্ড; জরিমানা ১০ লাখ টাকা।
#ধারা২০: কম্পিউটার সোর্স কোড পরিবর্তন, ধ্বংস করলে সর্ব্বোচ তিন বছরের সাজা। জরিমানা তিন লাখ টাকা।
#ধারা২১: যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচার চালানো বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুরূপ কার্য ইইবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয়বার অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
#ধারা২৩: কোন ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা করলে, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৪: কম্পিউচার সিস্টেম ব্যবহার করে প্রতারণা, কাউকে ঠকানোর জন্য অপর কোন ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করা জীবিত বা মৃত অপরের তথ্য নিজের বলে প্রচার করা ডিজিটাল অপরাধের শামিল। প্রথম দফায় এ অপরাধের শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৫: কেউ যদি ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমনাত্বক ভয়-ভীতি দেখায় তাহলে তাকে তিন বছরের জেল বা তিন লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৬: আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া অন্য কারও পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রি, সরবরাহ ও ব্যবহার করা হবে অপরাধ। প্রথম দফায় এ অপরাধের শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৭: নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কেউ রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, স্বার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা বা জনগণের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করলে বা করার চেষ্টা করলে অথবা ইলেকট্রনিক নেটওযার্ক ব্যবহার করে জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও সেবা ক্ষতিগ্রস্থ করলে তা হবে ডিজিটাল অপরাধ। এ ধারার অধীনে কোন অপরাধীর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- এ অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৮: যদি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতি বা মূল্যবোধে আঘাত করার জন্য ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ করে, তাহলে তাকে অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে তাকে অনধিক ১০ বছেরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৯: যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে পেনাল কোডের ৪৯৯ ভঙ্গ করে কোনো অপরাধ করেন তাহলে সর্ব্বোচ তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন। জরিমানা পাঁচ লাখ টাকা।
#ধারা৩০: না জানিয়ে কেউ যদি কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যাংক বীমায় ই-ট্রানজেকশন করে তাহলে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩১: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণী বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়, তাহলে তা ডিজিটাল অপরাধ। এই অপরাধের জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩২: যদি কোন ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ কোন সংস্থার গোপনীয় বা অতি গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ করলে তা হবে ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির শামিল। আর এটি হবে অজামিন যোগ্য অপরাধ। এমন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- কোন ব্যক্তি প্রথমবার এই অপরাধে দোষী সাব্যস্থ হলে অনুর্ধ ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বা বারবার ওই অপরাধে দোষী প্রমাণীত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩৪: হ্যাকিংয়ের শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় এ অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এই আইন লঙ্ঘন হয়, এমন অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে। এই আইনের অধীনে সংগঠিত অপরাধ বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সময়ে সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে।
সংগৃহীত
23/02/2022
মনে পড়ে ফেলে আসা দিনগুলো?
06/02/2022
জেনে নিন অটিজমের প্রাথমিক লক্ষণসমুহ
কোভিড-১৯ জনিত কারণে দেশ ও দেশের বাইরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণীকক্ষের পাঠদান কার্য্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
তবে উন্নত বিশ্বে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় পাঠদান কার্য্যক্রম ভার্চুয়ালি(অনলাইন) চলমান রয়েছে এবং তাতে অধিক গুরুত্ব প্রদানও করা হচ্ছে।যার ফলে উন্নত বিশ্বে পাঠদান ও শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীরা কিছুটা হলেও কম ক্ষতির স্বীকার হচ্ছে।
কিন্তু তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিতে অর্ধ উন্নত ও স্বল্প উন্নত দেশে বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এ সময়ে অনেকটা পিছিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু আমরা চাই,আমাদের হাতে যতটুকু প্রযুক্তি পৌছেছে তার সঠিক এবং উপযুক্ত ব্যবহারে তোমাদের এগিয়ে নিতে এবং বিষয়ভিত্তিকভাবে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ,মেধাবী এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকদ্বারা ভার্চুয়াল ক্লাসে যোগ দিতে।
যেসকল বিষয়ের উপর ক্লাস থাকবে...
১) সাধারণ গণিত(৫ম থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)
২) বিজ্ঞান(৫ম-১০ম)
৩)উচ্চতর গণিত(৯ম-১০ম)
৪)পদার্থ,রসায়ন,জীব(৯ম-১০ম)
৫)ইংরেজী(৫ম-১০ম)
কার্য্যক্রমটি শুরু হবে 'প্রত্যাশা একাডেমি,ধান মহল,হালুয়াঘাট' ও 'Radix ICT Point,Dharabazar(for class 11 & 12) এর সৌজন্যে।
★ভার্চুয়াল ক্লাস কার্যক্রমের সময়সূচী ও আরম্ভের তারিখ পরবর্তী পোস্টে জানিয়ে দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন বিদ্যালয় সরকারী প্রজ্ঞাপন অনুসারে বন্ধ থাকায় দুষ্ট মানুষ কর্তৃক বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য্য নষ্ট হচ্ছে।বুঝে না বুঝে কেউ বিদ্যালয়ের দেওয়ালে আকায়াকি করে,জানালার গ্লাস ভাঙে।দরজা,জানালা ক্ষতিগ্রস্থ করে।
এসব ব্যাপারে প্রত্যেককে সচেতন থাকার আহ্বান ও অনুরুধ করা যাচ্ছে।
বিদ্যালয় একটি সামাজিক সম্পদ।তাই এর সৌন্দর্য্য ও গৌরব বজায় রাখা আপনার,আমার দায়িত্ব।নির্বিশেষে সকলের দায়িত্ব।
আসুন নিজের কোমলমতি সন্তানকে নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলি।
23/04/2021
সবুজে সুশোভিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ
তথ্যটি জেনে রাখুন।নিজে যেমন উপকৃত হবেন তেমনি অন্যকেও তথ্য দিয়ে সহায়তা দিতে পারবেন।
🌼NID নিয়ে যত সমস্যা ও সমাধান🌻
অামরা সাধারণতঃ এন অাই ডি নিয়ে নিম্নর বিষয় গুলোর জন্য দালালের খপ্পরে ধরা খাই। যেমনঃ ১. হারানো NID কার্ড; ২. NID সংশোধন; ৩. স্মার্ট কার্ড; ৪. নতুন ভোটার হওয়া; ৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোড; ৬. ফি জমাদান পদ্ধতি; ৭. আপনার জিজ্ঞাসা।
চলুন পর্যায়ক্রমে বিষয় গুলো নিয়ে অালোচনা করিঃ
১. হারানো NID কার্ডঃ
আপনার মূল NID কার্ড যদি হারিয়ে যায়, প্রথমেই নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করবেন। জিডি করতে কিন্তু টাকা লাগে না। আপনি যদি নতুন করে NID কার্ড উঠাতে চান, তাহলে জিডি কপি দিয়ে অনলাইনে (services.nidw.gov.bd) তে আবেদন করুন। প্রথমবার আবেদন ২৩০/= ( দুইশত ত্রিশ টাকা), ২য় বার আবেদন ৩৪৫/= (তিনশত পঁয়তাল্লিশ টাকা), ৩য়বার আবেদন ৪৬০/= (চারশত ষাট টাকা) লাগে। ফি রকেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। যেভাবে রকেটে ফি জমা দিবেন- ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
২. NID সংশোধনঃ
আপনার আই.ডি কার্ডের যেকোন তথ্য সংযোজন বিয়োজন করতে চাইলে অর্থাৎ নিজ নামের অথবা স্বামী-স্ত্রী অথবা বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক পরিবর্তন, জন্ম তারিখ, ব্লাড গ্রুপ, মোবাইল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, ভোটার এলাকা নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ অন্যান্য বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে, মোবাইলে/ কম্পিউটারে (services.nidw.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন। আপনি কি সংশোধন করবেন, তার জন্য কোন্ কোন্ পেপার সাবমিট করবেন, তা জানতে হবে। আপনি সংশোধন করবেন যা, তার জন্য অপ্রয়োজনীয় কাগজ দিয়ে রেখেছেন, তাহলে কিন্তু সংশোধন হবে না বরং হয়রানিতে পড়বেন। সঠিক তথ্য জেনে, সঠিক কাগজ সাবমিট করুন। সংশোধনী ফি ১ম বার ২৩০ (দুইশত ত্রিশ) টাকা, ২য়বার ৩৪৫/=, ৩য় বার ৪৬০/=। একবার একটা বিষয় সংশোধন করলে, ঐ বিষয়টাই ২য় বার আর সংশোধন করার সুযোগ নেই। এই বিষয়ে, বিস্তারিত তথ্য পাবেন, services.nidw.gov.bd এর "সাধারণ জিজ্ঞাসা" মেনুতে। সংশোধনী ফি কিভাবে জমা দিবেন, ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
৩. স্মার্ট NID কার্ডঃ
পৃথিবী ব্যাপি যে করেনা ভাইরাস আক্রমন করেছে, তার জন্য সাময়িকভাবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া বন্ধ আছে। তারপরও যদি সংশিষ্ট উপজেলায় স্মার্ট কার্ড এসে থাকে, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ "উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে" তথ্য নিতে পারেন। স্মাট কার্ড নিতে আপনাকে দেওয়া প্লাস্টিক NID কার্ড টি সংগে নিয়ে আসতে হবে, আর প্লাস্টিক কার্ড না পেয়ে থাকলে ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া স্লিপটি সাথে করে নিয়ে যাবেন। স্মার্ট কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কেউ টাকা চাইলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারকে অবহিত করুন।
৪. নতুন ভোটার হওয়াঃ
আপনি ভোটার/জাতীয় পরিচয় পত্রের অধিকারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে থাকলে, services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "নতুন নিবন্ধন" অপশনে গিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন ভোটার হন। তাছাড়া আপনি কিভাবে আমাদের কাছ থেকে সহযোগীতা পেতে পারেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো। ভোটার হতে কোনো টাকা লাগে না।
৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোডঃ
যারা ২০১৯ সালে ভোটার হয়েছেন, তারা সহজেই অনলাইন থেকে বিনামূল্যে NID কার্ড ডাউনলোড করে লেমিনেটিং করে নিতে পারবেন। যেভাবে ডাউনলোড করবেন---আপনি যদি আপনার NID নম্বর জানা না থাকে, তাহলে services.nidw.gov.bd তে গিয়ে "অন্যান্য তথ্য" তে গিয়ে এন.আই.ডি নম্বরে ক্লিক করুন। ফর্ম নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করে এন.আই.ডি নম্বর জানুন। তারপর হোম পেজ এ চলে যান, সেখানে গিয়ে রেজিষ্টার মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর বামপাশে "রেজিষ্টার করুন" অপশনে গিয়ে ক্লিক করুন। তারপর ডাউনলোড করুন, বিনা মূল্যে আপনার NID কার্ড।
৬. ফি জমাদান পদ্ধতিঃ
প্রথমে আপনার মোবাইলের ডায়ালপ্যাডে গিয়ে *৩২২ # তে ডায়াল করুন। তারপর Bill pay অপশনে যাবেন। তারপর Self অপশনে যাবেন। তারপর Biller ID 1000 লিখে সেন্ড করুন। তারপর আপনার ১০/ ১৭ ডিজিটের NID নম্বর লিখুন, সেন্ড করুন, এবার অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন, আপনি যেই সমস্যার জন্য আবেদন করছেন, ঐ অপশনে ডায়াল করুন, কত টাকা কেটে নিবে, ওখানে অটোমেটিক দেখতে পাবেন। এখন আপনার রকেট মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিয়ে, পিন নম্বর দিয়ে টাকা জমা দিন। তাছাড়া আপনি services.nidw.gov.bd এর হোম পেজ এ "হোম" এর নিচে ফিস/চার্জ এ হিসাব করতে পারেন, কত টাকা লাগবে।
৭. আপনার প্রশ্নঃ
যাবতীয় তথ্যের জন্য services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "সাধারণ জিজ্ঞাসা" অপশনে ক্লিক করুন। সব কিছু জানতে পারবেন।
বিঃদ্রঃ কেউ যদি আপনাকে NID করে দেয়ার কথা বলে ফেসবুকের ইনবক্সে/ মেসেঞ্জারে/ হোয়াটস অ্যাপে/ ইমোতে যেতে বলে, আপনি যাবেন না এবং কারো খপ্পরে পড়বেন না। প্রয়োজনে ভিজিট করুন...
https://services.nidw.gov.bd/
- কাজী নজরুল ইসলাম---সাম্যবাদী
গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।-
‘পূজারী দুয়ার খোলো,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’
স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,
দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হ’য়ে যাবে নিশ্চয়!
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান’, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনি ক’ সাত দিন!’
সহসা বন্ধ হ’ল মন্দির, ভুখারী ফিরিয়া চলে,
তিমির রাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে!
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’
মসজিদে কাল শির্নী আছিল,-অঢেল গোস–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।
তব মস্জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!
মানুষেরে ঘৃণা করি’
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ ’ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
যাহারা আনিল গ্রন্থ’-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
পূজিছে গ্রন্থ’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
মানুষ এনেছে গ্রন্থ’;-গ্রন্থ’ আনেনি মানুষ কোনো।
আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!
আমরা তাঁদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ,
কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ।
হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,
আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে
আমাতে মহামহিম।
হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদী ঈসা,
কে জানে কাহার অন্ত- ও আদি, কে পায় কাহার দিশা?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি?
হয়ত উহারই বুকে ভগবান্ জাগিছেন দিবা-রাতি!
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান্ উচ্চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ’ ভজনালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
জন্মিছে কেহ- জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে!
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখনি,-হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে!
ও কে? চন্ডাল? চম্কাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হ’তে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
আজ চন্ডাল, কাল হ’তে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী-পাঠ।
রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে!
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে!
চাষা ব’লে কর ঘৃণা!
দে’খো চাষা-রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না!
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারাও ধরিল হাল,
তারাই আনিল অমর বাণী-যা আছে র’বে চিরকাল।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি!
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে,
দ্বারী দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলে।
সে মার রহিল জমা-
কে জানে তোমায় লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা!
বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ, দু’চোখে স্বার্থ-ঠুলি,
নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হ’য়েছে কুলি।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা-মথিত সুধা,
তাই লুটে তুমি খাবে পশু? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোন্খানে!
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু, ফেলেছে তোমায় মৃত্যু-বিবরে টানি’।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Mymensingh
2260