26/02/2024
আজ ২৬ শে ফেব্রুয়ারী শিশু সার্জারী দিবস। উন্নত দেশ গুলোর তুলনায় নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে শিশুদের সার্জারী এখনো অনেকটাই অবহেলিত। সাধারণ মানুষ এমনকি অনেক ডাক্তার দের মাঝেও শিশুদের সার্জারী ও এনেস্থিসিয়া নিয়ে ভুল ধারণা আছে। যার ফলে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে শিশুদের সার্জারী সম্পর্কে উদাসিনতা লক্ষ্য করা যায়। Global Initiative for Children Surgery (GICS) এর এবারের শিশু সার্জারী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে - জনসচেতনতার মাধ্যমে উন্নত ও গরীব দেশের মধ্যে শিশুদের সার্জারী তে যে ব্যবধান তা কমিয়ে আনা। আমাদের সচেতনতা শিশুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
07/03/2023
পবিত্র শবে বরাতের শুভেচ্ছা রইলো আপনাকে ও আপনার পরিবারের প্রতি। ক্ষমাপ্রাপ্তির এই পবিত্র রজনী উদযাপনে, আমরা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করি যে মহান আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন এবং আমাদের ক্ষমাপ্রাপ্তদের মধ্যে রাখুন।
24/03/2022
Thank you so much sir.this videos are really informative, outstanding and ur way of concising the content is fabulous.keep it up sir.
cleft lip and palate/ঠোঁট এবং তালু কাটা সমস্যার ভয় আর নয়!
lip and palate/ #ঠোঁট এবং তালু কাটা সমস্যার ভয় আর নয়!"জন্মগত ত্রুটি আর অভিশাপ নয় সময়মতো চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণরূপে ভাল....
25/07/2020
A 4 YEARS old GIRL has presented with h/o constipation for the last 1.5 YEARS. She passes hard stools every 3-4 day with soiling of panties in between. She also has h/o abdominal pain and passage of streaks of blood with straining off and on. She has already used various laxatives and suppositories.
O/E: afebrile, alert, intelligent and playful child with soft abdomen, normal a**l tone and a mass in left lower abdomen, NO visceromegaly.
Now the question is.....
1. What is your most likely diagnosis based on the above hx and exam?
2. How would you investigate this child to confirm your most likely diagnosis and its complications?
3. What are the causes of constipation in THIS age group?
4. What are the causes of abdominal mass in THIS age group?
5. How to treat THIS child?
6. What complications can be expected in this child?
7. What home message would you like to give the parents of THIS child?
27/05/2020
Courtesy : Abdun Noor Tushar
মহামারী কবে শেষ হবে?
মহামারী টিকা ছাড়া শেষ হয় না। এটা এভাবে চলতে চলতে একসময় এনডেমিক বা নিয়মিত ও স্থানীয় রোগে পরিনত হয়ে যাবে।
কখন সেটা হবে?
নির্ভর করবে যখন রোগটির সংক্রমন সংখ্যা অর্থাৎ নতুন রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করবে।
সেটা কিভাবে কমে?
ধরা যাক একটা ঘরে ১০০ মানুষ আছে এবং এখন রোগীর সংখ্যা ২ জন। প্রতি তিন দিনে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুন হচ্ছে। তাহলে ২-৪-৮-১৬-৩২ এভাবে বাড়বে। যেদিন ৩২ জন রোগী ধরা পড়বে সেদিন মোট রোগীর সংখ্যা হবে ৬২। পরদিন মোট লোক বাকি থাকবে ৩২ । তখন রোগটি কমতে থাকবে। কারন আর লোক নাই।
যারা লকডাউন করে তারা যদি ৪ জনের দিন করে তবে মাত্র ৪ জন দিয়েই রোগ শেষ। আর ৬২ জনের দিন করলে লকডাউন করা আর না করা সমান।
সমস্যা হলো, আমাদের দেশে কেবল লক্ষনযুক্তদের পরীক্ষা করা হয়। কোন র্যান্ডম স্ক্রিনিং নাই। না থাকবার ফলে অ্যাসিম্পটম্যাটিক কোন রোগীকে আমরা চিহ্নিত করতে পারি না। যার জন্য নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না মোট জনসংখ্যার কতভাগ আসলে আক্রান্ত হয়েছে।
যেসব দেশে রেখাচিত্রে অসুখের সংখ্যা পিক বা চুড়া স্পর্শ করে নামতে শুরু করেছে, সেসব দেশে রোগটিকে নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে এটা কৃত্রিমভাবে আনা হয়েছে।
যেমন উহানে, কোরিয়ায়, ভিয়েতনামে, শ্রীলংকায়, নেপালে।
এরা লকডাউন করেছে, টেস্ট করেছে, ট্রেস করেছে। রোগীদের দ্রুত সমাজ থেকে আলাদা করেছে। যার ফলে সংক্রমনকে কৃত্রিম ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ঠেকিয়েছে।
তাদের মতো করে আমাদের পিক আসবে না। কারন আমরা যথাযথ লকডাউন করি নাই। আমাদের টেস্টিং ও ট্রেসিং দুর্বল।
ফলে যারা বলছেন আমরা খুব তাড়াতাড়ি পিকে পৌঁছাবো তারা ঠিক বলছেন না। আমাদের পিক আসবে স্বাভাবিক গতিতে ফলে বহু লোক আক্রান্ত হবে, অনেকের দুঃখজনক পরিনতি হবে। আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় ২-৪-৮ করে সবচেয়ে দ্রুত অর্থাৎ ৩ দিনের সাইকেলে চললেও বহুদিন লেগে যাবে।
কেবল দিনে ১০০০০ লোক আক্রান্ত হলেই একমাস পরে আমরা কোথাও কোন হাসপাতালে সাধারন বিছানাতেও রোগী ভর্তি করতে পারবো না। জায়গা থাকবে না।
মানুষ বেশী হবার কারনে এর মধ্যে জীবানুটির একাধিক মিউটেশন হবার সম্ভাবনাও আছে। আমাদের কপাল খারাপ হলে এটা আরো ভিরুলেন্টও হয়ে উঠতে পারে আবার এর ক্ষমতা কমতেও পারে। কমলে ভালো। যদি বাড়ে? তখন পুরোটাই কপাল এর লিখন হয়ে দাড়াবে।
তাই আমাদের চুড়া অনেক উঁচুতে হবার সম্ভাবনা। শুধু তাই না এটা আসবে দেরীতে , আর যতো উঁচু ও যতো দেরী, এটা নামবেও দেরীতে।
“জীবন না জীবিকা” বলে বলে আমরা ঠিকমতো লকডাউন না করাতে , আমাদের অনেক দিন নষ্ট হয়েছে ও হবেও বেশী।
এপিসেন্টার ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তি এলাকাকে ফুল লকডাউন করলে ও সারা দেশে প্রচুর পরীক্ষা করলে এখনও রোগের সংখ্যাকে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। তা না হলে দুসপ্তাহের মধ্যে এটা আরো ভয়ংকর হয়ে উঠবে। তখন আর কিছু করার সময় পার হয়ে যেতেও পারে।
আর এভাবে চললে ও অফিস আদালত সব খুলে দিলে, আগামী দু থেকে তিন মাস অনেক বেশী বিপদজনক হয়ে উঠবে। তখন সেপ্টেম্বরের আগে করোনা তার উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে মনে হয় না। অন্তত ৭৫ থেকে ৮০ দিন লাগবেই।
যারা বলছেন আমরা পিকে পৌঁছে গেছি তারা বোকার স্বর্গে আছেন। এটা কেবল আইসবার্গের সাথে টাইটানিকের ধাক্কা মাত্র।
প্রিয়জনদের হারানোর বেদনার মধ্য দিয়ে, মুরুব্বী ও স্নেহময় মানুষদের জীবনের বিনিময়ে , জীবিকার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে নিজের অজান্তেই অনেকে হবো হত্যাকারী আর অনেকে আত্মহত্যার মতোই নিজেকে বিপদে ফেলবো।
সাবধানতার তাই আর কোন বিকল্প নাই।
দয়া করে নিজে সংক্রমিত না হতে চেষ্টা করুন ও অন্যকে সংক্রমন না দিতে চেষ্টা করুন।
( আশা করি এসব ঠিক হবে না। কোন এক দৈববলে সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে পৌরাণিক কাহিনীতে দেবতার সাহায্য পেতে হলেও নিজেকে হারকিউলিস হতে হয়। হারকিউলিস কিন্তু বুদ্ধি ও শক্তিকে কাজে লাগিয়েছিল। হাইড্রার মাথা কেটেছিল তরবারি গরম করে, যাতে রিজেনারেটিং সেলগুলি পুড়ে গিয়ে আর মাথা না গজায় আর মেডুসাকে পাথর করেছিল আয়না দিয়ে, পিওর ফিজিক্স। দেবতার সাহায্য পেতে গেলেও বিজ্ঞান লাগে। বিজ্ঞানচিন্তা বাদ দিয়ে গায়ের জোরে কাজ হয় না।)
Courtesy : Abdun Noor Tushar
24/04/2020
Assalamualikum
On the magnificent occasion of the holy month of Ramadan, we have the pleasure to congratulate you and all the concerned by citing Ramadan Mubarak 😍
May the almighty Allah bless us with the special and divine opportunity to purity ourselves and protect us from all sorts of evil forces including Covid-19 disaster from this earth.
Dr.khondaker Mahabub Elahi
Department of paediatric surgery
MMCH.
20/03/2020
ডাঃ আফতাফুজ্জামান, নিউজিল্যান্ড প্রবাসী ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ২০ তম ব্যাচের ছাত্র, কক্সবাজারের কৃতি সন্তান, তাঁর পেইজ থেকে,
যারা এখনও অবস্থার গভীরতা বুঝতে পারছেন না :
সহজে বুঝার জন্য একটি হাইপোথেটিক্যাল দেশ ভাবা যাক। যেখানে ২০ কোটি লোক বাস করে। সেখানে একেকজন মানুষ গড়ে কোনও না কোনওভাবে তিনজন নতুন মানুষের সংস্পর্শে আসে। হঠাৎ একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তাহলে সংক্রামণের সংখ্যা ১ থেকে বেড়ে পুরো পপুলেশনে ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগবে ১৫ দিন।
অনেকটা এভাবে,
1
3
12
48
192
768
3,072
12,288
49,152
196,608
786,432
3,145,728
12,582,912
50,331,648
201,326,592
এখন সেদেশের মানুষ যদি চলাচলকে সীমাবদ্ধ করে প্রতিদিন দুইজন নতুন মানুষে নামিয়ে আনতে পারে তাহলে ওই একই ১৫ দিন শেষে সংক্রামণের সংখ্যা দাঁড়াবে 3,188,646।
তারা যদি আরও সীমাবদ্ধ করে ১০ দিনে ৫ জনে নামিয়ে আনে তাহলে ১৫ দিন শেষ সংক্রামিত জনসংখ্যা হবে 223,517
যদি তারা চলাচলকে আরও সীমাবদ্ধ করে ১০ দিনে ১ জন নতুন মানুষের সংস্পর্শ নিশ্চিত করে তাহলে ১৫ দিন শেষে আক্রান্তের সংখ্যা হবে 16,992
এখন নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে চলাচলের উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা কেন এত জরুরী। এরপর থেকে দয়া করে আর ৩ শতাংশ বিষয়টিকে খাটো করে দেখবেন না। ১০০ জনে ৩ জন হয়তো অনেক ছোট বিষয়। কিন্তু ১০০ কোটির ৩ শতাংশ কিন্তু ৩ কোটি। এটা খেয়াল রাখতে হবে।
এপিডেমিওলজি মোতাবেক একটি সংক্রামক ব্যাধিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কেইস আইডেনটিফাই করে কন্টাকট ট্রেসিং করে সবাইকে কোয়ারেন্টাইন করতে হবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের করণীয় কী? আমাদের করণীয় হচ্ছে যতটা সম্ভব বাসায় থাকা। যাদের বাসায় থাকা সম্ভব নয়। যারা সুপার স্প্রেডার, যেমন ডাক্তার, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রতিটি কমিউনিটিতে একটি দলকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি রাখা যারা এই কন্টাকট ট্রেসিং করতে পারবেন। (কারণ, আমাদের পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ নেই)
এবং হাত না ধুয়ে চোখে, নাকে, মুখে হাত দেওয়া যাবে না। বাসার কাজের বুয়াকে এক মাসের জন্য বৈতনিক ছুটি দিয়ে দিন। দুই সপ্তাহ নিজের কাজ নিজেই করেন। নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আইসোলেট করে ফেলুন। আমরা সবাই মিলে এক মাস কষ্ট করলে এই অবস্থার ব্যাপকতা ঘটবে না। এখন যদি একমাসের জন্য আমরা নিজেদের বন্ধ না করে ফেলি তাহলে একমাত্র আল্লাহ জানেন কতদিনের জন্য দুর্ভোগ আসছে।
আবারও বলছি করোনাকে পার্সেন্টেজ দিয়ে বিবেচনা করবেন না। ম্যাগনিচিউড দিয়ে বিবেচনা করুন।
১০০ জনের তিনজন হয়তো অনেক নগণ্য কিন্তু ১৬ কোটির ৩ শতাংশ কিন্তু ৪৮ লাখ। যা পুরো দেশকে মৃত্যুপুরি বানাবে।
সবচেয়ে মারাত্মক বিষয়টি হচ্ছে এর ১০ ভাগের একভাগও যদি ঘটে তাহলে কেবল করোনাভাইরাসের রোগীতে সব হাসপাতাল ভরে যাবে। অন্য কোনও আর্জেন্ট অসুখ, যেমন হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এসব অসুখের জরুরী চিকিৎসা দেওয়া যাবে না তাই বাড়বে এভোয়েডেবল ডেথের সংখ্যা। ফলত, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে জ্যামিতিক হারে।
সবাই সতর্ক থাকুন, একা থাকুন।
[Collected]
23/01/2020
Today’s clinical Meeting
Organised by:Department of Padiatric surgery
Topic: A two days old female child with failure to pass meconium.
18/11/2019
An incidental appendectomy is performed by some surgeons during operative treatment for intussusception to eliminate future appendicitis as a diagnostic consideration. However, an appendectomy can increase the risk of infection and other noninfectious complications making an incidental appendectomy controversial.
But our Resident dr.Anowrul Azim happy defence it very well and justify it accordingly.
# journal club presentation #
# Department of pediatric surgery #
05/09/2019
Today’s clinical meeting organized by Department of pediatric surgery MMCH .
Presented by:Dr.Naheen Rezuan Asif,phase -B Resident.