সূরা আল ইমরানের অর্থ: আয়াত (১১৮-১২০)
(১১৮) হে মু’মিনগণ! তোমরা তোমাদের নিজেদের লোক ছেড়ে অন্য কাউকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, কারণ তারা তোমাদেরকে নষ্ট করতে ত্রুটি করবে না, তারা কেবল তোমাদের দুর্ভোগ কামনা করে, বস্তুতঃ তাদের মুখেও শত্রুতা প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তাদের অন্তর যা লুকিয়ে রাখে তা আরও ভয়ঙ্কর, আমি তোমাদের কাছে তাদের লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে দিলাম, যদি তোমরা অনুধাবন কর।
(১১৯)অবশ্য তোমরাই সেই লোক যে, তোমরা তাদেরকে মহববত কর, কিন্তু তারা তোমাদের সাথে মহববত রাখে না, উপরন্তু তোমরা সকল কিতাবের প্রতিও বিশ্বাস রাখ এবং যখন তারা তোমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তখন বলে যে, ‘আমরাও ঈমান এনেছি’ এবং যখন তারা একান্তে মিলিত হয় তখন তোমাদের প্রতি গোস্বায় নিজেদের আঙ্গুলের মাথা কামড়াতে থাকে। তাদেরকে বল, ‘তোমরা নিজেদের গোস্বায় মরতে থাক’। বস্তুতঃ অন্তরে যা আছে আল্লাহ তা খুব ভালভাবেই জানেন।
(১২০) যদি তোমাদের কল্যাণ হয়, তা তাদেরকে দুঃখ দেয়, আর যদি তোমাদের অকল্যাণ হয়, তাতে তারা আনন্দিত হয়, যদি তোমরা ধৈর্যশীল হও এবং তাকওয়া অবলম্বন কর তবে তাদের চক্রান্ত তোমাদের কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না, নিশ্চয় তারা যা কিছু করছে, আল্লাহ তা পরিবেষ্টন করে আছেন।
# copied
Iqra Quran Education
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqra Quran Education, Educational consultant, Mymensingh, Mymensingh.
মদীনার বাজারে এক সাহাবী খেজুর বিক্রি করছেন। অসম্ভব রূপবতী এক মহিলা তাঁর কাছে খেজুর কিনতে আসলেন। মহিলা বললেন, "আমাকে ভালো কিছু খেজুর দিন?"
- এখানে যা আছে, সেগুলো ভালো খেজুর। তবে এরচেয়ে ভালো খেজুর আমার ঘরে আছে।
- তাই? ঘরের খেজুরই আমাকে দিন।
- তাহলে তো আপনাকে আমার সাথে ঘরে যেতে হবে।
- আচ্ছা, চলুন।
রূপবতী মহিলা ভালো খেজুর কেনার জন্য সাহাবীর ঘরে গেলেন। কিন্তু, সাহাবীর মনে অন্য চিন্তা ছিলো। মহিলা ঘরে ঢুকলেন। He hugged her and kissed her!
কাজটি করার পর সাহাবীর সংবিৎ ফিরলো। 'এ আমি কী করলাম? একজন মহিলার সাথে আমি এ কী আচরণ করলাম?' মুহূর্তের মধ্যে তিনি অনুতপ্ত হলেন, কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। এত্তো বড়ো পাপের মাশুল কিভাবে দিবেন?
তিনি গেলেন আল্লাহর বিধানের বেলায় সবচেয়ে কঠোর উমরের (রাদিআল্লাহু আনহু) কাছে। উমর (রা:) তাঁকে শাস্তি না দিয়ে বললেন আবু বকরের (রাদিআল্লাহু আনহু) কাছে যাও। আবু বকরও (রা:) তাঁকে শাস্তি দিলেন না, বললেন নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে যাও।
এতো বড়ো পাপ তিনি করলেন, পাপমোচন কিভাবে করবেন? এই পাপের জন্য তিনি অনুতাপে দগ্ধ। তাঁর মনের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করছে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁর বান্দার মনের অস্থিরতা দূর করলেন। তিনি কুরআনের একটি আয়াত নাযিল করলেন।
"নিশ্চয়ই ভালো কাজ মন্দ কাজকে মিটিয়ে দেয়।" [সূরা হূদ- ১১:১১৪]
সাহবী নবিজীকে জিজ্ঞেস করলেন, "আয়াতটি কি শুধু আমার জন্য?" নবিজী বললেন, "না, আমার সমস্ত উম্মতের জন্য।" [সহীহ বুখারী: ৪৬৮৭, মুসনাদে আহমাদ: ২/২৪৫]
..
সাহাবীরা উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তাঁরা এই কারণে সর্বশ্রেষ্ঠ নন যে, তারা পাপ করেননি, নিষ্পাপ ছিলেন। তাঁরাও পাপ করেছেন, কিন্তু পাপকে আঁকড়ে ধরেননি, অনুতপ্ত হয়েছেন, তাওবা করে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন।
আমরাও পাপ করি, তাঁরাও পাপ করতেন। আমরা পাপ করে পাপকে আঁকড়ে ধরে থাকি, অনুতপ্ত হই না, প্রত্যাবর্তন করতে লজ্জা পাই। আর তাঁরা কোনো পাপ করলে সাথে সাথে টেনশনে পড়ে যেতেন, কিভাবে পাপমোচন করা যায় সেই চিন্তায় অস্থির থাকতেন।
..
আমরা পাপের সাগরে ডুবে আছি। শয়তান আমাদেরকে বুঝাচ্ছে- 'ডুব যখন দিয়েছো, আরো ডুব দাও, সাগর থেকে উঠলে তো ভেজা থাকবে।' অর্থাৎ, ভালো কাজ করে কী করবে? তুমি তো অনেক পাপ করছো।
কিন্তু, আল্লাহ ঐ আয়াতে আমাদেরকে যেনো মোটিভেশন দিচ্ছেন- পাপ করছো? তাওবা করো। পূণ্য করো, পাপ তো আমি মুছেই দেবো।
..
নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: "পাপের পরপরই পূণ্য করো, এতে করে পাপমোচন হবে।" [জামে আত-তিরমিজি: ১৯৮৭]
..
বুঝলাম, পাপ করেছি, পাপমোচনের জন্য পূণ্য করবো। কিন্তু কোন আমলটা করবো? নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাও শিখিয়ে দিয়েছেন।
"যে ব্যক্তি আমার মতো অজু করে দুই রাকআত নামাজ পড়বে (যাতে দুনিয়াবি চিন্তা থাকবে না), তার পূর্বের সমস্ত পাপ ক্ষমা করা হবে।" [সহীহ বুখারী: ১৫৯]
..
জুমু'আ উপলক্ষে তো আজ শারিরীক গোসল করলাম, শরীরের ময়লামোচন করলাম। আসুন না, একটু অন্তরের ময়লামোচন করি, পাপমোচনের জন্য একটু চেষ্টা করি।
---
|| পাপমোচন ||
- আরিফুল ইসলাম
৫ জুন ২০২০
28/06/2024
সহশিক্ষার সবচেয়ে বিপদজনক দিক হল, বেগানার প্রতি আচরণ ও মনোভাবে ‘আড়’ ভেঙে যাওয়া। পুরুষের গাইরত দুর্বল হয়ে যায়, আর নারীর দুর্বল হয় ‘হায়া’-লাজুকতা।
গাইরতহীন পুরুষ আর হায়াহীন নারী ‘কায়ামাত্র’। অনেকে নতুন করে দ্বীন পালন করা শুরু করার পরও পৌরুষীয় গাইরত আর নারীত্বের ‘হায়া’ পুরোপুরি ফিরে পায় না।
- শাইখ আতিক উল্লাহ (হাফি.)
🌸❣️....................................🌸❣️
পেইজের কাজে আবার ব্যাক করছি অনেক দিন পর ইন শা আল্লাহ। আমার কোর্সের সবকাজ আবার নতুনভাবে চলবে। ইন শা আল্লাহ সামনে ফ্রি ক্লাস হবে কোরআন শরীফের। কায়দা,নাজেরা এমনকি কেও হিফযের পড়াও শুনাতে পারবেন।যারা পড়তে আগ্রহী ইনবক্স করবেন ইন শা আল্লাহ।
বি.দ্র: (ফ্রি ক্লাস শুধু মেয়েদের জন্য)
আল্লাহ বলছেন, মুসলিমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, তার অন্যতম কারণ তারা ব্যক্তিস্বাধীনতা মানে না। ভালো কাজের আদেশ দেয়, খারাপ কাজ করতে নিষেধ করে। (দেখুন ৩:১১০)
ইঅ।হুদিরা কেন জঘন্য জাতি? এর অন্যতম কারণ হলো, তারা ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করতো। যা ইচ্ছা তা করতো, কেউ কাউকে নিষেধ করতো না। (দেখুন ৫:৭৯)
শ্রেষ্ঠ জাতি হতে গেলে আপনার ব্যক্তিস্বাধীনতাকে অস্বীকার করতে হবে। মানুষের নৈতিক সমস্যায় বাধা দিতে হবে। সমাজের বড় বড় সমস্যায় হাত ঢুকিয়ে দিতে হবে।
এটাও অন্যতম কারণ যার জন্য এক্টিভিজম করতে হবে।
@ copied
10/06/2024
"কোক খাও না তো ফেসবুক চালাও কেন?"
এই বাখোয়াজ প্রশ্নের উত্তর দিতে ফেসবুক পর্যন্ত চলে আসতে হবে সেটা কখনোই চাই নি। কিন্তু এই প্রশ্নের ভুক্তভোগী সম্ভবত আমার মত আরও অনেক বয়কট সমর্থনকারী, কাজেই আমার মনে হলো জুতসই একটা উত্তর রেডি করা দরকার।
প্রথমে একটা কাহিনি বলা যাক, সহজ একটা কাহিনি। মাস দুয়েক আগে একটা প্রজেক্টে কাজ করেছিলাম, সেই কাজের ফাঁকে একদিন দুপুরে ভালো খাবারের আয়োজন করা হয়েছে, পোলাও, রোস্ট। তো খাবারের জন্য বসেছি, সফট ড্রিংকস হিসেবে কোক দেওয়া হয়েছিলো। যে কোক বিতরণ করছিলো আমি তাকে বললাম, "ভাই, অন্য কোনো ড্রিংকস নাই? মোজো বা ফ্রেশ কোলা?"
সেই ভাই কিছুক্ষন আমার দিকে কটকট করে তাকিয়ে রইলো, তারপর খড়খড়ে গলায় বলল, "ফেসবুক চালান না?"
"হ্যা ভাই। চালাই তো। একটা পেজ আছে। মনে যখন যা উদয় হয়, পোস্ট দেই।" আমি সহজ গলায় বললাম।
ফেসবুক ই*জ*রা*ই*লী প্রডাক্ট না? সেটা তো ছাড়তে পারেন না? তাহলে এইসব বয়কট নিয়ে ত্যানা প্যাঁচান কেন?" ভাইজানের গলার খড়খড়ানি আরেকটু বাড়ল।
আমি হেসে ফেললাম, ইদানীংকালের এইসব পোলাপান মার্কা প্রশ্ন শুনতে শুনতে কান ব্যাথা হয়ে গেছে। উত্তর দেবো না দেবো না করেও দিয়েই ফেললাম, "ভাই, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন মিডিয়া বলে একটা কথা আছে, জানেন তো? ফেসবুক, টুইটার হলো এমন কিছু মিডিয়া। এই মিডিয়াগুলো যার মালিকানাধীনই থাকুক না কেন, এটার ব্যবহার বিশাল বড় একটা জনগোষ্ঠী করে, এদের মধ্যে কেউ নিউট্রাল, কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে ।
তো কি হইসে? এইটার বেশিরভাগ শেয়ারও তো ই*জ*রা*ঈ*লীদের কাছেই, না?" ভাইজানের মুখ পূর্ণিমার চান্দের মত চকচক করছে, আমাকে ফাদে ফেলার আনন্দে।
"ভাই, আমি আপনাকে পাঁচটা যুক্তি দিবো, আমার ধারণা এই যুক্তিগুলো শুনে আপনি বুঝে যাবেন আমি কেন ফেসবুক ইউজ করি।" আমি শান্ত কন্ঠে বললাম।
ভাইজান সন্দিহান চোখে তাকালো, কিছু বলল না। আমি মৌনতাকেই সম্মতির লক্ষন ধরে বলতে লাগলাম,
প্রথম যুক্তি, এই ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব না থাকলে আপনি আমি হয়তো গাজায় কি চলছে তাও ভালো করে জানতে পারতাম না। ফেসবুকে এইটা নিয়ে লেখালেখি আমাদের জন্য একটা প্রতিবাদের মাধ্যম হয়েছে, কত কত মানুষ গাজার এই গণহত্যার প্রতিবাদ করে যাচ্ছে ফেসবুক বা টুইটার দেখলে বোঝা যায়। ফিলিস্তিনের মানুষরাও যদি কোনোভাবে এটা দেখে, তাদের হয়ত একটু হলেও মনে শান্তি পাবে, আর কিছু না হোক, আমরা জানি গাজায় কি চলছে এবং এই গণহত্যার প্রতিবাদও করছি, মৌখিকভাবেই হলেও প্রতিবাদ তো ভাই।
দ্বিতীয় যুক্তি, ফেসবুকের একেবারে সমস্ত দুনিয়ার কাছে ওয়েল এক্সসেপ্টেড মিডিয়া, আপাতত এই ফেসবুক ছাড়া এমন কোনো বিকল্প নেই যেটা ব্যবহার করে আমরা ফিলিস্তিনে কি ঘটছে সেটা জানতে পারবো বা অন্যকে জানাতে পারবো৷ এখন বিকল্প না থাকলে কি করে মানুষ এইরকম প্রয়োজনীয় একটা যোগাযোগ মাধ্যম বয়কট করে?
তাছাড়া আমি যতটুক জানি বড় এমাউন্টের একট মানুষ ফেসবুক থেকে গাজার মানুষদের কষ্ট দেখে ডোনেশনে এগিয়ে আসছে, কত বড় বড় ই*জ*রা*ই*লীদের সাপোর্টার প্রতিষ্ঠানে ধ্বস নেমেছে সেটা গরুতেও বলতে পারবে।
তৃতীয় যুক্তি, ফেসবুক টুইটার সারা দুনিয়ায় যে পরিমানের সহজলভ্য, বেশিরভাগ মানুষ এটা এফোর্ড করতে পারে। এটা অনেকটা ধারালো ছোরার মত, যার মালিক আপনার শত্রু, কিন্তু আপাতত আপনার হাতের কাছে। তাহলে আপনি এই ছুরি দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে চাইলে দোষের কিছু নাই।
চতুর্থ যুক্তি, উপরের বলা উপকারগুলোর একটা উপকারও যদি কোক বা পেপসির করার সামর্থ্য থাকতো তাহলে আমি গ্যালন গ্যালন কোক খাইতেও রাজি ছিলাম। যেহেতু এটা আমার জীবনের এমন কোনো অবিচ্ছেদ্য জিনিস না, বাদ দিলে আমি মারা যাবো না প্লাস ফিলিস্তিনের উপর ঘটে যাওয়া অত্যাচার নামার বিরুদ্ধে একটা নিরব প্রতিবাদ হবে, আমার মনের শান্তি হবে। কাজেই কোক, পেপসি আমি বয়কট করেছি, ইজি যুক্তি।"
আমি দীর্ঘ বাক্যের শেষে থামলাম।
ভাইজান আমার বাক্যবাণে কিছুটা ঘাবড়ে গেছেন, তাই কিছুটা ক্ষীণ গলায় বললেন, "আর পঞ্চম যুক্তি?"
"ভাই, শেষের যুক্তিটা একটু কড়া, সবাই হজম করতে পারে না। কাজেই বাদ দেন।" আমি একটু কেশে বললাম।
"বলেন, দেখি আপনার যুক্তি।" ভাইজানের কৌতুহল এবার চাঙ্গে উঠলো।
আমি হাই তুলে বললাম, "যেহেতু ফেসবুক ব্যবহার নিয়ে আপনার ভালো রকমের বিতৃষ্ণা আছে, আপনি এক কাজ করেন, আপনি আমাদের ফেসবুকের মত একটা এফোর্ডেবল, জনমুখী মিডিয়া এস্টাবলিশ করে দেন, আমরা খুশি খুশি মনে সেদিকেই যাই। কোকের সাথে ফেসবুকও বয়কট করি।"
ভাইজান এই কড়া যুক্তি ধাক্কায় মাছের মত খাবি খেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।
আমি শুরুর প্রশ্নটা আবারও করলাম, "ভাই, কোকের বদলায় আর কিছু নাই?"
কাহিনি এখানেই শেষ। যারা এত বড় কাহিনি পড়তে চাচ্ছেন না তাদের জন্য কাহিনির সারমর্ম বলে দেই?
যে যে অবস্থায় আছেন, সেখান থেকেই প্রতিবাদ করুন। কোক বয়কট করুন (স্বাস্থ্যের জন্যও এটা অতটা ভালো কিছু না, কাজেই ডাবল উপকার), যতটা সম্ভব জেনোসাইড সাপোর্টকারী প্রতিষ্ঠানের প্রডাক্ট বয়কট করুন (সাথে দেশীয় পণ্যের অগ্রগতিও হচ্ছে) ভিডিও শেয়ার দিন, লেখালিখি করুন বা অন্য যেভাবেই হোক। কিছুই যদি না পারেন, তাহলে অন্তত যে প্রতিবাদ করছে তাকে খোঁচা দিয়েন না। সাপোর্ট নাই করতে পারেন, কোক খাওয়া নাই ছাড়তে পারেন, নিজে না পারেন, অন্যকে মানুষ হতে বাধা দিয়েন না।
ক'মাস আগে গাজা, আজ রাফা তারপর...?
আর কত চুপ থাকবেন, ভাই? আর কত বাচ্চার ডেডবডি দেখলে আপনার হাতে ধরা কোকের বোতলটা একটু হলেও কেঁপে উঠবে?
©️ রাইয়ানা রাইন
07/06/2024
জিলহজে আমলে সালেহ!
-
১ঃ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
জিলহজের প্রথম দশকের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই (বুখারি: ৯৬৯)।
২ঃ আল্লাহ তাআলা সূরা ফজরে এই দশ দিনের শপথ করেছেন।
৩ঃ এই মাসেই শুধু ইসলামের সমস্ত মৌলিক ইবাদত করার সুযোগ আছে। নামাজ, রোজা, হজ, কুরবানি।
৪ঃ এই দশ দিনের আমল আল্লাহর কাছে জি/হা/দে/র চেয়েও উত্তম।
৫ঃ জিলহজের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে, কুরবানির জন্তু জবেহ করা পর্যন্ত নখচুল না কাটা।
৬ঃ কুরবানির জন্তুকে ভাল করে খাইয়ে-দাইয়ে মোটাতাজা করা।
৭ঃ হজে না গিয়ে ঘরে থেকেও সম্ভব হলে মক্কায় ‘হাদি’ (কুরবানির জন্তু) পাঠাতে পারি।
জিলহজের জিকিরঃ
বেশি বশি পড়ব।
উঠতে বসতে পড়ব।
সময় পেলেই পড়ব। ইন শা আল্লাহ।
১ঃ সুবহানাল্লাহ (سبحَان الله)। আলহামদুলিল্লাহ (الحمدُلله)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لا إله إلا الله)। আল্লাহু আকবার (الله أكبر)।
২ঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سبحان الله وبحمدِه)। সুবহানাল্লাহিল আযীম (سبحان الله العَظيم)।
৩ঃ লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (لا حَول ولا قُوة إلا بالله)।
৪ঃ আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি (أستغفر الله و أتُوب إليه)।
৫ঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (اللهُم صل وسلم على نبينا مُحمد)।
৬ঃ লা ইলাহ ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
لا إله إلا الله وحدهُ لا شريك له ، له المُلك وله الحمد وهو على كُل شيء قدِير
৭ঃ হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।
حسبي الله لا إله إلا هو ، عليه تَوكلت وهُو ربّ العرش العظيم
৮ঃ আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত তাউয়াবীনা ওয়াজআলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।
اللهم إجعلنِي من التَوابين وإجعلنِي من المُتطهرين
৯ঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন।
لا إله إلا أنت سبحانك إني كُنت من الظَالمين
১০ঃ ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবির পাঠ করা।
الله أكبر، الله أكبر،لا إله إلاالله والله أكبر،الله أكبر ولله الحمد
তাকবিরঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
জিলহজের অন্যান্য আমলঃ
১১ঃ সামর্থ্য থাকলে কুরবানি করা।
১২ঃ একেবারে শেষ সময়ে সাহরি খাওয়া।
১৩ঃ সাহরিতে খেজুর খাওয়া।
১৪ঃ সময় হওয়ার সাথে সাথে ইফতার করে ফেলা।
১৫ঃ ঈদের নামাজ আদায় করা।
১৬ঃ জিলহজের প্রথম নয়দিন রোজা রাখা। বিশেষ করে নয় তারিখে আরাফার রোজা রাখা। এই নয়দিনে সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজা রাখা যেতে পারে।
Shaykh atik ullah..
07/06/2024
একটি সুন্নাহকে বাঁচাবো বলে:
পরহিত!
-
আমরা বর্তমানে ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। পাশের বাসা তো দূরের কথা, ঘরের মানুষের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়ে ওঠে না। বিপদাপদে পাশে দাঁড়ানো তো অলীক কল্পনা, বাধ্য হয়ে পড়লে কোনও রকমে মোবাইলে সামান্য কথা বলেই দায় সারি!
-
নবীজির আদর্শ বা সুন্নাত কিন্তু এমনটা নয়। তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে, সাথে সাথে তার সহযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তিনি বলতেন:
المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِمِ، لاَ يَظْلِمُهُ وَلاَ يُسْلِمُهُ، وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللهُ فِي حَاجَتِهِ
এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই। একে অন্যের প্রতি যুলুম করবে না, বিপদের হাতে ছেড়ে দিবে না। নিজ ভাইয়ের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ালে, আল্লাহও তার পাশে দাঁড়াবেন (বুখারী-মুসলিম)।
-
অন্যকে সহযোগিতা করতে গেলে তো টাকা লাগে! একদম ভুল কথা! যার কাছে যা আছে, সেটা দিয়েই পাশে দাঁড়ানো যায়। টাকা থাকলে টাকা। পরামর্শের দরকার হলে পরামর্শ। এমনকি চুপচাপ পাশে দাঁড়িয়ে থেকেও সহযোগিতা করা যায়। একটুখানি মিষ্টি কথা দিয়েও সহযোগিতা করা যায়। কাঁধে হাত দিয়ে একটু চাপ দিয়েও সহযোগিতা করা যায়। ইচ্ছা করলে, উপায় একটা না একটা বের হয়েই যায়।
-
অন্যের পাশে দাঁড়ানোর উপকার বলে শেষ করা যাবে না:
ক: আল্লাহ খুশি। নবীজি খুশি!
খ: বান্দা খুশি।
গ: দুনিয়াতে উপকার।
ঘ: আখেরাতে উপকার।
আমরা কমপক্ষে দু‘আ করেও আমার বিপদগ্রস্ত ভাইয়ের পাশে দাঁড়াতে পারি। বলতে পারি:
-ভাই! তোমার এই বিপদে কিছু করতে তো পারছি না, তবে নিয়মিত দু‘আ করছি!
Shaykh atik ullah
ভুল নাই,ভুল করে নাই এমন কোনো মানুষ কি আছে? এর ঐ দোষ,ওর এই সমস্যা,তমুকের এটা ভালো না,তার ঐ খুঁত হ্যান ত্যান আরো কত শত ভুল যারা ধরে তারা নিজেরা কি ভালো মানুষ? পারফেক্ট? যে ভুল ধরে,সে নিজে কি শতভাগ শুদ্ধ? অবশ্যই না।
ভুল ধরা মানুষের অত্যন্ত খারাপ একটি বৈশিষ্ট্য। যেটা কোনো অবস্থাতেই ভালো মানুষদের কাজ না। নির্বোধ এবং বোকারা অন্যকে নিয়ে সময় ব্যয় করে। নিজে সুখী হতে গেলে,আরেকজনকে ভালো দেখতে চাইলে ভুল ধরা কমায়ে দিতে হবে।
ভুল ধরতে গেলে,অভিযোগ করতে গেলে অশান্তি এবং আফসোস ছাড়া জীবনে কিছু পাওয়া যায়না। এটা যে মানুষ যত দ্রুত বুঝবে,তার জীবন-সংসারের সমস্যা,অশান্তি,দুঃখ তত কমে যাবে ইনশাআল্লাহ্।
#আশফিকানওশিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Mymensingh
28/06/2024