জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র

জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র, Educational Research Center, Mymensingh, Mymensingh.

💢জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র একটি গবেষণাধর্মী ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিসত্তার ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা এবং প্রকাশনার কাজে নিবেদিত💢

26/06/2026

ভাল আছি ভাল থেকো

তুমি আমি আমরা-মানে গারোরা কেমন আছে???

অভিবাসিত দেশ বাদ দিলে গারোরা বাংলাদেশ এবং ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা, বনাফাইড সিটিজেন। ইন্দিয়ান গারোদের বৃহস্প্রতি এখন তুঙ্গে।কেন্দ্রীয় সরকার থেকে আচিক ( গারো ভাষা) অন্যতম ভাষার স্বীকৃতি, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা, পার্লামেন্টের স্পীকার এবং পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের (রাজ্য সভা) সাংসদ গারো। সিডিউল ট্রাইব হিসেবে গারোরা কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারের বিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত।সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মসংস্থান অনেক, রয়েছে নিজের আয়ত্বে থাকা জমি। সম্প্রতি তুরাতে বিশবিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, এয়ারপোর্ট এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্স হয়েছে।

মেঘালয়, আসাম, নাগাল্যান্ড বা ত্রিপুরায় থাকা গারো ৯৮% ভাগ খ্রীষ্টান ধর্মে দীক্ষিত। এখানেও দিয়েও বাড়তি সাপোর্ট পায় তারা। তবে বাকী ২% অ-খ্রীষ্টান গারো এনেমিস্ট ( প্রকৃতি পূজারী) যাদের অনেকেই সাংসারেক বলে।তারা বেশীর ভাগ লোকালয়ের বাইরে থাকে, সপ্তাহে একবার বাজারে আসে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য।তাদের সিংহ ভাগ আধুনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, ভূমিভিত্তিক এবং কৃষি নির্ভর অর্থনীতি নিয়ে ব্যস্ত। মিশ্র অর্থনীতিতে ফেরার কোন আলামত/ইন্ডিকেটর নেই।প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার তারা।

১৯৮৭ সালের ইন্দো-পাক পার্টিসান, ১৯৬৪ সালের কমিউনাল রায়ত, ১৯৭১ সালের স্বাদহীনতা যুদ্ধ, ১৯৭৫ সাল পরবর্তী ইন্সারজেন্সীতে বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে থেকে গেছে, লোকাল মেঘালিয়ানরা তাদের এখনো রিফুজি বলে।এই রিফুজিরাই মেঘালয় গারোদের চালিকা শক্তি, রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষমতা তাদের হাতে।

বাংলাদেশের গারোরা ১৯৪৭ বা ১৯৭১ সালের অবস্থানে নেই। নানা ঘাত প্রতিঘাতে তারা পরিবর্তিত পরিবেশ এবং বিশ্বব্যবস্থায় এডপ্টেশন এবং এডাপ্টেশনের সাথে যুক্ত।কঠিন অবস্থায় কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে ( টার্ন এরাউন্ড স্ট্রেটেজি) হয়, তার কলাকৌশল তারা রপ্ত করেছে।তাই আজ বাংলাদেশের গারোরা পৃথিবীর উন্নত এবং পরাক্রমশালী দেশে বিভিন্ন অভিবাসিত।সেখানেও গড়ে উঠেছে অঘোষিত গারো পাড়া।

গারোদের এখন মিশ্র অর্থনীতির যুগ-সেকেন্ড বা থার্ড সোর্স অব কিউমিউলিটিভ ইনকাম তাদের হাতে।প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য হারে উচ্চ শিক্ষা এবং অভিবাসন-এক সাথে যুক্ত হচ্ছে। তাহলে আপনি বলুন, গারোরা কেমন আছে?
সুনামগঞ্জ থেকে বকশীগঞ্জ-বর্ডারের বিস্তীর্ন এলাকা ঘুরলে দেখা যায় গারোদের দৃশ্যমান পরিবর্তন।আগের মাটির ঘর এবং খড়ের ছাউনি উধাও হয়ে গেছে, ক'দিন পরে যাদুঘরে খুঁজতে হবে। চেহারাতেও আসছে পরিবর্তন।কারন মিশ্র বিবাহ, সাজুগোজুতে আসক্তি, কেতাদুরন্ত ভাবসাব।

কভিডের সময় আমার ছেলেকে যৌক্তিক কারনে ধোবাউড়াতে ভ্যাক্সিন দিতে গেলাম, হ্যালথ কমপ্লেক্সের নার্সিং ইন-চার্জ আমার আত্মীয়।সে জানালো ধোবাউড়া হ্যালথ কমপ্লেক্সে ১৮ জন গারো চাকরীজীবী।ময়মনসিংহে বিশপ পল পনেন কুবি জানালেন মউমনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে ১০০ জনের বেশী গারো কর্মজীবী।শহরে আরো শতাধিক প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিং হোমেও গারো আছে।এক সপ্তাহ আগে মধুপুর উপজেলাতে গেলাম।কার্যশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফটো তুলতে চাইলেন।যিনি একাজে সহায়তা করলেন, তিনি গারো।জানা গেলো-ইউ এন ও অফিসে তিনজন, বি আর ডি বি অফিসে দু'জন, এসি ল্যান্ড অফিসে দু'জন, জেলা প্রশাসকের অফিসে দু'জন এবং টাংগাইল আদালতে তিনজন। কেমন বুঝলেন?

দেশের বড় বড় বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে গারোদের রাজত্ব।তারা এ সেবামূলক কাজে দক্ষ, প্রশিক্ষিত।কাজ শিখে এখন ২০০ জনের মতো গারো নারী বিউটি পারলারের মালিক, যাদের পারলারে ৫-২০ কর্মী রয়েছে।ঢাকার একটি বিশেষায়িত এলাকা আছে যেখানে হাজার বিশেক গারো বসবাস করে।তারাও দখল করে আছে এম্ব্যাসী, হাই কমিশন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি, ইন্টারন্যাশনাল এবং মাল্টিন্যাশনাল কর্মীদের আবাসিক ভবন।দেশের অনেক বড় শহরের পারলারের মালিক গারো।

ঢাকার বাবু পাড়া বলে খ্যাত এলাকায় কোন গারোকে জিজ্ঞাসাঃ কেমন আছে??? উত্তর আসে, নাম্মি দংআ (ভাল আছি)। যদি সবাই বলে ভাল আছি, তাহলে সত্যিকার ভাবে হয়তো তুমি আমি আমরা ভাল আছি।
------------------------------------------
লেখক- মৃগেন হাগিদক, সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দল (ফেসবুক পোস্ট থেকে)

Photos from জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র's post 15/05/2026

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
✦✧✦ ✦✧✦✦✧✦ ✦✧✦
প্রজ্ঞাপন
✦✧✦ ✦✧✦✦✧✦ ✦✧✦
প্রকাশ: বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
তারিখ: ২৪ চৈত্র ১৪৩২ / ০৭ এপ্রিল ২০২৬
✦✧✦ ✦✧✦✦✧✦ ✦✧✦✦✧✦ ✦✧✦✦✧✦ ✦✧✦
নং ০৩.০৪.২৬৯০.০০০.০৮১.১৪.০০০৪.২৫-৩১ — সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)’ শীর্ষক কর্মসূচির কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পাদনের লক্ষ্যে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি নিম্নরূপে পুনর্গঠন করা হলো : -

Photos from জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র's post 09/05/2026

#ডালু
>>>>
ডালু একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, যারা শুধুমাত্র বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলায় বসবাস করে। SEHD-এর হিসাব অনুযায়ী, এই দুই জেলার ২১টি গ্রামে ডালুদের মোট ২১৬টি পরিবার রয়েছে (FGDs 2014-এর ভিত্তিতে SEHD-এর অনুমান)।

নৃতত্ত্ববিদদের মতে, তারা ইন্দো-মঙ্গোলয়েড গোষ্ঠীর একটি শাখা। তাদের জাতিগত পরিচয় নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। ডালু সম্প্রদায়ের দাবি অনুযায়ী, তারা মহাভারতের চরিত্র অর্জুনের পুত্র বভ্রুবাহনের বংশধর। গারো সম্প্রদায়ের মতো তাদের নামের সাথেও “মাচং” ব্যবহৃত হতো, ফলে কখনও কখনও তাদের গারো সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। তাদের চেহারা, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস ও সামাজিক রীতিনীতি হাজং সম্প্রদায়ের সাথে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে, তারা একসময় ভারতের মণিপুর অঞ্চলে বসবাস করত এবং তাদের মণিপুরি সম্প্রদায়ের উত্তরসূরি বলেও মনে করা হয়। তাদের শারীরিক গঠন, গায়ের রং, খাদ্যাভ্যাস, আচার-অনুষ্ঠানও মণিপুরিদের সাথে বেশ মিল রয়েছে।

ডালুরা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী ও কর্মঠ। তাদের গায়ের রং সাধারণত ফর্সা বা হালকা জলপাই বর্ণের হয়। তাদের চোখ ছোট ও কিছুটা ফোলা ধরনের এবং মুখমণ্ডল গোলাকার ও নাক চ্যাপ্টা। ডালু সমাজ পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা অনুসরণ করে। পরিবারে পুরুষই প্রধান এবং পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী। যদিও ডালু সমাজ মাতৃতান্ত্রিক নয়, তবুও সন্তানরা মায়ের উপাধি বা পদবি গ্রহণ করে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন পদবির পরিবর্তে হিন্দু উপাধি ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

বিয়ের পর ডালু নারী স্বামীর বাড়িতে গিয়ে বসবাস করে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স নারীদের জন্য ১৮ এবং পুরুষদের জন্য ২১ বছর। বানাই সম্প্রদায়ের মতো ডালুদের মধ্যেও বিবাহসংক্রান্ত কিছু বিধি-নিষেধ রয়েছে। বাংলা মাস পৌষ, চৈত্র, ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিকে বিয়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সমাজে যৌতুক প্রথা প্রচলিত নয়। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই তালাক ও পুনর্বিবাহ খুব কম দেখা যায়।

ডালুরা বিভিন্ন গোত্র বা দলে বিভক্ত এবং তারা আন্তঃগোত্র বিবাহ পদ্ধতি অনুসরণ করে। প্রধান তিনটি গোত্র হলো— চিকাং, পিরা ও মাশি। তারা এই গোত্রগুলোকে “দপ্ফা” বলে। এই তিনটি প্রধান দপ্ফা ছাড়াও আরও সাতটি দপ্ফা রয়েছে— দোরুং, নেংমা, কারা, মাইবারা, বাপার, কোনা এবং গান্ধি। এসব গোত্র বিবাহ সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে। একই গোত্রের মধ্যে বিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ এই নিয়ম অমান্য করলে সমাজ কর্তৃক কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হয়।

ডালুরা প্রধানত কৃষিজীবী। অতীতে তাদের নিজস্ব জমিজমা ছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রায় ৯০% ডালু ভূমিহীন। বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতায় (১৯৪৭, ১৯৬৮ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়) তারা জমিজমা হারায়। বর্তমানে অধিকাংশ ডালু নারী-পুরুষ কৃষি শ্রমিক ও দিনমজুর হিসেবে কাজ করে। নারীরা পুরুষদের সাথে সমানভাবে জমি প্রস্তুত করা, ফসল কাটা এবং গবাদিপশু পালনসহ বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা ধান, গম, সরিষা চাষ করে এবং কার্তিক মাসে শীতকালীন সবজি যেমন— লাউ, শিম, বাঁধাকপি, আলু ও বেগুন চাষ করে। কেউ কেউ বর্গাচাষিও করে থাকে।

কৃষিকাজ ও দিনমজুরির পাশাপাশি তারা অতিরিক্ত আয়ের জন্য মুরগি, হাঁস, গরু ও অন্যান্য গবাদিপশু পালন করে। অনেক সময় তারা নিজেরাই গবাদিপশুর মালিক হয়, আবার কখনও সম্প্রদায়ের অন্য সদস্য বা প্রতিবেশীদের সাথে অংশীদারিত্বেও পশুপালন করে। বর্তমানে দরিদ্র ডালুদের মধ্যে সারা বছর কাজ না থাকায় অগ্রিম শ্রম বিক্রি করার প্রবণতা দেখা যায়।

বাংলাদেশের প্রধান দুটি ধান উৎপাদন মৌসুম হলো আউশ (শরৎকালীন ধান) এবং বোরো (শীতকালীন ধান)।

ডালুরা হিন্দুধর্মের অনুসারী। তাদের নিজস্ব কোনো মন্দির নেই। তবে তারা স্থানীয় রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পূজা করে। তারা দুর্গাপূজা, কালীপূজা ও সরস্বতী পূজাসহ বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করে। তবে তাদের প্রধান পূজা হলো রাধা গোবিন্দ পূজা। সুস্বাস্থ্য লাভ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে ফসল রক্ষার আশায় তারা চিড়া, বাতাসা ও কলা দিয়ে ভোগের আয়োজন করে। রোগব্যাধি থেকে রক্ষার জন্য তারা কামাখ্যা মন্দিরে কবুতর ও ছাগল বলি দেয়। তারা বিভিন্ন ধরনের ঔষধি উদ্ভিদ ব্যবহার করে, যেমন— পাথরশিলা, সজিনা, তুলসি, নিম, দন্দকলস, আনারস ও কালাকৈর।
ডালু নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম “পাথানি”। এটি সাধারণত তিন থেকে চার ফুট লম্বা এবং দুই থেকে তিন ফুট চওড়া হয়। তারা এটি বুক থেকে হাঁটু পর্যন্ত শরীরে জড়িয়ে পরিধান করে। অতীতে ডালু নারীরা নিজেরাই এই পোশাক বুনত; কিন্তু বর্তমানে তাঁত ও সুতার অভাবে তারা আর তা তৈরি করতে পারে না। বর্তমানে নারীরা শাড়ি এবং পুরুষেরা বাঙালি পুরুষদের মতো পাঞ্জাবি পরে। পাথানি ও শাড়ির পাশাপাশি ডালু নারীরা বিভিন্ন ধরনের অলংকার ব্যবহার করে, যেমন— মাদুলি, চেইন, হাসুলি ও সিকছেরা গলায়; খিরি ও কাঁটা বাজু কানে ও হাতে; নাকফুল এবং পায়ে বেখিবার থাংপাতা। বিবাহিত নারীরা শাঁখা ও সিঁথিতে সিঁদুর ব্যবহার করে।

হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তারা মৃতদেহ দাহ করে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়। মৃত্যুর দশম দিনে নিকটাত্মীয় পুরুষরা মাথা মুণ্ডন করে এবং দ্বাদশ দিনে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রাদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা মাছ-মাংস খায় না এবং তেলও ব্যবহার করে না।

ডালুদের প্রধান খাদ্য হলো ভাত। তারা ভাতের সঙ্গে শাকসবজি, মাছ, শূকরের মাংস ও অন্যান্য মাংস খায়। তাদের সমাজে গরুর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ। তারা “পচুই মদ” (ঘরে তৈরি চালের মদ) পান করতে পছন্দ করে। ডালু নারীরা এই মদ প্রস্তুত করতে বিশেষ দক্ষ। সামাজিক উৎসবগুলোতে তারা সাধারণত পচুই মদ পান করে।

Photos from জাতিসত্তা গবেষণা কেন্দ্র's post 09/05/2026

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সরকারী গেজেট অনুযায়ী ৫০টি

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Mymensingh
Mymensingh
2200