Alokito Golpo

Alokito Golpo

Share

গল্প মানুষের টনক নাড়িয়ে দেয়।

15/10/2023

হে মুসলমান.....

বিশ্বকাপ খেলা দেখে তোমার মন কতটা হাসে...? অপরদিকে তোমার ভাইবোনদের কান্নায় মন কতটা কাঁদে..? নিজেকে একবার পরীক্ষা করে দেখো।

12/05/2023

আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন:

১- মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে।
সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত।

২- পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা'কে মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে।

৩- সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে।

৪- লিপ্টে ওঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে।

৫- সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না।

৬- তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়।

৭- কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে।

৮- নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথা বার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে খারাপ কল্পনা তৈরি না হয়।

৯- রাস্তাঘাটে নিজ বান্ধবীদের সাথে হাসি ঠাট্টা করবে না, রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবে।

* মহান আল্লাহ নারীদেরকে এবং আমাদেরকে সংশোধন হবার তাওফিক দান করুন!
আমীন

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান

05/05/2023

গল্প: এক বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়
লেখা: আরিফ আজাদ

পর্ব: ২

তিন মাসের মাথায় বাড়িওলা জাহিদের স্ত্রী কন্যাকে আর বাসা ভাড়া দিতে রাজি হয় না। ব্যবসার অংশীদাররাও ব্যবসার বিরাট ক্ষতি দেখিয়ে জাহিদের নাম চুক্তিপত্র থেকে বাদ দিয়ে দিল।

ঢাকা শহর যেখানে পান করার মতো একটু পানিও মাগনা পাওয়া যায় না, সেখানে বুঝি এই অবস্থায় ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা হবে..? অবস্থা এমন, বাচ্চা মেয়েটিকে নিয়ে পথে বসা ছাড়া ভাবির কোন উপায় নেই। আমাদের অবস্থাটাও তেমন আহামরি কিছু নয়। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি। কোন রকমে নিজেদের ভরণ পোষণ সামলে বাড়তি কারো দায়িত্ব কাঁদে নেব সে সাধ্যি কি..? তবুও টুকটাক যতটুকু পারছিলাম বন্ধুর পরিবারে পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত ছিল।

রোজগার থেকে বাঁচিয়ে কিছু অংশ সঞ্চয় করেছিলাম। ঠিক করলাম তা উঠিয়ে মাইসার চিকিৎসা করাব। ভাবনাটা আমার স্ত্রী ফাতেমার সাথে শেয়ার করলাম। ফাতেমা খুব নরম মনের মানুষ। দীর্ঘ সাংসারিক জীবনে তাকে আমি কখনোই কঠোর হতে দেখিনি। অন্যের বিপদ আর দুঃখের সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্য ফাতেমাই সবসময় আমাকে বলতো। আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, আমার প্রস্তাবে ফাতেমা অবশ্যই রাজি হবে। এবং খুব খুশিও হবে।

কিন্তু যখনই তাকে আমি আমার ভাবনার কথা জানালাম, সে আমার মুখের ওপরে বলল... "এটার কোন দরকার নেই।"
ফাতেমার জবাব শুনে আমি খুব অবাক হলাম। সে আমার এই প্রস্তাবে রাজি হবে না এটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনা। তাকে তো আমি চিনি। সাত বছর ধরে ঘর সংসার করছি আমরা‌। জীবনে যাকে সব সময় অন্যের ভালো থাকা আর অন্যের সুখের কথা ভাবতে দেখেছি, তাকে আজ এমন কঠিন আর পাষান রূপে দেখতে পাবো, দুঃস্বপ্নেও আমি তা ভাবতে পারি না। এ কি আমার সহধর্মিণী ফাতেমা..? নরম হৃদয়,সরল অন্তর আর শুভ্র মনের অধিকারীনি যে ফাতেমাকে আমি চিনি, ভালোবাসি বিশ্বাস আর ভরসা করি এ কি সেই..?

তারপর তার পাশে বেশিক্ষণ বসে থাকা গেল না। দুনিয়াটাকেই আমার কাছে বিষাদ লাগছে তখন। জগতে সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত বোধ করি এটাই। মনে মনে বললাম.. "ফাতেমা তুমিও এভাবে বদলে যেতে পারলে..? স্বার্থপরতার মোহ থেকে তুমিও বাচতে পারলে না..?"

উঠে দাঁড়ালাম। ওকে কেন জানি পরপর মনে হচ্ছে। আমার সহ্য করতে মন চাইছে না। দ্রুত স্থান ত্যাগ করার জন্য পা বাড়াতেই আমার হাত ধরে সে বলল... "আপনি কি আমার কথায় কষ্ট পেয়েছেন..?"

আমি কিছু বললাম না। আজ তাকে আমার কিছু বলার নেই। কঠিন পাথরের মত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। সে আবার বলল.. "আমার কথাটা একবার শুনুন প্লিজ।"
কি শুনবো আমি..? স্বার্থপরতার গল্প ছাড়া আর কি শোনাবে সে আমাকে..? আমাকে হয়তো আমার ভবিষ্যতের কথা ভাবতে বলবে। আমার অনাগত সন্তানদের কথা ভাবতে বলবে। তাদের বেড়ে ওঠার জন্য হলেও জমানো সঞ্চয়গুলো এভাবে খরচ না করার অনুরোধ করবে, এই তো..? এর বাইরে আর কিবা শোনানোর আছে তার..?

আমার কোন জবাব না পেয়ে ফাতেমা এবার তার কথা বলে যেতে লাগলো। "আজকে না হয় ভাবিদের আমরা টাকা দিয়ে সাহায্য করলাম। কিন্তু আগামীকাল..? আগামী পরশু কি হবে তাদের.? কার কাছে যাবে তারা? কোথায় গিয়ে হাত পাতবে?"

ফাতেমার কথাগুলো বুঝে উঠতে পারছি না আমি। নির্বাক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। সে বলে যাচ্ছে,, "আজকে না হয় তাদের আমরা দয়া করব, কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের দরকার একটি আশ্রয়। মাথা গোঁজানোর জন্য একটি আভাস। এই মুহূর্তে মাইশার একটি নির্ভরতার ছায়া দরকার। তার মাথার উপর দরকার একটা বট বৃক্ষ।"

ফাতেমার কথাগুলো কোন মর্ম উদ্ধার করতে পারলাম না। তাকে অনুরোধ করলাম তুমি কি আমাকে একটু পরিষ্কার করে বলবে, তুমি আসলে কি বলতে চাইছো..?

এবার ফাতিমা আমার হাত ধরল। আমি খেয়াল করলাম তার চোখ দুটি রক্ত জবা ফুলের মত লাল হয়ে উঠেছে। আমার চোখে চোখ পড়তেই সে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলল। তার কান্নার কারণ আমি বুঝে উঠতে পারছি না। এই ফাতেমাকে যেন আমি চিনতেই পারছি না কোন ভাবে। সে কান্না থামিয়ে বলল,, "আপনি ভাবিকে বিয়ে করুন।"

আমি পুনরায় নির্জীব হয়ে গেলাম। তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা বাক্যটি আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি কি ঠিক শুনেছি..? কি বলল এটা ফাতেমা..? এটা সে ভাবলই বা কিভাবে..?

ফাতেমা মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। টপটপ করে তার চোখের জল নিচে গড়িয়ে পড়ছে। আমি তাকে স্পর্শ করলাম। দুহাতে তার মুখ আলতো করে ধরে বললাম," তুমি ঠিক আছো তো ..?"

আমার প্রশ্ন শুনে আবারো তার চোখ বেয়ে নেমে এল অশ্রুর ফোয়ারা। আমার দু হাত ভরে গেল তার অশ্রু জলে। সে থরথর করে কাঁপছে। আমি তাকে শক্তভাবে ধরলাম। আমার বাম হাত দিয়ে তার চোখের জল মুছে দিতে দিতে বললাম,,, "এটা হয়না ফাতেমা.."

' কেন হবে না..? আল্লাহ না করুন জাহিদ ভাইয়ের জায়গায় আপনি আর ভাবির জায়গায় যদি আমি হতাম, আমাকে ওভ্রান্ত অসহায় অবস্থায় ধুঁকে ধুকে জীবন কাটাতে আপনি দেখতে পারতেন..?'

আমি যেন বোবা হয়ে গেলাম। ফাতেমার যুক্তির বিপরীতে দাঁড় করানোর মত যুক্তি আমার কাছে নেই।

বললাম যতটুকু পারি টাকা দিয়ে তো আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি তাইনা..?

আমার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো ফাতেমা। বলল, এটা দয়া। আমি চাইনা তারা দয়া নিয়ে বাঁচুক। আমি চাই তারা অধিকার নিয়ে বাঁচুক। একজন নারী তার স্বামীর অধিকার, একটি সন্তান তার বাবার অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকাটাই আমার কাছে পছন্দনীয়।"

সেবার আমি আর কোনভাবেই ফাতিমাকে বোঝাতে পারিনি। তার যুক্তির কাছে পেরে ওঠা আমার সাধ্যের বাইরে ছিল। তার চেয়ে বড় ব্যাপার হলো তার সেক্রিফাইসের সামনে আমাকে মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছে। এমন পবিত্র ইচ্ছাকে অসম্মান করার মতো দুঃসাহস আমার হয়নি।

সত্যি সত্যি আমাদের বিয়ে হয়ে গেল। যেদিন আমার দ্বিতীয় বিয়ে হল, সেদিন বাহিরে তুমুল ঝড় বৃষ্টি হচ্ছিল। আকাশে মুমুর্ষ মেঘের তজন গর্জন।ভারী বর্ষণে প্রকৃতি তখন একেবারে দিশেহারা। এমন ঝড়ো হওয়ার রাতে, আমার ঘরের ভেতরেও একটি ঝড় বইছিল। সেই রাতে ফাতিমা আমাকে জড়িয়ে ধরে শিশুদের মতো হাউমাউ করে কাঁদছিল। বাইরের ভারী বৃষ্টির সবটুকু জল যেন ফাতেমার চোখে এসে ভর করেছিল।
জাগতিক নিয়মে পুরুষেরা নাকি কঠিন প্রকৃতির হয়। তারা নাকি খুব সহজেই কাঁদে না। জগতের নিয়মকে ভুল প্রমাণিত করে সেদিন ফাতেমাকে জড়িয়ে ধরে আমিও খুব কেঁদেছিলাম।

04/05/2023

গল্প: এক বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়
লেখা: আরিফ আজাদ

পর্ব: ১

আগের দিন বিকেলে একসাথে বসে চা খাওয়া বন্ধুটি যখন পরের দিন না ফেরার দেশে চলে যায়, সেই শোক সামলানোর জন্য তখন ঠিক কি রকম মানসিক প্রস্তুতি দরকার।
মাঝে মাঝে মৃত্যু নিয়ে খুব ভাবি। বুকের বাম পাশে ধুকপুক করতে থাকা হৃদপিণ্ডটি হঠাৎ থেমে গেলেই ভাব লীলা সাঙ্গ হয়ে যায়। মুহূর্তেই মানুষ হয়ে যায় অন্য জগতের বাসিন্দা।

বন্ধু জাহিদের মৃত্যু সংবাদ শোনার সাথে সাথে আমি যেন বরফের মত জমে গেলাম। আমার সমস্ত চিন্তা শক্তি যেন মুহূর্তেই লোপ পেয়ে গেল। মনে হচ্ছিল পৃথিবীর গতিপথ পাল্টে গেছে। থেমে গেছে ঘূর্ণন, ভেঙে পড়েছে মহাকর্ষীয় সব শক্তি। সব কিছু স্থবির। যেকোনো সময়ে হয়তো প্রলয় আসন্ন। "জাহিদ আর নেই" এটা যেন আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। মৃত্যু এতটা অনিশ্চিত হতে পারে..! এতটা সন্নিকটে!

এমন সময় আমাকে সাহস দিতে এগিয়ে এলো আমার স্ত্রী ফাতেমা। তার চেহারাতেও বিষণ্ণতার ছাপ। বিষন্ন মন নিয়েই সে পাঠ করলো,"কুল্লু নফসিন যা-ইকাতুল মাউথ‌।"

ফাতিমার মুখে এই আয়াত শোনা মাত্রই আমার যেন নতুন করে ভাবোদয় হল। এর আগেও অনেকবার শুনেছি এবং তেলাওয়াত করেছি এই আয়াত। তবে, আজকের মত এতটা গভীরভাবে কখনোও তা রেখাপাত করেনি আমার মনে। আসলেই তাই..!
পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ রয়েছে। একদল সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে,আর একদল করে না। আবার, এই দুই দলের মাঝামাঝি একটি দল আছে তারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে না আবার অবিশ্বাসও করে না। বিশ্বাসী অবিশ্বাসী এবং সংশয়বাদী যাই হোক, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি চললেও জগতের একটি ব্যাপার নিয়ে কারো মধ্যে কোন বিরোধ নেই। নেই কোন দ্বিমত। আর তা হলো মৃত্যু।

পৃথিবীর ইতিহাসে দম্ভ ভরে অনেকেই নিজেকে খোদা দাবি করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। কিন্তু অমরত্ব লাভের দুঃসাহস কেউ দেখাতে পারেনি। শক্ত আস্তিক থেকে শুরু করে ঘোর নাস্তিক, দোলাচলে থাকা সংশয়বাদীরাও স্বীকার করতে বাধ্য যে একদিন তাকে অবশ্যই মৃত্যুবরণ করতে হবে।

জাহিদ আমার বাল্যকালের বন্ধু। আমারা একসাথে পড়াশোনা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে আমি আমেরিকা চলে গেলেও শিকরের টানে দেশে রয়ে যায় সে। জাহিদের ছিল শিক্ষক হওয়ার দুর্বার নেশা। দেশে ফিরে এসে দেখি সে ব্যবসা করছে। সারা জীবন চিরকুমার থাকার পণ করে থাকা জাহিদকে আমি আবিষ্কার করলাম এক কণ্যার পিতা হিসেবে। ছোটবেলার কোন কথাই সে রাখতে পারেনি। জীবনে সে যত রকমের ওয়াদা করেছে তার সবটাই তাকে ভাঙতে হয়েছে। খুব ছোটবেলায় পাড়ার পেয়ারা গাছে বসে, পা ঝুলাতে ঝুলাতে আমাকে ছেড়ে না যাওয়ার ওয়াদা করেছিল সে। অথচ সেই ওয়াদা রাখা হলো না তার। আজ সে আমাকে রেখেই চলে গেছে‌। কবি বলেছেন, সব চলে যাওয়া নাকি প্রস্থান নয় সত্যি কি তাই..?

জাহিদ কি আর কখনোই ফিরে আসবে আমাদের মাঝে .? আর কি কখনো আমরা একসাথে শাপলা তুলতে বেরোবো না..? ঝড় বাদলের দিনে একসাথে আম কুড়ানো, স্কুল ফাঁকি দিয়ে মাঠ তেপান্তর চষে বেড়ানো, আমার সোনালী অতীতের বন্ধুটি কি আর কখনো এসে দরজায় কড়া নেড়ে বলবে 'তাড়াতাড়ি আয় নইলে কিন্তু তোকে রেখেই চললাম..?" বলবে না। মৃত্যু মানেই হলো নিশ্চিত প্রস্থান।

জাহিদকে একবার খুবই বিমর্ষ পেলাম। সারাক্ষণ মুখে হাসি লেগে থাকা বন্ধুকে এমন অবস্থায় দেখে আমার মনটাও ভারী হয়ে উঠলো। জিজ্ঞেস করলাম, "কি ব্যাপার.? তোকে এতটা বিষন্ন দেখাচ্ছে কেন..? কোন সমস্যা..?"
মায়া ভরা চোখে সে আমার দিকে তাকালো। তার চোখ টলমলে ভারী বর্ষণের পূর্ব মুহূর্তে আকাশ যেমন গোমোট আকার ধারণ করে, সে রকম। বুঝতে পারলাম কোন সমস্যা হয়েছে এবং সমস্যাটি খুবই গুরুতর। আমি রাগতস্বরে বললাম, "আশ্চর্য কি হয়েছে সেটা তো বলবি, নাকি..? এরকম বোবা হয়ে থাকলে বুঝবো কি করে..?"
আমার কথা শেষ না হতেই ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল জাহিদ। হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে সে আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি কোন রকমে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে বললাম,, জাহিদ কি সমস্যা বন্ধু..? বল আমাকে..?
সে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলল, আমার মেয়েটার ব্রেইন টিউমার হয়েছেরে.! চোখের সামনেই সে আস্তে আস্তে জটিল অবস্থার দিকে যাচ্ছে। বাবা হয়ে আমি ঠিকমত তার চিকিৎসাও করতে পারছি না। বিশ্বাস কর বন্ধু, মাইশার কিছু হলে আমি আর তোর ভাবি আমাদেরকে কেউই বাঁচবো না। বলতে বলতেই আমার হাত ধরে জাহিদ আবার কাঁদতে শুরু করল। তাকে শিশুর মত কাঁদতে দেখে আমারও কান্না পাচ্ছে খুব। ছোটবেলায় আমি বাবা মাকে হারিয়েছি। আমার জন্য তাদের আদর ভালবাসা উদ্যোগ উৎকণ্ঠা কোনটাই সেভাবে উপলব্ধি করতে পারিনি। কিন্তু মাইশার জন্য জাহিদের অবিরত চোখের জল দেখে বাবা মায়ের ভালোবাসা কিছুটা অনুভব করতে পারছি। তাকে বললাম 'দেখ এভাবে ভেঙে পড়লে তো চলবে না রোগ যেমন আছে তার চিকিৎসা আছে'। তুই কোন চিন্তা করিস না। দেখিস মাইশার কিছু হবে না ইনশাল্লাহ।

জাহিদের সাথে এই আলাপ গুলো হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। মাঝখানে আমাদের আর কোন সাক্ষাৎ হয়নি। মতিঝিলে গতকাল ঘটনাচক্র দেখা হয়ে যায় আমাদের। দুজনেই খুব ব্যস্ত। হালকা চা খেয়ে বিদায় নিয়ে নেওয়া, এরপর... এরপর আজ তার মৃত্যুর সংবাদ।আহা মৃত্যু..! কচু পাতার ওপরে জমে থাকা শিশির বিন্দুর মতই ঠুনকো মানুষের জীবন। হালকা বাতাসে পাতা দুললেই গড়িয়ে পড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়।

হার্ট এটাকে মৃত্যু হয়েছে জাহিদের। কি জানি ওই বুকের ভেতর কত রকমের বোঝা চেপে রেখেছিল সে। গতকালের জাহিদকে আজ অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন বিশেষণে ডাকতে হবে। মৃত জাহিদ, লেট জাহিদ।

গতকালের জাহিদ আজ কেবলই নির্জীব অনড় পদার্থ। গতকালের মানুষটি আজ কেবলই লাশ। জীবনের পরিণতি যে কত নিষ্ঠুর হয় তা যদি আমরা অনুভব করতাম..!

জাহিদের মৃত্যুর সাথে সাথে মাইশার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়। তার ব্যবসার পার্টনাররা নানারকম অজুহাত দেখিয়ে শটকে পরল। তার মৃত্যুর সাথে সাথে নিয়ে বে-নামে বেড়িয়ে এলো অনেক পাওনাদার। কোন এক সাহিত্যিক বলেছিলেন "জীবিতকে নিয়ে ব্যবসা চলে মৃতকে নিয়ে নয়।" সে সাহিত্যিক আজও বেঁচে আছেন কিনা জানিনা, বেঁচে থাকলে তাকে আজ দেখানো যেত মৃতকে নিয়েও এখানে কত রমরমা ব্যবসা হয়।

তিন মাসের মাথায় বাড়িওলা জাহিদের স্ত্রী কন্যাকে আর বাসা ভাড়া দিতে রাজি হয় না। ব্যবসার অংশীদাররাও ব্যবসার বিরাট ক্ষতি দেখিয়ে জাহিদের নাম চুক্তিপত্র থেকে বাদ দিয়ে দিল।

28/04/2023

তিনটি জিনিস -------------------------------------
স্ত্রীর চেয়ে স্বামীর অধিক হওয়া উচিত ।
১.বয়স,
২.জ্ঞান ,
৩. অর্থ ,
পাঁচটি জিনিস ---------------------------------------
স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর বেশি থাকা উচিত।
১. ধৈর্য ,
২.ভালোবাসা ,
৩.পরিচ্ছন্মতা,
৪.পরিকল্পনার জ্ঞান,
৫.শুদ্ধ জীবন যাপন ,
তিনটি জিনিস ----------------------------------
উভয়ের সমান থাকা উচিত।
১.একে অপরকে বুঝতে পারা,
২.একে অপরের প্রতি সহনশীলতা,
৩.একে অপরের প্রতি সন্মান ও শ্রদ্ধা।
উপরোক্ত ১১ টি জিনিস সংসারের ভিত্তি।
আল্লাহ তা'আলা যেন আমাদের সকলকে উপরোক্ত আমলের উপর ভিত্তি করে, স্বামী - স্ত্রী দুইজনকে বুঝার তৌফিক দান করেন !

আমীন🤲🤲🤲

24/04/2023

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প || অভিমানী বউ || পর্ব ৩ || আলোকিত গল্প || alokito golpo

23/04/2023

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প || অভিমানী বউ || পর্ব ২ || আলোকিত গল্প || alokito golpo

22/04/2023

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প || অভিমানী বউ || পর্ব ১ || আলোকিত গল্প || alokito golpo

20/04/2023

রোমান্টিক, মজার এই পুরো গল্পটি দেখতে চোখ রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে। ইউটিউবে "alokito golpo" লিখে সার্চ করলেই সবার উপরে চ্যানেলটি পেয়ে যাবেন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান 🤗

23/03/2023

রমজান মোবারক 🤗

20/01/2023

গল্প:মিষ্টি ভালোবাসা 3
লেখক: জাফর ভিপি।

কিছু বই একবার পড়ার জন্য নয়। বারবার পড়তে, বারবার ভাবতে এবং ব্যক্তি সত্তাকে অনন্য এক উচ্চতায় নিতেই লেখা হয়।

আদিব এমনই একটি বই স্নেহার হাতে দিয়ে পড়তে বলল। কিন্তু সে এখন পড়বে না। ভালো লাগছে না। শুধুই শুয়ে শুয়ে এটা সেটা করে সময় কাটাচ্ছে। আদিব হাসতে হাসতে আলতো করে কয়েকটি কেনু(কনুই দিয়ে গুতো দেয়াকে কেনু বলে) দিয়ে বলল,,, "ইসস পড়তেই হবে"
কিন্তু স্নেহা রাজি না এখন সে পড়বেই না। দিল আম্মুকে ডাক "আম্মু কইতরটা শুধু শুধু সময় নষ্ট করছে, পড়ে না।

আদিব রাগ করে স্নেহাকে মাঝে মাঝে কইতর বলে ডাকে। যেটার ভদ্র রূপ হলো কবুতর।স্নেহার সাথে কবুতরের বেজায় মিল। কবুতর ঠোকর মেরে খায় আর স্নেহা সবসময় আদিবের হাতে খায়। এই পার্থক্য।না হয় ওরা উরি ছোটাছুটি বুদ্ধিমত্তা কিউটনেসের দিক থেকে কবুতরকে স্নেহার ছোটবেলায় মেলায় হারিয়ে যাওয়া বোন বললে খুব একটা অতুক্তি বোধহয় হবে না। এই যাহ,, ভাইওতো হতে পারে। আচ্ছা সে যাকগে।
স্নেহা ওর শাশুড়ি আম্মু আসার আগেই চট করে বইটি হাতে নিয়ে গুনগুনিয়ে পড়া শুরু করে দিল। আদিবও অন্য একটি বই নিয়ে পড়তে লাগলো। কিছুক্ষণ পর,,,,

না আদিব পড়তে পারছে না। স্নেহা গুনগুনিয়ে পড়ছে। গুনগুন শব্দ কানে গেলে পড়া যায়..? মনে মনে পড়তে বলল। কিন্তু হু কেয়ারস..! সে শব্দ করেই পড়বে। না হয় পড়বেই না।কি মুশকিল। আদিব আম্মুকে ডেকে বলল,,, আম্মু কইতরটা আমাকে পড়তে দিচ্ছে না। একটু আস্তে পড়তে বলেন। আম্মু বলল,,,," নালিশ করা পছন্দ করি না"
আম্মুর এ কথা বলতে দেরি, এদিকে স্নেহা কেমন যেন ভুতুড়ে টাইপের একটা হাসি দিয়ে উঠলো। কেমনটা লাগে..!!!!

এমন সময় হাবিবের ছোট ভাই জিয়াদ বাজার নিয়ে হাজির। আম্মুকে ডেকে বাজারের কথা বলায় স্নেহা বইটা রেখে আর চোখে জব্বর একখান টিপ্পনি কেটে উঠে গেল।

জিয়াদ মাছ এনেছে আরও টুকিটাকি কিছু এনেছে। ওর এখন ছুটি চলছে।তাই সুযোগ পেলে ওকে বাজারে পাঠায়। ওর আম্মু আবার জিয়াদকে পাঠাতে চায় না। টাকা নাকি বেশি দিয়ে আসে। রাজিবের কথা হলো এখন দুই টাকা বেশি দিয়ে আসলেও অনেক কিছু শিখবে। এখন না শিখলে শিখবে কখন....? আর এখন শিখে রাখলে আগামীতে চার টাকা বাঁচাতে পারবে। লাভ না..?
আম্মু আর কিচ্ছু বলে না। স্নেহা মাছ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। আজ পাঙ্গাস এনেছে। ওর যা ইচ্ছা আনতে বলেছিল। বসে বসে মাছটা ঘষে সাদা করে ফেলেছ। আদিব জানালার দিয়ে দেখে বলল,,, "গুড এভাবে পরিষ্কার করে এরপর ভেজে ভুনা করলে দারুন লাগে" আদিবের আম্মু মেশিনে বসে টুকিটাকি সেলাই করছিল। সেলাই থামিয়ে মাথা নাড়িয়ে আদিবের কথায় সাই দিয়ে বলল...
চাষের মাছের চেয়ে নদীর মাছের স্বাদ বেশি।কেন বলতো...? কারণ নদীর মাছের সুখ বেশি,স্বাধীনভাবে চলতে পারে, খেতে পারে, জোয়ার ভাটায় নাইতে পারে, কোন জবরদস্তি নেই। আর চাষের মাছ কোন স্বাধীনতা নেই, যা খেতে দেবে তাই খেতে পারবে, জোয়ার ভাটার ছোঁয়া নেই, না চাইতে সব পেলেও মনে কোন সুখ নেই। সেই অসুখের প্রভাবেই চাষের মাঝে তেমন কোনো স্বাদ নেই ।

আম্মু এটা কি ব্যাখ্যা করল বুঝতে কিছু সময় লাগবে। নির্দিষ্ট একটা বয়স লাগবে। সে যাকগে।
স্নেহা এবার মাছ কাঁটায় মন দিল। একটু পর পর মাছের দাম নিয়ে বলল। আচ্ছা এখানে মাছের দাম এত বেশি কেন..? এখানেই তো ধরে তবুও এত দাম..! আম্মু বলল...
এখান থেকে ধরে সব মাছ শহরের দিকে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে এখানে মাছের ঘাটতি পড়ে যায়। তাই এমনি দাম বেড়ে যায়। আসলে শুধু মাছের দামই না আজকাল নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুই এমন আকাশ ছোঁয়া দাম। যে কেউ তা ছুঁতে গেলে প্যারাসুট লাগবে। হাত ফসকে গেলেই কমড় ভাঙবে। এতসবের পরও সামর্থ্যবানরা অপচয় করবে। আর বাকিরা সব না খেয়ে মরবে।

প্রকৃতপক্ষে এগুলো আমাদের জন্য রবের পক্ষ থেকে আজাব। আমাদের বদ আমলের জন্যই পৃথিবীর যাবতীয় বিশৃঙ্খলা। এসব কিছুই আমাদের দুই হাতের কামাই। আমরা ব্যক্তি পর্যায়ে সৎ হয়ে যাই, ভালো মানুষ হয়ে যাই, আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ করে দেবেন।
তো এক পর্যায়ে স্নেহা ডেকে বলল,,,
এই বলেন তো জান্নাতের প্রথম কি খেতে দেওয়া হবে..?
কি..?
মাছের কলিজা ভুনা।
তাই..?
জি, কিন্তু এই মাছের কলিজা তো একদম ছোট অনেক সময় খুঁজেই পাওয়া যায় না। কিন্তু এই মাছ হবে তুলনাহীন অকল্পনীয়।
কিন্তু তুমিতো কলিজা খাও না। তাই তোমার ভাগেরটা আমার। বলেই আদিব হো হো করে এক গাল হেসে দিল।
এরপর আদিব একটু ওয়াশ রুমে গেল। বের হয়ে অজু করতে যাবে। কিন্তু তার মাছ ধোয়ার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হলো। একটু জায়গা দিতে বলায় আরো আটকে বসলো। এভাবে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায়...? এখন ওযু ছাড়া ঘরে চলে গেলে অনেক লস হয়ে যাবে।
একাধিক বার তাহকিক করে জানা গেছে অজুর শুরুতে 'বিসমিল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহ' এটা পড়ে ওজু শুরু করলে, যতক্ষণ এই অজু থাকবে ততক্ষণ তার আমলনামায় নেকি লেখা হতে থাকবে। কিন্তু এখন ঘরে চলে গেলে অনেকটা বঞ্চিত হয়ে যাবে।
সাহাবারা এমন করতেন, নেকির জন্য চালাকি করতেন। বাড়ি থেকে নামাজের জন্য মসজিদে যেতে প্রতিটি কদমে একটি করে নেকি হয় ও একটি করে গোনাহ মাফ হয়। তাই ইচ্ছা করেই ছোটখাটো কদমে মসজিদে যেতেন। কি চালাকি তাই না...?
আমরাও কম যাই না, বাংলালিংকে এক জিবি করে ফ্রি পাওয়া যায়। শুনেই হামলে পড়েছিলাম। যাক বাবা কয়েকদিনের খোরাক মিলল। আমরা হলাম দ্বিগুণ চালাক। এটা একেবারে নগদ ঝটপট..!
কিন্তু এই দুই চালাকির মধ্যে কি বিস্তর ব্যবধান তাই না..? এই ব্যবধানের জন্যই সর্বত্র তারা বিজয়ী ছিলেন। সুসংবাদপ্রাপ্ত ছিলেন‌।অস্ত্রহীন হলেও শত্রুর আতঙ্ক ছিলেন। আর আমরা..? এই যা কোথায় চলে গেলাম।
তো এর পর স্নেহার মাছ ধরার অপেক্ষায় না থেকে, এক মগ পানি নিয়ে এক পাশে গিয়ে ওযু করে ঘরে চলে এলো আদিব। তবে আসার আগে খুব যত্ন করে স্নেহার মুখে এক আঁজলা পানি খুব যত্ন করে স্নেহার মুখে মেখে দিল।বেচারি কিছু বোঝে ওঠার আগেই এক দৌড়ে আম্মুর কাছে ....
"এই দিন দিন না আরো দিন আছে" এই বলে স্নেহা এক হাক ছাড়তেই আদিব হাসতে হাসতে পল্টি খাওয়ার জোগার।
বেচারির মাছ ধোয়া শেষ হলে, তাতে লবণ দিয়ে রেখে ফ্রেশ হয়ে আবার পড়তে বসল। কিন্তু শব্দ আর কমলো না। এবার আরো জোরে পড়তে লাগলো।উফ,,
আদিব আম্মুকে আবারও বলল "এই আম্মু কিছু বলবেন, আমাকে একটুও পড়তে দিচ্ছে না। কি হিংসুটে।"
আম্মু বলল "এই স্নেহা,এবার তুমি আস্তে পাড়ো।"
শুনলো না। তার মত সে পড়তেই আছে। এবার আম্মু বলল,,,, "এটা হচ্ছে ঘাউড়া বোউ। আদিব তুমি ঐ রুমে গিয়ে পড়ো।"
এই কথা বলতে দেরি,অমনি পড়া বন্ধ করে হাঁক ছারলো। "কি আম্মু..? আমি কি...?"
আম্মু মুড অফ।এদিকে আদিবতো হাসতে গিয়ে না আবার কারো কাঁধে চড়ে বসে। ঘাউরা বউ হাহাহা...
আম্মু বলল "একটু আগে একবার তোমার পক্ষ নিয়েছি আর এবার ওর পক্ষ নিলাম। সমান সমান আর কি"
স্নেহা:- ভ্যা..!
আদিব:- ভ্যা ভ্যা।হাহাহা।
আসলে সুখ কোন বস্তুগত জিনিস নয়। এটা কেউ কাউকে দিতে পারে না। টাকা দিয়ে কিনতেও পারেনা। এর জন্য সুবিশাল বাড়ি আর অঢেল অর্থবিত্তের প্রয়োজন নেই। কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স আর ক্ষমতার অস্ফালনের দরকার নেই। এসবের মাঝে সুখ নেই।
সুখ হল বিচ্ছিন্ন কিছু অনুভূতির নাম। ছড়িয়ে থাকা বকুল কুড়িয়ে মালা গাথার নাম। সেই মালা প্রিয়জনকে নিজ হাতে পড়িয়ে দেওয়ার নাম। এর মাঝে যে ধূলিকণা থাকবে না সেটা নয়। জীবন প্রবাহের প্রতিটি পরতই ধূলিকণাময়। বিষাক্ত সব প্রয়োজন সুপ্ত আছে। একটু বেখেয়ালিতে এই রাজ্য ধ্বংস হওয়ার জন্য যথেষ্ট। একটু অসতর্ক তাতেই সুখের সংসার বিষে নীল হওয়ার জন্য খুব যথেষ্ট। উচিত হল বকুল গুলো কুরিয়ে সযত্নে সংগ্রহ করা। আর ধূলিকণা গুলো স্রেফ ঝেড়ে ফেলে বকুলের মালা গাথায় মন দেওয়া। আর,,,, আর একান্ত প্রিয়জনের গলায় সে মালা পরিয়ে দেওয়া।

নিয়মিত ইসলামী গল্প শুনতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলের সাথে কানেক্ট হতে পারেন। চ্যানেল লিংক কমেন্ট বক্সে দেওয়া আছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Mymensingh
2300