দারুল হাতেম ইসলামিক কিন্ডারগার্টেন

দারুল হাতেম ইসলামিক কিন্ডারগার্টেন

Share

ইসলামিক ও জেনারেল শিক্ষার অপূর্ব সমন্বয়।

22/06/2026

ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলা কখনো থামিও না, যদি গোটা দুনিয়াও তোমার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তবুও না 🥹

যখন সবাই চুপ হয়ে যাবে, তখনও তুমি বলে যেও। যখন তোমার পাশে দাঁড়ানোর মতো একটা মানুষও থাকবে না, তখনও তুমি একা দাঁড়িয়ে বলে যেও। কারণ সত্য কখনো সংখ্যা গোনে না, সত্য শুধু একটা সাহসী কণ্ঠ খোঁজে।

আজ ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলা সহজ নয়, জানি। অনেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, অনেকে চুপ থাকতে বলবে, অনেকে হয়তো তোমাকে একা করে দেবে। তবু থেমো না। কারণ কাল কেয়ামতের ময়দানে আল্লাহতালা যখন প্রশ্ন তুলবেন, তোমার ভাই ও বোনেদের রক্ত যখন ঝরছিল, তুমি কোথায় ছিলে?

মনে রেখো, একটা শিশুর কান্না থামানোর মতো শক্তি হয়তো তোমার নেই, কিন্তু সেই কান্নার পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস তোমার আছে। আর সেই সাহসটুকুই একদিন আলো হয়ে ফিরবে।

তাই বলে যেও, একা হলেও বলে যেও। নিভে যেও না।

মুহাম্মদ রাজ ((নওমুসলিম)

#ফিলিস্তিনেরপক্ষে #গাজা #একাহলেও

22/06/2026
22/06/2026

সত্যিকারে মুসলিমরা বলুন,
ঠিক কিনা?

03/06/2026

অভিভাবক........!!

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভালো পড়াশোনা ও উন্নতি পেছনে সচেতন অভিভাবকগন অনেক গুরুত্ব বহন করে।অত্র প্রতিষ্ঠানে নতুন কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে আসলে সম্মানিত মুহতামিম সাহেব শতভাগ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের দুনিয়া মাঝে ইসলামিক জীবন মোতাবেক চলা ও মাদরাসায় পড়ানোর আখিরাতে লাভ বলে থাকেন।

অভিভাবকদের সাথে তার সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাপারে আমরা বিভাগ ও শ্রেণি ভিত্তিক মতবিনিময় সভা আয়োজন করে থাকি। উক্ত সভায় তাদের পরামর্শ শুনি ও তা বাস্তবায়ন সাথে সমাধানে চেষ্টা করি থাকি। অভিভাবকদের কাছে সন্তানদের নিয়মিত ডায়রী পড়া আমরা অনলাইন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রদান করে থাকি।

আলহামদুলিল্লাহ বর্তমান আমাদের প্রতিষ্ঠানে সচেতন অভিভাবকের সংখ্যাই বেশি। ইনশাআল্লাহ তাদেরকে নিয়েপ সকল শিক্ষার্থীদের দুনিয়া ও আখিরাতে জীবনে সফলতা পায় তার চেষ্টা করা।

19/05/2026

পড়ালেখায় সন্তানের উজ্জল ভবিষ্যৎ এর লক্ষ্যে
অভিভাবকের বাসায় লক্ষণীয় বিষয়সমূহ:

১. পড়ালেখার অগ্রগতি ও সিলেবাস।
* ছাত্রদের বর্তমান পড়ার অবস্থা এবং আগামী ৬ মাসের লক্ষ্যমাত্রার (টার্গেট) ব্যাপারে অভিভাবকদের ধারণা থাকা( সিলেবাস থেকে) ।
* সকল শাখার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাসায় 'নতুন পড়া' বা পেছনের পড়া ইয়াদ রাখার গুরুত্ব দেওয়া।
* বাসায় গেলে ছাত্ররা যেন পড়া একেবারে ছেড়ে না দেয়, সেদিকে নজর রাখা।
* মাদ্রাসায় থেকে লিখিত থাকাগুলো চেক দেওয়া।
*প্রতিদিন ডাইরি চেক করা এবং সে অনুযায়ী বাসায় পাঠদান করানো।
*মাদ্রাসা থেকে দেয়া কাজ সম্পাদন করা। যেমন: পড়া মুখস্থ করা, হাতের লেখা সম্পন্ন করা , সামনের পড়া দেখে আসা ইত্যাদি।
২. আমল, আখলাক ও তারবিয়াত (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট)
* মাদরাসায় শেখানো সুন্নাতগুলো (যেমন— সালাম দেওয়া, খাওয়ার আদব, ঘুমানোর আদব ইত্যাদি) ছাত্ররা ছুটিতে বাসায় গিয়ে আমল করে কিনা, তা শিক্ষককে অবহিত করা।
* পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বিশেষ করে ফজরের সময় অভিভাবকদের নিজ দায়িত্বে সন্তানদের ঘুম থেকে তুলে মসজিদে পাঠানোর গুরুত্ব দেওয়া।
* বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার বিষয়ে পারিবারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া।

৩. ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তি ও স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ।
* বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় ব্যাধি হলো মোবাইল ও ইন্টারনেট। ছুটিতে বাসায় গেলে সন্তানের হাতে যেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে স্মার্টফোন না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা।
* অতিরিক্ত মোবাইল বা গেমসের কারণে পড়া ভুলে যাওয়া এবং মেধা নষ্ট হওয়ার বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরা।

৪. স্বাস্থ্য, খাবার ও পরিচ্ছন্নত।
* ছাত্রদের শারীরিক সুস্থতার জন্য বাইরের খোলা খাবার বা অতিরিক্ত ক্ষতিকর খাবার (চিপস, ফাস্টফুড) খাওয়ানো থেকে বিরত থাকা।
* মাদরাসায় আসার সময় সন্তানের নখ কাটা, চুল ছোট রাখা এবং পরিষ্কার জামাকাপড় পরিয়ে দেওয়া।

৫. মাদরাসার নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক বিষয়।
* **ছুটি ও সাক্ষাৎ:** মাদরাসার নির্ধারিত ছুটির বাইরে অযথা ছুটি না চাওয়া।
* **বেতন ও ফান্ড:** মাদরাসার বেতন বা লিল্লাহ ফান্ডের অনুদান মাসের শুরুতে পরিশোধ করার গুরুত্ব দেয়া, যাতে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন খরচ ও শিক্ষকদের বেতন আটকে না যায়।
* **অভিযোগ প্রক্রিয়া:** সন্তান বাসায় গিয়ে মাদরাসা বা উস্তাদদের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক কথা বললে, সাথে সাথে তা বিশ্বাস না করে বা অন্য অভিভাবকের সাথে সমালোচনা না করে, সরাসরি মুহতামিম সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে সত্যতা যাচাই করা।

৬. উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও পরামর্শ গ্রহণ ।
* মাদরাসার পড়ালেখা, খাবার বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিভাবকদের কোনো গঠনমূলক পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে তা নোট করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো।
৭. বেশি বেশি দোয়া করা।
* সর্বশেষে, সন্তান যেন একজন যোগ্য আলেম ও হাফেজ হতে পারে, সেজন্য বেশি বেশি দোয়া করা।

মনে রাখবেন
মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় উস্তাদ এবং অভিভাবক হলেন একটি পাখির দুটি ডানা। যেকোনো একদিকের চেষ্টায় ঘাটতি থাকলে ছাত্রের চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করা কঠিন।

09/05/2026

🌿 সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ ও মনোযোগ ধরে রাখা একজন শিক্ষকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিষয়টি উপস্থাপন করা হলো—

১) ক্লাস শুরুতেই সংক্ষিপ্ত গল্প, প্রশ্ন বা চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তৈরি করুন।
২) পাঠদান সহজ, স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত ভাষায় উপস্থাপন করুন, যাতে সবাই বুঝতে পারে।
৩) বাস্তব জীবনের উদাহরণ ব্যবহার করে বিষয়কে অর্থবহ ও বোধগম্য করুন।
৪) শিক্ষার্থীদের নিয়মিত প্রশ্ন করুন এবং তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দিন।
৫) আলোচনা, প্রশ্নোত্তর ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি করুন।
৬) ছবি, চার্ট, বোর্ড বা ভিডিওসহ ভিজ্যুয়াল উপকরণ ব্যবহার করে ক্লাসকে আকর্ষণীয় করুন।
৭) একঘেয়েমি দূর করতে পাঠদানে বৈচিত্র্য আনুন—কখনো আলোচনা, কখনো দলীয় কাজ বা কার্যক্রম।
৮) শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট সাফল্যও গুরুত্ব দিয়ে প্রশংসা ও উৎসাহ প্রদান করুন।
৯) ভুল করলে ইতিবাচকভাবে সংশোধন করুন, যেন তারা নিরুৎসাহিত না হয়।
১০) শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলা ও একটি শান্ত, মনোযোগী পরিবেশ বজায় রাখুন।
১১) শিক্ষার্থীদের সাথে আন্তরিক ও বন্ধুসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলুন।
১২) প্রতিটি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করুন এবং তাদের প্রয়োজন বুঝে সহায়তা করুন।

সংক্ষেপে, আনন্দদায়ক, অংশগ্রহণমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পাঠদানই মনোযোগ আকর্ষণ ও ধরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ধন্যবাদান্তে,
মারুফুল হাসান মুআয

Want your school to be the top-listed School/college in Munshiganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka/Madaripur Highway
Munshiganj