15/11/2025
Today’s reunion program has been completed smoothly and peacefully.
We express our sincere gratitude to all guests, alumni, teachers, and supporters.
Your presence and cooperation made this event a success.
Thank you, everyone.
আজকের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সমস্ত অতিথি, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সহযোগীদের প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আপনাদের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
14/11/2025
We are excited to welcome everyone to tomorrow’s reunion program! Our team is currently preparing the venue to ensure a smooth, safe, and comfortable experience for all participants.
The stage, seating arrangements, sound system, and overall event area are being set up to handle a large crowd.
Be ready for a memorable gathering!
We look forward to seeing you all tomorrow.
01/11/2022
কে. কে. স্কুলের ইংরেজীর শিক্ষক ফরহাদ হোসেন দুরারোগ্য ক্যান্সার এ আক্রান্ত, উনার ছেলের সাথে কথা বলে জানা যায়,স্যারের ব্রেন টিউমার হয়েছে এবং বর্তমানে তা ক্যান্সারে রূপ নিয়ে সারা শরীর, বিশেষ করে ফুসফুস, কিডনি, লিভার ইত্যাদিতে ছড়িয়ে পরেছে। স্যারকে এখন ভারত নেবার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং সেখানে ক্যামোথেরাপি এবং অন্যান্য খরচবাবদ প্রাথমিকভাবে ২০-২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। উনার পক্ষে এতোগুলো টাকা এই মুহুর্তে যোগার করা প্রায় অসম্ভব৷
তাই প্রতিটা ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্ররা আলাদা ফান্ড করে কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করছে। সবাই চেষ্টা করবো স্যারের চিকিৎসায় সাহায্য করতে৷
নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ করা হলো।
12/01/2021
২০২১ সালের ভর্তি লটারীর ফলাফল
31/05/2020
এসএসসি'র ফলাফল- ২০২০
জিপিএ-৫ঃ ২৩
পাসের হারঃ ৮৬.১৯%
-
কাঙ্ক্ষিত ফলাফল যারা করতে পেরেছ তাদের অভিনন্দন।
যাদের ফলাফল আশানুরূপ হয় নি তাদের জন্যও শুভকামনা & ভালোবাসা।
সবার ভবিষ্যৎ সুন্দর হোক। ❤
30/03/2020
স্কুলের ১৩ ব্যাচের সবাইকে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
ব্যপারটি জরুরি।
21/02/2018
প্রিয় ১৩ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা,
তোমরা ইতোমধ্যে জেনে গেছো তোমাদের রিইউনিয়নের কথা। স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে অফিসিয়াললি আলোচনা হয়নি এখনো। আলোচনা করে দিন নির্ধারন করা হবে।
রিইউনিয়নের জন্য রেজিস্টেশন ফি, সময় সব পরবর্তীতে পেইজ থেকে জানিয়ে দেয়া হবে।
আপডেটেট থাকার জন্য অনুরোধ করা গেলো।
02/02/2018
Once a kkian
Always a kkian.. \m/
20/08/2015
জরুরী O+ রক্তের প্রয়োজন।
মাকহাটি জিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রদ্ধেয় রমজান চক্রবর্তী স্যারের মায়ের জন্য এক ব্যাগ O+ রক্তের প্রয়োজন। রক্ত লাগবে মুন্সিগঞ্জের ভিতরেই। রক্ত দাতারা দয়া করে করে যোগাযোগ করুন নিচের ফোন নম্বর সমূহে-
স্যারের ছাত্র আল-আমিনঃ 01956-919813
অথবা,
সরাসরি স্যারের সাথে এই নম্বরেঃ 01814-749318
16/12/2014
বিশ্বের প্রতিটা দেশে স্বাধীনতা দিবস বা ন্যাশনাল ডে তে সে দেশের মানুষগুলো খুশিতে আত্নহারা হয়ে যায়। সাজ সাজ রব পড়ে যায়। উৎসবের আমেজে আলোকিত হয়ে যায় সে দেশের আকাশ বাতাস। কিন্তু আমরা কেন যেন তেমনটা পারি না। স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগেই আমাদের মনকে কালো পতাকা দিয়ে ঢেকে দেয় পঁচিশে মার্চের কালো রাতে ঘুমন্ত নগরবাসীর উপর ঘটে যাওয়া বিশ্ব ইতিহাসের বর্বরতম সেই হত্যাকান্ড। আমরা বিজয় দিবসেও আনন্দে আত্নহারা হতে পারি না। ১৪ ডিসেম্বরের জাতিকে মেধাশূন্য করে দেওয়ার নীল নকশা যে আনন্দটাকে গ্রাস করে ফেলে।
বিশ্বের অল্প কয়েকটা দেশ বাদে প্রায় প্রতিটা দেশ স্বাধীন হয়েছে শ্রেফ একটি রাজনৈতিক সমঝোতায়, শ্রেফ একটি চুক্তিনামায় কয়েকজন নেতার স্বাক্ষরের মাধ্যমে। হয়ত এটা অর্জন করতে বেশি কিছু স্বাধীনতাকামী শহীদ হয়েছেন। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা এতো কম দামে পাইনি। একাত্তরে লন্ডন টাইমসের একটা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল "If blood is the price of independence, then Bangladesh has paid the highest price in the history." বিজয়ে যখনই আনন্দিত হতে যাই পিছলে যাই ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে, বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুই লক্ষ (আন্তর্জাতিক আরেকটি জরিপে ৫ লক্ষ) মা-বোনের আঁচল।
কিন্তু কেন যেন বিজয় দিবসে খুশিতে আত্নহারা হতে ইচ্ছে করে। জয় বাংলা বলে চিৎকার করে রাজপথের এ মাথা থেকে ও মাথা দৌড়াতে ইচ্ছে করে। দমকা বাতাসের দিকে মুখ ফিরে দুই হাত দ'দিকে প্রসারিত করে লম্বা দম নিতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পারি না। কেন যেন চুপসে যাই বার বার। স্বাধীন বাংলা যে আজও সোনার বাংলা হয়ে উঠতে পারলো না। প্রতিটা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই যেখানে উন্নতির সিঁড়িতে পা রাখতে পেরেছে আমরা তেমনটা পারিনি। পাকিস্তানি বুনোশূয়রের পাল এক আনা বৈদেশিক মুদ্রা পর্যন্ত লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। ব্যাংক নোটগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। খাদ্য গুদামগুলোতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে গিয়েছিল। দেশের মানুষ যেন না খেতে পেয়ে আবার পাকিস্তানিদের প্রভুত্ব স্বীকার করে নেয়। আমরা সেই কঠিন সময় পার করে এসেছি। এখনকার কোন বাধাই আগের বাধাগুলোর মত প্রকট নয়। আমরা পারব। আমরা এগুবোই। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বাধীনতার ডাকের মতই আজ এই বিজয়ের দিনে শপথ নিই আমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে দেশের কাজে এগিয়ে আসব, আমাদের স্বাধীন বাংলাকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো।
সবাইকে বিজয়ের রক্তিম শুভেচ্ছা।