05/08/2023
মাকহাটি জি সি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক আমাদের প্রিয় Dilip Kumar Ghosh স্যার আর আমাদের মাঝে নেই ! 🥺😢
সদা হাস্যজ্বল সহজ সরল সাদা মনের রশিক প্রিয় মানুষটা আর নেই, বিশ্বাস করতেই যেন কষ্ট হচ্ছে, ঘুম থেকে উঠেই এমন নিউজ দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না, কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেল্লাম, যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক প্রিয় স্যার ! 😢
13/06/2020
Special thanks to Farukh Ahmed sir
মুন্সিগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাকহাটী জি. সি. উচ্চ বিদ্যালয়। হাটি হাটি পা পা করে মাকহাটী জি. সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা আমাদের সকলের জন্যই গর্বের। আজ আমাদের সকলের চোখের সামনে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব ছিদ্দিকুর রহমান সাহেবের স্বপ্ন প্রতিফলিত হচ্ছে।
১৯৫৫ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহের কথা। স্বর্গীয় সুরেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ মহাশয় আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মরহুম আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান সাহেবের কাছে প্রস্তাব রেখেছিলেন মাকহাটীতে একটি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করা যায় কিনা? এই অঞ্চলে কোন হাই স্কুল না থাকায় তিনি ব্যথা অনুভব করছিলেন। এই জন্যে তিনি নিজের জমি দান করতেও রাজি ছিলেন। তার প্রস্তাব শুনে মরহুম আলহাজ্ব ছিদ্দিকুর রহমান সাহেব বিস্মিত হয়ে তার দিকে কিছু সময় তাকিয়ে ছিলেন। তারপর তিনি স্বর্গীয় সুরেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ কে আশ্বাস দিয়েছিলেন তার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবেই। তখন থেকেই যাত্রা শুরু হয়েছিল স্কুল প্রতিষ্ঠার। অসংখ্য প্রতিকূলতার মধ্যেও স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ চলছিল। ধীরে ধীরে এলাকার অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসেছিলেন সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে। যেমন মরহুম আব্দুল মজিদ ( চেয়ারম্যান), সাহিত্যিক মরহুম ইব্রাহীম খলিল, মরহুম আব্দুল হাকিম, স্বর্গীয় ইন্দ্রমোহন ঘোষ, মরহুম হাজী লোকমান মিয়া , মরহুম হাফেজ আব্দুল আউয়াল, মরহুম আব্দুল জলিল শিকদার সহ আরও অনেকে এগিয়ে এসেছিলেন। জমি দিয়েছিলেন স্বর্গীয় সুরেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ মহাশয়। সাথে দশ হাজার টাকা দান করেছিলেন স্বর্গীয় ইন্দ্রমোহন ঘোষ। স্বর্গীয় ইন্দ্র বাবুর বাড়িতে প্রাইমারী স্কুল ভবনেই স্কুলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ১৯৫৫ সালে প্রধান শিক্ষক মরহুম আব্দুল মান্নান সাহেবের তত্ত্বাবধানে খোলা হয়েছিল ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী। ১৯৫৬ সালের পহেলা জানুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতি লাভ করেছিল এবং ঐ বছরই নবম শ্রেণীর পাঠদান শুরু হয়েছিল। ১৯৫৭ সালে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীরা মেট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের মধ্যে একজন প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল। এভাবেই এই বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অগ্ৰযাত্রা শুরু হয়েছিল। আর এভাবেই দেখতে দেখতে পঁয়ষট্টি বছর পূর্ণ হয়ে গেল। কত শত শিক্ষার্থীরা এ বিদ্যাপিঠের বদৌলতে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে পরবর্তী জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
ফারুখ আহাম্মদ
প্রধান শিক্ষক
মাকহাটী জি সি উচ্চ বিদ্যালয়
বি.দ্র: প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব ছিদ্দিকুর রহমান সাহেবের ছবি নিচে দেয়া হল।
20/12/2019
কে কে চিনেন বা কার কার মনে পড়ে তাকে। তিনি সে স্টুডেন্ট যিনি বিদ্যালয় পেড়িয়ে গিয়েছিলেন বহু আগে এবং আজতক আছেন বিদ্যালয়ের সাথে। বিদ্যালয়ের দুঃখে সুখে অনুষ্ঠানে এই মানুষটি কিংবা এই ছাত্রটির ফেমিলি মেম্বার্স যারা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তাদের ছাড়া একটা অনুষ্ঠান কল্পনাতীত ছিলো। তবলায়, হারমোনিয়াম আর গানে গানে অনুষ্ঠান গুলো মাতিয়ে দিতেন তারা!! কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে কিংবা এলাকাবাসীকে গেয়ে গেয়ে মাতিয়ে তুলতেন তিনি!!
আমি জানিনা আজ কি হয়!! সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর শুরু আর শেষ কোথায়? কিন্তু আমার দেখা ১৯৮০- থেকে ২০০০ সাল প্রায় বিশটি বছর যেকোনো প্রোগ্রামস উনাকে ছাড়া স্কুল কর্তৃপক্ষ কলপনা করলে পিলের পানি শুকিয়ে যেতো আয়োজকদের। একসময় উনি নিজেই হতেন আয়োজক!!! উনি আছেন দেখে নিয়ে দূর দুরান্তের ছাত্র ছাত্রীরা অপেক্ষারত থাকতেন, পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের উদ্যেশ্যে। আমরাও!! তার কন্ঠে আমরা আপনারা কোন গানটি শুনেন নি সে সময় বলুন তো!!
উনি আমাদের সকলের মধ্যমণি ছিলেন, আছেন, থাকবেনও। উনি আমাদের স্কুলের গানের পাখি, কথার পাখি, হাসির খোরাক, মজার মানুষ, সদা হাসেন, সবাইকে হাসাতে ভালোবাসেন। স্টুডেন্ট সোসাইটির মহাগুরুত্বপূর্ণ সদস্যপদে জোরপূর্বক তার অমতে অজান্তে তাকে নিয়ে নিয়েছি আমরা। নব্বই বা বিংশ শতাব্দীর প্রাক্তনদের কাছে সুপরিচিত মূখায়ব এটি নি:শন্দেহে। দূরের ছাত্ররা অবশ্যই তাকে মিস করে থাকেন, তাই বহু কাল পরে তাকে দেখে চিনতে অসুবিধা হবে না বলেই আমার বিশ্বাস। আমি জানি আপনারা খুশিও হবেন। দীর্ঘতম সুস্থ সুখী জীবন কামনায় আমাদের স্টুডেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে তার জন্য আশির্বাদ,দোয়া আর শুভকামনা অফুরান। অনেক অশুভর মাঝে সুখকর এই যে তিনি এখনো বিদ্যালয়ের পাশেই আছেন। কি করার আছে তার জানিনা। আমরা সাবেক ছাত্ররা সহযোগীতা করতে এগিয়ে গেলে হয়তো কিছু করতে পারতেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য।
আশা করি তাকে চিনিয়ে দিতে হবে না, তিনি আমাদের সকলের প্রিয়
রণজিৎ দা!!!
রণজিৎ কুমার ঘোষ।
19/11/2019
শিক্ষা সফর --২০১৯ (বিজ্ঞান বিভাগ)
26/09/2019
পুলিশ সুপার মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার ও আমি চ্যাম্পিয়ন জুটি।