19/09/2024
বিগত ১১ মাস আমাদের কওমী অঙ্গন সহ অন্যান্য আক্বীদার ভায়েরা কোন কথা বা বক্তব্য দেন না, উনারা শুধুই রবিউল আওয়াল মাস এলেই তাদের বক্তব্য দেন। দেখেন আল্লাহর নাবি রাহমাতুল লিল আ-লামীন হুজুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে আগমন করেছেন এটা আমাদের অতি উত্তম ভাগ্য আমরা সৌভাগ্যবান। এটা আমরা মুসলমানরাই পালন করবো এটাই স্বাভাবিক, অমুসলিমরা তো আর কেউ পালন করবে না তাই না! আমরা জুলুস করবো, ঘর-মহল্লা সব কিছু সাজাবো, ভালো খাবার খাবো, দান-সদকাহ করবো, রোজা রাখবো এটাই তো স্বাভাবিক তাই না! এগুলা যদি না করি সেটা কি স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক? আপনারাই বলেন?
অখুশি বা বেজার তো কেবলমাত্র শয়তানই হবে তা নয় কি?
বর্তমান বিশ্বে আমাদের মুসলমানরা আনেকাংশেই নিপিড়ীত নিষ্পেষিত, আমাদের ঈমান নিয়ে আমরা দ্বিধা-দন্দে রয়েছি, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নাই বললেই চলে।
আচ্ছা বলেন তো দেখি ঈমানের ধারক-বাহক কে?
নিঃসন্দেহে হজুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আর শেষ জামানায় ঈমান কোথায় প্রত্যাবর্তন করবে?
নিঃসন্দেহে মদিনাতুল মুনাওয়ারায়!
আর মদিনাতুল মুনাওয়ারার বাদশাহ কে?
নিঃসন্দেহে হুজুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে তাই যদি হয় আমাদের উচিত বিদাআত বিদাআত বলে না চিৎকার করে আমাদের ঈমান কে মজবুত করার লক্ষ্যে হলেও এ দিবসকে আরো ঘটা করে পালন করা।
এমন অনেক বিদাআত আছে আমরা আপনারা প্রতিদিন করে যাচ্ছি।
আর মনে রাইখেন একটা কথা ঃ এ বিদাআত আমােদেরকে জাহান্নাম এ নিবে না বরং জান্নাতে নিবে। আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দুনিয়ায় আগমন না করলে আপনার আমার কোন অস্তিত্বই থাকতো না।
সুতরাং বিরোধিতা করলে একটু ভাইবা-চিন্তা কইরা তারপর বিরোধিতা কইরেন। যে কার শানে কি বলতেছেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের সবাইকে ঈমানি জযবা, ঈমানি শক্তি অন্তরে লালন করা ও বাহ্যিকভাবে আমল করার তৌফিক দান করুন।
আমিন।