Language: Bangali
Book keynotes by Hrb.
নিজের জন্য একটা Thinking Schedule তৈরি করুন। কখন কত সময় আপনি চিন্তা করবেন সেটার একটা রুটিন করে ফেলুন। এর পর চিন্তা করার জন্য ভাল স্থান নির্বাচন করুন। কোথায় কোথায় আপনার ভালো আইডিয়া আসে সেগুলো বের করুন। চিন্তা গুলো খাতায় খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখে ফেলুন।
তাদের সাথে বন্ধুত্ন করুন যারা সেরা চিন্তা গুলো করতে পছন্দ করে। আর তাদের অনুসরণ করুন যারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ চিন্তা গুলো করেছেন।
আইডিয়া নিয়ে বসে থাকবেন না। এটা টিমের মধ্যে শেয়ার করতে ভয় পাবেন না। আইডিয়া implement করার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
সেরা চিন্তাবিদ মানুষ সব সময়ই নতুন কিছু শিখতে পছন্দ করেন এবং নতুন মানুষদের সম্পর্কে জানতে পছন্দ করেন। আপনার খুব ভাল চিন্তা করতে খুব ভাল করে অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করতে হবে। অন্যেরা কীভাবে চিন্তা করে সেটা বোঝার সামর্থ্য বৃদ্ধি করতে হবে।
Big Picture Thinking : ছোট্ট ছোট্ট ডট কে যুক্ত করে বড় কিছু তৈরি করতে হবে। ছোট্ট ছোট্ট চিন্তা একসাথে করে বড় চিন্তা তৈরি করতে হবে। কোন কিছু পরিপূর্ণ ভাবে বুঝতে এটা আপনাকে সাহায্য করবে। সবকিছুর বড় ছবিটা বুঝতে হবে যা অন্যরা দেখছে না। অন্যের ভুলগুলো থেকে শিখতে হবে যেন আপনি সেগুলো আর না করেন।
Engaged in Focus Thinking :
এমন কাজগুলো বেশি করুন যে গুলো আপনাকে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন দেয়।
আপনি কোন কাজে বেশি ভাল সেগুলো খুজে বের করতে হবে।
চিন্তা করার জন্য isolated থাকতে হবে কিন্তু মাঝে মাঝে সকলের মাঝেও যেতে হবে যেন সকলের সমস্যা গুলো বুঝতে পারেন এবং সমাধান দিতে পারেন।
এমন অনেক কাজ বাদ দিয়ে দিন যেগুলো আপনাকে রিটার্ন দেয় না এবং খুব অল্প সংখ্যক জিনিসের উপর কাজ করুন।
Creative Thinking :
চিন্তা করার সময় সৃজনশীল হতে হবে। অনেক আইডিয়া তৈরি করে সেগুলো গুছিয়ে কাজে লাগাতে হবে। ভালো চিন্তার জন্য প্রয়োজন ভালো কল্পনা শক্তি।
অনেক ধরনের অলটারনেটিভ ট্রাই করে দেখতে হবে কোনটা সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
কাজ করার সময় Creative পরিবেশ তৈরি করে নিতে হবে।
কিছু কিছু রুল ভাঙতে হবে। নতুন জায়গায় যেতে হবে। Get out of your box
Realistic Thinking:
বাস্তব চিন্তা করতে হবে। এটা আপনি না করতে পারলে অন্য কাওকে দিয়ে করুন। সকল সত্যকে মেনে নিতে শিখুন। কোন কিছুর ভালো এবং খারাপ সব দিক বিবেচনা করে দেখুন। সবচেয়ে খারাপ কী হতে পারে সেটাও খেয়াল রাখুন।
Strategic Thinking :
Plan your life & live your plan.
কোথায় পৌছাতে চান? আর কোথায় আছেন? কীভাবে পৌঁছাতে পারবেন? এসব চিন্তা করতে হবে। অনেক প্রশ্ন করতে শিখতে হবে। বড় কাজকে ছোট্ট ছোট্ট টুকরো করতে চিন্তা করতে হবে। কেন কাজটা করা দরকার সেটার কারন বুঝতে হবে আগে। কোন কাজের আসল Objectives কী সেটা না ভেবে আগানো যাবে না। কোন কিছু করার আগে সে বিষয়ে অনেক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কাজ করার আগেই দেখতে হবে আপনার কাছে কী কী resources আছে যা কাজটি করতে আপনাকে সাহায্য করবে। এর পর প্লান করুন কীভাবে কাজটি করবেন। টিমের কোন কাজ কে করবে, কখন করবে, কোথায় করবে সেটা খুব গুরত্বপূর্ণ। তাই সব কিছু সঠিক ভাবে নির্বাচন করুন। এই ভাবে সব কাজের শুরুটা করতে হবে তাহলেই Strategic Thinking অনুশীলন হবে।
Possibility Thinking:
জীবনের যে কোন পরিস্থিতিতে নতুন সম্ভাবনা খুজে বের করতে হবে। হতাশার মাঝেও নতুন সফলতা সন্ধান করতে হবে। যেখানে সবাই অন্ধকার দেখছে সেখানেও আলো খুঁজে বের করতে হবে।
Reflective Thinking :
See as it is. যা যেমন তা তেমনই ভাবে দেখতে পারতে হবে। চিন্তার মধ্যে এমন কোন চশমা পড়ানো যাবে না যা বাস্তবতা বুঝতে সমস্যা সৃষ্টি করে।
Don't do popular thinking :
সবাই যেভাবে ভাবে সেভাবে চিন্তা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। Try new things & new ways. যে কাজ আপনি অন্ধের মতো করেন সেগুলোকে প্রশ্ন করুন। নতুন ভাবে করার কী কোন ভালো উপায় আছে কী না সেটা যাচাই করুন। এমন কিছু করুন যাতে আপনি comfortable না।
Shared Thinking :
Innovative কিছু করতে অন্যের চিন্তা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। তাই অন্যের চিন্তাকে সম্মান করুন এবং ছোট্ট বড় যেই বলুক একবার ভেবে দেখুন তার মতো করে। পৃথিবীর সেরা মানুষদের চিন্তা তাদের লিখা পড়ুন এবং নিজের চিন্তার সাথে সেগুলো যুক্ত করুন। নিজের টিমের চিন্তাকেও এক সুতোয় গেঁথে ফেলুন।
Unselfish Thinking :
এটা জীবনের কোয়ালিটি উন্নয়নে অনেক সাহায্য করবে। কীভাবে অন্যের জীবনে মূল্য সৃষ্টি করতে পারেন সেই চিন্তা করুন। নিজের থেকে বড় কিছু তখনই তৈরি করতে পারবেন যখন অন্যের জন্য চিন্তা করতে শুরু করবেন।
Learn -Earn- Return. Make others win first.
Bottom line thinking :
কোন কাজের শেষ রেজাল্ট চিন্তা করতে হবে। কাজ করতে গিয়ে ভুলে গেলে চলবে না কী করতে চেয়েছিলেন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কী তাই অর্জন করছেন যা আপনি চেয়েছিলেন? নিজের টিমকেও Bottom line thinking শেখান। কোন কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ outcome টা কী সেটা মনে করিয়েদিন টিমের সবাইকে। কোন কাজের পিছনের বড় উদ্দেশ্যটা যেন টিমের সবাই জানে।
এভাবে নিজের চিন্তাগুলোকে সফল মানুষের চিন্তায় পরিবর্তন করতে পারলে আপনিও সফল হবেন।
............
How successful people think
Book by John C. Maxwell
............
Keynotes by Hrb.
Ether Publication
জ্ঞানের আলো পৌঁছে দিয়ে আলোকিত মানুষ হ?
7 Steps Formula for developing self discipline :
1. Create a purpose : এমন কারন খুঁজে বের করুন যেটা আপনাকে কাজটা করতে সাহায্য করবে।
2. Find a role model : যারা আপনার Goal achieve করেছেন তাদের মধ্যে কাওকে নিজের role model হিসেবে সিলেক্ট করুন।
3. Vision for success : যাই হোক আপনি অবশ্যই কাজটা করতে পারবেন এই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর তৈরি করুন। নিজের সকল ইমোশন একসাথে যুক্ত করুন এবং নিজের Goal achieve করলে কেমন লাগবে সেটা কল্পনা করুন।
4. Use flame of emotion : কল্পনার পর Goal টা achieve করার জন্য নিজের ভেতর একটা গতিময়তা অনুভব করবেন কিছু করার জন্য সেটাকে ধরে রাখুন এবং 5th step শুরু করুন।
5. Effective Planning : Goal Achieve করার জন্য কী কী করতে হবে, কত সময় লাগবে, কী কী শিক্ষতে হবে, কী কী স্কিল লাগবে? সব গুছিয়ে লিখে ফেলুন।
6. Start Leading : নতুন নতুন Skills গুলো অর্জন করতে শুরু করুন যেগুলো আপনি 5th step এ লিখেছেন। প্রতিটা নতুন skill আপনাকে আপনার Goal এর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
7. Persistence : কাজে লেগে থাকতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার Goal কে এবং কল্পনাকে বাস্তবে পরিনত করতে না পারেন।
কীভাবে নিজের জন্য Goal সেট করবেন?
Step 01:
এই লাইনটা পরে চোখ বন্ধ করুন এবং ৫ টি এমন Wish কল্পনা করুন যেগুলো আপনার জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মানুষের দ্বারা অর্জন করা সম্ভব।
এখন সেই ৫ টি wish লিস্ট করে লিখে ফেলুন।
Step 02:
আবার চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন আপনার ১ম wish complete হয়েছে। এখন আপনার কেমন লাগছে? সবকিছু বিস্তারিত কল্পনা করুন, অনেক বিস্তারিত। এর পর ৫টা wish এভাবে কল্পনা করুন। সব শেষে যে wish টা সফল হলে সবচেয়ে বেশি আনন্দ আপনি অনুভব করেছেন সেটাকে নিজের Goal হিসেবে select করুন।
Step 03:
আবার ছোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন আপনি মরে যাওয়ার পর ১-২ লাইনে মানুষ আপনার জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন কী ছিল সেটা একটা বইয়ের শুরুতে লিখে রাখা আছে। সেই বইটা আপনি হাতে নিয়েছেন সেখানে আপনি কী লেখা দেখছেন? এই ১-২ লাইনে যা দেখছেন সেটাই আপনার জীবনের বড় উদ্দেশ্য।
Step 04: Make your statement of purpose in life. উপরের ৩ টি steps follow করার পর নিজের জীবনের একটি উদ্দেশ্য নির্বাচন করুন এবং সহজ ভাষায় লিখে ফেলুন।
Template Method : এমন কিছু মেন্টর খুজে বের করুন যারা আপনি যা অর্জন করতে চান তা অর্জন করেছেন। এর পর তাকে কপি করুণ এবং তার ভাল অভ্যেস গুলো আয়ত্ত করুন। তাদের সম্পর্কে পড়ুন তারা কীভাবে কোন সমস্যার সমাধান করে সেটা দেখুন। তাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে সেগুলোও জানুন এতে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন সেও সাধারণ মানুষ এবং সে তার দূর্বলথা থাকার পরও সফলতা অর্জন করেছে। তাই আপনিও পারবেন। আপনার এই বিশ্বাস ধীরে ধীরে আপনাকে শ্রেষ্ঠ হতে সাহায্য করবে। তাহলে দেরি না করে নিজের জন্য একটা রোল মডেল নির্বাচন করুন এবং তার মত কাজ করতে শুরু করুন।
4 Step Goal Setting Process :
Step 01:
1. Result Orientated
2. Time specific
3. Must be measurable
Step 02:
1. See Photos of your vision winners
2. Collect photos & videos of Successful people in your field
Step 03:
1. Imagine you have achieved all now feel how it makes the difference
2. What type of life you will have after the achievement? Think in details & write them
Step 04: Close YOUR eyes & See everything around you, see your success, see people around you, see your close persons, feel the sounds, feel the smell, feel the taste, feel the joy.
Make Plan of Work :
List steps & focus on them Don't change your attention until you achieve them. Learn from mistakes & make Reports.
Visual Network plan:
1. Writer objective
2. Steps or activities to do
3. Organize activities in order
4. Design a visual network
5. Estimate time each activists may take
6. Critical Path & Float
7. Assign date in activities
Make an activity box & put all activities on it.
Set number on the activists. Set Durations.
Make links towards goal by connecting your activities. Find critical path means finding most important activists for success. Make necessary changes if needed understanding the situations.
Create work environment & work on one thing at a time.
Learning : শেখার কোন বয়স হয় না। আপনার Vision এ সফল হতে যে কোন সময় যে কোন কিছু শেখার প্রয়োজন হবে আর আপনার বিশ্বাস করতে হবে আপনি তা শিখতে পারবেন।
Mega learning 4 Step Method:
1. Understand the need to learn. Collect all info about the thing you want to learn.
2. Connect the need with your goal
3. Internalize the principle with your own experience. Connect the learning with something you like.
4. Take action and apply trial & error principle to Learn
সফলতার জন্য আপনার এই ২ টিই প্রয়োজন:
1. Persistence
2. Perseverance
Persistence is the choice to continue something, in spite of difficulty and opposition, and struggle to achieve that goal. Perseverance is the continuation of commitment through action in spite of the lack of success.
যখনই দেখবেন আপনার সামনে আগানোর গতি থেমে যাচ্ছে তখনই আপনার আরো নলেজ অর্জন করতে হবে। আরো ক্রিয়েটিভ হতে হবে।
সব কিছুর জন্য নিজেকে দায়িত্ব দিন। আপনার স্বপ্ন আপনারই দায়িত্ব। মনে রাখবেন সব সমস্যার একটা সমাধান থাকবেই। কিন্তু আপনার সমাধানটা খুজে বের করতে হবে।
....................
Book :
Self Discipline By Ray Clear
...................
Key Notes By Hrb
Successful মানুষের ১০টি কিছু বৈশিষ্ট্য :
1. Clear Sense of perpous (তারা কখনো মিশন পরিবর্তন করেন না।)
2. Have a mentor (যে তাদের inspire করবেন এমন মানুষের কথা তারা সবসময়ই শুনেন। )
3. POWER of Imagination & Vision (যা করতে চায় সে তার outcome খুব ভালভাবে image করতে পারে। অনেকটা "ডি জা বু"= " Already seen "। কিছু করার আগে সব কিছু ক্লিয়ার visualize করতে পারেন।) They create template in their imagination.
4. Positive sensory orientation (নতুন নতুন ভুল করে কিন্তু নিজের মিশন কখনো ভুলে না। তারা বিশ্বাস করেন সফলতা আসবেই।)
5. Strong Believe (সফলতা আসবেই এটা তারা সবসময়ই বিশ্বাস করেন। অন্যের কথায় কান দেন না।)
6. Ability to plan & organise (বড় কাজকে টুকরো টুকরো করে একসাথে জুড়ে সম্পন্ন করতে পারেন। হেনরি ফোর্ড গাড়ি নির্মাণ করার জন্য প্রথম অ্যাসেম্বলি লাইন টেকনিক ব্যবহার করেছিলেন। যেখানে একটা মানুষ একটা কাজ করবে শুধু এভাবে টুকরো টুকরো কাজ করে পুরো গাড়ি নির্মাণ হবে। এটা পরে পৃথিবীর বড় বড় ইনড্রাস্ট্রি গুলো অনুসরণ করেছে। )
7. Learning( যা যা শিখতে হবে তা শিখতে কখনো ভয় পায় না। অনেক পড়াশোনা করে। )
8. Patience ( যে কোন মূল্যে লেগে থাকে অনেক বেশি ধৈর্য থাকে। )
9. Never Give Up (কখনো হাল ছেড়ে দেয়ন না কোন কাজ ধরলে সেটা শেষ করেন।)
10. Enjoy the work ( কাজই আনন্দের মূল উপায় হয় তাদের জন্য, তারা কাজ করতে অনেক মজা পায়।)
........Hrb......
Book - "Self Discipline"
ডিপ ওয়ার্ক বইয়ের কীনোট গুলো-
Isolated room:
Deep work কোথায় করবে সেটার জন্য একটা নির্দিষ্ট স্থান থাকলে ভাল হয়। আর Bill Gates এর মত একটা Think Week কাটাতে পারেন isolation এ। Bill ওই সময় শুধু পড়েন আর চিন্তা করেন।
3 types of people will win now:
1. Who can work well with inelegant machine
2. Who are best at his work
3. Who has capital
To be the 1st & best what skills needed :
1. Ability to master hard skills / things quickly
2. Produce in High speed & High quality
High Quality Production = Time * intensity of focus
একটা কাজ থেকে অন্য কাজ শুরু করার সময় Attention Residue থেকে যায়। এর জন্য A কাজ থেকে B কাজ শুরু করলে A কাজের রেশ B কাজের সময় মাথায় থেকে যায়।
The Rhythmic Philosophy of Deep Work Scheduling
প্রতিদিন আমরা যাদি তারিখ কেটে কেটে কাজ করার অভ্যেস তৈরি করি তাহলে এটা কিছু দিনের মধ্যেই একটা চেইন তৈরি হবে। তার পর আমাদের দায়িত্ব হবে শুধু এই চেইনটা মেইনটেইন করা। তাহলেই কাজ হয়ে যাবে।
যেমন: কেউ বই লেখার জন্য Deep Work করতে চান। তাহলে বইয়ের জন্য প্রতিদিন কিছু পাতা লেখা হলে একটা Calender এ ওই দিনটা কেটে দিন। এই কাজটা কয়েকদিন করতে থাকলে এক সময় এটা একটা চেইন হয়ে যাবে। আর আপনি সহজেই Deep Work করতে পারবেন।
The Journalistic Philosophy of Deep work Scheduling :
অবসর সময় গুলোকে Deep work এর জন্য বেছে নিয়ে সুযোগ পেলেই Deep work করার অভ্যেস তেরি করা যেতে পারে। কারন অবসর সময়ে আর্জেন্ট কাজ কম থাকে। তাই Deep Work করাটা সহজ হয়।
Ritualize:
শুধু Deep work শুরু করে দিলেই হবে না। এটা করার আগে কিছু rituals সেট করি নিতে পারেন।
যেমন-
১. কোথায় Deep Work করবো? কত সময় করবো?
২. কীভাবে কাজ করবো তার স্টেপস গুলো কী হতে পারে?
৩. কী উপহার দেবো নিজেকে এই Deep work করার জন্য?
৪. কী দিয়ে শুরু হবে Deep work
৫. আর কী দিয়ে শেষ হবে Deep Work
এই সব প্রশ্নের উওর আমাদের Deep work কে Ritualize করতে সাহায্য করবে।
Make Grand Gestures:
একটু খরচ করে Deep কাজ করার বেবস্থা করা উচিত। যেমন Bill Gates এর Think week এর জন্য বিশেষ স্থান আছে। কিছু কিছু মানুষ দামি কলম এবং খাতায় Deep work লিখতে পছন্দ করেন।
4DX Framework :
1. Focus on the most important Goal
2. Measure lag & lead
3. Maintain Scoreboard
4. Create Accountability
1. সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটায় ফোকাস করতে হবে।
2. Lag measure মানে একটু বেশি সময় পর যা অর্জন হবে সেটা মাপা। আর lead measure মানে প্রতিদিন বা কম সময়ে যা যা অর্জন হলে Goal টা complete হবে সেটা মাপা। যেমন Deep work Hours মাপা একটা ভাল lead measure হতে পারে।
3. একটা Scoreboard রাখলে কাজ করতে খুবই সুবিধা হবে।
4. Team এর কাছে Goal এবং এর Measures গুলো বললে তারা আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে।
Be Lazy:
সব সময় কাজ নয়। কাজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় ঠিক করে রাখতে হবে। ওই সময়ের পর কিছুতেই কাজের কোন চিন্তা, মেসেজ, ইমেইল চেক করা উচিত নয়। কারন ওই সময় Subconscious mind সব বড় বড় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে। মনে রাখতে হবে Subconscious mind অনেক বেশি শক্তিশালী তবে Brain rest মুডে গেলেই এটি ভাল ভাবে কাজ করে।
কাজ বন্ধ করার জন্য প্রতিদিন একটা Shutdown Ritual ফলো করা যেতে পারে। যেমন সব গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চেক করা এবং বড় কাজগুলো পরের দিনের জন্য নোট করে রেখে দেওয়া। মনে রাখতে হবে আমাদের অনেক কাজ সব সময়ই থাকবে যা আমরা কখনোই এক দুই দিনে শেষ করতে পারবো না। সেই কাজগুলো যেন কিছুতেই Shutdown হওয়ার পর আমাদের মাথায় না আসে।
Internet Block Scheduling :
কী কী কাজ অনলাইন থেকে করতে হবে সেগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় করা উচিত। Work Hours শেষেও এগুলো করা যেতে পারে। কিন্তু সব সময় কল, ইমেইল এবং মেসেজ করা মোটেও ঠিক নয়।
Work with Deadlines:
Deep work অনেক intense হবে যদি আমরা Deadline set করে কাজ করি। আর অবশ্যই কাজ শেষ করতে পারলে নিজেকে ছোট্ট কোন উপহার দিতে হবে। আর কাজ শেষ না করতে পারলে নিজেকে Self punishment দিতে হবে।
Meditate Productivity:
নিজের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর জন্য Meditation করে কাজটা নিয়ে চিন্তা করা ভাল। এতে চিন্তার লুপ থেকে বের হয়ে নতুন নতুন সমাধান পাওয়া যায়।
Memorize a Deck of Cards:
এক প্যাকেট তাস Memory Palace টেকনিক ব্যবহার করে মনে রাখার Practice করলে Deep work করার সামর্থ্য অনেক বৃদ্ধি পায়। অথবা এমন কোন কাজ রেগুলার Practice করা অনেক ভাল হবে মেনটাল মাসলের জন্য।
Quit Social Media : (The Packing Technique)
Stop using any social media platform for 30 days then see, people are waiting for your post? Or not? You will understand you are creating value for them or not. আপনি এই প্যাকিং মেথড নিজের বাসার সব অপ্রয়োজনীয় জিনিস সনাক্ত করার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন।
Don’t use the internet to entertain you:
সবগুলো Online Platform আপনাকে ফাদে ফেলে একটার পর একটা কনটেন্ট Consume করাতে চায়। এর পরিবর্তে আপনি আপনার নিজের জন্য Entertainment নিজে তৈরি করুন। ভাল বই পড়ার অভ্যেস দ্বারা নিজের অন্য কোন বাজে অভ্যেস কে পরিবর্তন করুন।
Drain the shallows:
Deep work বাদে আমরা যে কাজ গুলো করি সেগুলো একসাথে সপ্তাহে কিছু নির্দিষ্ট দিনে করলে ভাল হবে। দেখা গেছে সপ্তাহে ৭ দিনে মানুষ যে কাজ করে সপ্তাহে ২ দিন ছুটি দিলেও একই পরিমাণ কাজ করে।
Schedule Every Minutes of Your Day:
নিজের সময়ের মূল্য আমরা দেই কী না সেটা নির্ভর করে আমরা কতটা সুন্দর ভাবে টাইম ব্লক তৈরি করে চলি। টাইম ব্লকে হঠাৎ কোন পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হলে দ্রুত করে ফেলতে হবে।
Finish your work at Five Thirty: এর মানে fixed schedule এ কাজ করার অভ্যেস অনেক বেশি ভাল কাজ করে।
Become Hard to Reach:
Email Filter Use করা উচিত। কেউ আপনাকে Email করার শর্ত কী কী হতে পারে? তা সেট করে দিন।
সব Email or message এর reply কখনোই দেওয়া যাবে না। আর Reply দিলে এমন ভাবে দিতে হবে যেন আর বেশি loop না চলে।
Deep Work এর জন্য Bill Gates সহ পৃথিবীর অনেক মানুষ শীর্ষ স্থানে গিয়েছেন। আপনিও পারবেন।
........Hrb
একদিন ছেলে তার বাবাকে বললো -"বাবা তুমি কাল সারাদিন আমাকে সময় দেবে, ঠিক আছে? "
বাবা ছেলের দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থাকার পর বললেন ঠিক আছে তাইহবে।
পরের দিন বাবা ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিনের মতই খবরের কাজ নিয়ে বসে গেলেন।খবর পড়তে পড়তে সারাদিনের কাজগুলো মাথায় পরিকল্পনা করা শুরু করলেন। ঠিক তখনই ছেলে এসে খবরের কাগজ ফেলে দিয়ে বললো -"তুমিনা বলেছিলে আজকে আমাকে সময় দেবে! চলো এখন আমার সাথে মাঠে খেলবো।"
বাবা কোন উপায় না পেয়ে এদিক সেদিক তাকানোর পর একটা বুদ্ধি পেলেন। বাবা খবরের কাগজে ছাপানো একটা পৃথিবীর মানচিত্র বের করে, সেই পৃষ্ঠা টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ছেলেকে বললেন -"বাইরে খেলতে যাওয়ার আগে এই মজার ধাঁদাটার সমাধান করে দিতে হবে।সমাধান পেলেই খেলতে যাবো।"
বাবা ভাবলেন পুরো পৃথিবীর মানচিত্র মেলাতে ছেলের সারাদিন লেগে যাবে তাই আর আসবে না। তবে মাত্র আধাঘন্টার মধ্যেই পুরো মানচিত্র মিলিয়ে নিয়ে আসলো ছেলে!
বাবা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন -"এটা তুমি কীভাবে করলে? "
ছেলে বললো -"প্রথমে পুরো পৃথিবী মিলানোর চেষ্টা করছিলাম, তা করতে হয়তো সারা মাস লেগে যেত, তবে মিলানোর সময় ভুলে একটা টুকরো হাত থেকে মাটিতে উল্টো হয়ে পরে যায়।সেখানে একটা মানুষের মুখ দেখা যাচ্ছিল।তখন আমি মানুষের ছবিটা মিলাতে শুরু করি।"
মনে রাখবেন পুরো পৃথিবীর সমাধান তখন পাবেন যখন নিজের সমাধান খুঁজে পারবেন।তাই নিজেকে মিলানোর চেষ্টা করুন, পৃথিবী এমনি মিলে যাবে।
............Hrb
06/07/2021
দৃষ্টি সংযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ
তাহমিদুর রহমান
৫০/৭০ নিয়ম
কথা বলার সময় ৫০% সময় দৃষ্টি সংযোগে মনোযোগ দিন কিন্তু শোনার সময় ৭০% এ বাড়িয়ে দিন।
৪/৫ সেকেন্ড
একবার দৃষ্টি সংযোগ করলে ৪/৫ মিনিট এটি বজায় রাখুন। এরপর আশেপাশে তাকিয়ে আবার দৃষ্টি সংযোগ করেন।
আপনি কোথায় তাকাচ্ছেন তা চিন্তা করুন
চোখের যোগাযোগ বজায় রাখা সহজ কারণ আপনি অন্য ব্যক্তির দিকে তাকাচ্ছেন। যাইহোক, আপনি দূরে তাকানোর সময়, আপনার চোখটি না ছড়িয়ে ধীরে ধীরে এটি করুন। এটি করলে আপনাকে লজ্জাজনক বা নার্ভাস দেখাবে।
দৃষ্টি সংযোগ করে কথা বলুন
কথা বলা শুরু করার আগে, চোখের যোগাযোগ স্থাপন করুন। আপনি কথা বলা শুরু করার আগে নীচে তাকাবেন না বা কোনও কিছুর দিকে তাকাবেন না। চোখের যোগাযোগ স্থাপন করুন এবং তারপরে কথা বলা শুরু করুন।
কথা শোনার জন্যেও চায় দৃষ্টি সংযোগ
আপনি যদি বক্তার দিকে না তাকিয়ে কথা শোনেন তাতে বক্তা কষ্ট পেতে পারে। ৭০% নিয়ম তো আছেই সাথে দৃষ্টি সংযোগের মাধ্যমে আপনার চেহারায় অভিব্যক্তি যদি ফুটে উঠে তবেই আপনি ভালো শ্রোতা।
অনুশীলন
অনেকেরই দৃষ্টি সংযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ করার ক্ষমতা কম থাকে। তাই অনুশীলন করে তা অর্জন করতে হয়।
প্রেমিকার মন জয় করতে গনিত ❤️
হঠাৎ রনিতের প্রেমিকা রাইসার ইচ্ছে হলো নিজের বয়ফ্রেন্ডকে তার বড় ভাইয়ের সাথে দেখা করাবেই। যেহেতু বড়ভাই আর্মীতে ছিল তাই রনিত দেখা না করার অন্তিম চেষ্টা গুলো করেও পরিপূর্ণ ভাবে ব্যর্থ হল। রনিত আগেই জানতো গনিত বোঝা সহজ তবে মেয়েদের বোঝা মোটেও সহজ নয়।
প্রেমিকার মন রাখতে রাইসার বড় ভাইয়ের সাথে দেখা করতে গেলো রনিত। রনিতকে পাওয়া মাত্রই বড় ভাই নরম সূরে গরম গরম মিশনের কথা বলতে আরম্ভ করে দিলেন। কিভাবে মিশনে গুলি নিয়ে খেলা চলে সবই বলতে শুরু করে দিলেন।
রাইসা পাশে এসে নিজের বয়ফ্রেন্ডের নাকটা একটু উঁচু হবে এই ভেবে বলে উঠলো তোমাদের ওইসব কাঠের তৈরি পুরোনো বন্ধুকের গুলিতো রনিত বা-হাতেই ধরে ফেলতে পারে। কথা শুনে রনিতও একটু বুক ফুলিয়ে বসলো।
কিন্তু বড় ভাই সাথে সাথে বলে উঠলো খালি হাতে গুলি ধরা অসম্ভব! এমনকি 180 Km/h এ আসা গুলিও খালি হাতে ধরা যাবে না। যদি রনিত এটা কোন ভাবে নিজের বুদ্ধি এবং গনিতের সাহায্যে করে দেখাতে পারে তাহলে তোমাদের দুজনকে সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখাতে নিয়ে যাবো।
রাইসা রনিতকে বলে পারবেতো তুমি? তুমি না কতো গনিত বুঝো?
না পরলে আর কথা বলবে না আমার সাথে। কতো দিন মুভি দেখতে যাই না।
কথা শুনে রনিতের কান দুটো চিন্তায় লাল হয়ে গেল। এবার বাঁচার কোন পথ সে খুজে পাচ্ছে না। রনিত মনে মনে ভাবছে, প্রেমিকার জন্য এবার কী গুলি খেতে হবে।
কিছুক্ষন ভয় পাওয়ার পর রনিতের মনে হলো গনিত এবং পদার্রথবিজ্ঞানের সাহায্যে সমস্যাটার কিছু একটা করা করা যাবে হয়তো।
কিছুক্ষন ভাবার পর রনিত বলে, আমি যদি 180km/h এ চলমান কোন মোটরসাইকেলে থাকি এবং তখন যদি আমার দিকে 180km/h এ একটু দূর্বল কোন বন্ধুক থেকে গুলি করা হয় তাহলে আমি গুলিটাকে ঠিক কোন গাড়ির ভেতর উড়তে থাকা মশা বা মাছির মতই খালি হাতে ধরে ফেলতে পারবো। আর এটাকেই বলে আপেক্ষিক বেগ!
একটু গনিত:
রনিতের মোটরসাইকেলের প্রকৃত বেগ 180km/h
গুলির প্রকৃত বেগ 180km/h
তাহলে রনিতের সাপেক্ষে গুলির আপেক্ষিক বেগ (180-180)= রসোগোল্লা (0) km/h
যেহেতু মোটরসাইকেলে থাকা অবস্থায় রনিতের সাপেক্ষে গুলির বেগ শূন্য হয়ে যাচ্ছে তাই রনিত খালি হাতেই গুলিটি ধরে ফেলতে পারবে।
রনিতের উওর শুনে বড় ভাই খুবই খুশি হয়ে সিনেপ্লেক্সে মুভির টিকিট বুক করে দিলেন। রাইসা একটু মিষ্টি হাসি দিয়ে বললো আমিতো জানতাম তুমি পারবে 😊।
........প্রেমিকার মন জয় করতেও গনিত লাগে!।.....
আপনারা কী কখনো ভেবে দেখেছেন পৃথিবী ঘুরচ্ছে? তার মানে আপনি এবং আপনার বাড়ি ঘর সবকিছুই এই লিখাটা পড়তে পড়তে আগে যেখানে ছিলেন সেখান থেকে অনেক দূরে কোথাও পৌঁছে গেছেন? কিন্তু আমরা আপেক্ষিক বেগ অনুভব করি তাই এটা বুঝতে পারছি না। যদি একটা এলিয়েন আপনাকে মহাশূন্যে তুলে ধরে রাখতো তাহলে আপনি দেখতেন আপনার বাড়ি ঘর সবকিছুই পৃথিবীর ঘূর্ণনের জন্য আপনার থেকে অনেক দূরে কোথাও পৌঁছে গেছে। কিছু সময় পর আপনি নিচে নেমে দেখতেন অন্য কোন দেশে হয়তো চলে এসেছেন।
তবে তখনও গনিত আপনাকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করবেই কারণ ঘটনাটা গানিতিক ♥️।
.........
Hrb (hrbnotes)
03/07/2021
বিল পরিশোধ যখন চিন্তার কারণ
তাহমিদুর রহমান
আপনি কি বিল পরিশোধ করা নিয়ে চিন্তিত? কখনোই সময়মত বিল দিতে পারেন না? সত্যি কথা বলতে কি এই বিল জিনিসটা থেকে কারোই মুক্তি নেই। আমরা কেউই এই বিল দেয়াটা পছন্দ করি না আর এটাই স্বাভাবিক। কত ধরণের যে বিল রয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। যেমন, ক্রেডিট কার্ডের বিল, বাসা ভাড়ার বিল, পেপার বিল, কর্মীদের বিল, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, ইন্টারনেট বিল ইত্যাদি। মাসিক বিলগুলো সময়মত জমা না দেয়াটাও অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই পাওনাদারের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে কয়েকটি পরিকল্পনাই যথেষ্ট। জেনে নিন সময়মত কিভাবে বিলগুলো পরিশোধ করবেন।
১। বিলের তালিকা তৈরিঃ
আপনি যদি আপনার সমস্ত দায়বদ্ধতা না জানেন তবে আপনার সমস্ত বিল যথাসময়ে পরিশোধ করা প্রায় অসম্ভব। সুতরাং আপনার সমস্ত পাওনাদার, বিক্রেতাদের এবং সেবা সরবরাহকারীদের সনাক্ত করে ফেলার বিকল্প নেই। তাই প্রথমেই বিলের একটি তালিকা তৈরি করুন। এর মধ্যে প্রয়োজনীয় বিলগুলো আগে রাখুন। আর এই তালিকা ব্যবস্থাপনার জন্যে ছোট নোটবুক ব্যবহার করতে পারেন।
২। কখন বিল দিতে হবেঃ
তালিকা পেয়ে গেলেই পরের কাজটি হচ্ছে কখন দিতে হবে তা খুঁজে বের করতে হবে। নোটবুকেই তারিখ লিখে রাখতে পারেন কিন্তু অনেক সময় তা মনে নাও থাকতে পারে। আর সেজন্যে দেয়াল ক্যালেন্ডারে তারিখের পাশে বিলের নাম লিখে রাখাটা অব্যর্থ কৌশল।
৩। কত টাকার বিলঃ
কত টাকার বিল দিতে আপনি সামর্থ্য রাখেন তা কিন্তু আপনার মাসিক আয়ের উপর নির্ভর করে। তাই আপনার আয়ের উপর নির্ভর করে সবকিছু পরিকল্পনা করুন। ফলে বিল দেয়াটা আপনার জন্য আর কখনোই মাথা ব্যথার কারণ হবে না।
৪। বিল দেয়ার সহজ মাধ্যমটি নির্বাচন করুনঃ
আপনি যে মাধ্যমে বিল দেয়াটা সবচেয়ে আরামদায়ক মনে করেন সেভাবেই বিল জমা দিন। সরাসরি না গিয়ে ডিজিটাল পেমেন্ট দেওয়াটা এখন অনেক আরামদায়ক।
বিল আগেই জমা দেয়ার সুবিধা
১। ডিসকাউন্টঃ
বিল আগে জমা দিলে প্রতি মাসে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন যা আপনার জন্যে আরো সাশ্রয়ী হবে।
২। দুশ্চিন্তামুক্ত হওয়াঃ
বিল সময়মত জমা দিতে পারলে আপনি সহজেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হয়ে যাবেন যা আপনার স্বাভাবিক জীবন যাপনকে সহজতর করে তুলবে।
৩। নিরবিচ্ছিন সেবা পাওয়াঃ
সময়মত বিল দেয়ার কারণে পাওনাদার আপনাকে কল করে জ্বালাবে না এবং আপনি বিরতিহীন সেবা পাবেন। ফলে আপনার দৈনন্দিন কাজগুলো বাধাগ্রস্ত হবে না।
02/07/2021
গল্প
ওপেন মি ফার্স্ট
তাহমিদুর রহমান
আমার আজ তেমন করার কিছু নেই। বাইরে রাস্তায় প্রায় তিন ফিট বরফ জমে গেছে। ফলে বাইরের সব কর্মকাণ্ড বন্ধ। অনেক ভেবে চিনতে ঠিক করলাম আজকেই গেমটি খেলার উপযুক্ত সময়। হ্যাঁ এখনকার যান্ত্রিক জীবনটাকে সজীব করতে অনেকেই এই গেমটা খেলে থাকে। আমাকে আমার বন্ধুরা অনেকবার এই গেমটি খেলার কথা বলেছে কিন্তু প্রত্যেকদিনের রুটিন কাজ শেষে কিছুতেই ইচ্ছাটা পূরণ করা যায়নি। গেমটি প্রায় তিন ফিট বাই চার ফিট বাক্সে সুন্দর করে সাজানো আছে। এটির দাম আমার প্রায় ১৫ দিনের আয়ের সমান। তাই এটি আমার কাছে সত্যি ব্যয়বহুল। বাক্স খুলেই দেখলাম গেমটির একপাশে ছোট্ট একটি রোবট শোয়ানো অবস্থায় রাখা আছে। তার বুকের কাছে লাল আলোতে লেখা “open me first”। আমি রোবটটিকে বাক্স থেকে বের করলাম। তাকে অন করে দিতেই যান্ত্রিক শব্দ বের হতে লাগল।
মিস্টার নিপেন এই খেলার প্রত্যেকটি স্তর খুবই সহজ । আশা করি আপনাকে আনন্দ দেবে । তবে অন্যান্য গেমের সাথে এটির পার্থক্য আছে। লক্ষ্য করুন, এই খেলার সাথে একটি গেম এডিটর দেওয়া হয়েছে; এটি ব্যবহার করে আপনি নতুন নতুন খেলার স্তর নিজেই তৈরি করতে পারবেন এবং নিজেই সমাধান বের করবেন । এছাড়া সাহায্য মেনুতে একটি ব্যবহারবিধি রয়েছে যাতে অনেক বিস্তারিতভাবে সব কিছু বর্ণিত হয়েছে । আপনাকে খেলাটির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে অত্যন্ত আনন্দ পেলাম । বিদায়!!
এরপর রোবটটি নিশ্চুপ হয়ে গেল। তার স্ক্রীণে আবার লেখা ভেসে উঠল “open me first”। আমি মুচকি হাসলাম। গেমসটির নির্মাতারা প্রথমবার ব্যবহার করার পর লেখাটি পাল্টিয়ে দিতে পারত, দিত পারত “open me for more query” অথবা এই জাতীয় কিছু।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Mohammadpur