GTC Philosophy 2008-2009

GTC Philosophy 2008-2009 This page for students of Govt. Titumir college ,Department of philosophy batch 2008-2009(2012)

20/05/2023
Govt Titumir College under under Dhaka University.
30/09/2021

Govt Titumir College under under Dhaka University.

Rangamati tour 2019
28/08/2019

Rangamati tour 2019

05/05/2018
 #শহীদ_তিতুমিরতিতুমিরের বাঁশের প্রতিটি গিঁটে গিঁটে রয়েছে পরাধীনতার শিকল ভাঙার উচ্ছ্বাস। তিতুমির ছিলেন জমিদারের লাঠিয়াল ব...
03/05/2018

#শহীদ_তিতুমির

তিতুমিরের বাঁশের প্রতিটি গিঁটে গিঁটে রয়েছে পরাধীনতার শিকল ভাঙার উচ্ছ্বাস।

তিতুমির ছিলেন জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান ও পালোয়ান হিসেবে তাঁর ব্যাপক সুনাম ছিল। আর এই লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান অস্ত্র ছিল বাঁশ। তাই বাঁশের ক্ষমতা যে কত ভয়াবহ হতে পারে তা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন। তাই গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের উপর জমিদার এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি বাঙ্গালিদের সংঘবদ্ধ করেন এবং হাতে বাঁশ তুলে নেন।

তিতুমিরের বাঁশের অনুপ্রেরনায় বহু বাঙালি হাতে বাঁশ তুলে নেয় ও ইংরেজদের বাঁশ দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। তখন তিনি বর্তমান চব্বিশ পরগণা, নদীয়া এবং ফরিদপুরের বিস্তীর্ন অঞ্চলের অধিকার নিয়ে সেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে স্থানীয় জমিদারদের নিজস্ব বাহিনী এবং ব্রিটিশ বাহিনী তিতুমীরের হাতে বেশ কয়েকবার পরাজয় বরণ করে। সেই প্রলয়ঙ্করী যুদ্ধকে মহাপ্রলয়ঙ্করী রূপ দেয়ার জন্য এবং তাঁর বাহিনীর নিরাপত্তা, অস্ত্রশস্ত্র (মানে বাঁশ) মজুদ ও বাহিনীকে রণকৌশল প্রশিক্ষণের জন্য ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারসাতের কাছে নারিকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট এই অপূর্ব কেল্লা নির্মাণ করেন তিনি।

তিতুমির যখন বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন তখন সেই বাঁশের কেল্লা দেখে ইংরেজরা কেল্লাফতে যান এবং ইংরেজ বাহিনীতে চিল্লাচিল্লি শুরু হয়ে যায়। অনেক কিলাকিলি-মারামারি হওয়ার পরও যখন ইংরেজরা তিতুমিরের হাতে বারবার বাঁশ খাচ্ছিল তখন বাঁশের কেল্লার দিকে মুখ তুলে তাকালেই তাদের আত্মা অজানা আশঙ্কায় কেঁপে উঠত ও গত যুদ্ধে খাওয়া কাঁচাপাকা বাঁশের কথা মনে হত।

অবশেষে ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর কর্নেল হার্ডিং-এর নেতৃত্বে ব্রিটিশ সৈন্যরা ভারী অস্ত্রশস্ত্র ও কামানগোলা নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীদের অক্রমন করে। তিতুমির তাঁর অনুসারীদের নিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন, কিন্তু কামানগোলার আঘাতে তিতুমিরের বাঁশের কেল্লা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। যেই যুদ্ধে বাঁশের বিরুদ্ধে ইংরেজদের কামানগোলা ব্যবহার করতে হয়, সেই যুদ্ধে বাঁশ কত বড় একটা অস্ত্র ছিল তা বলা বাহুল্য। অবশেষে ১৯শে নভেম্বর তিতুমীর নিহত হন। তাঁর বাঁশের কেল্লা ধ্বংস করে দেয়া হয়।

এই বাঁশ যদি না থাকতো তাহলে বাঙালি অনুপ্রেরণার অভাবে তিতুমির এতদূর আসতে পারত না, পারত না ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে । তিতুমিরের এই বিদ্রোহ পরবর্তীতে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। অপর কথায় বলা যায় বাঁশই আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা, আমাদের একমাত্র অস্ত্র যার প্রতিটি গিঁটে গিঁটে রয়েছে পরাধীনতার শিকল ভাঙার উচ্ছ্বাস। তাই আজ যেকোনো আপদে-বিপদে আমরা বাঁশকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি ও অত্যাচারীকে বাঁশ দেয়ার হুমকি দেই। তাই বাঁশ থাকুক আমাদের জীবনে-মরণে, সয়ন-স্বপনে, ঘুম কিংবা জাগরণে…

আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস
06/01/2018

আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস

08/11/2017

কে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড ? - আপনার ফলাফল দেখতে ক্লিক করুন !!

10/08/2017

ভালো বন্ধুরা হয় মানুষের সারাজীবনের বন্ধু। আর যারা আপনার সঙ্গে সারাজীবন থাকবে এমন বন্ধুদের তালিকা পাচ্ছেন এখানে!

Address

Mohakhali
Mohakhali
DHAKA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GTC Philosophy 2008-2009 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category