Al Manar Kids University IIB

Al Manar Kids University IIB

Share

Offering 1. Kids Quran Diploma
2. Kids Quran Graduation &
3. Junior School Diploma

20/05/2026

হজ্জ ও যিলহজ্জের
১ম ১০ দিনের ফজিলত:

হজ্জের ফযীলত: হজ্জ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ এবং ইহা সারা জীবনে একবার

করণীয় ইবাদত। রাসূলে মাকবুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- “যে ব্যক্তি হজ্জ (ফরয হওয়া সত্ত্বেও ইহা) সম্পন্ন না করিয়া মারা যায়, তাহাকে বলিয়া দাও, সে ইয়াহুদী হইয়া মরুক বা খ্রিস্টান হইয়া মরুক।” তিনি বলেন-“যে ব্যক্তি হজ্জ করিবার সময় পাপ করে না এবং বেহুদা ও অশ্লীল কথা বলে না সে পূর্বকৃত পাপ হইতে এরূপ নিষ্পাপ হইয়া যায় যেরূপ মাতৃগর্ভ হইতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন সে নিষ্পাপ ছিল। তিনি বলেন- “বহু পাপ এমন আছে যাহা আরাফাতের ময়দানে দণ্ডায়মান না হইলে খণ্ডন হয় না।” তিনি বলেন-“আরাফার দিনে শয়তান যেমন অপদস্থ ও বিষণ্ণ হয় তদ্রূপ আর কোনদিন হয় না। কারণ, সেই দিন আল্লাহ্ স্বীয় বান্দার উপর বিশেষ রহমত নাযিল করেন এবং অসংখ্য কবীরা গুনাহ্ মাফ করিয়া থাকেন।” তিনি বলেন-যে ব্যক্তি হজ্জের উদ্দেশ্যে গৃহ হইতে বহির্গত হইয়া পথিমধ্যে প্রাণ ত্যাগ করে, কিয়ামত পর্যন্ত তাহার আমলনামায় প্রতি বৎসর এক হজ্জ ও এক ওমরার সওয়াব লিখিত হয়। আর যে ব্যক্তি মক্কা শরীফ বা মদীনা শরীফ পৌছিয়া প্রাণ ত্যাগ করিবে সে কিয়ামত দিবসের হিসাব-নিকাশ হইতে অব্যাহতি পাইবে।” তিনি বলেন-“বিশুদ্ধরূপে সম্পন্ন মকবুল এক হজ্জ সমস্ত দুনিয়া ও দুনিয়ার যাবতীয় বস্তু অপেক্ষা উত্তম; বেহেশত ব্যতীত অন্য কিছুই ইহার বিনিময় হইতে পারে না।” তিনি আরও বলেন-“হজ্জের সময় আরাফাতের ময়দান দণ্ডায়মান হইয়া যদি কেহ মনে করে যে, আমার গুনাহ মাফ হইল না, তবে তদপেক্ষা অধিক গুনাহ্ আর কিছুই নাই।” হযরত আলী বিন মওয়াফির নামে এক বুযর্গ ছিলেন। তিনি বলেন-“এক
বৎসর আমি হজ্জ করত আরাফার রাত্রে স্বপ্নে দেখিলাম, সবুজ পোশাকধারী দুই ফেরেশতা আকাশ হইতে অবতরণ করেন। তাঁহাদের একজন অপরজনকে বলিলেন, 'আপনি কি জানেন এ বৎসর কতজন লোক হজ্জ করিয়াছে?' তিনি উত্তর করিলেন, 'না'। সেই ফেরেশতা বলিলেন, 'ছয় লক্ষ।' তিনি আবার জিজ্ঞাসা করিলেন- 'আপনি কি জানেন কত লোকের হজ্জ কবূল হইয়াছে?' তিনি উত্তর দিলেন, 'না'। সেই ফেরেশতা পুনরায় বলিলেন, 'মোট ছয়জনের হজ্জ কবুল হইয়াছে।' সেই বুযর্গ

বলিলেন-'ফেরেশতা দুইজনের কথা শুনিয়া ভয়ে আমার নিদ্রা ভঙ্গ হইল এবং আমি অত্যন্ত দুঃখিত ও চিন্তিত হইলাম। আর আমি মনে মনে বলিলাম, আমি কখনই সেই ছয়জনের মধ্যে হইব না। এইরূপ চিন্তা ও মনস্তাপে মআরুল হারামে পৌঁছিয়া আবার নিদ্রামগ্ন হইলাম। স্বপ্নে আবার ঐ দুই ফেরেশতাকে পরস্পর ঐ প্রকার আলাপ করিতে দেখিলাম। তখন একজন অপরজনকে জিজ্ঞাসা করিলেন-'আপনি কি জানেন, আজ রাত্রে আল্লাহ্ স্বীয় বান্দাগণের সম্বন্ধে কি আদেশ দান করিয়াছেন?' দ্বিতীয়জন বলিলেন- 'না'। সেই ফেরেশতা বলিলেন-'সেই ছয়জনের তুফায়েলে আল্লাহ্ ছয় লক্ষকে মাফ করিয়া দিয়াছেন।' তৎপর প্রফুল্লচিত্তে আমি নিদ্রা হইতে জাগ্রত হইলাম এবং করুণাময় আল্লাহ্র শোকরগুজারী করিলাম।”

রাসূলে মাকবুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন যে, আল্লাহ্ ওয়াদা করিয়াছেন, প্রতি বৎসর হজ্জ উপলক্ষে ছয় লক্ষ লোক কা'বা শরীফ যিয়ারত করিবে। তদপেক্ষা কম লোকের সমাগম হইলে ফেরেশতা পাঠাইয়া তিনি এই সংখ্যা পূর্ণ করিয়া দিবেন। আর হাশরের দিন কাবা শরীফকে নববধুর ন্যায় সুসজ্জিত করিয়া উপস্থিত করা হইবে এবং হাজিগণ ইহার চারিদিকে তওয়াফ করিতে থাকিবে ও আহারা ইহার আচ্ছাদন বস্ত্রে স্পর্শ করিতে থাকিবে। পরিশেষে কা'বা শরীফ বেহেশতে প্রবেশ করিবে এবং হাজিগণও উহার সহিত বেহেশতে ঢুকিয়া পড়িবে।


যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকের গুরুত্ব ও ফযীলত

হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "ইবাদত-বন্দেগীর জন্য যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন অপেক্ষা আল্লাহ্র নিকট প্রিয়তর দিন আর নাই। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, এ দিনগুলোতে ইবাদত করা কি জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ্ অপেক্ষাও অধিক প্রিয়? তিনি বললেন, জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ্ অপেক্ষাও অধিক প্রিয়, তবে যদি কেউ আপন জান-মাল নিয়ে জিহাদের উদ্দেশ্যে বের হয় এবং সবকিছুই আল্লাহ্র রাস্তায় বিসর্জন দেয়।”

হযরত জাবের (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: "ইবাদতের জন্য আল্লাহ্ তা'আলার নিকট এ দশ দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন আর নাই। আরজ করা হলো, আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদও কি এর সমতুল্য নয়? হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জওয়াব দিলেন, না; তবে সক্রিয় জিহাদের তীব্রতায় যদি কারও ঘোড়া আহত হয়ে যায় এবং খোদ মুজাহিদ যদি ধূলি-মলিন হয়ে যায়।”

হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, এক যুবকের অভ্যাস ছিল যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা দিতেও সে রোযা রাখতে আরম্ভ করে দিতো, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা জানতে পেরে যুবককে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, এ দিনগুলোতে তোমার রোযা রাখার কারণ কি? সে আরজ করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হউন- এ দিনগুলো পবিত্র হজ্জের প্রতীক ও হজ্জ আদায়ের মুবারক সময়- হজ্জ আদায়কারীগণের সাথে আমিও নেক আমলে শরীক হই, এই আশায় যে, তাদের সাথে আমার দো'আও আল্লাহ্ তা'আলা কবুল করে নিবেন। অতঃপর হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন:
"তোমার এক একটি রোযার বিনিময়ে একশত গোলাম আযাদ করার, একশত উট আল্লাহ্র রাস্তায় দান করার এবং জিহাদের সাজ-সামানে ভরপুর এক ঘোড়া জিহাদের জন্যে দেওয়ার সওয়াব রয়েছে, তন্মধ্যে ৮ই যিলহজ্জ (ইয়াওমত্-তাবিয়া)-এর রোযার বিনিময়ে এক হাজার গোলাম আযাদ করার এক হাজার উট দান করার এবং সাজ-সামান সহ জিহাদের জন্য এক হাজার ঘোড়া দান করার সমতুল্য সওয়াব রয়েছে, আবার ৯ই যিলহজ্জ (ইয়াওমুল-আরাফা)-এর রোযার বিনিময়ে দুই হাজার গোলাম আযাদ করার, দুই হাজার উট দান করার জিহাদের সাজ-সামান সহ দুই হাজার ঘোড়া দান করার সওয়াব রয়েছে।”

হাদীস শরীফে আরও বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: يَعْدِلُ صَوْمُ يَوْمٍ عَرَفَةَ بِصَوْمٍ سَنَتَيْنِ وَيَعْدِلُ صَوْمُ عَاشُورَاءَ بِصَوْمٍ سَنَةٍ

"আরাফা'র দিনের (৯ই যিলহজ্জ) রোযা দুই বৎসর রোযা রাখার সমতুল্য আর আশূরা' (১০ই মুহরম)-এর রোযা এক বৎসর রোযা রাখার সমতুল্য।"

আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেন:
‎وَوَاعَدْنَا مُوسَى ثَلَاثِينَ لَيْلَةً وَاتْمَمْنَا هَا بِعَشْرٍ
"এবং আমি মূসা (আঃ)-এর সাথে ওয়াদা করেছি ত্রিশ রাত্রির এবং তা পূর্ণ করেছি আরও দশ দ্বারা।” (আ'রাফ: ১৪১)
মুফাস্সিরগণ বলেছেন, সেই 'দশ' ছিল যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ।

হযরত ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত- আল্লাহ্ তা'আলা দিনসমূহের মধ্য হতে চারটি, মাসসমূহের মধ্য হতে চারটি, নারীদের মধ্যে চারজন, সর্বপ্রথম যারা জান্নাতে প্রবেশ লাভ করবে তাদের মধ্য হতে চারজন এবং স্বয়ং জান্নাত যে সকল নেকবান্দাদের প্রত্যাশী তাদের মধ্য হতে চারজনকে নির্বাচন করেছেন এবং বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন। সেগুলো হচ্ছে:

(১) জুম'আর দিন: জুম'আর দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে

কোন মুসলিম বান্দা সে মুহূর্তে আল্লাহ্র কাছে যা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ্ তা'আলা তা দান করবেন- সেই প্রার্থিত বস্তু দুনিয়ার হোক বা আখেরাতের হোক।

(২) আরাফার দিনঃ (যে দিনটিতে পবিত্র হজ্জ অনুষ্ঠিত হয়) আরাফার দিন যখন উপস্থিত হয়, আল্লাহ্ তা'আলা ফেরেশতাদেরকে ফখর করে বলেন- হে ফেরেস্তারা! তোমরা দেখ- আমার বান্দারা উপস্থিত হয়েছে; ধূলি-মলিন অবস্থায় তাদের কেশ অগুছালো, আমার জন্যে তারা ধন-মাল খরচ করেছে শারীরিকভাবে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়েছে; তোমরা সাক্ষী থাক * আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম।

(৩) ঈদুল-আযহা অর্থাৎ কুরবানীর দিন : ঈদুল-আযহার দিনে বান্দার কুরবানীর পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই আল্লাহ্ তা'আলা তার সমস্ত গুনাহ্ মাফ করে দেন।

(৪) ঈদুল-ফিতরের দিন : রমযান মাসের রোযা রাখার পর ঈদুল- ফিতরের নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে লোকজন যখন বের হয়, তখন আল্লাহ্ তা'আলা ফেরেস্তাগণকে সম্বোধন করে বলেন: প্রত্যেক শ্রমিক শ্রমদানের
পর পারিশ্রমিক চেয়ে থাকে, আমার বান্দারা পূর্ণ মাস রোযা রেখেছে, আজকে ঈদের দিন তারা বের হয়েছে আমার কাছে পারিশ্রমিক পাওয়ার আশায়। হে ফেরেস্তারা! তোমরা সাক্ষী থাক- আমি তাদেরকে মাফ করে দিলাম। এক আওয়াযকারী আওয়ায দিয়ে থাকে, 'হে উম্মতে মুহাম্মদী! তোমরা এমন অবস্থায় প্রত্যাবর্তন কর যে, তোমাদের গুনাহসমূহকে নেকীর দ্বারা পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে।”

যে চারটি মাসকে নির্বাচন করা হয়েছে, তা হচ্ছে, (১) রজব (২) যিলকদ (৩) যিলহজ্জ (৪) মুহররম।

বিশেষ মর্যাদাবান যে চারজন মহিলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হচ্ছেন, (১) হযরত মারয়াম বিনতে ইমরান (২) হযরত খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ, জগতের সকল মহিলার মধ্যে সর্বপ্রথম ইনিই আল্লাহ্ ও রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছেন। (৩) হযরত আছিয়া বিনতে মুযাহিম, তিনি ছিলেন ফেরআউনের স্ত্রী। (৪) হযরত ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তিনি জান্নাতবাসীনী মহিলাদের সর্দার রাযিয়াল্লাহু আনহা।
যারা সকলের আগে জান্নাতে প্রবেশ লাভ করবে- এক একজন সম্প্রদায় হতে এক একজন-সেই চারজন হচ্ছেন, (১) আরবদের মধ্য হতে সাইয়্যিদুনা হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (২) পারস্যদের মধ্য হতে হযরত সালমান ফারেসী (রাযিঃ) (৩) রোমীয়দের মধ্য হতে হযরত সুহাইব রোমী (রাযিঃ) (৪) হাবশাবাসীদের মধ্য হতে হযরত বেলাল (রাযিঃ) জান্নাত যাদের জন্য উদ্‌গ্রীব, তাদের মধ্য হতে এ চারজনকে নির্বাচন করা হয়েছেঃ (১) হযরত আলী (রাযিঃ) (২) হযরত সালমান ফারেসী (রাযিঃ) (৩) হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিঃ) (৪) হযরত মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ (রাযিঃ)।

হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : ৮ই যিলহজ্জে যে ব্যক্তি রোযা রাখলো, আল্লাহ্ তাকে হযরত আইয়ুব (আঃ)- এর কঠিন রোগ-পরীক্ষায় ছবর করার সমতুল্য সওয়াব দান করবেন।

আর যে ব্যক্তি আরাফার দিনে (৯ই যিলহজ্জে) রোযা রাখলো, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে হযরত ঈসা (আঃ)-এর সওয়াবের ন্যায় সওয়াব দান করবেন।

হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে, যখন আরাফার দিন উপস্থিত হয়, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর রহমত বিস্তৃত করে দেন। এই দিনে যে পরিমাণ লোকদেরকে দোযখ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়, অন্য কোনদিন তা হয় না। যে ব্যক্তি আরাফা'র এই দিনে রোযা রাখলো, তার গত বৎসর ও আগামী বৎসরের গুনাহ্ মাফ হয়ে গেল। (অর্থাৎ ছগীরা গুনাহ্; কবীরা গুনাহ্ মাফীর জন্য তওবা করতে হবে) আরাফা'র দিনের রোযার ওসীলায় গত ও আগামী এ দুই বছরের গুনাহ্ মাফ হওয়ার তাৎপর্য হলো, এ দিনটি দুই ঈদের মাঝখানে পড়েছে, মুসলমানদের জন্যে অত্যন্ত আনন্দের এ দু'টি দিন। এতে তাদের জন্যে গুনাহ্-মাফীর চেয়ে অধিক আনন্দের বিষয় আর কী হতে পারে? আর আশূরার দিনের (১০ই মুহরম) আগমন ঘটে, দুই ঈদ অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর। তাই এ দিনে রোযার ওসীলায় গুনাহ্ মাফ হয় এক বৎসরের। আরেকটি কারণ হচ্ছে, আশূরা'র দিনটি হচ্ছে হযরত মূসা (আঃ)-এর জন্য আর আরাফা'র দিনটি আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য। তাঁর বুযুর্গী সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরামের উপর। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

10/05/2026
06/05/2026

Chattogram Branch:
Manarul Quran Academy

Photos from Al Manar Kids University IIB's post 06/05/2026
05/05/2026

🇦🇪 50th UAE Armed Forces Unification Day
A tribute of respect and honor to the UAE Armed Forces.

We are proud of our soldiers who protect our land and keep us safe. Even during difficult times, the UAE continues to do its best to ensure our safety and make us feel secure.

You are the pride of the UAE. You are our safety.
We thank you for your courage, your sacrifice, and your commitment. 🇦🇪✨

05/05/2026

We’re Hiring – Mathematics & ICT Teachers (FS–Grade 5)
English Version | Experienced Educators

Math: Abacus, Mental Math, strong problem-solving, and modern teaching methods
ICT: MS Office, basic coding, smart classroom tools, troubleshooting, and hardware & software knowledge

Fluent in English with a student-centred, modern teaching approach.
Passionate educators are encouraged to apply!

Dhaka Branch:
📍 Address: Mother Oxford School, Bou Bazar, Tongi, Dhaka.
📧 Email: [email protected]
📱 WhatsApp: 01639992222

Want your school to be the top-listed School/college in Mirsarai?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

1: Bamun Sundar, Darogar Hat, Mirsharai, Chattogram 2: #169, Bou Bazar, Tongi, Dhaka
Mirsarai
4322