Self Improvement Conference

Self Improvement Conference

Share

কোন ধরণের ইম্প্রুভমেন্ট নিয়ে আমরা কাজ করি? এককথায় উত্তর হলো, দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় জগতের জন্য যে ইম্প্রুভমেন্ট প্রয়োজন তা সামনে রেখেই এ আয়োজন।

29/04/2026

নিজের গুনাহকে হালকাভাবে নেওয়া অন্যতম জঘন্য একটি গুনাহ।

— হযরত আবু বকর (রা.)
[সূত্র : আল-মুজালাশ ওয়া জাওয়াহিরুল ঈলম, ২৩১৮]


29/04/2026

ক্ষতিগ্রস্ত তো ওই ব্যক্তি, যে মানুষের সামনে ভালো কাজ জাহির করে, আর ওই সত্তার সামনে মন্দকাজ করে থাকে যে কিনা গলার ধমনি থেকেও অধিক নিকটে।

-আবু সুলাইমান (রহ.)
[বই: নবিজির পরশে সালাফের দরসে]

28/04/2026

মেয়েরা শরীয়তের মাঝে থেকে সাজবে। মেয়েরা ফুল ভালোবাসবে। অবসরে সখের কাজ করবে। মেয়েরা লিখবে। মেয়েরা গন্ডির ভেতর পরীর মতো ডানা মেলে উড়বে।

মেয়েরা সংসার গুছিয়ে নিবে পাখির নীড়ের মতো সযত্নে। মেয়েরা আদর্শ মা হবে। মেয়েরা অভিমান করবে। মেয়েরা অভিমত জানাবে। মেয়েরা কাঁদবে যখন খুশি হাসবে। মেয়েরা নিজের মা বাবার খোঁজ খবর রাখবে।

মেয়েরা বুদ্ধিবৃত্তিক খেদমত করবে জরাজীর্ণ উম্মাহ'র। মেয়েরা নিজের ঘরে শান্তিতে থাকবে খোঁটা না শুনে! মেয়েরা ভরণপোষণ পাবে দাবি না করে। মেয়েরা বাঁচবে আত্মসম্মানে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে!

মেয়েরা দ্বীন পালন করবে জুলমের শিকার না হয়ে। মেয়েরা পর্দার পরিবেশ পাবে না চেয়েও! মেয়েরা পড়তে বসবে ফেতনাবিহীন পরিবেশে!

যখন ভূমে শরীয়াহ আসবে ইনশা আল্লাহ মেয়েরাও বাঁচবে যেভাবে তাদের বাঁচার কথা ছিলো।

~তাহমিনা তাহফিম

28/04/2026

ভুল নিয়তে ইবাদাত নষ্ট

শুধু নিয়তে ভুল থাকার জন্য আমাদের অনেক কাজও ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। আমরা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কাজ করি, তখন আমাদের কাজের বরকত নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের নামাজ এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে। একটি জনপ্রিয় গল্প শোনা যায়-

“একজন যুবক মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করছিল। এমন সময় দুজন লোক মসজিদে প্রবেশ করে। এ দুটো লোককে দেখে নামাজরত যুবকের খুশু বা একনিষ্ঠতা আরও বেড়ে যায়। নতুন করে আগত দুজন ব্যক্তি নামাজরত যুবককে ধার্মিক মনে করে ব্যাপক প্রশংসা করে। এই দৃশ্য দেখে নামাজি লোকটি তার নামাজ আরও দীর্ঘায়িত করে। নামাজকে আরও নিখুঁত করার চেষ্টা করে। ফলে তার প্রশংসা পাওয়ার পাল্লাও আরও যেন ভারী হতে থাকে।

নামাজ শেষ করার পর নামাজি ব্যক্তিটি লোকদের জানাল, আজ সে রোজাও রেখেছে। এর ফলে উক্ত দুইজন মানুষ তার প্রশংসা আরও বাড়িয়ে দিল। কিন্তু ইবাদতকারী ব্যক্তিটির নিয়তে গন্ডগোল হয়ে গেল। সে নামাজ বা রোজা যাই করুক না কেন, তা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই যে করেনি তা প্রমাণ হয়ে গেল। মূলত সে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার লোভেই এই আমলগুলো করেছে।”

এই দৃষ্টান্তটি আমাদের জন্য খুবই শিক্ষণীয়। নামাজ রোজার মতো মৌলিক আমলও কীভাবে শুধু নিয়তের গাফলতির কারণে অর্থহীন হয়ে যায়- এ গল্পটি সেই প্রমাণই বহন করে।

[বই : নফসের ধোঁকা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ; পৃ. ৪৩]


27/04/2026

অনেকেই ভাবেন হিফজ করতে হলে হয়তো মেমোরি খুব শার্প হতে হয়। তুখোড় ব্রেইনের অধিকারী না হলে হয়তো হিফজ করা ভীষন কঠিন। কিন্তু বাস্তবটা তা নয়।

আল্লাহর কাজ করলে আল্লাহই সাহায্য করেন। আপনি আল্লাহর দিকে হেঁটে গেলে আল্লাহ আপনার দিকে দৌড়ে আসেন। তাই হিফজ করতে গেলে মেমোরি শার্প হতে হয় এই ধারনা একদমই ভুল। বরং নিয়তটাই বড় বিষয়।

হিফজ শুরুর আগে অবশ্যই খালেস অন্তরে নিয়ত করে নিন যে এই হিফজ আপনি কোন পার্থিব সম্মান লাভের আশায় করছেন না বরং সম্পুর্নই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় করছেন। পাশাপাশি আপনার একান্ত চেষ্টা থাকলেই হিফজ আপনার জন্য পানির মতো সহজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
Collected

26/04/2026

মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন, তিনি-ই সকল গুণে প্রশংসিত প্রকৃত অভিভাবক। (আশ শূরা, ২৮)


26/04/2026

তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না। (সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৩৩)


25/04/2026

আমি দু'আতে অন্ধবিশ্বাস করি।আমি বিশ্বাস করি একটা জিনিস পুরোপুরি উল্টে যেতে পারে দু'আর কারণে। এই বিশ্বাস নিয়েও আমি আল্লাহর কাছে ফর্সা স্কিন চাই নাই, চাইছি এমন মানুষ আমার হউক যার কাছে স্কিন টোন ম্যাটার করবে না।

চোখে কাজল দিতে গেলে মনে হইতো আরেকটু গাঢ় ক্যানো হইলো না মণি,কেমন যেন লাগছে! কিন্তু আমি তা চাই নাই। চোখের একটা বিশেষত্ব হইলো, সৌন্দর্য ছাড়াও সে মানুষের সুখ দুঃখের প্রকাশ ঘটায়। আমি চাইছি এমন কাউরে যে আমার চোখ দেখে বুঝে ফেলবে মনের হালত কেমন।

চেহারায় ব্রণের দাগে বিরক্ত লাগে বটে, কিন্তু আমি এই জিনিস নিয়ে অতো সিরিয়াস হই নাই। কিছু কিছু দাগ লাগে ভীষণ আপন। মুছে গেলে মায়া হয়। অন্য কারো কাছেও এমন মায়া লাগা সম্ভব কিনা তা আমার জানতে ইচ্ছে করে। আমি এমন মানুষ চাইছি যে আমারে আমার মতোন করে দেখবে, মায়া করে।

আল্লাহর কাছেই যখন চাইবো, তবে দামী সবকিছুই চাইবো। একদম রেয়ার, যা পৃথিবীর বুকে বিরল। নিখুঁত মানুষরে প্রাণভরে দেখা, তার মায়ায় আটকে থাকা তো সবার পক্ষে সম্ভব, দুনিয়ায় আমার অমন এক জোড়া চোখ চাই যার চোখে সমস্ত খুঁতসহই আমি হবো নিখুঁত।

সামিয়া আনান~

25/04/2026

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

এক ব্যক্তি জনৈকা নারীকে বিবাহ করলেন। যখন বিয়ের রাতে নারীটি তার ঘরে আসলেন, তখন তিনি দেখলেন যে তাঁর স্ত্রী ভয়াবহ গুটিবসন্তের রোগে আক্রান্ত। তখন লোকটি হঠাৎ বললেন: 'আমার চোখে কেমন যেন সমস্যা করছে।' কিছুক্ষণ পর তিনি বলে উঠলেন: 'আমার চোখ দুটো অন্ধ হয়ে গিয়েছে!'

এভাবেই দীর্ঘ বিশ বছর কেটে গেলো। সেই নারী মারা গেলেন, অথচ এই সময়টুকুতে তিনি কখনোই জানতে পারেননি যে, তার স্বামী আসলে সুস্থ চোখের অধিকারী ছিলেন।

যখন সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, কেন আপনি এমনটি করেছিলেন? তখন তিনি উত্তর দিলেন: 'আমি এই বিষয়টি সহ্য করতে পারছিলাম না যে, তার শারীরিক খুঁতগুলো আমি দেখতে পাচ্ছি-আর এটা চিন্তা করে সে কষ্ট পাচ্ছে।'

‎تزوج رجل بامرأة. فلما دخلت عليه رأى بها الجدري. فقال: اشتكيت عيني. ثم قال: عميت. فبعد عشرين سنة ماتت. ولم تعلم أنه بصير. فقيل له في ذلك. فقال: كرهت أن يحزنها رؤيتي لما بها

— [ মাদারিজুস সালিকিন (২/৩২৬ পৃষ্ঠা) ]

24/04/2026

"আর যে ব্যক্তি বান্দার কাছে (নিজের করা উপকারের) বিনিময়ে প্রশংসা, দুআ বা অন্য কিছু কামনা করে সে আসলে আল্লাহর জন্য তার প্রতি অনুগ্রহ বা ইহসানকারী নয়"।

~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.]

[ মাজমুঊল ফাতাওয়া: ১/৫৪]


24/04/2026

কথার যদি ঘ্রাণ থাকতো!
তাহলে রাসূল সা: এর উপর দূরূদ পড়াটা সবচেয়ে বেশি ঘ্রাণ ছড়াতো!

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম🤍

23/04/2026

একজন অভিভাবক জানালেন, “দুই বছর ধরে কায়দা…
হুজুর বদলাচ্ছি, কিন্তু একই জায়গায় আটকে আছে।”

সমস্যাটি অনেক অভিভাবকের। সমস্যাটির সাথে জড়িয়ে থাকে অভিভাবকের ক্লান্তি । রাগ না, অভিযোগ না। শুধু একরাশ হতাশা আর প্রশ্ন। সমস্যাটা আসলে কোথায়?
বাচ্চার মধ্যে নাকি শেখানোর পদ্ধতিতে?

কারণ সত্যি কথা বলতে, সব শিশু একরকম না।
কেউ দ্রুত শিখে, কেউ সময় নেয়। কেউ ডিসিপ্লিন সিস্টেমে এগোয়, কেউ গল্পে গল্পে শিখে। আবার কেউ শুধু বুঝতে চায়,সাপোর্ট চায়, “আমি পারব তো?”

কিন্তু এই চাহিদা সঠিকভাবে না বুঝে, না জেনে যখনই পথচলা শুরু হয় ঠিক তখনই বাঁধে বিপত্তি। তখনই শুরু হয় আটকে থাকা।
একই কায়দা,একেক পর নতুন শিক্ষক, আবার পুনরায় শুরু...এই লুপ কুরআন শেখার মত মহিমান্বিত, আনন্দময় বিষয়টিকে দূর্ভাগ্যজনকভাবে করে তোলে একঘেয়ে!

ই’তিকাদ একাডেমিতে আমরা এই জায়গাটাতেই কাজ করে চলেছি। কীভাবে?

আলহামদুলিল্লাহ ১২টিরও বেশি কোর্সে ২০টির বেশি দেশ থেকে ৩-৭৫+ বয়সী শিক্ষার্থীরা ই'তিকাদে অধ্যয়নরত আছে। আমরা সাধারণত কোনো শিক্ষার্থীর সরাসরি ভর্তি কনফার্ম করি না।

প্রথমেই স্পেশাল অবজারভেশন ও সাইকোলজিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট সেশনে আমরা শিক্ষার্থীর সাথে পরিচিত হই। নিবিড়ভাবে তাকে পর্যবেক্ষণ করি। গল্পে গল্পে তার শেখার ধরন, মনোযোগ, মানসিক অবস্থা সবকিছু বুঝে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করি।

তারপর ঠিক করি, কোথা থেকে শুরু করলে সে দ্রুততম সময়ে সহজে শিখবে। কীভাবে পড়ালে সে আর আটকে থাকবে না। স্কুল, কোচিং, ব্যস্ত রুটিন সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে তার জন্য একটি বাস্তবসম্মত লার্নিং প্ল্যান তৈরি করে তার উপযোগী সবচেয়ে পারফেক্ট ব্যাচটি নির্বাচন করা হয়। মাত্র ২-৭ জন শিক্ষার্থীর ছোট ছোট ব্যাচে প্রতিটি শিক্ষার্থী নজরে থাকে, গুরুত্ব পায়।

আর এই পুরো বিষয়টি বোঝার জন্যই এই বিশেষ ফ্রি সেশনের আয়োজন!

সম্মানিত অভিভাবকগণ সেশনের রিপোর্টের মাধ্যমে বুঝতে পারেন, সমস্যা কোথায় ছিল। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হলে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি হবে।

♻️কখনো কখনো নতুন একটি শুরু, বহুদিনের ভুল নিমিষেই শুধরে দিতে পারে! তা-ই ই'তিকাদের ফ্রি "স্পেশাল অবজারভেশন অ্যান্ড সাইকোলজি অ্যাসেসমেন্ট” সেশনটিতে রেজিস্ট্রেশন করতে,

🎖️ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর:
★ নাম
★ বয়স
★ অবস্থানরত সিটির নাম
★ অভিভাবকের ফোন নম্বর
লিখে এখনই মেসেজ করুন!

Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Mirpur
Mirpur