28/04/2026
মানসিক স্বাস্থ্য এখন বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। এই প্রেক্ষাপটে “মানসিক স্বাস্থ্য সংকট ও হোমিওপ্যাথি: সুরক্ষা ও সমাধান” বিষয়ে একটি বিশেষ অনলাইন ওয়েবিনার আয়োজন করেছে Green Voice, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ইউনিট।
আলোচক হিসেবে থাকছেন আমাদের ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি - ঢাকা সেন্টার এর চীফ কনসালট্যান্ট ডা. মো. মহিউদ্দিন স্যার!
ওয়েবিনারটি Google Meet এ আয়োজিত হবে আগামী ১লা মে, রাত ৮ টায়।
এই ওয়েবিনারটি সবার জন্য সম্পূর্ণ FREE। নির্ধারিত সময়ে এই পেজ থেকেই Google Meet ওয়েবিনার লিংক প্রকাশ করা হবে। সবাইকে সময়মতো যুক্ত হওয়ার আন্তরিক আহ্বান রইল।
নিজে সচেতন হোন, এবং আপনার পরিচিতদের যুক্ত করে সচেতনতার পরিধি বাড়াতে সহায়তা করুন। 🤍
05/04/2026
হাম নিয়ে আতঙ্ক নয়!
হাম এর কবল থেকে আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন! বর্তমানে হামের বিস্তার এবং প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর যথাযথ প্রতিকারের অভাবে অনেক শিশু ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে হাম থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। হোমিওপ্যাথি এই কঠিন সময়ে আপনাদের পাশে আছে।
আপনার করণীয়:
- হামের লক্ষণ দেখা দিলে আতঙ্কিত হবেন না!
- অবিলম্বে একজন ক্লাসিক্যাল বা রেজিস্টার্ড অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
- এই আতঙ্কের সময়ে অনেক প্রতারক চিকিৎসক নামধারী সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করবে, সতর্কতার সাথে চিকিৎসক নির্বাচন করুন।
- সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা এড়িয়ে দ্রুত সুস্থতা সম্ভব।
যেকোনো সমস্যায় বা প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার ও আপনার পরিবারের পাশে আছি।
সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।
26/03/2026
মহান স্বাধীনতা দিবসে আমরা গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করি সেই সকল বীর শহীদদের, যাদের অসীম ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা! সেই সাথে একটি সুস্থ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যয়ী হই!
20/03/2026
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম! ঈদ মোবারক!
20/03/2026
বাংলাদেশিদের জন্য ৮০% ছাড়!
আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন।
17/03/2026
রোগ কমে যাওয়া মানেই কি আপনি সুস্থ হচ্ছেন?
অনেকেই মনে করেন শরীরের কোনো একটা কষ্ট বা চর্মরোগ মলম দিয়ে কমে গেল মানেই বুঝি রোগ সেরে গেল। কিন্তু ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিতে বিষয়টা সব সময় এমন নয়। অনেক সময় রোগ কমার বদলে উল্টো শরীরের আরও গভীরে ঢুকে পড়ে, যা স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনে।
আসলে আরোগ্যের সঠিক নিয়ম কী?
প্রকৃত সুস্থতার একটা নির্দিষ্ট গতিপথ আছে। শরীর যখন আসলেও ভেতর থেকে সুস্থ হতে থাকে, তখন রোগ কিছু নিয়ম মেনে চলে:
রোগ শরীরের গভীর থেকে উপরের দিকে (বাইরে) আসে।
বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে সরে যায় (যেমন: ফুসফুস বা হার্ট থেকে চামড়ায় আসা)।
কিছু বাস্তব উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে:
১. চর্মরোগ থেকে শ্বাসকষ্ট:
কারো হয়তো চর্মরোগ বা জেদি চুলকানি ছিল। কড়া কোনো মলম দিয়ে সেটি জোর করে চেপে দেওয়া হলো। কিছুদিন পর দেখা গেল তার শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা শুরু হয়েছে। এখানে রোগ বাইরে থেকে ভেতরে চলে গেছে—এটি উন্নতি নয়, বরং অবনতি।
২. উদ্বেগ থেকে উচ্চ রক্তচাপ:
কারো হয়তো মানসিক অস্থিরতা বা দুশ্চিন্তা ছিল। সেটি ওষুধ খেয়ে সাময়িকভাবে কমানো হলো ঠিকই, কিন্তু কিছুদিন পর তার হাই প্রেসার বা হৃদরোগ ধরা পড়ল। অর্থাৎ রোগ কম গুরুতর স্তর থেকে বেশি বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছেছে।
৩. মাথাব্যথা থেকে স্মৃতিশক্তি হ্রাস:
দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা হঠাৎ সেরে গেল, কিন্তু এরপর থেকে লোকটির স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করল বা তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেন। এটিও রোগের একটি উল্টো এবং বিপজ্জনক মোড়।
আমাদের যা মনে রাখা জরুরি:
শুধু একটি উপসর্গ কমে যাওয়া মানেই মুক্তি নয়। আমাদের দেখতে হবে রোগের গতি (Direction of Cure) কোন দিকে। যদি রোগ ভেতর থেকে বাইরে আসে এবং ভাইটাল অর্গান বা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো রক্ষা পায়, তবেই তাকে প্রকৃত আরোগ্য বলা যায়। একেই আমরা বলি 'হেরিংস ল'।
মনে রাখবেন, ভুল চিকিৎসায় রোগ দমন করা মানেই রোগমুক্তি নয়। সঠিক ও ক্লাসিক্যাল চিকিৎসার মাধ্যমে নিজের জীবনীশক্তিকে রক্ষা করুন।
📌 International Classical Homeopathy ( ICH)
A centre for real healing!
15/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ 🖤🖤🖤
আলহামদুলিল্লাহ।
দুই দিন আগে International Academy of Classical Homeopathy (IACH) কর্তৃক পরিচালিত E-Learning Homeopathic Postgraduate Course-এর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি এতে উত্তীর্ণ হয়েছি।
মহান স্রষ্টার প্রতি অশেষ শুকরিয়া! তিনি দয়া না করলে কিছুই সম্ভব হতো না। এরপর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, বিশেষ করে বড় ভাইয়া ও বাবার আর্থিক সাপোর্ট এবং সাহস না থাকলে এই জার্নি অনেক কঠিন হয়ে যেত।
বিশেষ ধন্যবাদ ই-লার্নিং কোর্সের বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটর শ্রদ্ধেয় Dr. Dhiman Roy স্যারকে।
এই পরীক্ষায় পাশ মার্ক অর্জন করে উত্তীর্ণ হওয়াটা মোটেও সহজ ছিল না। কারণ এই কোর্সে এভারেজ কমপক্ষে ৭০% নম্বর বাধ্যতামূলক। সেই মান ধরে রেখে পরীক্ষা পাস করা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং ছিল।
এবারের পরীক্ষা হয়েছিল পবিত্র রমজান মাসে, যে মাস মুসলিমদের জন্য বিশেষ ইবাদতের সময়। পরীক্ষার প্রস্তুতির কারণে স্বাভাবিকের মতো ইবাদতের জন্য সময় দেওয়া হয়ে ওঠেনি। তবে এতে আমার কোনো আফসোস নেই। কারণ আমি আমার পড়াশোনাটাকেই ইবাদতের নিয়্যতে করেছি।
শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, যদি কোনো চিকিৎসক অর্থকে প্রাধান্য না দিয়ে রোগীদের সার্ভিস দেওয়ার উদ্দেশ্যে, তাদের সঠিক ও দ্রুত আরোগ্যের চিন্তা নিয়ে পড়াশোনা করেন, তাহলে সেই পড়াশোনাও উত্তম নফল ইবাদত হিসেবে গণ্য হতে পারে।
রোগীদের সার্ভিস দেওয়া মানে ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া নয়; বরং নৈতিকতা বজায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া। চাইলে সেকেন্ডের মধ্যেই দুই হাজার টাকার জায়গায় ছয় হাজার টাকা বিল করা যায়। কিন্তু সেই লোভ ও অনৈতিকতা থেকে দূরে থেকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ফি নির্ধারণ করাটাই সততা। একজন চিকিৎসক যদি সততার সাথে চিকিৎসা দেন, তবে সেই চিকিৎসাও ইবাদতের সমতুল্য হয়ে ওঠে।
মেডিক্যাল চিকিৎসকের পড়াশোনা কখনোই শেষ হওয়ার কথা নয়। যেদিন কোনো চিকিৎসক মনে করেন তার আর পড়াশোনার প্রয়োজন নেই, সেদিন থেকেই তিনি ধীরে ধীরে একজন চিকিৎসক হিসেবে নিজের যোগ্যতা হারাতে শুরু করেন। একজন চিকিৎসকের জন্য শেখার পথ আসলে আজীবনের! কারণ প্রতিটি নতুন জ্ঞান রোগীদের আরও ভালোভাবে সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
সেই ধারাবাহিক শিক্ষাযাত্রার অংশ হিসেবেই এই কোর্সটি সম্পন্ন করার সুযোগ হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এটি বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথি শিক্ষক Professor George Vithoulkas পরিচালিত দুই বছর মেয়াদী আন্তর্জাতিক E-Learning Course in Classical Homeopathy।
13/03/2026
পেটের সমস্যায় ভুগছেন? আগে বুঝে নিন আপনার সমস্যাটি আসলে কী! 🔍
অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে পেটব্যথা, গ্যাস্ট্রিক বা অনিয়মিত মলত্যাগের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু সব পেটের সমস্যা এক নয়। IBS, IBD, গ্যাস্ট্রাইটিস বা আলসার—প্রতিটির লক্ষণ ও প্রতিকার আলাদা। ভুল ধারণার কারণে ভুল চিকিৎসা নিলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
সঠিক সমাধানের জন্য পার্থক্যগুলো জেনে রাখা জরুরি:
🔴 IBS (Irritable Bowel Syndrome):
এটি অন্ত্রের একটি ফাংশনাল সমস্যা। পরীক্ষায় কোনো ক্ষত পাওয়া যায় না, কিন্তু অন্ত্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করে না। লক্ষণ হিসেবে বারবার পেটব্যথা, কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য আবার কখনো ডায়রিয়া এবং পেট ফাঁপা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ।
🟠 IBD (Inflammatory Bowel Disease):
এটি অন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহজনিত রোগ (যেমন: Crohn’s Disease বা Ulcerative Colitis)। এর লক্ষণগুলো বেশ গুরুতর—মলের সাথে রক্ত যাওয়া, তীব্র পেটব্যথা এবং দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।
🟡 Gastritis (গ্যাস্ট্রাইটিস):
পাকস্থলীর ভেতরের আবরণে প্রদাহকে আমরা সাধারণত "গ্যাস্ট্রিক" বলি। পেটের উপরিভাগে জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর এবং বমি বমি ভাব এর প্রধান লক্ষণ। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা অনিয়মিত খাবার এর জন্য দায়ী।
🔵 Colitis (কোলাইটিস):
এটি মূলত বৃহদান্ত্রের প্রদাহ। এতে মলের সাথে আম (Mucus) বা রক্ত যাওয়া এবং বারবার মলত্যাগের বেগ হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
🔴 Peptic Ulcer (আলসার):
পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্ষত তৈরি হলে তাকে আলসার বলে। খালি পেটে তীব্র জ্বালা বা ব্যথা হওয়া এবং রাতে ব্যথায় ঘুম ভেঙে যাওয়া এর অন্যতম লক্ষণ।
⚠️ কখন দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?
✅ মলে বা বমিতে রক্ত দেখা দিলে।
✅ হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা বা দ্রুত ওজন কমে গেলে।
✅ দীর্ঘদিন ধরে জ্বর বা ডায়রিয়া থাকলে।
সুস্থ থাকার সহজ ৫টি অভ্যাস:
১. সময়মতো এবং পরিমিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলুন।
৩. সারাদিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৪. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
৫. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘনঘন ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।
দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যায় সঠিক রোগ নির্ণয় এবং ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে স্থায়ী ও নিরাপদ সমাধান সম্ভব। আপনার সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে বা সঠিক পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
✨ International Classical Homeopathy (ICH)-
A Centre for Real Healing!
📞 মোবাইল: 01744511874
12/03/2026
ওভারথিংকিং বা অতিরিক্ত চিন্তা?
এর থেকে মুক্তির উপায় কি?
চলুন বিস্তারিত জেনে নিই।
পড়াশোনা এবং কর্মব্যস্ততার চাপে অনেক সময় ছোট ছোট বিষয় নিয়ে আমরা এত বেশি চিন্তা করি যে, মনে হয় সব কিছু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
এই 'ওভারথিংকিং' বা দুশ্চিন্তা কমাতে নিচের অভ্যাসগুলো আপনার প্রতিদিনের রুটিনে যোগ করতে পারেন:
১. চিন্তার জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখুন (Worry Time)
সারাদিন সব বিষয় নিয়ে না ভেবে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় (যেমন ১৫-২০ মিনিট) শুধু ভাবনার জন্য বরাদ্দ রাখুন। যখনই কোনো অপ্রয়োজনীয় চিন্তা মাথায় আসবে, নিজেকে বলুন— "এখন না, এটা নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ভাবব।"
২. লিখে ফেলার অভ্যাস করুন
মাথায় যখন অনেক চিন্তা ঘুরপাক খায়, তখন সেগুলো কাগজে বা ফোনের নোটে লিখে ফেলুন। এতে মস্তিষ্ক হালকা বোধ করে এবং অগোছালো চিন্তাগুলো একটি কাঠামো পায়।
৩. 'পারফেকশন' খোঁজা বন্ধ করুন
একসাথে পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ার সামলানো কঠিন কাজ। সব কাজ সবসময় নিখুঁত হতে হবে— এই মানসিকতা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়। নিজের ওপর সদয় হোন এবং যতটুকু সম্ভব সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. বর্তমানে মনোনিবেশ করুন (Mindfulness)
অতীতের অনুশোচনা বা ভবিষ্যতের ভয় থেকেই মূলত ওভারথিংকিং জন্ম নেয়। যখনই অস্থির লাগবে, লম্বা কয়েকটা শ্বাস নিন এবং বর্তমানে আপনি কী করছেন সেদিকে মনোযোগ দিন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম
মস্তিষ্ক ক্লান্ত থাকলে নেতিবাচক চিন্তা বাড়ে। শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়।
মনে রাখবেন: আপনি কোনো রোবট নন, বরং একজন মানুষ। আপনার নিজেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। যদি অতিরিক্ত চিন্তা আপনার দৈনন্দিন কাজে বা মানসিক শান্তিতে প্রচণ্ড বাধা দেয়, তবে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
মূল ধারার ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে খুব দ্রুত এই সমস্যার সম্পুর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত সমাধান সম্ভব ইনশাআল্লাহ!
📌 International Classical Homeopathy (ICH)-
A centre for real healing!