খুব প্রয়োজনীয় ইংরেজি শব্দ:
1. বীর শ্রেষ্ঠ = The most valiant hero
2. বীর উত্তম = Great valiant hero
3. বীর বিক্রম = Valiant hero
4. বীর প্রতীক = Ideal of courage
5. গৃহযুদ্ধ = Civil war
6. স্বাধীনতার সংগ্রাম = War of independence
7. মুক্তিকামী = Freedom loving
8. বীরাঙ্গনা = War Heroine
9. সামরিক আইন = Martial Law
10. গেরিলা আক্রমণ = Guerrilla attack
11. কঠের ব্যবস্থা = Crackdown
12. গণহত্যা = Massacre
13. শরণার্থী = Refugee
14. সম্মুখ যুদ্ধ = Frontier Fight
15. অনন্ত বহ্ণি শিখা = Eternal Flame
16. রক্তের বিনিময় = In exchange of blood
17. আত্ম মর্যাদা = Self-dignity
18. বাঙালি জাতীয়তাবাদ = Bangalee Nationalism
19. বুদ্ধিজীবী = Intellectuals
20. অত্যাচার = Oppression
21. সশস্ত্র বিপ্লব = Armed revolt
22. রক্ত গঙ্গা = Blood bath
23. বাংলাদেশের জনগণকে আহবান জানানো = Call upon the people of Bangladesh
24. মানবতা বিরোধী অপরাধ = Crimes against humanity
25. শহীদ হওয়া = Embrace martyrdom
27. গণ-অভ্যুত্থান = Mass movement
28. গণ জাগরণ = Mass Upheaval
29. বিশ্বাস ঘাতকমূলক আচরণ = Treacherous Conduct
30. যুদ্ধাপরাধ =War crimes
31. স্বাধীনতার ঘোষণা = Proclamation of independence
32. মুক্তিযোদ্ধা = Freedom Fighter
33. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা = Sprit of Liberation war
34. স্বাধীন = Liberated
35. অস্তিত্বের ঠিকানা = Deed of existence
36. পাল্টা আক্রমণ = Counter attack
37. বাংলাদেশের অভ্যুদয় = Emergence of Bangladesh
38. সম্মুখ প্রতিরোধ = Frontier Resistance
39. গৌরব ও গর্ব = Glory and Pride
40. লক্ষ প্রাণের বিনিময় = In exchange of millions of lives
41. আত্ম সংকল্প = Self-determination
42. নিরস্ত্র মানুষ = Unarmed People
43. বিজয় গৌরব = With pride of victory
44. বাঙালি নিধন = Bangalee Cleansing
45. সশস্ত্র সংগ্রাম = Armed conflict
46. বাঙালির মুক্তির সনদ = Charter of Bengalis emancipation
47. সাংস্কৃতিক আধিপত্য = Cultural domination
48. বাংলাদেশের অভ্যুদয় = Emergence of Bangladesh
49. মহান আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো = Pay homage to the brightest souls
collected
Ruhul's Exclusive English Care
cell phone:01744-952290
This is my educational page.It works only in English like Speaking, reading, writing and listening.It is special for speaking.Do you face any kind of problem just call.
পড়ালেখায় দ্রুত উন্নতি করার ১০টি কার্যকরী টিপস!
১। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠুন। ফলে আপনি অন্যদের থেকে বেশি সময় পাবেন পড়াশোনার জন্য।
২। প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু না কিছু শিখুন। এটি আপনাকে অন্যদের চেয়ে দিন দিন এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৩। আগামীকাল কী পড়বেন তা আগের দিন প্ল্যান করে আলাদা খাতায় লিখে রাখুন এবং পরের দিন সেই প্ল্যান অনুযায়ী পড়ুন। ভাগ ভাগ করে পড়লে পড়তে ভালো লাগবে।
(খাতার নাম দিতে পারেন "স্টাডি প্ল্যান খাতা")
৪। প্রতি সপ্তাহ ও মাসে কোন কোন সাবজেক্ট বা বই শেষ করবেন তা প্ল্যান করে খাতায় লিখে রাখুন। এতে করে দ্রুত কোনো বই বা সাবজেক্ট শেষ করতে পারবেন।
৫। কঠিন বিষয়গুলো প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়ুন এবং লিখে লিখে হালকা শব্দ করে পড়ার চেষ্টা করুন। এতে করে কঠিন বিষয়গুলো খুব ভালো করে শেখা হবে এবং বেশি দিন মনে থাকবে।
৬। যে কোনো বিষয়ে কন্সেপ্ট ক্লিয়ার করে পড়ুন। নিজে নিজে না বুঝলে অন্যের সাহায্য নিন। না বুঝে কোনো কিছু মুখস্থ করবেন না এবং পড়ার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।
৭। মোবাইল, ইন্টারনেট, ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ইমোতে কম সময় ব্যয় করুন। এতে করে আপনার পড়ায় বেশি সময় দিতে পারবেন।
৮। অযথা আড্ডা বা ঘুরাফেরা করে সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। এতে করে আপনার মাথায় খারাপ ও অনর্থক চিন্তা কম আসবে এবং বেশি করে পড়ার সুযোগ পাবেন।
৯। প্রতিদিন আপনার স্বপ্নটাকে অন্তত সকাল, বিকাল, রাতে ঘুমানোর আগে একবার করে স্মরণ করুন। প্রয়োজনে আপনার স্বপ্নটিকে পড়ার টেবিলে উপর লিখে রাখতে পারেন। যেমন- " আমি ডাক্তার হবো, "আমি শিক্ষক হবো"। এটি আপনাকে বেশি বেশি পড়তে উৎসাহ জোগাবে।
১০। নেতিবাচক চিন্তাশীল মানুষদের পরিহার করে চলুন এবং যতটুকু সম্ভব ইতিবাচক চিন্তাশীল মানুষদের সংস্পর্শে থাকার চেষ্টা করুন। এর ফলে করে আপনার ভিতরে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জাগবে।
কখনো হতাশ হবেন না। খারাপ সময়ে ধৈর্য ধারণ করে লক্ষ্য ঠিক রেখে পরিশ্রম করে যান। ভালো ফল পাবেন।
জেন-জি অর্থাৎ Generation-z এর ছেলে-মেয়েরা নাকি মারাত্মক। তাদের ব্যবহৃত ভাষাও নাকি অন্যদের থেকে আলাদা।
সাধারণত বাংলা অ্যাকাডেমি ডিকশনারি বা ক্যামব্রিজ অথবা অক্সফোর্ড ডিকশনারিতে কোনো নতুন শব্দ সংযোজন হলে, আর তা আমার নজরে আসলে সাথে সাথে নোট করে রাখি। শব্দের সাথে আমার যেন আজীবনের একটা সখ্য আছে।
RTV-এর একটা প্রতিবেদনে দেখলাম, জেন-জিরা তাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার যা অনেকের জন্য ধাঁধাঁ।
তাই শব্দগুলোকে নোট করে নিলাম। মজা আছে কিন্তু--
Pookie-- পছন্দের মানুষকে তারা Pookie বলে ডাকে।
Cook-- যে, যা করতে চায়, তা করতে দাও; ফলাফল যাই হউক।
Let him cook.
Flex-- ভাব দেখানো বা অহম প্রকাশ।
I do not care of your flex.
Red Flags-- কিছু বিষয় এড়িয়ে গেলে পরে সমস্যায় পড়তে হয়। এমন বোঝাতে Red Flags ব্যবহার করে।
Ghosting-- হঠাৎ অদৃশ্য হওয়াকে তারা Ghosting বলে।
Simping-- অতিরিক্ত মায়া দেখানো। কারও প্রতি অতিরিক্ত মায়া দেখাতে তারা Simping ব্যবহার করে।
Rizz-- আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব বা আচরণ বোঝাতে Rizz ব্যবহার করে।
Aura gain-- ইতিবাচক ব্যক্তিত্ব
Aura Lost-- নেতিবাচক ব্যক্তিত্ব
Glow Up-- উন্নতি বোঝাতে Glow up ব্যবহার করে।
Glow Down-- অবনতি বোঝাতে
Iykyk-- অর্থাৎ, If you know, you know কোনো জানা বিষয়কে বোঝাতে Iykyk ব্যবহার করে।
Lit-- Cool শব্দের পরিবর্তে তারা Lit ব্যবহার করে।
25/07/2024
সকাল আটটায় ক্লাস ছিলো। মুগ্ধ কাক ভেজা হয়ে আসছে ক্লাস করতে। এসে শুনে স্যার আসেনি। তারমানে ক্লাসটা ক্যান্সেল। বৃষ্টির কারণে আসতে পারেন নি স্যার ঐদিন। আমরা খুব হাসাহাসি করতেছিলাম ঐদিন ওরে নিয়ে। ও নাকি ক্লাস করবেই!
যাইহোক, পরে দুজন মিলে বাইকে করে গেলাম খান জাহান আলী হলের ২২৯ নাম্বার রুমে। আমার একটা জার্সি দিলাম পড়তে আর ওর শার্টটা বারান্দায় মেলে দিলাম। গামছা দিলাম ভেজা চুলগুলো মুছতে। বলতেছে, "আরে এইসব লাগবে না!" পরে আমি ই জোর করে মুছে দিলাম ভেজা চুলগুলো। বারান্দায় ঐদিন মুগ্ধর যে শার্টটা আমি মেলে দিয়েছিলাম ঐ শার্টটা পরেই মুগ্ধর নিথর দেহটা আজ মাটিতে পরে আছে। গু*লি লাগার পর রক্তভেজা সেই শার্টটা দেখে বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মুগ্ধ আমার ইউনিভার্সিটি লাইফের প্রথম বন্ধু একই সাথে প্রথম রুমমেট ছিল। তখন দুজন স্বপ্নপুরী আবাসিক এলাকায় থাকতাম। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস। শীতকাল ছিলো তখন। আমাদের রুমের উপরে টিনশেড। সারারাত টিনে কুয়াশা জমে জমে ফোটায় ফোটায় বৃষ্টির মত পড়ে পড়ে ল্যাপ তোষক ভিজে যাইতো।
সকাল হইলে আর মুগ্ধর দেখা পাওয়া যেত না। সারাদিন এখানে ওখানে ঘুড়ে বেড়াবে। ইউনিভার্সিটিতে এমন কেউ নেই যে কি-না মুগ্ধর বন্ধু নয়। আড্ডা, ছোটাছুটি আর দূরন্তপানা নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকতো ল্যাপ তোষকটা যে একটু রোদে দেয়া দরকার এইসব ভাবার সময় কোনোদিন ই মুগ্ধর হয়নি।
আমি ই দিতাম দুজনেরটা, রুমে নিতামও আমি। এসে যখন দেখতো এইসব, হেসে দিয়ে বলতো "আমাকে দিয়ে এইসব জীবনেও হবে না"। পরে অবশ্য দুজন মিলে পলিথিন বেধে দিছিলাম রুমে যেন পানি না পরে নিচে।
আন্টিকে ফোনে এইসব কথা বলতো। মুগ্ধর কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে আমার সাথে প্রায়ই কথা বলতেন আন্টি। আন্টি অনেক স্নেহ করতেন আমাকে। কি সুন্দর করে বাবা ডেকে ডেকে কথা বলতেন। আমি যেন মুগ্ধকে দেখে রাখি এইসব বলতেন। যখন এইসব ওরে বলতাম "আন্টি আমাকে বলছে তোরে যেন দেখে রাখি"। এইসব শুনে হেসে গড়াগড়ি দিতো। বলতো ❝আমি এখন যথেষ্ট বড় হইছি রবিউল❞।
এভাবেই কেটে গিয়েছিল আমাদের ইউনিভার্সিটি লাইফ। কত শত স্মৃতি জমে আছে এখনো মনে। খুলনা ছেড়ে চলে যাওয়ার কিছুদিন আগেও গেলাম একসাথে জবদ হোটেলে খেতে। একসাথে ঘুরাঘুরি,আড্ডা, সিনিয়রদের সাথে রাতের মিটিং, খেলাধুলা, ট্যুরের সেই ৭ টা দিন আরও কত কি! এমন অসংখ্য স্মৃতি ভুলব কিভাবে মুগ্ধ?
হ্যাঁ, সত্যিই মুগ্ধ বড় হইছে। বড় হইছে বলেই সে পুরো ব্যাচটাকে আগলে রেখেছিলো। শুধু ব্যাচ নয় পুরো ইউনিভার্সিটিটাকেই। আর এখন তো পুরো ইউনিভার্সিটির সীমানা ছাড়িয়ে পুরো বাংলাদেশটাকেই আগলে রাখতে চেয়েছিলো।
খুলনা ইউনিভার্সিটির সব কাজে পাওয়া যেত ওকে। এমন কোনো প্রোগ্রাম নেই যেখানে মুগ্ধ দায়িত্ব নেয়নি। আর ঠিক এই কারনেই ক্যাম্পাসে মুগ্ধর জনপ্রিয়তা গগনচুম্বী। মুগ্ধর মুগ্ধতা ছড়িয়ে গিয়েছিলো ক্যাম্পাসের প্রতিটি ব্যাচমেট সিনিয়র জুনিয়রের হৃদয়ে। আর এখন তো সারা দেশজুড়ে। হয়তো একদিন মুগ্ধতা ছড়াতো দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে। একটা বুলেটের গু*লিতে সব শেষ হয়ে গেলো। আমাদের মুগ্ধর মুগ্ধতা ছড়ানোকে নিশ্চিহ্ন করে দিলো।
But you are always in our hearts 💔
সবাই আমার বন্ধুর জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেনো ওকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।
©️
এইচএসসির জন্য ফাইনাল সাজেশন রেডি!!!
দ্রুত সংগ্রহ করে নাও
all এর পরে noun থাকলে, all- adjective
All men must die. (All= adj)
অন্য সকল ক্ষেত্রে all- pronoun.
All of us did it. (All = pronoun)
All went there. (All = pronoun)
I like all. (All = pronoun)
I need all books.(all = adjective)
12/03/2024
Ramadan gift for the people of Palestine from Bangladesh and other governments. Alhamdulillah!💝
কারো ক্ষতি করার আগে একশো বার এই হাদিসটার কথা মনে করবেন।
"যে ব্যক্তি অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তাআলা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন।"
(তিরমিজি, ১৯৪০)
20/02/2024
How cute🤣🤣🤣
20/02/2024
" ডাক্তার হওয়ার পরিবারিক চাপে উত্তরপত্র ছেঁড়ার গল্প বানান"
৫৭ টা দাগিয়ে Marks পান ৯ +
যদিও আমি কোনো ছোটবোনের ভুল প্রকাশ্যে বলতে চাইনি কিন্ত হুমায়রার ঘটনাটি মেডিকেল এডমিশন সিস্টেমকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, তাই নিচের প্রমাণগুলো দিচ্ছি যাতে প্রমাণিত হয় হুমায়রার অভিযোগ মিথ্যে।
পরীক্ষার দিন হুমায়রার রুমে ১১১ টি OMR দেয়া হয়, যার মধ্যে ৭ টি অব্যবহৃত ছিলো। এই ৭টি OMR কন্ট্রোল রুমে এক্সামের পর জমা দেয়া হয়, যার কোনোটিই ছেঁড়া ছিলো না।
ওই রুম থেকে রোল ৩৩,৩৪, ৪৫,৫৩,৫৯ মেডিকেলে চান্স পায়, তাদের মধ্যে STAMC তে একজন, সাতক্ষীরা মেডিকেলে দুইজন, ShMCH এ একজন, SOMC তে একজন চান্স পেয়েছে। সর্বোচ্চ নম্বর ৮৩.৭৫ পেয়ে STAMC তে চান্স পায় রোল ৩৩.
হুমায়রার মতে OMR ছেঁড়া হয়েছে ৩ জনের। হুমায়রার রোল ৬৬.
রোল ৬৪,৬৫,৬৭,৬৮ নম্বর পেয়েছে যথাক্রমে ৪২.৭৫, ৪৫.৫, ২৪.২৫, ১৮.৫০.
হুমায়রার OMR এ দাগানো হয়েছে ৫৭ টি উত্তর। হলের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে পরীক্ষার হলে OMR ছেঁড়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
আমি উপরে যে ইনফরমেশনগুলো দিয়েছি এগুলো স্পর্শকাতর ও একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, স্পেশালি বিভিন্ন স্টুডেন্টের প্রাপ্ত নম্বর। কিন্ত যখন OMR ছেঁড়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের একজন ম্যামের বিরুদ্ধে ওঠে তখন ম্যামের আসলেই দোষ আছে কী না সেটি জানানোর জন্য এই তথ্যগুলো দিতে হলো।
নিচে ছবিতে হুমায়রার OMR এর ছবি দেয়া আছে। OMR এর ছবি পাব্লিকলি আসাও অনেক বড় অপরাধ কিন্ত এই পোস্টের তথ্যগুলো আমার একজন শ্রদ্ধেয় স্যারের টাইমলাইন থেকে নেয়া, স্যার ডাক্তারদের প্রাইভেট গ্রুপ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে পোস্ট করেছেন পাব্লিকলি।
আমি বারবার বলছি, মেয়েটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং সে মনের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস করে বসে আছে, সে যা ভাবছে তাই সত্য। এটি একটি মেডিকেল কন্ডিশন এবং তার সঠিক কাউন্সেলিং প্রয়োজন। এর পেছনে মেয়েটির দোষ নেই, সম্পূর্ণ দোষ তার পারিপার্শ্বিকতার, তাকে যারা চাপ দিয়েছে মেডিকেলে চান্স পেতেই হবে, তাদের।
পুরো দেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে একদম ধুয়ে দিয়েছে। ডা. নাদিয়া ম্যাম চরমভাবে হেনস্থা হয়েছেন। কিন্ত শেষে কী দেখা গেলো, OMR ছেঁড়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি, পুরো গল্পটিই বানানো। এজন্য প্রমাণ না জেনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে নেই।
আমি হুমায়রাকে দোষ দিচ্ছি না, আমি দোষ দিচ্ছি হুমায়রার পারিপার্শ্বিকতাকে । কী পরিমাণ মানসিক অত্যাচার তারা এই শিক্ষার্থীকে দিয়েছেন যে এমন একটি ঘটনা ঘটাতে সে বাধ্য হয়েছে। বা এমনও হতে পারে শিক্ষার্থী নিজেই নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়ে ফেলেছে।
মেডিকেলে-বুয়েটে টিকতেই হবে, নাহলে ম*রে যাও, এই থিওরি সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমরা টিচাররাও কিছু অংশে দায়ী।
হুমায়রার জন্য শুভকামনা, বাংলাদেশের প্রতিটি ভর্তি পরীক্ষার্থী মানসিকভাবে ভালো থাকুক, নিজের স্বপ্নের বিদ্যাপীঠে পড়াশোনার সুযোগ পাক এই শুভকামনা।
এই পোস্টের উদ্দেশ্য একটাই, অভিভাবকদের জানানো, এমন কোনো প্রেশার আপনার সন্তানকে দিবেন না, যাতে সে এরকম ঘটনা ঘটাতে বাধ্য হয়।
আমি আমার পোস্টের সকল কমেন্টকারীর প্রতি আহবান করছি, দয়া করে এই মেয়েটিকে নিয়ে কোনো খারাপ মন্তব্য করবেন না, তার জীবনকে আরো দূর্বিষহ করবেন না। ছোট মানুষ, ভুল করে ফেলেছে, তাকে ক্ষমা করে দিবেন।
শাদমান আবরার,
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ,
বায়োলজি শিক্ষক, ROOTs Edu
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Mirpur
1216