Kudrat-E-Al Khuda

Kudrat-E-Al Khuda

Share

"আমি পবিত্র কুরআনে সকল সমস্যার সমাধান এবং সকল রোগের আরোগ্য দিয়ে রেখেছি"

20/04/2026

ডিপ্রেশনে ভুগছেন,শত সাইক্রিয়েটিস্ট দেখিয়ে ও শান্তি পাচ্ছেন না।

আসুন কোরআনের চিকিৎসা রুকাইয়া করুন,সমস্ত শান্তি দিয়েছেন আল্লাহ কোরআনে।

10/04/2026

আমাদের মৌলানা সাহেব অপারেশন এর কারনে মাদ্রাসা সেবা বন্ধ ছিলো,
অবশেষে অপেক্ষা শেষ আলহামদুলিল্লাহ ওনি এখন সম্পূর্ণ ভালো।
এতএব এখর থেকে মাদ্রাসা এবং রুকাইয়া সেন্টার দুটোব কাজই যথারীতি নিয়মিত চলবে.

26/02/2026

সম্মানিত দ্বীনি ভাই-বোন গণ
মাহে রমজান উপলক্ষে,
আল্লাহর বন্দেগির জন্য,
সন্ধ্যা ৭টা হতে রাত ১০টা পযন্ত কল করা হবে না।
এবং আরেকটি সুখবর হলো,
সেহেরির আগ পযন্ত আমাদের রাকিরা আপনাদের সেবায় থাকবেন।





20/02/2026

সন্তান অবাধ্য? বদ মেজাজি? প্রচন্ড জেদ করে? কোন ভাবেই সন্তানকে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না? সন্তানকে কন্ট্রোল করতে গিয়ে আপনি পাগল হয়ে যাচ্ছেন?............

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আজকের আলোচনার বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অনেক সময় আমরা দেখি সন্তান অবাধ্য হয়ে যাচ্ছে, বাবা_মায়ের কথা শুনছে না, নামাজে অনীহা, অশ্লীল কাজে জড়িয়ে পড়ছে, এই অবস্থায় বাবা মায়ের হৃদয় ব্যথিত হয়, কিন্তু ইসলাম আমাদের পথ দেখিয়েছে কিভাবে অবাধ্য সন্তানকে সুসন্তানে রূপান্তরিত করা যায়, আজ আমরা কোরআনের আলোকে সেই সমাধান জানব।

ইনশাআল্লাহ আমারা জানবো অবাধ্য_সন্তানকে সুসন্তানে পরিণত করার কোরয়ানি রুকাইয়া সম্পর্কে, এই রোকাইয়া তে ৫১ টি পবিত্র কোরআনুল কারীমের আয়াত ব্যবহার করা হয়েছে, রোকাইয়া টি জাফরান দ্বারা লেখা হয়েছে, কারন কলমের কালি বা কালো কালি তে কার্বন থাকে যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, কার্বন যা ক্যান্সার হওয়ার প্রধান উপকরণ।

সন্তান সম্পর্কিত ইসলামিক দিক নির্দেশনা:- আল্লাহ তায়ালা সন্তানের প্রতি পিতা_মাতার দায়িত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছেন, পিতা মাতার দোয়া ও আমল সন্তানের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে, তাই সন্তানের অবাধ্যতা দূর করতে হলে প্রথমেই আমাদের আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে।

১/ আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে #সুরায়ে_তাগাবুনে_১৪ নং #আয়াতে বলছেন।

বাংলা অনুবাদ:- হে ঈমানদারগণ, নিশ্চয় তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রুও বটে, সুতরাং তাদের থেকে সাবধান থাক। আর যদি তোমরা ক্ষমা কর, উপেক্ষা কর এবং মাফ করে দাও, তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম_দয়ালু।

২/ আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে #সুরা_ফুরকান_৭৪ নং আয়াতে বলেন।

বাংলা অনুবাদ:- আর তারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রী সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ করুন।

৩/ আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে #সুরায়ে_লোকমান_১৭ নং আয়াতে আরো বলেন।

বাংলা অনুবাদ:- হে আমার সন্তান, তুমি নামায কায়েম কর, সৎকাজের আদেশ দাও এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখ, আর যা তোমার উপর আপতিত হয় তার প্রতি ধৈর্য ধারণ কর, নিশ্চয় এসব বিষয় দৃঢ় সংকল্পের কাজ, (এখানে লোকমান আ. তাঁর সন্তানকে উপদেশ দিচ্ছেন)

উপসংহার: প্রিয় ভাই ও বোনেরা সন্তান অবাধ্য হলে হতাশ হওয়া যাবে না, মনে রাখতে হবে, #হিদায়াত আল্লাহর হাতে, তবে বাবা মায়ের দোয়া, ধৈর্য, ভালোবাসা আর কোরআনের রুকাইয়া সন্তানের হৃদয়কে নরম করে দিতে পারে।

এই #রুকাইয়া চালিয়ে গেলে ইনশাআল্লাহ সন্তানের অন্তরে পরিবর্তন আসবে।

তাহলে আসুন, আজ আমরা #কুদরত এ আল খোদা রুকাইয়া সেন্টার অবাধ্য সন্তানকে সুসন্তানে পরিণত করার #কোরয়ানি রুকাইয়া এর দ্বারা #রুকাইয়া শুরু করি, আর আল্লাহর কাছে আমাদের সন্তানের জন্য দোয়া করি, আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে নেক, সুসন্তান ও #দুনিয়া #আখিরাতে শান্তির উৎস বানিয়ে দিন।

19/02/2026

আল্লাহর হুকুমে যাদুকরের যাদু মানুষের উপর কেনো কার্যকর হয়?
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন:

وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ

তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারে না।

সূরা আল-বাকারা: ১০২

আল্লাহর অনুমতি ছাড়া মানুষের ওপর যাদু বা বিপদঅপাদ কার্যকর হতে পারে না। মানুষের ওপর যে বিপদ আসে, তা আল্লাহর ইচ্ছার অংশ এবং অনেকক্ষেত্রে তা মানুষের নিজ কাজের প্রতিফলন থাকে -

আরবি আয়াত:

وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ

সূরা শূরা, আয়াত ৩০

অনুবাদ:"তোমাদের যে কোনো বিপদ আসে, তা তোমাদের নিজ হাতের উপার্জনের কারণে, এবং তিনি অনেক কিছুকে ক্ষমা করেন।"

এটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে যাদু বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক বা অতিপ্রাকৃতিক প্রভাব আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কার্যকর হবে না।

আল্লাহ কেন কিছু মানুষকে যাদুগ্রস্ত হতে দেন?

১. ইমতিহান- পরীক্ষা

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সমস্যা ও বিপদের সম্মুখীন হতে দেন। যাদুগ্রস্ততা হলো মানুষের জীবনে একটি পরীক্ষার রূপ। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মানুষের ধৈর্য, বিশ্বাস এবং তাকওয়া বৃদ্ধি পায়।

আরবি আয়াত:

أَلَمْ نَبْلُو الَّذِينَ آمَنُوا وَفِي شَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ

সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৫৫

অনুবাদ: "আপনি কি দেখেছেন, আমরা যারা বিশ্বাসী, তাদেরকে পরীক্ষা করি ভয়, ক্ষুধা, ধনসম্পদ, প্রাণ ও ফলাফলের ক্ষতির মাধ্যমে? তবে ধৈর্যশীলদের খুশি খবর দাও।"

২. মানুষের তওবাহ ও তাকওয়া বৃদ্ধি

যাদুগ্রস্ত হলে মানুষ আল্লাহর সাহায্য ও দোয়ায় নির্ভর করে। এর মাধ্যমে ইমান শক্তিশালী হয় এবং মানুষের আত্মবিশ্বাস আল্লাহর প্রতি আরও দৃঢ় হয়।

৩. শয়তানের প্রভাব ও শিক্ষা

শয়তান কিছু মানুষকে প্রলুব্ধ করতে চায়, তবে আল্লাহ তা সীমিত করেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ শয়তানের প্রলোভন চিনতে পারে এবং সৎপথে চলতে প্রেরণা পায়।

তাহলে রাসুল ﷺ কেন যাদুগ্রস্ত হলেন?

রাসুল ﷺকেও মানবিক সীমাবদ্ধতার কারণে সাময়িকভাবে যাদু দ্বারা প্রভাবিত হওয়া হয়েছে। এটি প্রধানত ছিল:

১. মানবিক পরীক্ষা

রাসুল ﷺ এর ওপর যাদুগ্রস্ততা মানুষের জন্য একটি উদাহরণ স্থাপন করে। মুসলিমরা দেখলো যে কিভাবে ধৈর্য, দোয়া ও আল্লাহর উপর বিশ্বাসের মাধ্যমে বিপদ মোকাবিলা করা যায়।

২. শয়তানের প্রলুব্ধি ও শিক্ষার উদ্দেশ্য

রাসুল ﷺ এর সাময়িক যাদুগ্রস্ততা মুসলিম সমাজকে শিক্ষা দেয় যে শয়তানের প্রলুব্ধি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সঠিক দোয়া এবং আমল প্রয়োজন।

হাদিসের রেফারেন্স:

হযরত আয়েশা (রা) বর্ণনা করেছেন যে কোনো ব্যক্তি রাসুল ﷺ এর ওপর একটি যাদু করতে সক্ষম হয়েছিল, কিন্তু আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে এটি কার্যকর হওয়ার আগে তিনি প্রতিকার করেছিলেন।

সাহিহ বুখারি, হাদিস ৫৭০৮

মুমিনরা কেন রক্ষা পায়?

মুমিনরা আল্লাহর ইচ্ছায় নিরাপদ থাকে। মুসলিমরা শয়তান বা যাদুর প্রভাব থেকে আল্লাহর সাহায্য ও দোয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তা পায়।

১. তাওয়াক্কুল এবং দোয়া

মুমিনরা আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস রাখে। বিপদ বা যাদু প্রভাব দেখা দিলে তারা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে।

২. রক্ষা ও হেফাজত

আল্লাহ মুমিনদেরকে বিপদ ও শয়তানের প্রলোভন থেকে রক্ষা করেন।

আরবি আয়াত:

إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا

সূরা আল-মু’মিনূন, আয়াত ১১

অনুবাদ:"যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য প্যারাডাইসের বাগান রয়েছে।"

সারসংক্ষেপে যদি বলি -

১. যাদু আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কার্যকর হয় না।

২. আল্লাহ কিছু মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য বা তাদের তাকওয়া বৃদ্ধি করার জন্য যাদুগ্রস্ত হতে দেন।

৩. রাসুল ﷺকেও মানুষের জন্য উদাহরণ স্থাপনের উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে যাদুগ্রস্ত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যেনো উম্মাহ ইহা থেকে সবরের শিক্ষা গ্রহন করতে পারে।

৪. পরিশেষে মুমিনরা আল্লাহর রক্ষা ও নিরাপত্তার দোয়ার মাধ্যমে নিরাপদ থাকে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন। জাযাকুমুল্লাহ্

যোগাযোগ :
হোয়াটসঅ্যাপ & ইমু : 01613720803
কস্টমার কেয়ার: 09611070416
ইমেইল : [email protected]





19/02/2026

আহলান সাহলান
হে মাহে রমজান

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]

19/02/2026

,পবিত্র মাহে রমজান,
মুসলিম উম্মার জন্য একটি ফজিলত পূর্ণ মাস।
আল্লাহ তায়ালা এই মাসকে মুসলিম এর জন্য ক্ষমা প্রধানের মাস হিসেবে আক্খায়িত করেছেন।
আল্লাহ এই মাসের উছিলায় সকলে দুঃখ,কষ্ঠ দূর করে হৃদয়ে শান্তি,সমৃদ্ধি বাড়িয়ে দিক।






11/02/2026

🔥 আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী হাদিয়া দিয়ে আজই সংগ্রহ করুন রুকিয়া পেপার! 🔥
😞 কেউ হয়তো আপনাকে হিংসা করছে…
😞 কেউ হয়তো গোপনে নজর দিয়েছে আপনার সুখের দিকে…
অথচ আপনি টেরও পাচ্ছেন না কেন মনে অশান্তি, ঘরেও শান্তি নেই, কাজে বরকত থাকে না।

কিন্তু ভুলবেন না—
আল্লাহর কালামের সামনে কোনো বদনজর, কোনো জাদু, কোনো হিংসা টিকতে পারে না।

✨ কেন রুকিয়া পেপার এত জনপ্রিয়?
✔ বদনজর, হিংসা, জাদুর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে
✔ ঘরে বসেই শরয়ি রুকাইয়াহ করার সহজ পদ্ধতি
✔ কোনো তাবিজ বা জাদু নয়—শুধুই আল্লাহর কালামের বরকত
✔ ব্যবহার অত্যন্ত সহজ: পান করুন বা গোসল করুন

কিভাবে করবো ?
নিজের রুকাইয়া নিজেই করা ভালো কিভাবে সেটি করতে হয় এবং সমস্যার সমাধান পেতে হয় তার সহযোগিতা করবে আমাদের অভিজ্ঞহ রাকি দিয়ে অগ্রিম কোন টাকা ছাড়া। রুকাইয়া পেপার পৌছানোর বেবস্থা করবো এবং নির্দেশিকা পাঠাবো ।

হাদিয়া কত ?
যেহেতু কুরআন এবং হাদিসের ব্যাপার , হাদিয়া চেয়ে নেওয়া নিষেধ রয়েছে, হাদিয়ার ব্যাপারে আমরা কিছু বলবো না, রুকইয়া কপিগুলি আপনার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত অনেক খরচ বিদ্যমান আপনি ইনসাফ করে আপনার সমস্যার গভিরতা অনুযায়ী যা দিবেন সেটাই হাদিয়া। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে হাদিয়া প্রদান করতে পারবেন। আপনার সামর্থ্য না থাকলে ১ টাকা দিলেও সেটাই হাদিয়া ।

যোগাযোগঃ 01613-720803
ইমেইল : Kudrat-E-Al [email protected]

05/02/2026

এটা বোঝা ভীষণ জরুরী বা এই পর্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ছেলেদের শরীরে অসংখ্য শুক্রাণু তৈরি হলেও মেয়েদের শরীরে ডিম্বাণুর সংখ্যা সীমিত এবং প্রতিমাসে একটি ডিম্বাণুই ডিম্বাশয় থেকে বের হয়। যাদের পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত, তাদের ক্ষেত্রে মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনে এই ডিম্বাণুটি বেরিয়ে আসে- এটাকেই বলে ওভ্যুলেশন। ডিম্বাণু বেরোনোর পর তার কার্যক্ষমতা থাকে সাধারণত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা। এই সময়ের মধ্যে যদি শুক্রাণুর সাথে মিলন হয়, তবেই নিষেক হয়ে গর্ভধারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্যদিকে শুক্রাণু মেয়েদের শরীরের ভেতরে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। তাই ডিম্বাণু বেরোনোর আগের ও পরের কয়েকদিন গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। ডিম্বাণু যদি নিষিক্ত না হয়, তাহলে শরীর সেটিকে আর ব্যবহার করে না এবং এর ফলেই পরবর্তী সময়ে পিরিয়ড হয়। তাই প্রেগনেন্সি প্ল্যান করার জন্য আগে জানতে হবে কোন দিন ওভ্যুলেশন হচ্ছে। একটি সহজ হিসাব আছে - ধরা যাক আপনার পিরিয়ড সাইকেল ২৮ দিনের। যদি এই মাসের ৪ তারিখ পিরিয়ডের প্রথম দিন হয়, তাহলে পরের পিরিয়ড হওয়ার কথা প্রায় পরের মাসের ১ তারিখে। সেক্ষেত্রে ওভ্যুলেশন সাধারণত ধরা যায় পরবর্তী পিরিয়ডের ১৪ দিন আগে অর্থাৎ প্রায় ১৮ তারিখের কাছাকাছি। তাই ১৬ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে নিয়মিত মিলন সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়াতে সাহায্য করে। ওভ্যুলেশনের সময় অনেকের তলপেটে সামান্য টান বা ব্যথা, কিংবা একটু গা গরম বা স্তনে হালকা ব্যথার মত চেনা উপসর্গ থাকে। তবে অনেক নারীর ক্ষেত্রেই ওভ্যুলেশনের সময় কোনো বিশেষ লক্ষণ অনুভূত হয় না। তাই শুধুমাত্র শারীরিক লক্ষণের ওপর নির্ভর না করে, পিরিয়ড সাইকেল হিসাব করে ওভ্যুলেশন পিরিয়ড নির্ণয় করে চেষ্টা করাই সবচেয়ে ভালো। এখন এই পিরিয়ড আর ওভ্যুলেশনের সময় বোঝার কিছু ভাল App আছে, চাইলে সেটাও ফোনে ডাউনলোড করা যেতে পারে। ‘ওভ্যুলেশন’ এর এত গুরুত্ব আমারও কিন্তু অজানাই ছিল। একজন আমাকে খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিয়েছিলো। পরে ইউটিউবেও দারুণ কিছু ভিডিও খুঁজে পাই।

Want your school to be the top-listed School/college in Hathazari?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Mirpur 13 Rahmania Bhavan F/3 C2
Hathazari