“ নার্সিসিস্ট পার্টনার ”!? সেতো সম্পর্কে এক নীরব যুদ্ধ!!
কখনো কি এমন কারও সাথে সম্পর্কে ছিলেন,
যেখানে সব দোষ যেন আপনারই?
আপনি যতই চেষ্টা করেন, তবুও আপনি “ভুল”!
হ্যাঁ, এই অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই আছে
কিন্তু আমরা অনেকে এটার নামট জানি না।
এটাই হতে পারে নার্সিসিস্টিক সম্পর্কের বাস্তবতা।
নার্সিসিস্টরা কেমন হয়???
- সবসময় নিজেকে ঠিক ভাবে
- আপনার অনুভূতিকে ছোট করে দেখে
- আপনার কষ্টকে “নাটক” বলে উড়িয়ে দেয়
- ভালোবাসার নামে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে
- আর সবচেয়ে বড় কথা—
কখনো নিজের ভুল স্বীকার করে না, সবসবয় ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নিজের করা অন্যায় কাজ/ কথা আপনার উপর চাপিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের অনেক সম্পর্কেই এটা “স্বাভাবিক” ভেবে মেনে নেওয়া হয়।
কিন্তু ভেতরে ভেতরে,
আপনি নিজের উপর বিশ্বাস হারাতে থাকেন,
আপনি কথা বলার আগে ভয় পান, কথা বলব কি-না, বললে ঝগড়া হবে কি-না
ধীরে ধীরে নিজের ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন
একসময় আপনি চুপ হয়ে যান
অথবা নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
কারণ কথা বললেও তো লাভ হয় না
বরং উল্টো আপনাকে চরমভাবে অপমানিত হতে হয়
তাদের সব থেকে বড়ো শক্তিশালী একমাত্র অস্ত্র হলো
"দোষারোপ করা"!!
এরা আপনাকে যেকোনভাবে দোষী সাব্যস্ত করবেই।
কারন এদের নিজের কোনো যোগ্যতা ই নেই আপনার মুখোমুখি হওয়ার।।।
নার্সিসিস্টরা চতুরভাবে দোষ আপনার উপর চাপিয়ে দেয়,
“তুমি এমন না হলে আমি রাগ করতাম না”
“সবকিছু তোমার জন্যই খারাপ হচ্ছে”
“তুমি আমাকে বুঝো না”
"তোমার জন্যই এতকিছু হচ্ছে "
এমনকি তারা এমনভাবে কথা বলে,
যাতে আপনি নিজের বাস্তবতাকেই সন্দেহ করতে শুরু করেন
এটাকে বলা হয় Gaslighting বা মানষিক শোষণ।
যেখানে আপনি ভাবেন, “সমস্যা কি আসলেই আমার?
এতকিছুর পরও কেন আপনি নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন না? কারন-
- আপনি আশা করেন,একদিন সে বদলাবে
- আপনি পুরোনো ভালো সময়গুলো আঁকড়ে থাকেন
- সমাজ, পরিবার, বাচ্চা,সবকিছু আপনাকে আটকে রাখে
- আর সবচেয়ে বড় কথা,
আপনি নিজেকেই দোষ দিতে শুরু করেন
কিন্তু সত্যিটা হলো,
আপনি সমস্যার মূল নন।
আপনার অনুভূতি অমূল্য।
আপনার কষ্ট বাস্তব।
মনে রাখবেন, একটি সুস্থ সম্পর্ক কখনো আপনাকে
-ছোট করবে না
-চুপ করাবে না
-নিজের পরিচয় ভুলিয়ে দেবে না
-কারণে অকারণে আপনার দিকে আঙুল তুলবে না
কী করতে পারেন?
- নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন
- বিশ্বাসযোগ্য কারও সাথে কথা বলুন
- প্রয়োজনে পেশাদারের সহায়তা নিন
- নিজের সীমারেখা (boundaries) তৈরি করুন।
-নিজেকে ভালো রাখার চেষ্টা করুন
ভালোবাসা মানে একটা শান্তির জায়গা, নিরাপদ আশ্রয়। মেনে নেওয়া মানে একটা বন্দি জীবনের মত,, তাই যেখানে সম্মান নেই , গুরুত্ব নেই সেখানে আর যাই হোক শান্তি থাকে না।
Rupa's Activity
"There is no age to learn"
23/04/2026
মস্তিষ্ক মনে হচ্ছে দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে!
সময় থাকতে মিলিয়ে নাও!!
পার্থিব এ জীবনে চলার পথে কত মানুষের সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়। চলতে চলতে কখনো কখনো আমরা কারো মায়ায় আটকে যায়!! আর এ মায়া একসময় ভালোবাসা বা প্রেম নামক কাঁঠালের আঠায় পরিনত হয়, যদিও এখনকার এ কাঁঠালের আঠা বেশিদিন স্থায়ী হয় না। তারপরও যে বা যারা সত্যিকার অর্থে ভালোবেসে ফেলেন তাঁদের জন্য কিছু কথা - নিম্নের ৩টি পয়েন্টর কোনটা যদি মিলে যায় তবে সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নিন!
* আপনি নিজে যদি স্বচ্ছলও হোন কোন বিল পে করার জন্য(ধরুন দুজনে কোন রেস্তোরাঁতে খেতে গেছেন), সবসময় তাড়াহুড়ো করে বিল পে করবেন না, অপরপক্ষের মোটিভ বোঝার চেষ্টা করুন। কারন প্রতিবার যে আপনাকে দিয়ে বিল পরিশোধ করাবে পরবর্তী জীবনে সে অবশ্যই আপনার জন্য বেটার হবে না।
* এমন যদি হয় যে, ভালোবাসা থেকে আপনি অপরজনকে বিভিন্ন অকেশন উপলক্ষ্যে প্রতিবারই কিছু না কিছু গিফট করলেন কিন্তু আপনার প্রতি বা আপনাকে খুশি করার কোন আগ্রহ অপরপক্ষের কোনদিনই দেখলেন না। বরং কোন না কোন সময় আপনার দেওয়া গিফট নিয়ে শ্রুতিকটু মন্তব্য করল, তাহলে বাকিটা জীবন কি অপেক্ষা করছে বুঝে নিন!
* যদি কখনো বুঝতে পারেন আপনার অপরপক্ষ ডাবল টাইমিং পাস করছে, তাহলে এখান থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজেকে সরিয়ে নিন, যত মিষ্টি কথাই বলুক না কেন তার কোন কথাকেই আর বিশ্বাস করবেন না,, করন এরা ভয়ানক মিথ্যাবাদী হয়! যে আপনার অজান্তে এখনই ডাবল টাইমিং করবে, নিশ্চিত থাকেন বিয়ের পর পরকীয়া নামক সম্পর্ক রাখতেও সে পিছুপা হবে না।
সুতরাং সবকিছুর আগে নিজেকে নিয়ে ভাবুন, নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদরকে ভালোবাসুন। তাঁদের উপর আস্থা রাখুন! আপনার ভালোটা পরিবার ছাড়া অন্য কেউ বেশি বুঝতে পারবে না।
শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩
জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত একজন সঠিক জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা । আপনি কার সাথে সংসার করছেন সেটা অন্যের নিকট বড় বিষয় হতে পারে, কিন্তু দিনশেষে সবার চোখের আড়ালে আপনার শান্তি কতটুকু, সেটা কেউ দেখতে আসে না। লোক দেখানোর জন্য এমন কাউকে জীবনের সাথে জড়াবেন না, যে আপনার পাশে বসে/ দাঁড়িয়ে ছবিতে পূর্নতা দান করবে, কিন্তু আপনার মনের নীরব কান্নাকে বুঝবে না! এ বিষয়ে নিজের আবেগকে ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙেগলে ঘুরিয়ে রাখবেন!
একটি সুন্দর চেহারার চেয়ে একটি সুন্দর মনের সাথে জীবন কাটানো অনেক বেশি শান্তির । ছবিতে যাকে রাজপুত্র বা রাজকন্যা মনে হয়, বাস্তব জীবনের কঠিন লড়াইয়ে সে যদি আপনার হাতটাই শক্ত করে ধরতে না পারে, তবে সেই সৌন্দর্যের কোনো মূল্য নেই।
যে আপনার নীরবতা পড়তে জানে, যার উপস্থিতিতে আপনার কষ্টগুলো দূর হয়ে যায়, এবং যার কাছে আপনাকে কাঠের পুতুলের মত থাকতে হয় না,তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিন।
এমন একজনকে পাশে রাখুন যে আপনার সাফল্যে যেমন হাসবে, তেমনি আপনার কষ্টের দিনেও আপনাকে আগলে রাখবে। ভাবনায় রাখতে হবে যে, দিনশেষে আপনার মানসিক শান্তিটাই আসল; কারণ সুখী হতে কোনো দর্শকের প্রয়োজন নেই, দরকার শুধু একজন সঠিক মানুষ।
একজন স্বামী যখন তার স্ত্রীকে বারবার অবহেলা করে তখন একজন নারী অনায়াসেই একা থাকা শিখে যায়। অনেক সময় স্বামী এ বিষয়টি নিয়ে লজ্জিত হওয়ার পরিবর্তে আরো দাম্ভিক হয়ে ওঠে!! কখনও সে তাঁর স্ত্রীকে বোঝার চেষ্টা করে না,, বোঝে না যে তাঁর স্ত্রীর শরীরটাই হয়তো তার সামনে আছে, কিন্তু তার সব স্বপ্ন, সকল ইচ্ছা, সবকিছু শেষ হয়ে গেছে!
আচ্ছা, একটা প্রশ্ন।
শুরু থেকেই কি আপনার স্ত্রী এমন ছিল? নাকি তাঁকে এমন বানানে হয়েছে!?
একটা মেয়ে বিয়ের পর স্বামীর সংসারে আসে অনেক আশা আর স্বপ্ন নিয়ে, সে চেষ্টা করে যায় সবকিছু মানিয়ে নিয়ে সবাইকে আপন করে সবার ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে, কিন্তু কতখানি পারে? পারে না!
কারন,
সবার কথা বাদই দিলাম, কিন্তু স্বামী যদি তাঁকে বারবার অপমান করে, কথার আঘাতে জর্জরিত করে, মিথ্যা কথা দিয়ে বারবার তাঁর বিশ্বাস ভঙ্গ করে , স্ত্রীর কোন কথার গুরুত্বই তাঁর নিকট থাকে না,,তখন নারী তাঁর স্বামীকে বোঝাতে শুরু করে।
আর একজন নারী যখন তাঁর স্বামীকে বোঝাতে গিয়ে বিভিন্নভাবে অপমানিত হয়, আঘাতপ্রাপ্ত হয় তখন সে ঐ জায়গা থেকে সরে গিয়ে নিজেকে বোঝাতে শুরু করে।
আর একবার যদি কোন নারী নিজেকে বোঝাতে শিখে যায় তখন তাঁর আর কারো প্রয়োজন হয় না। সে তখন নিজেকে নিয়ে ভাবে, নিজের সন্তানকে নিয়ে ভাবে।
অবহেলার দেওয়াল যখন অনেক উঁচু হয়, তখন নারী ভালোবাসার চেয়ে নিজের আত্মসম্মানকেই বেশি গুরুত্ব দেয়।
11/04/2026
খুব বেশি দরকার ✔️✔️
12/04/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Mirpur
1216