বাচনিক সাহিত্য একাডেমি

বাচনিক সাহিত্য একাডেমি

Share

বাংলা সাহিত্য,ভয়েস আর্টিস্ট,কন্ঠ অভিনয়, প্রমিত উচ্চারণ, আবৃত্তি, উপস্থাপনা, গল্প পাঠ, ব্র্যান্ড প্রমোশন, ইত্যাদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

08/06/2026
07/06/2026

🎙️ আপনার কণ্ঠ হোক আত্মবিশ্বাসের পরিচয়, আপনার উপস্থাপনা হোক ব্যক্তিত্বের স্বাক্ষর!

আপনি কি শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা উচ্চারণে কথা বলতে চান?

মঞ্চে দাঁড়িয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তৃতা, উপস্থাপনা কিংবা প্রেজেন্টেশন করতে চান?

আবৃত্তি, সঞ্চালনা, ভয়েস আর্ট ও জনসমুখে কথা বলার দক্ষতা অর্জন করতে চান?

তাহলে আপনার জন্যই "বাচনিক সাহিত্য একাডেমি" নিয়ে এসেছে একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর প্রশিক্ষণ।

📚 কোর্সে যা শিখবেন:

✅ প্রমিত বাংলা উচ্চারণের নিয়ম ও প্রয়োগ
✅ ব-ফলা, র-ফলা, য-ফলা ও কঠিন শব্দের সঠিক উচ্চারণ
✅ আবৃত্তির কৌশল ও কণ্ঠের ব্যবহার
✅ মঞ্চ উপস্থাপনা ও সঞ্চালনার কলাকৌশল
✅ বক্তৃতা প্রদানের কার্যকর পদ্ধতি
✅ প্রেজেন্টেশন স্কিল ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ
✅ আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও মঞ্চভীতি দূরীকরণ
✅ কণ্ঠ সাধনা ও ভয়েস মড্যুলেশন

⏳ কোর্সের সময়কাল:

📌 প্রতি ইংরেজি মাসের শুরুতে নতুন ব্যাচ শুরু হয়।

📌 কোর্সের মেয়াদ: ১ মাস

📌 মোট ক্লাস: ৮টি

📌 ক্লাসের দিন: প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার

🎯 কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন?

✔️ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
✔️ শিক্ষক ও শিক্ষিকা
✔️ উপস্থাপক ও আবৃত্তিশিল্পী হতে আগ্রহী ব্যক্তিরা
✔️ বক্তা, দাঈ, সংগঠক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা
✔️ যারা সুন্দর ও শুদ্ধভাবে কথা বলতে চান

🌟 কেন বাচনিক সাহিত্য একাডেমি?

কারণ আমরা শুধু উচ্চারণ শেখাই না; আমরা আপনার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের শক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করি।

আজকের যুগে সুন্দরভাবে কথা বলার দক্ষতা একটি শক্তিশালী যোগ্যতা। আপনার কণ্ঠই হতে পারে আপনার সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি।

আজই যুক্ত হোন এবং আপনার কণ্ঠকে দিন নতুন শক্তি, নতুন পরিচয়। 🎙️✨

বাচনিক সাহিত্য একাডেমি

যোগাযোগ :📞০১৩২২১৪৬৩৬৯
হোয়াটসঅ্যাপ:০১৯৮৮৯০০৩৭৪

03/06/2026

“সাফল্যের গল্প আমরা সবাই শুনি, কিন্তু একজন মায়ের শেষ নিঃসঙ্গতার গল্প কি শুনি? যে মা সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাঁর নিথর দেহ যদি দিনের পর দিন অযত্নে পড়ে থাকে, তবে এ শুধু একটি পরিবারের নয়, আমাদের মানবিকতারও প্রশ্ন।”

ছবি: সংগৃহীত

Photos from বাচনিক সাহিত্য একাডেমি's post 03/06/2026

নবাব বাহাদুর "সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী" (১৮৬৩ - ১৯২৯) ছিলেন অবিভক্ত বাংলার একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা। তৎকালীন পূর্ব বাংলার (বর্তমান বাংলাদেশ) টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ীর জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পুত্র সৈয়দ হাসান আলী চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং তার দৌহিত্র মোহাম্মদ আলী বগুড়া পাকিস্তানের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হন।

নিচে তার জীবন ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আলোচনা করা হলো:

১. জন্ম ও শিক্ষা জীবন

জন্ম: তিনি ১৮৬৩ সালের ২৯শে ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা: শৈশবে নিজ গৃহশিক্ষকের কাছে তিনি আরবি, ফার্সি ও বাংলা ভাষার ওপর বিশেষ শিক্ষা অর্জন করেন।

উচ্চ শিক্ষা: পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল এবং কলকাতার বিখ্যাত সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে এফএ (FA) পাস করেন।

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও অবদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে নওয়াব আলী চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়।

আন্দোলন ও নেতৃত্ব: ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ব বাংলার মুসলমানদের শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ও শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সাথে তিনিও এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

অর্থ ও সম্পত্তি বন্ধক: ১৯১৫ সালে নবাব সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার হাল ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু করার জন্য তিনি আর্থিক সংকটের মুখে নিজের জমিদারির একাংশ বা এস্টেটের অর্ধেক বন্ধক রেখে অর্থ যোগান দিয়েছিলেন।

সম্মাননা: তার এই অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সংলগ্ন সিনেট ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে "নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন"।

৩. রাজনৈতিক জীবন ও মন্ত্রিত্ব

মুসলিম লীগ গঠন: তিনি ১৯০৬ সালে ঢাকার ঐতিহাসিক শাহবাগে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ গঠনে অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

আইনসভার সদস্য: তিনি দীর্ঘদিন পূর্ব বাংলা ও আসাম আইনসভা (১৯০৬-১৯১১), বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল (১৯১২-১৯১৬) এবং ভারতের ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের (১৯১৬-১৯২০) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রথম মুসলিম মন্ত্রী: ১৯২১ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

৪. সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান

১৮৯৫ থেকে ১৯০৪ সাল পর্যন্ত তিনি সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় ব্যাপক অবদান রাখেন।

পত্রিকা প্রকাশনা: তিনি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘মিহির ও সুধাকর’-এর মালিক ছিলেন। সাহিত্য প্রকাশের সুবিধার্থে তিনি কলকাতার নিজ বাসভবনে একটি ছাপাখানা বা প্রেস স্থাপন করেছিলেন।

পৃষ্ঠপোষকতা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কবি মোজাম্মেল হক ও পন্ডিত রেয়াজউদ্দিন আহমদ আল মাশহাদীর মতো প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

রচিত গ্রন্থ: তার নিজের রচিত উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ঈদুল আযহা’, ‘মৌলুদ শরীফ’ এবং ইংরেজি গ্রন্থ ‘ভারনাকুলার এডুকেশন ইন বেঙ্গল’।

৫. জীবনাবসান

এই মহান শিক্ষানুরাগী ও দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ১৯২৯ সালের ১৭ই এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তাকে তার নিজ এলাকা টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী নবাব মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার স্মৃতি (আদেশ) রক্ষার্থে সেখানে এখনও চব্বিশ ঘণ্টা পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা হয়।

আজ পর্যন্ত শুধুমাত্র তাঁর সাদাকালো স্থির চিত্রগুলোই সব জায়গায় গচ্ছিত ছিল।

এই প্রথমবার "বাচনিক সাহিত্য একাডেমি" অফিসিয়াল পেজে তাঁর ডিজিটাল স্থিরচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

বি.দ্র.
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সম্পর্কে আপনার কি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য—যেমন তাঁর রাজনৈতিক আন্দোলন, ধনবাড়ী জমিদারি বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিস্তারিত ঘটনা জানার আগ্রহ রয়েছে?

27/05/2026

عيد مبارك🐐

25/05/2026

আপনার কন্ঠকে করুন আরো আকর্ষণীয় 🎙️

24/05/2026

please follow.

23/05/2026

Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Mirpur. Dhaka
Mirpur
1216