Abs Pro Team

Abs Pro Team

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abs Pro Team, Educational consultant, Dhaka, Mirpur.

বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ গ্রহন করুন,
বেকার মুক্ত দে-শ গড়ুন।
স্বপ্ন নয়, বাস্তবায়ন করা শিখুন
#absproteam সাথে।
#freelansing, #business #job #passiveincame2025

"Abs Pro Team "Has Launched Advance Learning And Earning Skills Development Project Abs Formula.

30/05/2025

আগামী দিনে কোনটা চলবে ?
ডিগ্রী vs স্কিল,
ইলন মাস্ক তার স্পেস এক্স কোম্পানিতে এক ১৪ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান কিশোরকে হায়ার করেছে। শুধু মাত্র তার স্কিলের জন্য।
আসলে সময়টাই এখন স্কিলের। স্কিলের কাছে বয়স,জেন্ডার,শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কিছুই আর পাত্তা পাচ্ছে না। একটা সময় ছিল যখন ডিগ্রীই হতো কারো যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি। কিন্তু এখন তা পাল্টেছে। এখন যে যত বড় ডিগ্রী ধারী হোক না কেন। তার আসল যোগ্যতার মাপকাঠি হলো স্কিল।
ডিগ্রী বড়জোর কোন একটা জায়গা পর্যন্ত আপনাকে এক্সেস দিবে।
কিন্তু টিকে থাকতে হলে স্কিলড আপনাকে হতেই হবে...
প্রযুক্তি যুগে আপনাকে ঠিকে থাকতে হলে স্কিলের কোন বিকল্প নাই।
যার যত বেশি স্কিল তার ততোবেশি ইমকাম।
আপনি সফল হতে চাইলে নিজের স্কিল বাড়ান।
সময় নস্ট না করে ঝটপট শুরু করে দিন নিজের স্কিল কে গ্রো করুন।

আর যুক্ত থাকুন 👉 Abs Pro Team



19/05/2025

আপনি কি ধনী হতে চান?
ধনী হতে গেলে কি মানতে হবে।😱😱😱😱✅✅✅✅

শোনো, ভাইয়েরা! ধনীরা লুকিয়ে রেখেছে গোপন রহস্য—কিন্তু আমি তা ফাঁস করে দেবো।
_________________
ধনীরা কপালে ভর করে ধনী হয়নি। তারা হঠাৎ করে টাকার ওপর পড়ে যায়নি। তারা এমন একটা খেলা খেলেছে, যা তোমাকে কেউ শেখায়নি। আর তারা তোমাকে সেটা শেখাতেও চায় না—কারণ তুমি একবার নিয়ম শিখে ফেললে, তখনই তুমি হয়ে উঠবে হুমকি।

কিন্তু আমার এই প্রোফাইলটা আমি বানাইনি কোনও দুর্বল লোকের জন্য। এটা শুধুই তাদের জন্য, যারা ভাঙতে চায় শিকল, যারা নিজের জীবন পাল্টাতে চায়। তাই শুনো, শুধু নিজের জন্য নয়—তোমার বন্ধুবান্ধব, ভাইবোনদের জন্যও। এই ৭টা গোপনীয় সত্য যদি তুমি মনপ্রাণ দিয়ে কাজে লাগাও, তাহলে ১২ মাসের মধ্যেই তুমি হয়ে উঠতে পারো একজন মিলিয়নিয়ার। কারণ এটা শুধু স্বপ্ন নয়—এটা বাস্তবায়ন করা একটি রাস্তা এবং তোমার বাঁচার পথ।

1️⃣ ধনীরা কখনো সময়ের বিনিময়ে টাকা নেয় না, তারা “মূল্য” দিয়ে সম্পদ গড়ে। তুমি যখন সকাল-সন্ধ্যা চাকরি করো, তখন তারা এমন সিস্টেম বানায় যা ২৪/৭ কাজ করে—ইনভেস্টমেন্ট, ডিজিটাল অ্যাসেট, বিজনেস। সময় সীমিত, কিন্তু সিস্টেম সীমাহীন। পার্থক্যটা বুঝো।

2️⃣ ঋণ খারাপ নয়—মূর্খতা খারাপ।
ধনীরা “ভালো ঋণ” দিয়ে সাম্রাজ্য বানায়: প্রপার্টি, যন্ত্রপাতি, বিজনেস ক্যাপিটাল। আর তুমি “খারাপ ঋণ” নিয়ে দেখাও: আইফোন, নাইটক্লাব, গাড়ি। ঋণ যদি টাকা না আনে, সেটা দাসত্ব।

3️⃣ ৯-৫ খেতে দেবে—কিন্তু মালিকানা তোমায় মুক্তি দেবে।
তারা চাকরির আয় দিয়ে বিজনেস শুরু করে। তুমি সেই আয় দিয়ে শো-অফ করো। একদিকে গড়ে উঠে সাম্রাজ্য, আরেকদিকে জমে দায়। নিজের কিছু তৈরি করো—যেটুকু থাকে, সেখান থেকেই শুরু করো।

4️⃣ তোমার নেটওয়ার্কই তোমার সম্পদ।
তারা কখনো হতাশ, নেগেটিভ মানুষের সঙ্গে সময় কাটায় না। প্রতিটি বন্ধু দেয় কিছু না কিছু: জ্ঞান, যোগাযোগ, মূলধন। যদি তোমার আশেপাশের লোকেরা তোমায় টানছে না, তারা তোমার শক্তি খাচ্ছে। কেটে ফেলো।

5️⃣ নীরবতা ধনীদের কৌশল।
তারা ঢাকঢোল বাজায় না। তারা ছায়ার মতো চলে, বজ্রের মতো আঘাত হানে। তুমি যখন সোশাল মিডিয়ায় ফেক লাইফ দেখাও, তারা তখন জমি, শেয়ার, ব্যবসা কিনে নিচ্ছে। চুপচাপ কাজ করো, ঝড় তুলে দাও।

6️⃣ ধনীরা প্রতিদিন আর্থিক শিক্ষায় বিনিয়োগ করে।
তারা বই পড়ে, কোর্স করে, মাস্টারমাইন্ডে যায়। আর তুমি? নাটক, ফুটবল, পর্ন দেখো। আজকের দিনে জ্ঞানই নতুন টাকা। শিখো, নইলে গরিব থাকো।

7️⃣ তারা বিক্রি করে। শেষ কথা।
প্রতিটা মিলিয়নিয়ারই বিক্রেতা। কেউ পণ্য বিক্রি করে, কেউ ব্র্যান্ড, কেউ সার্ভিস, কেউ স্কিল। যদি তুমি বিক্রি করতে না পারো, তাহলে কে তোমায় কিনবে।

নোট : প্রতিটি মানুষের ধনী হওয়ার পিছনে রায়েছে তাদের স্কিল, দক্ষতা এবং ফর্মুলা ।

আপনি যদি ধনী হওয়ার ফর্মুলা শিখতে চাইলে যুক্ত হোম্ন আমাদের টিমে। Abs Pro Team
আমরা স্বপ্ন দেখাই না আমরা স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করা শিখাই।

13/05/2025

ছোট্ট একটি গল্প পড়ুন আপনার জীবন বদলে যাবে।
100 % SUCSESS
এই দুনিয়ায় একক ভাবে কোন কিছু করা সম্ভব না।
পরিবারে শুধু আপনি একা সফল হলে সফলতা আসবেনা,বাকী সদস্যরাও যাতে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে সে জন্য সবাই কে সহযোগিতা করতে হবে।তবেই আসবে প্রকৃত সফলতা।
গল্পের নাম: "পিঁপড়া Vs ঘোড়ার কথা"

একদিন দুপুরে এক বিশাল একটি ঘোড়া ঘাসের মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ঘোড়া টি নিচের দিকে তাকিয়ে দেখেন তার
পায়ের নিচ দিয়ে চলছিল পিঁপড়ার দল।
এক পিঁপড়া ঘোড়ার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল,
"তুমি অনেক বড়, কিন্তু তুমি কি সত্যি শক্তিশালী?"

ঘোড়া অবাক হয়ে বলল, হ্যাঁ
"আমি? আমি তো পাহাড়ের মতো শক্তিশালী! এক লাফে নদী পার হতে পারি!"

পিঁপড়া শান্তভাবে বলল,
"তবে আমরা ছোট হয়েও অনেক বড় কিছু করতে পারি।"

ঘোড়া হেসে বলল,
"কীভাবে সম্ভব ? তোমাদের তো পা-ই দেখা যায় না!"

পিঁপড়া কিছু বলল না। সে সঙ্গীদের নিয়ে একটা বিশাল পরিকল্পনা করলে এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য
দিন রাত কাজ করা শুরু করলেন , এক দল পিঁপড়া মিলে একটা বড় গাছের শুকনো ডাল এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় টেনে নিয়ে গেল।
ঘোড়া দেখল — এতো বড় ডালও পিঁপড়ারা টেনে নিয়েছে দলবদ্ধভাবে!

ঘোড়া তখন চুপ হয়ে গেল। সে বুঝতে পারল — একার শক্তি যত বড়ই হোক, দলবদ্ধ পরিশ্রমের শক্তি অনেক বেশি।

পিঁপড়া তখন মৃদু হেসে বলল,
"তুমি একা পাহাড় পার হতে পারো। কিন্তু আমরা একসাথে পুরো বন বদলে দিতে পারি।"

কথায় আছে না দশের ল্যাটি একের বোজা।

শিক্ষা:

একলা বড় হওয়া যত গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বড় হলো — দলবদ্ধভাবে পরিশ্রম করা, একে অপরকে সম্মান করা।
ছোট ছোট চেষ্টা একসাথে মিললেই বড় সফলতা আসে।

চোট করে বলি , আপনি একক ভাবে কোন কাজ শেষ করতে যদি সময় লাগে ১০ দিন।
আর ১০ জন মিলে একসাথে করলে সেম কাজ টি শেষ করতে সময় লাগবে ১ দিন।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার।
একক ভাবে সফল হবেন না দলের সাথে সফল হবেন?

আপনি যদি লাইফে সাকসে হতে চান আজি যুক্ত হোন আমাদের সাথে।

Abs Pro Team
আমরা স্বপ্ন দেখাই না, স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করায়।


03/05/2025

100 % SUCSESS
আপনি যদি আমাদের দেওয়া দিক নিদর্শনা পালন করতে পারেন।

আপনার জীবনে সফলতার কপাল তখনই খুলবে, যখন আপনি নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো অতিক্রম করে সেই পথে এগিয়ে যাবেন যা অন্যরা এতটুকু ভাবতেও সাহস পায় না।

✔️ তুমি জানো, অনেকেই সফল হতে চায়, কিন্তু সফল হওয়ার পথে তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের অভাব থাকে। আজ আমি তেমন ৫টি কাজ নিয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাই, যেগুলো তুমি যদি ঠিকভাবে করো, তাহলে তোমার যাত্রা অন্যদের থেকে একদম আলাদা হবে। এই কাজগুলো শুধু সফলতার পথে তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, না বরং তোমাকে এক অনন্য অবস্থানে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

📌 ১. নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করা
কখনো কখনো আমাদের লক্ষ্য এতটাই অস্পষ্ট হয়ে পড়ে যে, আমরা জানতেই পারি না আসলে কোথায় যাচ্ছি। আমি নিশ্চিত, তুমি নিজে বুঝতে পারো, যখন তুমি জানো না তুমি কোথায় যাচ্ছ, তখন পথ ঠিক করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তাই প্রথম কাজটা হলো স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা। কল্পনা করো, তুমি যদি একটা গন্তব্য ছাড়া একটা দীর্ঘ যাত্রায় বের হও, তাহলে কি হবে? কিছুই জানবে না, কোথাও পৌঁছতে পারবে না। কিন্তু যখন তুমি স্পষ্টভাবে জানো, "এই কাজ আমি করতে চাই, এই দিকেই আমি যেতে চাই," তখন তুমি নিজের সঠিক পথে হাঁটতে থাকো।

🎯 কি করতে হবে?
নিজের দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যগুলো ঠিকভাবে নির্ধারণ করো। সেই লক্ষ্যগুলোকে ছোট ছোট পদক্ষেপে ভেঙে ফেলো, যাতে সেগুলো অর্জন করা সহজ হয়। প্রতিদিন একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করো, এবং নিজেকে প্রশ্ন করো, "আজ আমি আমার লক্ষ্যকে আরও কাছে নিয়ে যেতে পারলাম কি না?"

📌 ২. কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প কিছু নেই
আজকাল অনেকেই বলে, “কিছু করলেই হবে, আমি সফল হবো”। কিন্তু আসল সত্য হলো, কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য কিছুই না। আমি জানি, তুমি সম্ভবত আগে অনেক কাজই খুব সহজে করতে চেয়েছো, কিন্তু তুমি জানো যে, সঠিক পরিশ্রম ছাড়া ফল আসে না।

তুমি যখন অঙ্গীকার করো যে, “আমি সঠিকভাবে পরিশ্রম করবো, কষ্ট করতে ভয় পাবো না,” তখন তুমি অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকো। এটি যে কোনো কাজে প্রযোজ্য, ব্যবসা হোক বা পড়াশোনা। তোমার কঠোর পরিশ্রমের ফল একদিন তোমাকে এনে দেবে সাফল্য, সেটা আমি নিশ্চিত।

🎯 কি করতে হবে?
নিজেকে নির্দিষ্ট সময় দিন এবং সেটা কাজে ব্যয় করুন। কাজের মধ্যে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি নয়। সবচেয়ে বড় কথা, কোনো অজুহাত না দিয়ে নিজের কাজ নিয়মিত করতে থাকো।

📌 ৩. স্ব-উন্নতি ও শেখার জন্য সময় বের করা
কখনো কখনো আমরা নিজেদের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভুলে যাই। আমি জানি, তুমি একদম ভালো করেই বুঝতে পারো, প্রতিদিন নতুন কিছু শিখলে, তোমার দক্ষতা আরও বাড়বে। আর এই শেখার প্রক্রিয়াটা কখনো থেমে যায় না। যারা সফল, তারা কখনো শেখা বন্ধ করে না।

🎯 কি করতে হবে?
নিজে প্রতিদিন কিছু না কিছু শিখতে থাকো। তুমি একটা নতুন স্কিল শিখতে পারো, নতুন একটি বই পড়তে পারো, বা যেকোনো ধরনের নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে পারো। দিনের শেষে নিজের শেখার খাতা তৈরি করো, কোন নতুন কিছু শিখলে সেটা লিখে রাখো। এতে তোমার আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

📌 ৪. সঠিক সম্পর্ক তৈরি করা
জীবনে অনেক সময় তুমি একা একা কিছু করতে পারো না, কিন্তু সঠিক সম্পর্ক যদি তৈরি করতে পারো, তাহলে তুমি আরও বড় সফলতা পাবে। আমি জানি, তুমি হয়তো অনেক কিছু একাই করতে চাও, কিন্তু সঠিক সম্পর্কও তোমার সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি। সফল মানুষরা জানে, কখন এবং কিভাবে তাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে।

🎯 কি করতে হবে?
সঠিক মানুষদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করো। শুধু বন্ধু নয়, এমন মানুষদের সাথে যোগাযোগ তৈরি করো যারা তোমাকে অনুপ্রাণিত করতে পারে, তোমার চিন্তাধারা প্রসারিত করতে পারে। কখনো কখনো একজন সঠিক পরামর্শদাতা তোমার জীবনে বিপ্লব আনতে পারে।

📌 ৫. আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তুমি যদি নিজের উপর বিশ্বাস না রাখো, তাহলে অন্যরা কিভাবে বিশ্বাস করবে? যখন তুমি ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখো, তখন তুমি স্বাভাবিকভাবেই নিজের সফলতাকে কাছে টেনে নিয়ে আসো। আমি জানি, তুমি যখন কোনো বড় কাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছ, তখন অনেক বাধা আসবে। কিন্তু তুমি যদি বিশ্বাস রাখো, যে তুমি এটি পারবে, তাহলে সেসব বাধা সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারবে।

🎯 কি করতে হবে?
প্রতিদিন নিজের সামান্য সাফল্যকে উদযাপন করো। তোমার শক্তির উৎস হওয়া দরকার তোমার নিজস্ব বিশ্বাস। খারাপ মুহূর্তে ইতিবাচক চিন্তা মাথায় রাখো। তুমি নিজেকে মনে করিয়ে দাও, “আমি পারবো, আমি পারবো আমাকে পারতে হবে।

তাহলে চলোন শুরু করা যাক, এক সাথে কাধে কাধ মিলে।
নিজের ক্যারিয়ার নিজে তৈরী করি।

আপনার যদি এমন চিন্তা থাকে তাহলে যুক্ত হোন আমাদের সাথে।

আমাদে প্রজেক্ট সমুহ :
1। Development Project
2। Best Celebrity project
3। Freelancing project

আমরা খুব শিগ্রয় একটি বিজনেস শুরু করতে যাচ্ছি।
আপনি চাইলে আমাদের ম্যানেজমেন্ট থাকতে পারেন।

ধন্যবাদান্তে : Abs Pro Team





30/04/2025

জীবন মানেই লড়াই: আশার আলোয় পথ চলা
জীবনের পথে চলতে গেলে বাধা আসবেই। সমস্যা থাকবে, দুশ্চিন্তা আসবে, মাঝে মাঝে মনে হবে সবকিছু থেমে গেছে। কিন্তু এটিই জীবনের চিরন্তন সত্য—সংঘাত, সংগ্রাম আর অনিশ্চয়তা নিয়েই জীবন গঠিত। এই পৃথিবীতে এমন একজন মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যার জীবনে কোনো দুঃসময় আসেনি, যার মন কখনো ভেঙে পড়েনি, বা যিনি কখনো নিজের ভিতরে একটা ঝড় অনুভব করেননি।
আমরা প্রত্যেকেই নিজের জীবনের যোদ্ধা। কেউ নিজের স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ে ব্যস্ত, কেউ পরিবারের দায়িত্ব পালনে, কেউবা মানসিক অস্থিরতার সঙ্গে প্রতিদিন যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। এই যাত্রা কখনোই সহজ নয়। কিন্তু এর মধ্যেই রয়েছে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য—লড়াই আমাদের আরও সচেতন করে, আরও পরিণত করে, আর সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের শক্তিশালী করে তোলে।
মানসিক শক্তিই সবচেয়ে বড় অস্ত্র
মানুষের মনে যেসব নেতিবাচক আবেগ বাসা বাঁধে—ভয়, সন্দেহ, হতাশা, অপর্যাপ্ততার বোধ—এই সবকিছুকে জয় করার একমাত্র উপায় হচ্ছে নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকে চিনে নেওয়া এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত গড়ে তোলা। আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও ইতিবাচক চিন্তাভাবনা মানুষের জীবন পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান।
প্রতিটি ব্যর্থতার পেছনে লুকিয়ে থাকে শেখার একটি সুযোগ, প্রতিটি কষ্ট আমাদের নতুন কিছু বুঝতে শেখায়, আর প্রতিটি বাধা আমাদের সাহসী করে তোলে। অনেক সময় আমরা পরিস্থিতিকে বদলাতে পারি না, কিন্তু আমাদের মনোভাব বদলাতে পারি—এটাই আসল শক্তি।
চ্যালেঞ্জের মাঝেই লুকিয়ে থাকে সম্ভাবনার দরজা
আমাদের জীবনে হাজারো চ্যালেঞ্জ আসবে—অর্থনৈতিক সমস্যা, পারিবারিক টানাপোড়েন, সম্পর্কের জটিলতা, বা নিজের লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থতা। কিন্তু যারা এই সব পরিস্থিতির মাঝেও আশাকে আঁকড়ে ধরে, নিজের ভেতরের আলো নিভতে না দিয়ে এগিয়ে যেতে জানে—তারাই সত্যিকার অর্থে সফলতার মুখ দেখতে পায়।
দুর্বলতা কখনো লজ্জার কিছু নয়। দুর্বলতা থেকেই জন্ম নেয় দৃঢ়তা, সংকল্প আর আত্মশক্তির উন্মেষ। যারা তাদের দুর্বলতাকে চিহ্নিত করে, গ্রহণ করে, এবং তা কাটিয়ে উঠতে কাজ করে—তাদের থামানো যায় না।
আশা ও বিশ্বাস—জীবনের চালিকাশক্তি
যখন মনে হবে, “সব শেষ হয়ে যাচ্ছে”, তখনই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় নিজের উপর বিশ্বাস রাখার। নিজেকে বলুন—
“আমি পারব। আমার শক্তি সীমাহীন। আজ যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, কাল সেটা আমার অভ্যাস হয়ে যাবে।”
এই কথাগুলো শুনতে যতটা সাধারণ মনে হয়, বাস্তবে এগুলোর গুরুত্ব বিশাল। আমাদের চিন্তাভাবনা আমাদের বাস্তবতা গড়ে তোলে। তাই নিজেকে কখনো ছোট ভাববেন না, নিজের স্বপ্নকে কখনো অবহেলা করবেন না।
সফলতা সাহসীদেরই ভালোবাসে
সফলতা কখনো হঠাৎ আসে না। এটি ধৈর্য, পরিশ্রম, আত্মত্যাগ ও সাহসের ফল। যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ভেঙে পড়ে না, যারা বারবার হেরে গিয়েও উঠে দাঁড়াতে জানে, তারাই ইতিহাস গড়ে।
তাই, আজ যদি আপনার মনে হয় জীবন অসহনীয়, মনে হয় চারপাশে শুধু অন্ধকার—তাহলে জানবেন, আপনি একা নন। প্রতিটি সফল মানুষের পেছনে আছে এমন শত শত রাত, যখন তারা কেঁদেছেন, ভেঙে পড়েছেন, কিন্তু পরদিন সকালেই নতুন আশায় আবার যাত্রা শুরু করেছেন।
শেষ কথা
জীবন একটাই, এবং সেটি মূল্যবান। দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও লড়াই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না, কিন্তু সেগুলোকে কীভাবে গ্রহণ করবেন, সেটিই নির্ধারণ করবে আপনি কে হবেন।
আজ লড়াই করুন, কাল জয়ের গল্প লিখুন।
বাঁচুন বিশ্বাস নিয়ে, এগিয়ে চলুন সাহস নিয়ে।
আপনার শক্তি, আপনার সম্ভাবনা—সবকিছু আপনার হাতেই।

Abs Pro Team

16/04/2025

কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ১০০% কাজে লাগবে
আপনার জানা না থাকলে জেনে নিতে পারেন।

এই নতুন ফিচার কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী

যারা ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করতে চান, তাদের অবশ্যই কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে:

1. যোগ্যতা:

ফেসবুকের পার্টনার মনিটাইজেশন পলিসি মেনে চলতে হবে।

স্টোরিগুলো পাবলিক (Public) থাকতে হবে।

আপনাকে অবশ্যই ফেসবুকের যোগ্য দেশগুলোর মধ্যে থাকতে হবে।

2. মনিটাইজেশন প্রোগ্রামে যোগদানের নিয়ম:

আপনার ফেসবুক পেজ বা প্রোফাইল পেশাদার মোডে (Professional Mode) থাকতে হবে।

যথেষ্ট ভিউ এবং এনগেজমেন্ট থাকতে হবে (ফেসবুক সাধারণত নির্দিষ্ট ভিউ রিকোয়ারমেন্ট দেয়)।

3. আয়ের ধরন:

ফেসবুক স্টোরির উপর অ্যাড ব্রেকস (Ad Breaks) বা ইন-স্টোরি অ্যাডস যুক্ত হতে পারে।

স্পন্সরশিপ ও ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে অতিরিক্ত ইনকামের সুযোগ থাকবে।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় করার স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড

১. প্রোফাইল বা পেজ মনিটাইজেশন চেক করুন

প্রথমে দেখে নিন, আপনি ফেসবুকের মনিটাইজেশন পলিসির আওতায় পড়েন কিনা। এটি চেক করতে:

Facebook Creator Studio বা Meta Business Suite এ যান।

Monetization সেকশনে গিয়ে Eligibility Status চেক করুন।

২. স্টোরি পাবলিক করুন

ফেসবুক স্টোরি পোস্ট করার সময় সেটাকে “Public” অপশনে সেট করুন।

প্রাইভেট বা ফ্রেন্ডস অনলি স্টোরি মনিটাইজড হবে না।

৩. নিয়মিত ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি করুন

কন্টেন্ট যেন অরিজিনাল এবং এনগেজিং হয়।

স্টোরির মাধ্যমে ব্র্যান্ড বা প্রোডাক্ট প্রোমোশনও করা যেতে পারে।

৪. ইন-স্টোরি অ্যাডস চালু করুন

Meta Business Suite বা Facebook Creator Studio থেকে In-Story Ads অপশন চালু করুন।

একবার চালু হয়ে গেলে, ফেসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টোরিগুলোর মধ্যে অ্যাড ইনসার্ট করবে।

৫. ইনকাম ট্র্যাক করুন এবং উত্তোলন করুন

ফেসবুক পেমেন্ট সেটআপ করুন (PayPal বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট)।

আয়ের রিপোর্ট চেক করতে Meta Business Suite → Monetization Section এ যান।

নির্দিষ্ট থ্রেশহোল্ড (সাধারণত $100) অতিক্রম করলে টাকা তুলতে পারবেন।

ফেসবুক স্টোরি থেকে আয় বাড়ানোর টিপস

✅ নিয়মিত কন্টেন্ট পোস্ট করুন – প্রতিদিন ৩-৫টি স্টোরি পোস্ট করলে বেশি রিচ পাওয়া যায়।
✅ ভিডিও স্টোরি পোস্ট করুন – ভিডিও কন্টেন্ট বেশি এনগেজমেন্ট পায়।
✅ ট্রেন্ডিং টপিক কভার করুন – জনপ্রিয় বিষয়ের উপর কন্টেন্ট তৈরি করুন।
✅ ইন্টারেক্টিভ স্টোরি ব্যবহার করুন – পোল, কুইজ, এবং স্টিকার ব্যবহার করে ভিউ বাড়ান।
✅ শেয়ার করুন ও প্রচার করুন – স্টোরিগুলো বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করলে বেশি ভিউ পাবেন।

ফেসবুক স্টোরি মনিটাইজেশন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন

১. স্টোরির জন্য ইনকাম কেমন হয়?

ইনকাম নির্ভর করে ভিউ, এনগেজমেন্ট, এবং বিজ্ঞাপনের ধরন এর উপর। উন্নত দেশ থেকে ভিউ বেশি হলে সিপিএম রেট বেশি পাওয়া যায়।

২. নতুন পেজ বা প্রোফাইল কি মনিটাইজ হবে?

না, নতুন পেজ বা প্রোফাইলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ এনগেজমেন্ট এবং ফলোয়ার দরকার।

৩. স্টোরির মনিটাইজেশন কবে চালু হবে?

ফেসবুক এই ফিচার কিছু নির্দিষ্ট দেশে চালু করেছে, ধীরে ধীরে অন্য দেশেও চালু হবে।

৪. সব স্টোরি কি মনিটাইজড হবে?

না, শুধু পাবলিক স্টোরিগুলো মনিটাইজড হবে এবং ফেসবুকের নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

শেষ কথা

ফেসবুক স্টোরি মনিটাইজেশন নতুন এবং লাভজনক সুযোগ হতে পারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য। যদি আপনি নিয়মিতভাবে উচ্চমানের, আকর্ষণীয় এবং ট্রেন্ডিং কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন, তাহলে সহজেই ফেসবুক থেকে উপার্জন করা সম্ভব।

#

09/04/2025

100% সাকসেস।
মানুষের সাফল্য অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা কোনটা জানেন? কোনো কাজ পরে করব ভেবে ফেলে রাখা। এই যেমন:

✓ আগামীকাল থেকে সকালে উঠে দৌড়াব।
✓ পরের মাস থেকে নতুন কিছু শিখব।
✓ আগামী বছর একটা বিজনেস শুরু করব বা চাকরি পাব।
✓ পরের বার অবশ্যই ভালো পরীক্ষা দেব।

কিন্তু ওই "একদিন" কখনোই আসে না আপনার জীবনে। আর এই "অপেক্ষা", এই "আগামীকাল" আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতারক।

আপনার আসলে সমস্যাটা কোথায়?

১. পরিকল্পনা নয়, কাজ শুরু করুন
পরিকল্পনা করা সহজ, কিন্তু সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করা কঠিন। আমাদের মস্তিষ্ক পরিকল্পনার সময় সাময়িক আনন্দ পায় এবং মনে করে কাজ শেষ। কিন্তু বাস্তবে কাজ শুরু না করলে সেটি শুধু একটা কল্পনা।

২. সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষা
“সবকিছু ঠিকঠাক হলে শুরু করব” — এই ভাবনাটা আত্মঘাতী। কারণ জীবন কখনোই নিখুঁত হবে না। এই অপেক্ষার মানে হলো, আপনি ভয় পাচ্ছেন।

৩. ছোট পদক্ষেপে অগ্রগতি
বড় কিছু করার জন্য ছোট কিছু শুরু করাটা জরুরি। আপনি যদি দিনে মাত্র ১০ মিনিটও কিছু করেন, সেটাও আপনার অগ্রগতির প্রথম ধাপ।

৪. ব্যর্থতার ভয়
ব্যর্থতা জীবনের অংশ। আপনাকে ভুল থেকেই শিখতে হবে। ব্যর্থ না হলে সফলতাও আসবে না।

আপনার জন্য আজকের বার্তা:

জীবন কখনোই "পরে" বা "কাল" বলে আপনার জন্য অপেক্ষা করবে না। সময় তার মতো এগিয়ে যাবে। আপনি হয় আজ শুরু করবেন, নয়তো পিছিয়ে পড়বেন।

আজ থেকেই ছোট ছোট কিছু করুন।

• যদি পড়াশোনা করতে চান, একটা পৃষ্ঠা পড়ুন।
• যদি ফিটনেস বাড়াতে চান, ৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।
• যদি নতুন দক্ষতা শিখতে চান, ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখুন।
• কাউকে প্রপোজ করতে চাইলে আজকেই করুন, কারণ কাল সে অন্য কারো হয়ে যেতে পারে।

যতদিন না আপনি শুরু করছেন, ততদিন সবকিছুই অসম্ভব। আর একবার শুরু করলে সবকিছুই সম্ভব। আজকের ছোট পদক্ষেপটাই হতে পারে আপনার আগামীকালের সাফল্যের ভিত্তি।

তাই, “আগামীকাল” নয়, “আজ” থেকেই শুরু করুন। কারণ, জীবন বড়ই নিষ্ঠুর। সে আপনার জন্য একদিনও অপেক্ষা করতে রাজি নয়!

Abs Pro Team

09/04/2025

🎯 Goal অর্জন করার ৬ ফর্মুলা
আমরা অনেকেই বছরের শুরুতে মাসের শুরুতে অথবা সপ্তাহের শুরুতে একটা গোল নির্ধারণ করব কিন্তু এই গোল নির্ধারণ করতে গিয়ে আমরা অনেকে ব্যর্থ হই | এই 6 টি নিয়ম ফলো করলে আপনাদের গোল অর্জন করতে সহজ হবে |
1. স্পেসিফিক Goal : সিদ্ধান্ত নিন এক্সাক্টলি কি অর্জন করতে চান এটাকে লিখে ফেলুন | অবশ্যই গোলটিকে মেজারএবল এবং স্পেসিফিক করবেন | একগাদা কাজ নিয়ে বসলে সাকসেস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।
2.Set Deadline: গোলটিকে অর্জন করার জন্য একটি ডেডলাইন সেট করুন | যদি এটা অনেক বড় গোল হয় তাহলে এটাকে ছোট ছোট পার্টে ভাগ করুন | অর্থাৎ সাব ডেড লাইন ফিক্স করুন | যেমন গোলটি অর্জন করতে যদি ১ বছর সময় লাগে তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে কোন কোন কাজ আপনাকে করতে হবে সেটা ডেড লাইন ফিক্স করুন।
3.List Of work: এখন গোল অর্জনকরার জন্য যেসব কাজ করতে হবে এগুলোর একটি লিস্ট করুন এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ | অযাচিত কাজ এড করবেন না যেগুলো আপনি করতে পারবেন না।
4. গুরুত্ব দেওয়া: এখন আপনার Goal এর গুরুত্ব অনুযায়ী প্রত্যেকটা কাজের লিস্ট করুন | এখানে এসে আপনি এই 80/20 প্রিন্সিপাল ফলো করতে পারেন | যে 20 পার্সেন্ট এমন কোন কাজ আছে যেগুলো করলে আপনার 80 পার্সেন্ট কাজকে আগাই নিয়ে যাবে |
5. গোল অর্জন করতে বাধা : এখন চিন্তা করুন আপনার কোন বাধার গুলোর কারণে আপনি এই গোলটি আগে অ্যাসিভ করতে পারেন নাই | যে কারণগুলোর ছিল আপনারGoal achieve করার জন্য বাধা সেগুলোর একটা লিস্ট করুন এবং এগুলোকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন |
6. গোল অর্জনের অভ্যাস : প্রতিদিন কমপক্ষে এমন একটি কাজ করুন যেটি আপনার গোলকে Achieve করতে সাহায্য করবে | প্রতিদিন সকালে ওঠার হ্যাবিট তৈরি করুন যেটা আপনার জীবনের সবকিছু চেঞ্জ করে দিবে ইনশাল্লাহ |
গোল নির্ধারণ করার পর যদি এই স্টেপগুলো ফলো করেন তাহলে আপনার গোল অর্জন করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

Abs Pro Team

04/04/2025

I gained 4,208 followers, created 7 posts and received 2 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka
Mirpur
PALLABI,MIRPUR,DHAKA-1216