আমি ৭ টা দেখেছি এখন পর্যন্ত আপনি ?
১. সেন্ট মার্টিন
২. কক্সবাজার
৩. সাজেক
৪. সুন্দরবন
৫. জাফলং
৬. নিলগিরি ও নিলাচল
৭. নিঝুম দ্বীপ
৮. পতেঙ্গা
৯. পানামাসিটি
১০. টাঙ্গুন হাওর
১১. সাদা পাথর
১২. শ্রীমঙ্গল
১৩. লালবাগকেল্লা
১৪. ষাটগম্বুজ মসজিদ
১৫. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
১৬. মাধবকুণ্ড
১৭. বাঘা মসজিদ
১৮. বিছানাকান্দী
১৯. গুলিয়াখালি
২০. তেতুলিয়া
২১. টেকনাফ
২২. মহাস্থানগড়
২৩. বিরিশিরি
২৪. আমিয়াখুম
২৫. কালাপাহাড়
২৬. কুসুম্বা মসজিদ
২৭. চন্দ্রনাথ
২৮. আহসান মঞ্জিল
২৯. মায়াংতং
৩০. তাজহাট প্যালেস
৩১. বরেন্দ্র যাদুঘর
৩২. ছোট সোনা মসজিদ
৩৩. সাফারি পার্ক
৩৪. পাকশি সেতু
৩৫. শিমুল বাগান
৩৬. নিকলী হাওর
৩৭. নয়াবাদ মসজিদ
৩৮. মহেশখালী
৩৯. চিনির মসজিদ
৪০. অষ্টগ্রাম মিঠামাইন
৪১. বালাসী ঘাট
৪২. রেমা কালেঙ্গা
৪৩.কান্তজীর মন্দির
৪৪. রামসাগর
৪৫. বায়োজিদ বোস্তামির মাজার
৪৬. ভাটিয়ারী লেক
৪৭. ফয়েজ লেক
৪৮. তিন নদীর মোহনা
৪৯. হরিনঘাটা
৫০. চর মনপুরা
৫১. গুটিয়া মসজিদ
৫২. চর কুকরি মুকরি
৫৩. কেওক্রাডং
৫৪. বেহুলার বাসর ঘর
৫৫. চিম্বুক পাহাড়
৫৬. হিমছড়ি
৫৭. তাজিংডং
৫৮. বগালেক ও আলীর গুহা
৫৯.কাপ্তাই লেক
৬০. মহেরা জমিদার বাড়ি
৬১. ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ
৬২. জাতীয় সংসদ ভবন
৬৩. কার্জন হল
৬৪. ঝুলন্ত ব্রীজ
৬৫. গারো পাহাড়
৬৬. আলেকজান্ডার ক্যাসেল
৬৭.কংলাক পাড়া
৬৮. আলুটিলা গুহা
৬৯. গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও লেক
৭০. ভাওয়াল রাজবাড়ি ও রিসোর্ট
৭১. রিসাং ঝনা
৭২. তারেং
৭৩. বাশবাড়িয়া
৭৪. হটিকালচার পার্ক
৭৫. ময়নামতি
৭৬. যমুনা সেতু ও চায়না বাধ ৩
৭৭. শতবর্ষী আম গাছ
৭৮. বারিক্কা টিলা ও নিলাদ্রী লেক
৭৯. শাহ জালালের মাজার
৮০. মালনীছড়া চা বাগান
৮১. লালা খাল
৮২. রাতারগুল
৮৩. পান্থমুই
৮৪. মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত
৮৫. পুঠিয়া রাজবাড়ি
৮৬. মহারাজার দিঘী
৮৭. জ্বিনের মসজিদ
৮৮. রকস মিউজিয়াম
৮৯. লেবুর চর ও ফাতরার বন
৯০. ভাসমান পিয়ারা বাজার
৯১. বজরা শাহি মসজিদ
৯২. ইনানী বিচ
৯৩. অরুনিমা গলফ রিসোর্ট
৯৪. চাটমোহর শাহী মসজিদ ও গজনার বিল
৯৫. নীল সাগর
৯৬. ইদ্রাকপুর কেল্লা
৯৭. ওয়ারী বটেশ্বর
৯৮. উত্তরা গণভবন
৯৯. চলন বিল
১০০. লোকশিল্প যাদুঘর
১০১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্দ্যান
১০২. হাম হাম
১০৩. হাকালুকি হাওর
১০৪. মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌদ্ধ
১০৫. বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
১০৬. তিন বিঘা করিডোর
১০৭. তিস্তা ব্যারেজ
১০৮. হারানো মসজিদ
১০৯. কুঠি বাড়ি
১১০. চিলমারি বন্দর
১১১. ঝাপা বাওর
১১২. মল্লিক পুরের বটগাছ
১১৩. খৈয়াছড়া
১১৪. নাপিত্তাছড়া
১১৫. কুমিরা
১১৬. সন্দ্বীপ
১১৭. সোনাইছড়ি ট্রেইল
১১৮. সুপ্তধারা সহস্রধারা
১১৯. কমলদহ ট্রেইল
১২০. কুতুবদিয়া দ্বীপ
১২১. দুমলং
১২২. দুপ্পানি ঝনা
১২৩. গাছ কাটা ঝনা
১২৪. মাওয়া
১২৫. স্বনমন্দির
১২৬. মেঘলা
১২৭. তিনাপ সাইতার
১২৮. দেবতাখুম, সাত ভাই খুম, ভোলাখুম
১২৯. মহামায়া লেক
১৩০. যোগী হাফং
১৩১. ক্রিস তং
১৩২. ডিম পাহাড়
১৩৩. রেমাক্রি
১৩৪. ডিবির হাওর
১৩৫. রিজার্ভ ফলস
BD Episode
BDEpisode
09/08/2021
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিয়ের নৌকায়
বর্জপাতে ১৭ জন নিহত 😭😭
18/07/2021
২০২২ #কাতার_বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ মাঠে গড়াবে ২০২২ সালের (২১-শে) নভেম্বর। আর (১৮-ই) ডিসেম্বর ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪ টা, সন্ধ্যা ৭ টা, রাত ১০ টা এবং রাত ১ টা।
নক আউট পর্বের ম্যাচগুলা হবে রাত ৯ টা এবং রাত ১টা।
ফাইনাল হবে আর (১৮-ই) ডিসেম্বর #বাংলাদেশ সময় ৯ টা।
শুভ কামনা রইলো #আর্জেন্টিনার জন্য 🇦🇷🇦🇷❤❤
আলহামদুলিল্লাহ, এই বছরের শেষ সেহেরি সমাপ্ত হল।
রমজান মাসে যারা নামাজ পড়া
শুরু করেছেন, তাদেরকে আল্লাহ সারাজীবন নামাজ পড়ার
তাওফিক দান করুন।
30/04/2021
রড উৎপাদনে অক্সিজেন লাগে। আবুল খায়ের স্টিল (একেএস টিএমটি বার) প্ল্যান্টে রয়েছে বিশাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট যা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন সাপ্লাই করতে পারত। গত বছরই এই প্ল্যান্ট মেডিকেল অক্সিজেনের জন্য উপযোগী করে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। নিজেদের গাড়িতে করেই হাসপাতালে হাসপাতালে পৌছে দেয়া হয়েছে, আবার শুরু হয়েছে একই কার্যক্রম। ব্যক্তিগতভাবেও যে কেউ সিলিন্ডার রিফিল করতে চাইলে বিনামুল্যে করে দেয়া হয়। আর হাসপাতালে সিলিন্ডার লাগলে তাও সরবরাহ করা হয় বিনামূল্যে। ফ্যাক্টরি চট্টগ্রামে হলেও তা ঢাকা সহ অন্যান্য জেলার হাসপাতালেও সরবরাহ করা হচ্ছে।
🙏👏👌আবুল খায়ের গ্রুপ🥰🥰
রতন টাটাকে তো সবাই প্রশংসার জোয়ারে ভাসালেন। নিজেদের ত্যাগগুলোকেও স্বীকার করা উচিত......
আবুল খায়ের গ্রুপ দেশের ক্রান্তিলগ্নে এগিয়ে এসেছে প্রথম কোন শিল্পগোষ্ঠী হিসাবে। ভারত থেকে যেই ৫০ টন অক্সিজেন আসতো সেই ঘাটতি তারা পূরণ করবে। আমাদের প্রতিদিনের চাহিদা ২০০ টন। তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ২৬০ টন। প্রয়োজনে তারা কারখানা বন্ধ রেখে অক্সিজেন সাপ্লাই দিবে দেশে।
আই রিপিট তারা কারখানা বন্ধ রেখে অক্সিজেন সাপ্লাই দিবে!!!
এভাবে যদি সব শিল্পপতিরা এগিয়ে আসতেন তাহলে হয়তো উন্নত বিশ্বগুলির মতই দ্রুত আমরা যে কোন দূর্যোগ মোকাবেলা করতে পারতাম।
Courtesy: Nahid Islam
Youth Commando
28/04/2021
চারিদিকে হতাশা ও দুঃসংবাদের মধ্য একটা ভাল ও পজেটিভ খবর নিয়ে আসলো, ড.জাফর উল্লাহ চৌধুরীর গনস্বাস্হ্য কেন্দ্র। জানিনা তার এই সুচিন্তা কোন দুষ্ট চক্রের দ্বারা বাধা গ্রস্হ্য হয় কি না....
আসুন জেনে নেই, গনস্বাস্হ্যের কি পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে...
বাসা বাড়িই হবে আপনার করোনা হাসপাতাল।
[১] আপনি বাসায় থাকবেন, শুধু একটা ফোন কল। ব্যস, আপনার বাসায় হাজির হয়ে যাবে 'গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র'র কোভিড ১৯ চিকিৎসক দল।
[২] 'গণস্বাস্থ কেন্দ্র'র ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লা চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ঢাকার ভেতরে এই সেবা প্রদান করা হবে। গণস্বাস্থ্যের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম যে ওষুধ দেবে, তার জন্য কোনো টাকা নেবে না। এছাড়া করোনা পরীক্ষাসহ অন্যান্য যেসব পরীক্ষা করা হবে, সেগুলোর প্রায় অর্ধেক মূল্য নেবে তারা।
[৩] ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ধরেন, কেউ একজন রাজধানীর কলাবাগান থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফোন করল কিংবা অ্যাপসের মাধ্যমে জানাল। তার বাড়িতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গাড়ি যাবে, এক্সরে মেশিন যাবে, ইসিজি যাবে, ভ্যান্টিলেটর যাবে- সব যাবে। প্রথমে পরীক্ষার জন্য রক্তসহ প্রয়োজনীয় স্যাম্পল নিয়ে চলে আসবে। আগে যদি পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ থাকে, তাহলে তার বাড়িতে গিয়ে আমরা ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসব। এছাড়া বুকের এক্স-রে, ইসিজিসহ যেসব টেস্ট করানো প্রয়োজন, তা করা হবে। মোট কথা একজন করোনা রোগীর বাড়িতে একটা হাসপাতাল চলে যাবে।’
[৪] তিনি জানান, করোনা রোগীকে ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হবে। আর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হলে যে খরচ হবে, করোনা রোগীকে তার প্রায় অর্ধেক দিতে হবে। যেমন- বিভিন্ন পরীক্ষায় খরচ হলো ১০ হাজার টাকা, রোগীর পরিশোধ করতে হবে ৬ হাজার টাকা।
[৫] ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা দু’টি নম্বর দিয়ে দিচ্ছি। সেবা নিতে আগ্রহীদের সেই নম্বরে কল করতে হবে। নম্বর দুটি হলো- ০১৭০৯-৬৬৩৯৯৪ এবং +৮৮০৯৬০২১১১৯৪০। এই দুই নম্বরে ফোন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমকে ডাকতে পারবেন। আর করোনায় আক্রান্ত রোগীর বাড়ির একজন লোককে প্রশিক্ষণ দেব আমরা। যাতে করোনা রোগীর দেখাশোনা করতে পারে ওই বাড়ির প্রশিক্ষণ পাওয়া লোকটি।’
[৬] তিনি আরও বলেন, ‘এখন যে কেউ গণস্বাস্থ্যের হাসপাতালে এসে করোনার চিকিৎসা নিতে পারবেন। ৪০ শয্যার একটা ইউনিট করেছি আমরা। তার মধ্যে ৫টি করোনা আইসিইউ, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, কার্ডিয়াক মনিটর, ভ্যান্টিলেটর, ইসিজিসহ সব সুবিধা নিয়ে করোনা ইউনিট খোলা হয়েছে। ধানমণ্ডিতে এগুলো করা হয়েছে। তারপর করোনা আইসোলেশন সেন্টারও করা হয়েছে। এখানে এখনই যেকোনো লোক এসে ভর্তি হতে পারে।’
..ডা. জাফরুল্লা চৌধুরীর মতো আর দশজন যদি এই মানবিক সেবা নিয়ে এগিয়ে আসতো তাহলে লকডাউন, মুভমেন্ট পাশের প্রয়োজন হতো না, রাস্তা ঘাটে পাবলিক, ডাক্তারদের নিগৃহীত হতে হতো না।
আসুন, এই মহৎ সেবার খবরটি সকলের কাছে পৌঁছে দিই।
Dr. Zohir Biswas- ( তথ্যসুত্র)
..............................
লোকজনের আহাজারিতে ভারতের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে!
ইয়া আল্লাহ আমার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে হেফাজত করুন!🤲
অবশ্যই পড়ার অনুরোধ রইলো
শয়তান একবার হযরত ঈসা (عليه السلام)-কে বললো ,"তুমি এই পাহাড় থেকে লাফ দাও, যদি তোমার সৃষ্টিকর্তা সত্য হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন"।
তখন হযরত ঈসা (عليه السلام) শয়তানকে বললেন, "আমার প্রভু সবার পরীক্ষা নেন, আমি কখনোই আমার প্রভুর পরীক্ষা নিতে যাবো না"।
কিন্তূ আমরা বাঙ্গালীরা উল্টো প্রভুর পরীক্ষা নেই ।
"প্রভুর উপর ভরসা রাখলে বা প্রভুর নাম নিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হব না" এই ডায়লগ দিয়ে অসাবধানতা অবলম্বন করি,চায়ের দোকানে আড্ডাবাজি করি আর ডায়লগ মারি "আল্লাহ ভরসা"।
কিন্তু নিজেকে ঈমানদার প্রমাণের নামে আসলে সৃষ্টিকর্তার পরীক্ষা নিচ্ছি আমরা। সাবধান হন।
সৃষ্টিকর্তার পরীক্ষা নিতে যাবেন না। এটা আপনার আমার ভিতরে থাকা শয়তানের প্ররোচনা।
সৃষ্টিকর্তা আপনাকে বিবেক দিয়েছে। সেই বিবেক আপনাকে বলছে যে,আগুনে ঝাঁপ দিলে মারা যাবেন। কিন্তু আমি যদি বলি, আমি সাচ্চা বান্দা, তাই সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাচাঁবেন, অতএব আমি আগুনে ঝাঁপ দিলেও আমার কিছু হবে না। তাহলে প্রকৃত পক্ষে আপনি ইবলিশের দোসর। কারন , আপনি সৃষ্টিকর্তার পরীক্ষা নিচ্ছেন। সৃষ্টিকর্তা এক্ষেত্রে আপনাকে রক্ষা তো করবেনই না, বরং আত্মহত্যার দায়ে আপনাকে শাস্তি দিবেন।
হযরত নুহ (عليه السلام) কে বন্যার বিষয়ে সতর্ক করা হয়, যার জন্য তিনি জাহাজটি তৈরি করেছিলেন। জাহাজ তৈরি ছাড়াই তো সৃষ্টিকর্তা তাকে রক্ষা করতে পারতেন। করেছেন কি?
হযরত ইউসুফ (عليه السلام) কে খরা ও খাদ্য সংরক্ষণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।সতর্ক করার প্রয়োজন ছিল কি? সতর্ক করা ছাড়াই হযরত ইউসুফ (عليه السلام) কে নিরাপত্তা দিতে পারতেন।
হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (صلى الله عليه و آله وصحبه وسلم) কে তাঁর জীবন নাশের প্রয়াস সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল এবং তিনি মক্কা ত্যাগ করেছিলেন।সৃষ্টিকর্তা ইচ্ছা করলেই তাকে হিজরত করতে নিষেধ করতে পারতেন।
অতএব,আপনাকে ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে, তাই সাবধানতা অবলম্বন করুন।
সৃষ্টিকর্তার পরীক্ষা নিতে যাইয়েন না,বরং নিজে সতর্ক হোন ।'
- সংগৃহীত
আজ হউক কাল হউক! দেখবেন বর্তমানে যে মহামারী চলতেছে! এর ঔষধ পবিত্র কোরআন থেকেই আবিষ্কার হবে।
ইন শা আল্লাহ ✋
প্রতিদিন আমরা বিনে পয়সায় গড়ে ৫৫০ লিটার বিশুদ্ধ অক্সিজেন গ্রহণ করি, যার দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা।
আলহামদুলিল্লাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Mirpur