HSC- ব্যবসায় শিক্ষা

HSC- ব্যবসায় শিক্ষা

Share

The main purpose of this page is to give lectures, notes, suggestions and general guidance on busine

30/11/2025

সমবায়ের ইতিহাস

অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে শিল্পবিপ্লব (১৭৫০-১৮৫০) শুরু হওয়ার পর সমবায়ের উন্মেষ ঘটে বৃটেনে। ১৮৪৪ সালে ইংল্যান্ডের ল্যাংকারশায়ারের ২৮ জন তাঁতি/বস্ত্রকল শ্রমিক মিলে "রচডেল সোসাইটি" নামে একটি সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে এর সফলতা সমগ্র ইউরোপ জুড়ে আলোড়ন সৃস্টি করে। যার ফলশ্রুতিতে-

⇒ জার্মানিতে- কৃষক সমবায় সমিতি
⇒ ফ্রান্সে - উৎপাদক সমবায় সমিতি
⇒ আমেরিকায়- ভোক্তা সমবায় সমিতি
⇒ ইতালিতে- ঋণদান সমবায় সমিতি

গড়ে ওঠে এবং ১৮৯৫ সালে "আন্তর্জার্তিক সমবায় সমিতি" প্রতিষ্ঠিত হয়।

ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম সমবায় আইন পাশ হয় ১৯০৪ সালে এবং ১৯৫৯ সালে পাকিস্তান শাসনামলে প্রখ্যাত সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা ড. আকতার হামিদ খান- এর নেতৃত্বে কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত হয় PARD, যা স্বাধীন বাংলাদেশের অদ্ভুদদ্বয়ের পর নামকরণ করা হয় BARD (Bangladesh Academy for Rural Development)

30/11/2025

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা- প্রথম পত্র
অধ্যায়- ০৬
সমবায় সমিতি

কমবিত্তসম্পন্ন, সমশ্রেণিভুক্ত এবং সমমনা কতিপয় ব্যক্তি নিজেদের আর্থিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে সমঅধিকারের ভিত্তিতে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় যে সংগঠন গড়ে তোলে তাকে সমবায় সমিতি বলে।

সমবায়ের শাব্দিক অর্থ হলো "সম্মিলিত কর্মপ্রচেষ্টা" এবং এর মূলমন্ত্র হলো "একতাই বল"। এছাড়াও দশে মিলে করি কাজ, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে, স্বাবলম্বনই শ্রেষ্ঠ অবলম্বন ইত্যাদি মূলনীতির উপর ভিত্তি করেই সমবায় সমিতির সূত্রপাত।

বাংলাদেশের সমবায় সমিতিসমূহ ২০০১ সালের সমবায় আইন এবং ২০০৪ সালের সমবায় বিধি অনুযায়ী গঠিত ও পরিচালিত হয়।

Photos from HSC- ব্যবসায় শিক্ষা's post 01/11/2025

হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র
অধ‍্যায়- ০১

24/02/2025

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা- প্রথম পত্র
অধ্যায়- ০৪
অংশীদারি ব্যবসায়

• অংশীদারি ব্যবসায়
সর্বনিম্ন 2 জন এবং ব্যাংকিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জন ও অন্য সব ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ জন ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের ভিত্তিতে যে ব্যবসায় গঠন করে তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে।

➢ অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তির ভিত্তিতে অংশীদারদের মধ্যে যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় তাকে অংশীদারি বলে।
➢ ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের অংশীদারি ব্যবসায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
➢ একমালিকানা ব্যবসায়ের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে অধিক ব্যবসায় সুবিধা লাভ এবং যৌথ পুঁজি ও সামর্থ্যকে একত্রিত করে তুলনামূলক বৃহদায়তন ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা এরূপ ব্যবসায়ের মূল লক্ষ্য।

23/09/2024

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যাবস্থাপনা
প্রথম পত্র
অধ্যায় - ০২ (ব্যবসায় পরিবেশ)

প্রশ্নঃ পরিবেশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্যে মানুষ বসবাস করে এবং যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষের জীবনধারাকে প্রভাবিত করে তাকেই তার পরিবেশ বলে।

প্রশ্নঃ ব্যবসায় পরিবেশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্য দিয়ে একটি দেশের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসমূহ গঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে ব্যবসায় পরিবেশ বলে।

ব্যাবসায় পরিবেশের উপাদানগুলোকে আমরা প্রাথমিকভাবে ৬টি ভাগে ভাগ করতে পারি
১. প্রাকৃতিক পরিবেশ
২. অর্থনৈতিক পরিবেশ
৩. সামাজিক পরিবেশ
৪. রাজনৈতিক পরিবেশ
৫. আইনগত পরিবেশ
৬. প্রযুক্তিগত পরিবেশ

প্রাকৃতিক পরিবেশ
কোন দেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মৃত্তিকা, নদ-নদী, সাগর-সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত, দেশের আয়তন, অবস্থান ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
অর্থাৎ, প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট উপাদানের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে প্রাকৃতিক পরিবেশ।
• প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভূ-প্রকৃতি
২. মৃত্তিকা
৩. জলবায়ু

৪. নদ-নদী
৫. সাগর-সমুদ্র
৬. পাহাড়-পর্বত

৭. দেশের আয়তন
৮. দেশের অবস্থান

৯. প্রাকৃতিক সম্পদসমূহ
(খণিজ সম্পদ, বনজ সম্পদ, প্রাণিজ সম্পদ, জলজ সম্পদ ইত্যাদি)

ব্যবসায়ের উপর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিভিন্ন ধরণের। ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা, জলবায়ু, দেশের অবস্থান, আয়তন প্রভৃতির পার্থক্যের কারণে এরূপ ভিন্নতা দেখা দেয়। অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যাবসায় গঠন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন- পাট চাষের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশে পাট শিল্পের প্রসার ঘটেছে। অনুরূপভাবে নরওয়েতে মৎস শিল্প, কুয়েতে পেট্রোলিয়াম শিল্প গড়ে উঠার পিছনেও প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানগুলো প্রভাব বিস্তার করেছে।

আবার, প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যাবসায় গঠন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে থাকে। যেমন- নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান ইত্যাদি দেশ ভূবেষ্টিত হওয়ায় এখানে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই। ফলে এসকল দেশ বৈদেশিক বাণিজ্যে সুবিধা করতে পারছে না।

মূলত,প্রাকৃতিক পরিবেশের ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন দেশের ব্যাবসায় কার্যকলাপও ভিন্নতর হয়ে থাকে। কোন দেশে কোন শিল্প গড়ে উঠবে তা অনেকাংশেই নির্ভর করে অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর। অর্থাৎ, ব্যাবসায় গঠন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পরিবেশ তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

অর্থনৈতিক পরিবেশ
কোনো দেশের আয় ও সঞ্চয়, মূলধন ও বিনিয়োগ, অর্থ ও ঋণ ব্যাবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।

অর্থনৈতিক পরিবেশের উপাদান

১. আয় ও সঞ্চয়
২. মূলধন ও বিনিয়োগ

৩. অর্থ ও ঋণ ব্যাবস্থা
৪. আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ

৫. মুদ্রাবাজার
৬. শেয়ারবাজার

৭. দক্ষ উদ্যোক্তা
৮. মানবসম্পদ

৯. মুদ্রা ও রাজস্বনীতি
১০. চাহিদা ও ভোগ

ব্যবসায়ের উপর অর্থনৈতিক পরিবেশের প্রভাব

যেকোনো ব্যাবসায় গঠন, পরিচালনা এবং সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ প্রভাব বিস্তার করে থাকে। অর্থ হচ্ছে ব্যাবসায়ের মূল চালিকাশক্তি। যেকোনো ব্যাবসায় স্থাপনের জন্য মূলধন তথা অর্থের প্রয়োজন হয়। ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ মূলধন গঠনে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মানসিকতাও মূলধন গঠনে অবদান রাখে। এসকল উপাদানের প্রাপ্যতা অর্থনৈতিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করে। একটি সমৃদ্ধ ও অনুকূল অর্থনৈতিক পরিবেশ যেকোনো দেশের ব্যাবসায়ের দ্রুত অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে।

উদাহরণস্বরূপ আমরা সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নতির কথা বলতে পারি, যাদের উন্নয়নের পিছনে অর্থনৈতিক পরিবেশের প্রভাব উল্লেখযোগ্য।

সামাজিক পরিবেশ
কোনো দেশের জনসংখ্যা, জাতীয়তা, ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি, শিক্ষা ব্যাবস্থা, মূল্যবোধ, আচার-আচরণ দেশের ঐতিহ্য ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে সামাজিক পরিবেশ বলে।

সামাজিক পরিবেশের উপাদানসমূহ নিম্নরূপ-

১. জনসংখ্যা
২. জাতীয়তা
৩. ধর্মীয় বিশ্বাস
৪. সংস্কৃতি
৫. শিক্ষা ব্যাবস্থা
৬. মূল্যবোধ
৭. আচার-আচরণ
৮. দেশের সুনাম
৯. দেশের ঐতিহ্য
১০. সামাজিক প্রতিষ্ঠান সমূহ

সামাজিক পরিবেশের উপাদানসমূহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান হলো-
১. ধর্মীয় পরিবেশ
২. সাংস্কৃতিক পরিবেশ

১.ধর্মীয় পরিবেশ-- ধর্মীয় বিশ্বাস, ধর্মীয় অনুভূতি, ধর্মীয় অনুশাসন ও আচার-আচরণ, ধর্মের চর্চা ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে ধর্মীয় পরিবেশ বলে।
একেক ধর্মের জনগণ একেক ধরণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কার দ্বারা প্রভাবিত হয়। সকল সমাজে মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাদের আচার আচরণে প্রভাব বিস্তার করে। যার কারণে কিছু ব্যবসায়ের প্রসার লাভ করে আবার কিছু ব্যবসায় বাধাপ্রাপ্ত হয়। যেমন- বৌদ্ধ ধর্মমতে- জীব হত্যা মহাপাপ। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান দেশগুলো পশুপালন শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারে না। আবার, ধর্মীয় কারণেই সৌদিআরব ধর্মীয় পণ্যসামগ্রী যেমন- আতর, জায়নামাজ, তসবি ইত্যাদির ব্যবসায়ে অগ্রসরমান। অর্থাৎ, যেকোনো ব্যবসায় গঠন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রভাব সুস্পষ্ট।

২. সাংস্কৃতিক পরিবেশ-- সমাজের অভ্যন্তরে মানুষের মাঝে দীর্ঘদিনে গড়ে ওঠা কিছু ধারণা, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, আচরণ, রীতি, প্রথা ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে সাংস্কৃতিক পরিবেশ বলে।
কোনো এলাকার সংস্কৃতি সে এলাকার সার্বিক কাজ কর্মের সাথে সাথে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকেও প্রভাবিত করে থাকে। অর্থাৎ, কোনো এলাকার মানুষের খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, চাল-চলন, দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি প্রভাবিত হয় ওই এলাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের দ্বারা। আর এগুলোর উপর ভিত্তি করেই সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়াও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও ব্যবসায় গঠন ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। যেমন- ঢাকার মসলিন, টাঙ্গাইলের চমচম, বগুড়ার দই, মিরপুরের বেনারশি ইত্যাদি ব্যবসায় তাদের পুরোনো ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আজও প্রবৃদ্ধি লাভ করছে।

রাজনৈতিক পরিবেশ

কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব, সরকার, সরকারি নীতিমালা, রাজনৈতিক দল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে রাজনৈতিক পরিবেশ বলে।

রাজনৈতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ

১. সার্বভৌমত্ব
২. সরকার
৩. সরকারি নীতিমালা
৪. রাজনৈতিক দল
৫. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ
৬. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
৭. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
৮. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

ব্যবসায়ের উপর রাজনৈতিক পরিবেশের প্রভাব

সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ যেকোনো দেশের ব্যাবসায়ের অগ্রগতির অন্যতম নিয়ামক হিসাবে কাজ করে। রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে সেখানে ব্যবসায় বান্ধব নীতিমালা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়ের অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যায়, যা যেকোনো দেশের ব্যবসায়কে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। যেমন- মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে সেদেশের স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ।

পক্ষান্তরে, অনুন্নত ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ দেশের ব্যবসায়ের অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্থ করে। ব্যবসায়ীগণ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। নতুন উদ্যোক্তারা উৎসাহ-উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলে। বহিঃবিশ্বে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। ফলশ্রুতিতে বিদেশী বিনিয়োগ হ্রাস পায়। যেমন- মায়ানমার প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে তারা ব্যবসায়ে পিছিয়ে রয়েছে।

অর্থাৎ, অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যবসায় দ্রুত প্রসার লাভ করে। আর প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যবসায়ের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়।

আইনগত পরিবেশ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রণীত বিভিন্ন আইন যেমন- বাণিজ্যিক আইন, পরিবেশ সংক্রান্ত আইন, শিল্প আইন, শ্রম আইন, ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইন, ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে আইনগত পরিবেশ বলে।

আইনগত পরিবেশের উপাদানসমূহ

১. বাণিজ্যিক আইন
২. পরিবেশ সংক্রান্ত আইন
৩. শিল্প আইন
৪. শ্রম আইন
৫. ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইন
৬. আমদানি-রপ্তানি নীতি ইত্যাদি।

ব্যবসায়ের উপর আইনগত পরিবেশের প্রভাব
যেকনো দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সেদেশের প্রচলিত আইনগত বিধি-বিধান মেনে চলতে হয়। আইনগত কারণেই একজন ব্যবসায়ী তার ইচ্ছা মতো বা মন মতো যেকোনো কাজ করতে পারে না। তাকে অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। যেমন- শিল্প কারখানায় শ্রমিক নিয়োগ, শ্রম বিরোধ মীমাংসা সংক্রান্ত বিধি-বিধান বর্ণিত রয়েছে শ্রম আইনে। এ সংক্রান্ত কার্যক্রম ও উদ্ভোত সমস্যার সমাধান অবশ্যই এই আইন অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।
অনুরূপভাবে, মজুরি আইন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইন, শিল্পনীতি, বিনিয়োগনীতি, ইত্যাদিও ব্যবসায়-বাণিজ্য স্থাপন ও পরিচালনার সুবিধার্থে প্রণীত হয়, যা ঐ দেশের ব্যবসায়ের কার্যাবলীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এসব আইন যদি যুগোপযোগী ও সহজ প্রকৃতির হয়, তবে প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। অন্যথায়, ব্যবসায় পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পরে।

প্রযুক্তিগত পরিবেশ
কোনো দেশের বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা, গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানসমূহ, প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তির আমদানির সুযোগ ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে প্রযুক্তিগত পরিবেশ বলে।

প্রযুক্তিগত পরিবেশের উপাদানসমূহ

১. বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা
২. গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানসমূহ
৩. প্রযুক্তির ব্যবহার
৪. প্রযুক্তির আমদানির সুযোগ ইত্যাদি।

ব্যবসায়ের উপর প্রযুক্তিগত পরিবেশের প্রভাব

বর্তমানকালে ব্যবসায়ের উপর প্রযুক্তিগত পরিবেশের ব্যাপক প্রভাব লক্ষণীয়। প্রযুক্তিগত পরিবেশ ব্যবসায়ের ধারা ও গতি-প্রকৃতিকে দ্রুত পরিবর্তন করে দিচ্ছে। বিজ্ঞানের মাধ্যমে নতুন নতুন তত্ত্ব ও জ্ঞানের আবিষ্কার ঘটে। আর এই তত্ত্ব ও জ্ঞানকে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ সৃস্টি করে এই প্রযুক্তি।

উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কম খরচে উন্নতমানের নতুন নতুন পণ্য সেবার উৎপাদন ও সরবরাহ সম্ভব হয়। ফলে ব্যবসায়-বাণিজ্য দ্রুত প্রসার লাভ করে। চীন, জাপান, ব্রিটেনসহ অন্যান্য উন্নত দেশের ব্যবসায়িক সাফল্যের মুলেও রয়েছে এই প্রযুক্তিগত পরিবেশের প্রভাব।

প্রশ্নঃ ব্যবসায়ের উপর প্রত্যক্ষ প্রভাববিস্তারকারী পরিবেশের উপাদানসমূহ আলোচনা কর।
প্রতিষ্ঠানের অব্ভন্তরীন ও বাহ্যিক যে সকল উপাদান বা শক্তিসমূহ প্রতিষ্ঠানের কাজের উপর প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তার করে তাদেরকে প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান বলে। এ ধরণের উপাদানসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

ক. অভ্যন্তরীণ পরিবেশ (ব্যাষ্টিক- Micro)
খ. বাহ্যিক পরিবেশ (সামষ্টিক- Macro)

অভ্যন্তরীণ পরিবেশ
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে বিদ্যমান অবস্থা ও বিভিন্ন পক্ষের সমন্বয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তাকে অভ্যন্তরীন পরিবেশ বলে। অভ্যন্তরীন পরিবেশের উপাদানসমূহ নিম্নরুপঃ
১. মালিক বা শেয়ারহোল্ডার
২. পরিচালনা পর্ষদ
৩. শ্রমিক-কর্মী
৪. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সংস্কৃতি
৫. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সুযোগ সুবিধা ইত্যাদি।

বাহ্যিক পরিবেশ
প্রতিষ্ঠানের বাইরের বিভিন্ন অবস্থা ও পক্ষসমূহের কর্মকান্ড ও আচরণ যা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে তাকে বাহ্যিক পরিবেশ বলে। বাহ্যিক পরিবেশের উপাদানসমূহ নিম্নরুপঃ

১. প্রতিযোগী
২. ক্রেতা বা ভোক্তা
৩. সরবরাহকারী
৪. মধ্যস্ত ব্যবসায়ী
৫. কৌশলগত মিত্র
৬. সরকারি সংস্থা ইত্যাদি।

19/08/2024

এইচএসসি ২০২৪
অংশীদারি ব্যবসায় - হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র, অধ্যায়- ০২

১. পৌরসভার মধ্যে অংশীদারি ব্যবসায় গঠনে কোনটি প্রয়োজন হয়?

ক. নিবন্ধন পত্র খ. ট্রেড লাইসেন্স

গ. প্রত্যয়নপত্র

ঘ. কার্য আরম্ভের অনুমতি

২. কোন ধরনের ব্যক্তি অংশীদারি কারবারের সদস্য হতে পারে না?

ক. সাবালক খ. প্রাপ্তবয়স্ক

গ. নাবালক ঘ. বিধবা নারী

৩. নিচের কোনটি অংশীদারি ব্যবসায়ের জন্য বাধ্যতামূলক?

ক. চুক্তি খ. দলিল

গ. নিবন্ধন ঘ. আইনগত সত্তা

৪. কোনো অংশীদার ব্যবসায়ে ক্ষতিসাধন করলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে?

ক. তাকে বহিষ্কার করা যাবে

খ. তার কমিশন কর্তন করা যাবে

গ. সম্মিলিতভাবে সবাই দায়ী হবে

ঘ. তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে

৫. কখন অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন কার্য সম্পন্ন হয়?

ক. নিবন্ধক স্বাক্ষর করলে

খ. নিবন্ধকের সিলমোহর দিলে

গ. নিবন্ধক আবেদন পড়ে সন্তুষ্ট হলে

ঘ. নিবন্ধক স্বাক্ষর ও সিলমোহর দিলে

৬. কোন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ উদ্ধারের জন্য অংশীদাররা আদালতে মামলা করতে পারবে?

ক. নিবন্ধিত চুক্তির ক্ষেত্রে

খ. লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে

গ. প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তির পর

ঘ. অনিবন্ধিত ও নিবন্ধিত চুক্তির ক্ষেত্রে

৭. অংশীদারি ব্যবসায়ের আর্থিক বিবরণীতে মুনাফা–সংক্রান্ত হিসাবের অংশে কোন হিসাবটি প্রস্তুত করা হয়?

ক. লাভ–লোকসান বণ্টন

খ. লাভ–লোকসান

গ. অতিরিক্ত মূলধন

ঘ. সমন্বিত লাভ–লোকসান

৮. চুক্তিপত্রে উল্লেখ না থাকলে অংশীদারদের অধিকার কেমন হবে?

ক. কম খ. বেশি

গ. সমান ঘ. মূলধন অনুপাত

৯. অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়ের দেনা–পাওনা সমন্বয় করে কী নির্ণয় করা হয়?

ক. প্রকৃত মুনাফা খ. মোট মুনাফা

গ. সঞ্চিত মুনাফা

ঘ. বণ্টনযোগ্য মুনাফা বা ক্ষতি

১০. লাভ–লোকসান আবণ্টন হিসাবের ব্যালেন্স কোথায় স্থানান্তর করা হয়?

ক. লাভ–লোকসান হিসাব

খ. আর্থিক বিবরণীতে

গ. মূলধন বা চলতি হিসাবে

ঘ. স্থিতিশীল মূলধন হিসাবে

১১. লাভ–লোকসান হিসাব প্রস্তুত বাধ্যতামূলক কেন?

ক. বণ্টনযোগ্য মুনাফা নির্ণয় করা হয় বলে

খ. মুনাফা নির্ণয়ের লক্ষ্যে প্রস্তুত হয় বলে

গ. আর্থিক বিবরণীর একটি ধাপ বলে

ঘ. এটি ছাড়া আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত অসম্ভব বলে

১২. অংশীদারদের মূলধন হিসাব সংরক্ষণের পদ্ধতি কয়টি?

ক. ২টি খ. ৩টি

গ. ৪টি ঘ. ৫টি

১৩. অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধনের দ্বারা কোনটি ঘটে?

ক. খরচ বৃদ্ধি পায়

খ. আইনগত সত্তার সৃষ্টি হয়

গ. আন্তর্জাতিক ব্যবসায় করা যায়

ঘ. দায় কমে

১৪. কোন অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক?

ক. সীমিত খ. ঐচ্ছিক

গ. বিশেষ ঘ. ব্যাংকিং

১৫. কোনটি অংশীদারদের ব্যক্তিগত হিসাব?

ক. লাভ–লোকসান খ. ক্রয়–বিক্রয়

গ. উদ্ধৃত্তপত্র ঘ. চলতি হিসাব

১৬. অংশীদারি কারবারের উত্তোলনের সুদ কী নির্দেশ করে?

ক. আয় খ. ব্যয়

গ. দায় ঘ. মূলধন

১৭. সান ও মুনের লাভ–ক্ষতি বণ্টন অনুপাত ২:১। স্টারকে নতুন অংশীদার হিসেবে কারবারে লাভের ১/৪ অংশ প্রদান করা হলে তাদের কারবারের লাভ–ক্ষতি বণ্টন অনুপাত কত হবে?

ক. ৩:২:১ খ. ২:২:১

গ. ২:১:১ ঘ. ১:১:১

১৮. রাশেদ ও মিলন দুজন অংশীদার। তাদের মুনাফার অনুপাত ২:১। তারা মিজানকে ১০% মুনাফার বিনিময় নতুন অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করে। মুনাফার নতুন অনুপাত কত?

ক. ৬:৩:১ খ. ৫:৩:১

গ. ৩:৬:২ ঘ.৩:২:১

সঠিক উত্তর

অধ্যায় ২: ১. খ ২. গ ৩. ক ৪. ঘ ৫. ঘ ৬. ক ৭. ক ৮. গ ৯. ঘ ১০. গ ১১. খ ১২. ক ১৩. খ ১৪. ক ১৫. গ ১৬. ক ১৭. গ ১৮. ক

30/12/2023

“12th fail”
কারও যদি মোটিভেশন দরকার হয় তবে এই একটি মুভিই যথেষ্ট। বিশেষ করে যারা বিসিএস দিয়েছে কিংবা দিচ্ছে তাদের ভালো লাগবে নিশ্চিত।

Photos from HSC- ব্যবসায় শিক্ষা's post 01/10/2023

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ ইউনিটে আসন সংখ্যা ও মান বণ্টন।

01/10/2023

এখন বলো কফি কার কার প্রিয়?? 😉

01/10/2023

বাংলাদেশে মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক ৬১ টি এবং অ- তালিকাভুক্ত ব্যাংক ৫ টি।

রাষ্ট্রায়ত্ত বানিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি। যথাঃ
1. সোনালি ব্যাংক লি.
2. রুপালি
3. অগ্রনী
4. জনতা
5. বেসিক ব্যাংক
6. বিডিবিএল

বেসরকারি বানিজ্যিক ব্যাংক ৪৩ (৩৩+১০) টি। যথাঃ
1. পূবালি ব্যাংক
2. উত্তরা ব্যাক
3. ন্যাশনাল ব্যাংক
4. ব্রাক ব্যাংক
5. সীমান্ত ব্যাংক
6. কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড

ইসলামি ব্যাংক ১০ টি। যথাঃ
1. আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক
2. SIBL
3. EXIM Bank
4. FSIB
5. শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক
6. ইউনিয়ন ব্যাংক
7. স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
8. গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক
9. ICB ইসলামিক ব্যাংক
10. ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিনিটেড

বিদেশি বানিজ্যিক ব্যাংক ৯ টি। যথাঃ
1. স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাক
2. HSBC
3. হাবিব ব্যাংক
4. উরি ব্যাংক
5. সিটি ব্যাংক এনএ
6. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
7. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
8. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
9. ব্যাংক আল ফালাহ

বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি। যথাঃ
1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক

অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক ৫ টি। যথাঃ
1. গ্রামীণ ব্যাংক
2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
3. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
4. পল্লী সন্চয় ব্যাংক
5. জুবিলী ব্যাংক

01/10/2023

সুতরাং কলেজে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

06/06/2023

হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র
অধ্যায়- ৫

১. আন্তর্জাতিক হিসাব মান–০১ (IAS-01) অনুযায়ী আর্থিক বিবরণী কয়টি অংশে প্রস্তুত করা হয়?
ক. ৬টি খ. ৫টি
গ. ৪টি ঘ. ৩টি

২. নিচের কোনটি আর্থিক বিবরণীর অংশ নয়?
ক. নগদ প্রবাহ বিবরণী
খ. আয় বিবরণী
গ. বেতন বিবরণী
ঘ. আর্থিক অবস্থার বিবরণী

৩. কোন সভায় পরিচালকমণ্ডলী আর্থিক বিবরণী পেশ করেন?
ক. বিধিবদ্ধ সভায়
খ. অর্ধবার্ষিক সভায়
গ. পরিচালকমণ্ডলীর সভায়
ঘ. বার্ষিক সাধারণ সভায়

৪. আর্থিক তথ্য বার্ষিক সাধারণ সভার কত দিন আগে শেয়ার মালিকদের নিকট পাঠাতে হয়?
ক. ১০ দিন খ. ১২ দিন
গ. ১৪ দিন ঘ. ১৫ দিন

৫. প্রতিবছর শেয়ারহোল্ডারদের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে কোনটি প্রেরণ করতে হয়?
ক. নগদান প্রবাহ বিবরণী
খ. আয় বিবরণী
গ. আর্থিক বিবরণী
ঘ. আর্থিক অবস্থার বিবরণী

৬. যৌথ মূলধনি ব্যবসায় পরিচালনা করেন কে?
ক. অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারগণ
খ. চেয়ারম্যান
গ. যেসব উদ্যোক্তা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করেন
ঘ. শেয়ারহোল্ডারদের দ্বারা নির্ধারিত পরিচালকমণ্ডলী

৭. কোম্পানি আইন অনুযায়ী আর্থিক বিবরণী কাদের নিকট প্রেরণ করা বাধ্যতামূলক?
ক. অবলেখক
খ. মার্চেন্ট ব্যাংক
গ. বাংলাদেশ ব্যাংক
ঘ. নিবন্ধক ও শেয়ার মালিক

৮. পণ্য বা সেবা বিক্রয়লব্ধ অর্থকে কী বলে?
ক. আয় খ. লাভ
গ. প্রাপ্তি ঘ. গ্রহণ

৯. নিরীক্ষা ফি কোন ধরনের ব্যয়?
ক. অপরিচালন ব্যয়
খ. পরিচালন ব্যয়
গ. কাল্পনিক ব্যয়
ঘ. অবাস্তব ব্যয়

১০. বিক্রীত পণ্যের ব্যয় নির্ণয়ে কোন দফাটি আসে না?
ক. ক্রয় খ. মজুরি
গ. ক্রয় পরিবহন ঘ. রপ্তানি শুল্ক
সঠিক উত্তর

অধ্যায় ৫: ১.খ ২.গ ৩.ঘ ৪.গ ৫.গ ৬.ঘ ৭.ঘ ৮.ক ৯.খ ১০.ঘ

Want your school to be the top-listed School/college in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

House/19/20, Road/04, Block/E, Section/01
Mirpur
1216