24/10/2025
🧪 গৃহস্থালির বর্জ্যের রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাতকরণ
রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাতকরণ হলো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি, যা গৃহস্থালির বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে ও তা নিরাপদে ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে। রাসায়নিক প্রক্রিয়ার আগে বর্জ্য সাধারণত জৈব, অজৈব ও বিপজ্জনক বর্জ্য — এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ধরনের বর্জ্যের জন্য আলাদা রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সবচেয়ে প্রচলিত একটি পদ্ধতি হলো নিউট্রালাইজেশন (Neutralization), যেখানে অ্যাসিডিক বর্জ্যকে ক্ষার (যেমন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা চুন) দিয়ে এবং ক্ষারীয় বর্জ্যকে অ্যাসিড দিয়ে নিরপেক্ষ করা হয়, যাতে নিরাপদ pH বজায় থাকে। আবার অক্সিডেশন ও রিডাকশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থ ধ্বংস করা হয়, যেখানে ক্লোরিন বা হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের মতো রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়।
বর্জ্য পানির শোধনে (wastewater treatment) সাধারণত কোয়াগুলেশন ও ফ্লকুলেশন (Coagulation & Flocculation) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এতে অ্যালুমিনিয়াম সালফেট বা ফেরিক ক্লোরাইডের মতো রাসায়নিক পদার্থ যোগ করে পানির ভাসমান কণাগুলো একত্রিত করে ফিল্টার করা সহজ হয়।
অ্যাডভান্সড অক্সিডেশন প্রক্রিয়া (AOPs) যেমন ওজোন ও হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড একত্রে ব্যবহার করে জটিল জৈব দূষণকারী পদার্থকে ভেঙে নিরীহ পদার্থে (যেমন পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড) রূপান্তরিত করে।
জৈব বর্জ্য, যেমন রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট, রাসায়নিক-সহায়ক কম্পোস্টিং পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করা যায়, যেখানে চুন বা ইউরিয়া যোগ করে পচন প্রক্রিয়া দ্রুত করা হয় এবং সার তৈরি হয়।
ডিসইনফেকশন (Disinfection) প্রক্রিয়ায় ক্লোরিন বা ব্লিচ ব্যবহার করে বর্জ্য পানির ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করা হয়।
আর ভারী ধাতুবিশিষ্ট বিপজ্জনক বর্জ্যকে চুন বা সিমেন্টের সঙ্গে মিশিয়ে রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল (stabilized) করা হয়, যাতে তা মাটি বা পানিতে ছড়িয়ে না পড়ে।
সর্বোপরি, রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাতকরণ বর্জ্যকে নিরাপদ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বা নিষ্পত্তিযোগ্য আকারে রূপান্তরিত করে — যা মানুষ ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই সুরক্ষিত। তবে এই পদ্ধতিতে রাসায়নিক ব্যবহারের সময় যথাযথ নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
29/12/2024
🔥🔥ব্রেকিং নিউজ🔥🔥
✅অনার্স ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা ২৫ সালে এপ্রিল মাসের ২য় সপ্তাহ থেকে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
✅ অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
✅সিরিয়াল অনুযায়ী অনার্সের পরীক্ষাগুলো হবে।
✅ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্যার বা ডেইলি ক্যাম্পাসের আগের রিপোর্ট ভুল ছিলো।মার্চের শেষে রমজানের ছুটি আর এপ্রিলের প্রথমে ঈদের সরকারি ছুটি থাকে সুতরাং আগের তথ্যটি কোনোভাবে ভুল ছিলো।
✅রমজান মাসে বর্তমানে পরীক্ষা হয় না তারপরও নিলে ২-৩ টি পরীক্ষা সকাল থেকে নেওয়া যেতো, কিন্তু প্রথম ১০-১৫ দিন কলেজ খোলা থাকে এবং ১২ টা পর্যন্ত ক্লাস হয়।
দুপুর ১২ টা পর্যন্ত একাদশ-দ্বাদশ,অনার্স ও ডিগ্রীদের ক্লাস হয়।
আর রমজান মাসে দুপুরের পর কখনোই অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না(আর এটা যৌক্তিকও না)।
(৪ ঘন্টা পরীক্ষা +কলেজ কতৃক প্রাসঙ্গিক প্রস্তুতির অতিরিক্ত ২ ঘন্টা)
✅অনার্স ৩য় বর্ষের পুনঃনীরক্ষনের ফলাফল পাবলিশ হলে অনার্স ৩য় বর্ষের ফরম ফিলাপের নোটিশ পেতে পারেন।
জানুয়ারি মাসে-ই ফরম পূরণের নোটিশ দেওয়ার প্রবল সম্ভবনা রয়েছে।
✅ জানুয়ারি মাসে ফাইনাল মাস্টার্সের রুটিন দিবে বলে আশা করা যায়।
©
সাজেশন ফ্রিতে দেওয়া হয় এখানে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ 👎
NU Notice & Suggestion Directed by Milon Hossain Raj
19/11/2024
বিএসসি ২য় বর্ষ
নন মেজর, পদার্থবিজ্ঞান ৩
৩য় অধ্যায়
18/11/2024
"স্নাতক" তো পাশ করলেন! জানেন কী স্নাতক মানে কী?
স্নাতক শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল - (জ্ঞানের) জলে স্নান বা অবগাহন । নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর পান্ডিত্য অর্জন করা বা ডিগ্রি অর্জন করা |
"স্নাতক" শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত এবং এর অর্থ হলো অভিষিক্ত বা স্নান সম্পন্নকারী । প্রাচীনকালে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা গুরু বা আচার্যের কাছ থেকে আশীর্বাদ গ্রহণ করত এবং একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্নান করত। সেই স্নানের মাধ্যমে তারা শিক্ষাজীবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হতো । বৈদিক যুগে গুরু গৃহে বারো বছর ধরে ছাত্রদের পড়াশোনা চলার পর সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত । আর সেই অনুষ্ঠানে তাদের এক বিশেষ স্নান সম্পন্ন করার পর তাদের " স্নাতক " বলা হত । সেই থেকে এই স্নাতক কথাটি এসেছে।
বর্তমানে "স্নাতক" শব্দটি সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ডিগ্রি (যেমন বিএ, বিএসসি, বিবিএ) অর্জনকারী ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় ।