BCS Preparation with Al Amin

BCS Preparation with Al Amin Stay with us for continuous BCS preparation. You will get a neat platform.
(1)

13/12/2024

To be a BCS cadre you need to be patient.

13/12/2024

Topic - 61: General Science Lecture - 11
AIDS

এইচ আই ভি ভাইরাস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে। প্রথম আসেরিকায় ১৯৮১ সালে এইডস রোগী শনাক্ত করা হয়। বাংলাদেশে শনাক্ত করা হয় ১৯৮৯ সালে। সবচেয়ে বেশি এইডস রোগী দক্ষিণ আফ্রিকায়। বিশ্ব এইডস দিবস ১ লা ডিসেম্বর । মুক্তিযোদ্ধা দিবস ১ লা ডিসেম্বর ।
পোলিও:
এটি ভাইরাসজনিত রোগ। এই ভাইরাস দেহের ¯œাুকোষকে আক্রান্ত করে। ১৯৫৪ সালে এটি শনাক্ত করা হয়। বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত হয় ২০০৬ সালে। জোনাস সক লা জোলা শহরে মৃত্যুবরণ করেন। যুক্তরাষ্টের ৩২ তম রাষ্টপ্রতি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট পোলিও রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান বেরিবেরি ও গøুকোমা রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
যক্ষ¥া:
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। যা টিউবার কিউলেসিস ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে হয়। ইহা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ। টিকা বিসিজি।
টাইফয়েড:
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এটি ২ প্রকার। ১. টাইফয়েড ২. প্যারা টাইফয়েড
টাইফয়েড হয় সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত।
প্যারা টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়া সালমোনেলা প্যারা টাইফির আক্রান্ত।
বসন্ত:
ভাইরাসজনিস রোগ। র‌্যাবিস ভাইরাসের আক্রমণে এ রোগ হয়। প্রতিষেধক আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।
ব্রংকাইটিস: শ্বাসনালিতে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
ডাইবেটিস: ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে গøুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াকে ডাইবেটিস বলে।
অন্টিজেন: প্রোটিন, নিউক্লিক এসিড, লিপিড দ্বারা তৈরি এক ধরনের যৌগ। যা দেহের বাইরে থেকে এসে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় করে।
অন্টিবডি: লিম্ফোসাইট শ্বেত রক্তকনিকা থেকে তৈরি এক ধরনের প্রোটিন জাতীয় যৌগ যা দেহের রোগ জীবাণুকে ধ্বংস বা প্রতিহত করে।
পিসিকালচার:
চিংড়ি গবেষনা কেন্দ্র অবস্থিত বাগেরহাট। সামুদ্রিক মাছ গবেষনা কেন্দ্র কক্সবাজার। সামুদ্রিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদী। হোয়াইট সোনা হল চিংড়ি। চিংড়ি চাষের জন্য খুলনাকে কুয়েত সিটি বলা হয়।
সেরিকালচার: বাংলাদেশ সেরিকালচার কেন্দ্র অবস্থিত রাজশাহীতে। বিপুল ও সোনালী উন্নতজাতের রেশম।
এপিকালচার: বাংলাদেশ এপিকালচার কেন্দ্র ঢাকায়। মধুতে ফ্রুকটোজ শর্করা বিদ্যমান। মধু সংগ্রহ করে কর্মী মৌমাছি।
হর্টিকালচার: মসলা গবেষনা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া। ধান গবেষনা কেন্দ্র জয়দেব, গাজীপুর।

12/12/2024

Topic - 60: General Science Lecture -10

জীবাণুর পোষক:
(১) ম্যালেরিয়া = স্ত্রী এনোফিলিস মশা
(২) ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ = স্ত্রী কিউলিস মশা
(৩) ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, জ্বিকা = এডিস মশা
(৪) ইবোলা = বানর
(৫) সোয়াইন ফ্লু = শুকর
(৬) নিপাহ = বাদুর
(৭) প্লেগ = ইঁদুর
(৮) লাসা = ইঁদুর
(৯) জলাতঙ্ক = কুকুর, বিড়াল
(১০) ডাইরিয়া, কলেরা = মাছি
(১১) করোনা = বাদুড়, সাপ
করোনা ভাইরাস চীনের হুবেই প্রদেশের হুয়ান শহর থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
অভাবজনিত রোগ:
ক্যালসিয়াম = রিকেটস, অ্যাস্টিম্যালেশিয়া
আমিষ = মেরাসমাস, কোয়াশিয়কর
সোডিয়াম = হৃদরোগ
জিংক = বুদ্ধিহীনতা
লোহা = রক্তাস্বল্পতা
আয়োডিন = গলগন্ড
ফসফরাস = হাড় ও দাঁতের ক্ষয়রোগ হয়জীবাণুর পোষক:
(১) ম্যালেরিয়া = স্ত্রী এনোফিলিস মশা
(২) ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ = স্ত্রী কিউলিস মশা
(৩) ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, জ্বিকা = এডিস মশা
(৪) ইবোলা = বানর
(৫) সোয়াইন ফ্লু = শুকর
(৬) নিপাহ = বাদুর
(৭) প্লেগ = ইঁদুর
(৮) লাসা = ইঁদুর
(৯) জলাতঙ্ক = কুকুর, বিড়াল
(১০) ডাইরিয়া, কলেরা = মাছি
(১১) করোনা = বাদুড়, সাপ
করোনা ভাইরাস চীনের হুবেই প্রদেশের হুয়ান শহর থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
অভাবজনিত রোগ:
ক্স ক্যালসিয়াম = রিকেটস, অ্যাস্টিম্যালেশিয়া
ক্স আমিষ = মেরাসমাস, কোয়াশিয়কর
ক্স সোডিয়াম = হৃদরোগ
ক্স জিংক = বুদ্ধিহীনতা
ক্স লোহা = রক্তাস্বল্পতা
ক্স আয়োডিন = গলগন্ড
ক্স ফসফরাস = হাড় ও দাঁতের ক্ষয়রোগ হয়।
ক্স পটাশিয়াম = শরীর ফ্যাকাশে হয় ( পানি স্বল্পতা )
ভিটামিন এর অভাবজনিত রোগ:
(১) এ--রাতকানা, জেরিপথ্যালমিয়া
(২) বি১-- বেরীবেরি
(৩) বি২ -- মুখে ও জিহŸায় গা হয়
(৪) বি৩ -- পেলেগ্রা
(৫) সি--স্কার্ভি
(৬) ডি--রিকেটস
(৭) ই -- বন্ধ্যাত্ব
(৮) কে --- রক্তপাত
পটাশিয়াম = শরীর ফ্যাকাশে হয় ( পানি স্বল্পতা )
ভিটামিন এর অভাবজনিত রোগ:
(১) এ--রাতকানা, জেরিপথ্যালমিয়া
(২) বি১-- বেরীবেরি
(৩) বি২ -- মুখে ও জিহŸায় গা হয়
(৪) বি৩ -- পেলেগ্রা
(৫) সি--স্কার্ভি
(৬) ডি--রিকেটস
(৭) ই -- বন্ধ্যাত্ব
(৮) কে --- রক্তপাত

Hello everyone This is the owner of this page.
12/12/2024

Hello everyone
This is the owner of this page.

07/12/2024

Topic - 59: General Science - 09

টিকা:-
(১) বসন্ত--এডওয়াড
(২) টাইফয়েড--কিনলে
জীবাণু:-
য²া = রবার্ট কচ
ম্যালেরিয়া = রোনাল্ড রস
কৃত্রিম জীন = হরগোবিন্দ খোরানা
যে সব মাধ্যমে রোগ ছড়ায়:-
রক্তের মাধ্যমে এইডস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস
বায়ুর মাধ্যমে বসন্ত, হাম, মম্পাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা
পানির মাধ্যমে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড জন্ডিস
রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি:-
রেডিও থেরাপি: ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করার পদ্ধতি।
কেমোথেরাপি: ক্যান্সারের চিকিৎসায় স্যালাইনের মাধ্যমে শরীরে ঔষধ প্রবেশ করানোর পদ্ধতি।
সিটি স্ক্যান: মস্তিষ্ক এর রোগ নিণয়ের পদ্ধতি ।
ইসিজি: হৃৎপিন্ডের রোগ নিণয়ের পদ্ধতি।
এন্ডোস্কোপি: পাকস্থলির রোগ নিণয়ের পদ্ধতি।
হেমোডায়ালাইসিস: রোগীর দেহের দূষিত রক্ত বাইরে এনে পরিশোধিত করে পুনরায় দেহে প্রবেশ করানোর পদ্ধতি।
আকুপাংচার: রোগীর দেহে সুচ ফুটিয়ে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি।
মা ও শিশু :
জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী। বাংলেদেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী গ্রহন করা হয় ১৯৭৬ সালে। জাতীয় শিশু দিবস ১৭ ই মার্চ। বিশ্ব শিশু দিবস ১৪ ই নভেম্বর। স্বাস্থ্য সুবিধার প্রতীক রংধনু। মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুবিধার প্রতীক সবুজ ছাতা। আয়োডিন এর অভাবে শিশু কমবুদ্ধি সম্পন্ন হয়। মায়ের দুধে ল্যাকটো অ্যালবুমিন থাকে।
পোলিও টিকা--ওপিবি,
য²া -- বিসিজি
নিউমোনিয়া - পিসিবি
হাম,রুবেলা - এম,আর
টিটেনাস –

টিটি
ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি,টিটেনাস--ডিপিটি
ইউনিয়ন পর্যায়ে মা ও শিশুর জন্য হাসপাতালের নাম পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। মা ও শিশু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান মহাপরিচালক।
রিকেটস: শিশুর শরীরের হাত ও পা বেঁকে যাওয়াকে রিকেটস বলে।
গর্ভপাত: সাত মাসের পূর্বে শিশুর জন্ম হওয়াকে গর্ভপাত বলে।
ডাউন সিনড্রোম: গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশকে ডাউন সিনড্রোম বলে।

05/12/2024

Topic - 58: General Science Lecture - 08

বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তরের বর্ণনা:
(১) ট্রপোমন্ডল: ভ’পৃষ্ট থেকে এর বিস্তৃতি ১২ কি.মি এ স্তরে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী বসবাস করে। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ঝড়, বৃষ্টি , কুয়াশা, বজ্রপাত এ স্তরে হয়ে থাকে।
(২) স্ট্রাটোমন্ডল: ট্রপোমন্ডলের পর ৫০ কি.মি এর বিস্তৃতি।এ মন্ডলে ওজোন স্তর বিদ্যমান। ওজোন স্তর ক্ষতিকর রশ্মি শুষে নেয়।
(৩) মেসোমন্ডল: স্ট্রাটোমন্ডল এর পর থেকে ৮০ কি.মি পর্যন্ত এর বিস্তৃত। এটি সবচেয়ে বেশি শীতলতম স্তর। মহাশূন্য থেকে আগত উল্কাপিন্ডসহ বিভিন্ন আগ্নেয় পিন্ড এখানে এসে ধ্বংস হয়ে যায়।
(৪) তাপমন্ডল: মেসোমন্ডল এর শেষ থেকে ৫০০ কি.মি পর্যন্ত তাপমন্ডল বিস্তৃত। এর অপর নাম আয়নমন্ডল। বেতার তরঙ্গ এ মন্ডলে প্রতিফলিত হয়।
(৫) এক্সোমন্ডল: তাপমন্ডল থেকে শুরু করে ৭৫০ কি.মি পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। এই স্তরে হাইড্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
টেকটোনিক প্লেট: ভ’ –অভ্যন্তরের গলিত অংশের বাইরে পাথরের তৈরি আবরণকে টেকটোনিক প্লেট বলে। এদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ভ’মিকম্প সৃষ্টি হয়।
সাইক্লোন: দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলে। আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়কে হারিকেন বলে।
সুনামি: অর্থ বন্দরের ঢেউ। জাপানী শব্দ। গভীর সমুদ্রের তলদেশে ভ’মিকম্পের ফলে সুমানি সৃষ্টি হয়।
বিবর্তন: প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক পরিবর্তনকে বিবর্তন বলে।
জীবন্ত জীবাশ্ম: অতীতে জন্মগ্রহণ করেও কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই টিকে থাকা জীবকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। যেমন:-রাজ কাঁকড়া।
জোয়ার-ভাটা: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর আকর্ষণ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি ফুলে উঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ার-ভাটা ৪ প্রকার।যথা:
(১) মুখ্য
(২) গৌন
(৩) ভরা কাটাল/ তেজ কাটাল
(৪) মরা কাটাল
মুখ্য জোয়ার চন্দ্রের দিকে গঠে।
গৌণ জোয়ার চন্দ্রের বিপরীতে গঠে।
অমাবস্যার ও পূণিমার তিথিতে সূর্য,চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখা অবস্থান করার ফলে ভরা কাটাল/তেজ কাটাল হয়।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সমকোণে অবস্থানকালে মরা কাটাল হয়।

05/12/2024

To be a BCS cadre you need patient

05/12/2024

Topic - 57: General Science Lecture - 07

(১) টাইম জিরো: মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বমুহুর্তকে টাইম জিরো বলে।
(২) প্লাঙ্ক ওয়াল: বিগ ব্যাঙ বা মহা বিস্ফোরণ এর পূর্ব মুহুর্তকে প্লাঙ্ক ওয়াল বলে। বিগ ব্যাঙ ধারণার প্রবর্তক জি. ল্যামেটার। আধুনিক প্রবক্তা স্টিফেন হকিং । তিনি এ বিফ হিস্টি অব টাইম , অপেন ইনফুলেশন থিওরি বই লিখেন ।
(৩) মহাকর্ষ: মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষন তাকে মহাকর্ষ বলে। সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে , মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে যে আকর্ষন ।
(৪) অভিকর্ষ: পৃথিবীর সঙ্গে মহাবিশ্বের অন্য কোন বস্তুর আকর্ষনকে অভিকর্ষ বলে।
(৫) অভিকর্ষজ ত্বরণ/ মাধ্যাকর্ষন: ভ’পৃষ্টে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোন বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে জি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। মেরু অঞ্চলে জি এর মান ৯.৮৩ মি/সে বিষুবীয় অঞ্চলে ৯.৭৮ মি /সে চাঁদে জি =১.৬৩ মি/সে পৃথিবীর কেন্দ্রে ০.
(৬) গ্যালাক্সি: মহাশূন্যে মহাকর্ষ শক্তি দ্বারা আবদ্ধ বিরাট নক্ষত্র মন্ডলীর সমষ্টিকে গ্যালাক্সি বলে।
(৭) মিল্কিওয়ে: গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে। পৃথিবী মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা নামক ছায়াপথের অন্তর্ভুক্ত।
(৮) কসমিক ইয়ার: ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।
(৯) আলোক বর্ষ: আলো শূন্য মাধ্যম বা শূন্য স্থানে এক বছরে যে পথ অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। আলো প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কি.মি বা ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে। সূর্য হতে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা ৩২ সেকেন্ড ।
(১০) কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি : সূর্য ছাড়া মহাশূন্য থেকে আগত উচ্চগতি ও উচ্চশক্তি সম্পন্ন রশ্মিকে মহাজাগতিক রশ্মি বলে।এর আবিষ্কারক বিজ্ঞানী হেস।
(১১) বøাকহোল বা কৃষগহŸর: মহাশূন্যে কালো গর্তের ন্যায় নক্ষত্রকে বøাকহোল বা কৃষ গহŸর বলে। আবিষ্কারক জন হুইলার।
(১২) হিগের কণা/ঈশ্বর কণা/ হিগস -বোসন: বিজ্ঞানী হিগস এমন একটি কণা আবিষ্কার করেন যা যেকোনো বস্তুর ভর সৃষ্টি করতে পারে এবং ধারণা করা হয় এর মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে
(১৩) বারিমন্ডল:
মোহনা: নদী ও সাগরের সংযোগ স্থল
নদী সঙ্গম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলিত স্থানকে নদী সঙ্গম বলে ।
দোয়াব: প্রবাহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থানকে দোয়াব বলে।
বিল: পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হওয়া জলাশয়কে বিল বলে।
ঝিল: অশ্বক্ষুরাকৃতির আবদ্ধ জলাশয়কে ঝিল বলে।
হাওড়: গামলাকৃতির বিস্তৃর্ণ জলাশয়কে হাওড় বলে।
বায়ুমন্ডলের উপাদান: নাইট্রোজেন =৭৮.০২%, অক্সিজেন = ২০.৭১ % আর্গন = ০.৮০% জলীয় বাষ্প = ০.৪১ % কার্বন ডাই অক্সাইড = ০.০৩% ধূলিকণা = ০.০১% অন্যান্য = ০.০২%

Address

DHOWPASH (KOSBA), SHAHBONDOR
Maulvi Bazar
3200

Telephone

+8801781132580

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS Preparation with Al Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to BCS Preparation with Al Amin:

Shortcuts

Share