100/55
💚 45.5
Bably's thought
Assalamu alaikum.....(ইবিয়ান)
05/04/2026
Please marry a man..
who is emotionally intelligent. A man who is nice & respectful even during arguments. A man who listens & understands. A man who fixes the issue as soon as you brought it to his attention. A man who can swallow his pride to save the relationship.
31/03/2026
পড়ন্ত বিকেল❤️🥀☕
14/03/2026
Insha Allah ❤️
RAMADAN MUBARAK 🌙
18/02/2026
তারাবির নামাজের নিয়ম।⤵️
▫️তারাবির রাকাত সংখ্যা
সহীহ হাদিসে এসেছে, মুহাম্মদ (সা.) রমজান ও রমজানের বাইরে সাধারণত ১১ রাকাত (৮ রাকাত তারাবি + ৩ রাকাত বিতর) আদায় করতেন।
আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন: "তিনি ১১ রাকাতের বেশি পড়তেন না।" (সহীহ বুখারি, সহীহ মুসলিম)
উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সময়ে জামাতে ২০ রাকাত প্রচলিত হয়-এটি সাহাবাদের ইজতিহাদি সিদ্ধান্ত ছিল।
- তাই ৮, ১১, ২০-যে কোনো সংখ্যা বৈধ; তবে ১১ রাকাত সহীহ সুন্নাহর সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
🔹 তারাবির নামাজ পড়ার নিয়মঃ- ২ রাকাত করে
১ম রাকাত : > নিয়ত: "আমি দুই রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করছি আল্লাহর জন্য।" (মনে মনে)
১. তাকবির: কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে বলবেন- "আল্লাহু আকবার"।
২. সানা: সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলা-হা গইরুক
৩. আউজুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বনির রাজিম। বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম পড়ে সূরা ফাতিহা পড়বেন + অন্য সূরা পড়বেন।
৪. রুকু: আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যাবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম' ৩ বার বলবেন।
তারপর দাঁড়িয়ে বলবেন: সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ
তারপর বলবেন: রাব্বানা লাকাল হামদ।
৫. সিজদা: আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যাবেন "সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা" ৩ বার বলবেন।
প্রথম সিজদা শেষে বসা অবস্থায় পড়বেন
"আল্লাহুম্মা গফিরলি।
তারপর দ্বিতীয় সিজদা দিবেন।
*২য় রাকাত: আবার দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা পড়বেন
রুকু ও সিজদা দিবেন।
সিজদার পর বসে তাশাহহুদ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস-সালাওয়াতু ওয়াত-দ্বায়্যিবাতু: আস-সালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিছ ছালিহীন; আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
দরুদ শরিফ, দোয়া মাসুরা পড়বেন।
ডানে ও বামে সালাম: "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ"
এভাবে ২+২+২+২ রাকাত করে নামাজ পড়বেন।
তারাবির শেষে ৩ রাকাত বিতর পড়বেন।
▫️তারাবি নামাজ (সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী) তারাবি (কিয়ামুল লাইল) হলো রমজান মাসের বিশেষ নফল নামাজ, যা এশার ফরজ ও সুন্নাহর পর আদায় করা হয়। মুহাম্মদ (সা.) নিজে রমজানে রাতে কিয়াম করেছেন এবং সাহাবাদেরও উৎসাহিত করেছেন।
➤ কিরাত সম্পর্কেঃ- ইমাম হলে দীর্ঘ কিরাত পড়া সুন্নাহ। একা পড়লে সামর্থ্য অনুযায়ী রমজানে পুরো কুরআন খতম করা উত্তম, তবে বাধ্যতামূলক নয়।
জামাতে তারাবি-
> রাসূল (সা.) কয়েক রাত সাহাবাদের নিয়ে জামাতে পড়েছিলেন পরে ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিয়মিত জামাত বন্ধ করেন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) পুনরায় নিয়মিত জামাত চালু করেন।
📌 কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ
✅ ধীরে-স্থিরভাবে পড়া
✅ তাড়াহুড়া না করা
✅ খুশু-খুযু বজায় রাখা
✅ শেষ দশকে বেশি ইবাদত করা। বিশেষত লাইলাতুল কদরের সন্ধানে
> নারীদের জন্য ঘরে পড়া উত্তম, তবে পর্দা ও শালীনতা বজায় রেখে মসজিদে জামাতে পড়া বৈধ।
©️ Nur Islam
13/01/2026
আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন?
এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা।
সায়রা তার স্বামী আব্বাসকে বলেছিলেন, ও তোমার চে ভালো শরীয়া জানে, ভালো কুরআনও জানে।
ইয়েস। দিস ইজ দ্য মেসেজ।
বহুদিন পর এক সেকেন্ড ব্রেক না নিয়ে একটা হিন্দি মুভি দেখে শেষ করেছি।
চমৎকার কিছু মেসেজ এই সিনেমা থেকে পেয়েছি।
যেমন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্কুলের নাম পরিবার।
আব্বাস খান এত শিক্ষিত হয়েও যে শিক্ষা পান নাই, সাজিয়া কম শিক্ষিত হয়েও সেই সাহস আর শিক্ষা পেয়েছিলেন বাবার কাছে থেকে।
আব্বাসের সমস্ত শয়তানির সাপোর্টার ছিল তার মা।
সাজিয়ার সমস্ত সাহসের উৎস ছিল তার বাবা।
ভালো একটা পরিবার আমাদের জীবনে এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
দুই, জাস্ট পরিবার পাশে থাকলে সন্তানদের আর কাউকে লাগে না। বাবার একটা কথা, সাজিয়া, তুমি ঠিক, এইটুক পেয়েই সে দুনিয়া জয় করে আসছে।
তিন, ঠিক ভুল নির্ধারণের সবচেয়ে বড় প্যারামিটারের নাম, নিজের সন্তান। আব্বাস শেষ পর্যন্ত স্বীকার করে নাই যে সে অন্যায় করসে, বাট সাজিয়া যখন বলসে তার মেয়ের সাথে যদি এমন হয়, সে মাইনা নিতে পারবে কি না?
ঐ মুহুর্তে আব্বাসের মাথা নিচু হয়ে গেছিল।
যদি কখনও কোন মেয়ের সাথে ঠিক করছেন নাকি ভুল করছেন বুঝতে না পারেন, জাস্ট চোখ বন্ধ করে কল্পনা করবেন, সেইম কাজটা কেউ আপনার মেয়ের সাথে করতেসে।
কাজটা করা ঠিক নাকি ভুল, বুইঝা যাবেন।
সাজিয়ার ফিউচার প্ল্যান ছিল, সে মেয়ে বাচ্চাদের কুরআন পড়াতো।
আব্বাস ধর্মের নামে তার সাথে এতবড় অন্যায় করলো, তাকে হুজুররা একঘরে করলো বাট সে ধর্মের সাথে বিদ্রোহ না করে, স্টাডি করলো আরও বেশি।
বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করলো। সে সবাইকে বলত কুরআনের সেই প্রথম শব্দ, ইকরা। পড়ো।
যত যাই করেন, পড়া থামানো যাবেই না।
মানুষের জন্য সে ধর্মকে ত্যাগ করে নাই।
খোদার সাথে তার বোঝাপড়া সে ঠিক রাখছিল, যতই মানুষ তাকে কাফের বলুক।
ভালোবাসা সাজিয়া পায় নাই। ভালোবাসা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কপালেই জোটে না, এটাই নির্মম সত্য।
কে আপনাকে ভালোবাসবে কে বাসবে না, এটা আপনার হাতে নাই। একজনের জন্য জীবন দিয়ে দিলেন, সে আপনাকে ভালোবাসলো না। কী করবেন?
বাট, সম্মান জিনিসটা আদায় করে নিতে হয়।
সাজিয়া বানু যেটা আদায় করে নিয়েছিলেন।
ভালোবাসা ছাড়াও মানুষ বাঁচতে পারে, বাট সম্মান ছাড়া পারে না। ভালোবাসা পান বা না পান, সম্মানের সাথে কম্প্রোমাইজ করা যাবে না একটু।
শেষ করি মুভির শুরুটা দিয়ে।
মুভির শুরুতেই সাজিয়া ক্লিয়ার করে বলেন, আমি কিন্তু আব্বাসকে অনেক ভালোবাসতাম।
এন্ড এই ভালোবাসাই আব্বাসকে কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল।
সাজিয়া যদি আব্বাসকে ভালো না বাসতেন, এই ফাইটটা তিনি করতে পারতেন বলে আমার মনে হয় না।
প্লাস যতক্ষন সাজিয়ার বিশ্বাস ছিল, আব্বাস তাকে ভালোবাসে, সে লিটারালি সবকিছুই সহ্য করে গেছে। অবহেলা, অসম্মান, অন্যায়।
কিন্তু যেই মুহূর্তে সে জানতে পারসে, আব্বাস তাকে ভালোবাসে নাই। সে লোহার মত শক্ত হয়ে গেছে।
ভালোবাসা আর বিশ্বাস হারানো মানুষেরা ভয়ংকর হয়।
এদের শেষ সম্বল থাকে সম্মান।
এন্ড এরা এই সম্মান রক্ষার জন্য এককালের ভালোবাসা এমনকি পুরো পৃথিবীই তছনছ করে ফেলতে পারে।
আর এই মুভির শেষ লার্নিং হলো, নিজের মেয়ে বা বোনের সংসার কেমন হবে, স্বামী কেমন হবে,সেটা আমাদের হাতে না থাকলেও, ভালো একজন বাবা কিংবা ভাই হওয়া না হওয়া কিন্তু আমাদের হাতেই থাকে!
©️
30/12/2025
14/11/2025
এমন একটা তুমি চাই 💝🥀
Get busy in life......
Enjoy your own life and love yourself.