BidyaPith

BidyaPith

Share

© Official page
🚩Number 1 EDU community of Manikganj. Online Learning
Class 1-12, Skill Development

বিদ্যাপীঠ এমনি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা সকল অনলাইন শিক্ষামুলক পোস্ট একই সাথে একই স্থানে পাবে ।একবিংশ শতাব্দীতে বই নিয়ে পড়ে থাকা আর নয় ! পড়ালেখাকে আরো আনন্দদায়ক করতে চলে এসেছে "বিদ্যাপীঠ" । তুমি তোমার পছন্দের টিচার এর কন্টেন্ট খুব সহজেই এক জায়গায় পেয়ে যাবে ।

28/06/2023

বিদ্যাপীঠ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদ-উল-আযহা এর শুভেচ্ছা।🌙

Photos from BidyaPith's post 08/06/2023

২০২৩ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ১৭ আগস্ট। আজ বৃহস্পতিবার এই পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে।

✅ একনজরে এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি:

08/05/2023

8 মে ঘটে যাওয়া অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি হল:

৫৮৯ সালে, ভিসিগোথিক রাজা রিকার্ড টলেডোর তৃতীয় কাউন্সিল ডেকেছিলেন, যেখানে তিনি ক্যাথলিক বিশ্বাস 1 গ্রহণ করেছিলেন।

১৩৬০ সালে, Brétigny চুক্তি ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা শত বছরের যুদ্ধ এর প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘটায়।

১৯৪৫ সালে, জার্মানির নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পরে, ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যরাতে শেষ হয়েছিল।


১৯৭০ সালে, পল ম্যাককার্টনি ঘোষণা করার এক মাস পর যে তিনি বিটলস ত্যাগ করেছেন, ব্রিটিশ রক গ্রুপ লেট ইট বি প্রকাশ করে, যা তাদের শেষ আসল স্টুডিও অ্যালবামটি রেকর্ডের দোকানে আঘাত করে।

১৯৮০ সালে, একটি বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির পর, WHO আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে গুটিবসন্ত নির্মূল হয়েছে।

21/04/2023

বিদ্যাপীঠ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা।🌙

24/03/2023

আমরা নিশ্চয়ই বৃষ্টির পর মাঝে মাঝে আকাশে রংধনু দেখতে পাই। অপরূপ সুন্দর তা দেখতে। বৃষ্টি ছাড়াই যদি প্রকৃতিতে দেখা মেলে রংধনুর তখন কেমন হবে?

অবাক করা ব্যাপার হলো, পাহাড়ও লাল-নীল অথবা হলুদ-কমলা রঙেরও হয়। আমাদের এশিয়া মহাদেশেই এমন এক পাহাড় আছে, যাকে রংধনুর পাহাড় বললে একেবারেই ভুল হবে না। পাহাড়টির নাম ‘দাংজিয়া ল্যান্ডফর্ম জিওগ্রাফিকাল পার্ক’।

ঝাংয়ে দাংজিয়া ল্যান্ডফর্ম জিওলজিকাল পার্কের মধ্যে রয়েছে সেই রঙ-বেরঙের পাহাড়। শুধু একটা পাহাড় না, গোটা একটা পর্বতশ্রেণির সাতটি পাহাড় বাহারি রঙে সেজে আছে। প্রকৃতির তুলিতে এ যেন এক অবিশ্বাস্য রঙের ফোয়ারা। চীনের এ রংধনু পর্বতমালা বিশ্বের একটি অন্যতম ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়।

ঝাংয়ে দাংজিয়া ন্যাশনাল পার্কটি চীনের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোসিয়ান প্লেট ও ভারতীয় প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অঞ্চলটির স্তরযুক্ত অনুভূমিক এবং সমতল স্তর বিন্যাস ব্যাহত হয়েছিল। এর প্রতিক্রিয়াতেই সেখানে এই বিচিত্র রংধনু পর্বতমালার সৃষ্টি।

২০১২ সালের ২৩ শে এপ্রিল স্থানটি অর্ধ-জাতীয় জিওপার্কে পরিণত হয়। গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১৬ সালের ১৬ জুন স্থানটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি ও সম্পদ মন্ত্রণালয় দ্বারা ‘ঝাংয়ে ন্যাশনাল জিওপার্ক’ নামকরণ করা হয়। বর্তমানে চীনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্যস্থল এটি।

24/03/2023

সকলকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। 🌙

20/03/2023

ধ্বনি বিপর্যয় 🥲🌝

©️ Joykoly - জয়কলি

27/02/2023

🚩ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য :
🎓 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
✅ আবেদন শুরুঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ (বিকাল ৪:০০ টা)
✅ আবেদন শেষঃ ২০ মার্চ, ২০২৩ (রাত ১১:৫৯ মি.)
✍️ ভর্তি পরীক্ষা (বিজ্ঞান): ১২ মে, ২০২৩ (সকাল ১১টা থেকে ১২:৩০ টা পর্যন্ত)

BUET
✅ অনলাইনে আবেদন শুরুঃ ১ মার্চ, ২০২৩ (সকাল ১০টা)
✅ অনলাইনে আবেদন শেষঃ ১২ মার্চ ২০২৩ (বিকাল ৩টা)
✍️ প্রাক- নির্বাচনী পরীক্ষাঃ ২০ মে, ২০২৩
✍️ মূল ভর্তি পরীক্ষাঃ ১০ জুন, ২০২৩

🩺 মেডিকেল
✅ অনলাইনে আবেদন ২৩-০২-২০২৩ খ্রি: শেষ হয়েছে।
✅ প্রবেশ পত্র বিতরণঃ ৬ মার্চ ২০২৩ হতে ৭ মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত
✍️ ভর্তি পরীক্ষাঃ ১০ মার্চ ২০২৩ (সকাল ১০ টা হতে ১১ পর্যন্ত)

🩺 AFMC & 5 AMCs (Session 2022-23)
✅ অনলাইনে আবেদন ২৩-০২-২০২৩ খ্রি: শেষ হয়েছে।
✍️ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ: ১১-০৩-২০২৩ খ্রি: ( শনিবার, বিকাল ৩.০০ টা হতে বিকাল 8.00 টা পর্যন্ত)

MIST
✅ অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছেঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
✅ অনলাইন আবেদন শেষঃ ২ মার্চ ২০২৩
✍️ ভর্তি পরীক্ষাঃ ১৮ মার্চ ২০২৩

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)
✅ অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছেঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
✅ অনলাইনে আবেদন শেষঃ ১৫ মার্চ, ২০২৩
✍️ সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষাঃ ২৫ মার্চ, ২০২৩ (সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত)

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
✅ অনলাইনে আবেদন শুরুঃ ১৫ মার্চ (দুপুর ১২টা)
✅ অনলাইনে আবেদন শেষঃ ২৭ মার্চ (রাত ১২টা পর্যন্ত)
✍️ ভর্তি পরীক্ষা ‘সি’(বিজ্ঞান): ২৯ মে ২০২৩

23/02/2023

Science students be like:

15/01/2023

বহু বছর পর এক বড় ভাই বাংলাদেশে এলেন। তিনি আমেরিকায় থাকেন। নাসার এক বড় সাইন্টিস্ট। প্রায়ই ইচ্ছা করে ভাইয়ের সাথে একটু দেখা করে আসি, আড্ডা মারবো কিন্তু সময়ের অভাবে যেতে পারি না। হঠাৎ করে উনি একদিন ফোন দিলেন, চলে আয় একদিন বাসায় আড্ডা মারি। একদিন দিনক্ষণ বুঝে চলে গেলাম উনার বাসায়। আড্ডা চলছিলো ধুমিয়ে।
আড্ডার এক পর্যায়ে জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই, আপনার জীবনের এই দূর্দান্ত সাকসেসের পেছনের রহস্য কি? শুনেছি নারী একজন পুরুষের জীবনে সফলতা নিয়ে আসে, আপনে তো ভাই বিয়ে থা ও করেন নাই। আপনার সাকসেক স্টোরি শুনতে চাই।
বড় ভাই একটু হেসে বললেন, তুমি ঠিক ই বলেছো, পুরুষের সাকসেসের পেছনে নারীর অবদান আছে। আর আমার সাকসেসের পেছনে অবশ্য ই নারীর অবদান আছে, যা অস্বীকার করার কোনো উপায় ই নাই।
আমি আগ্রহ নিয়ে বললাম, তো সেই নারী কে? আপনার মা?
উনি মুখ কালো করে বললেন, নাহ। আমার আম্মা তো আশা ছেড়েই দিয়েছিলো, যখন ক্লাস টেনে ফেল করে আমাকে ভিডিও গেইমের দোকানে আবিষ্কার করলো। আম্মা বলে দিলো, এই ছেলে কে গ্রামে পাঠিয়ে দাও, জমি জিরাত দেখুক, হাল চড়াক।
আমি বললাম, তাইলে??
সে গল্প শুরু করলো, ক্লাস টেনে এক টা মেয়ের প্রেমে পড়েছিলাম। সে ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল। আমাকে পাত্তা দেবার প্রশ্নই উঠে না। আমার দিকে এমন চোখে তাকাতো যেনো আমি স্কুলের দপ্তরী।
সেই মেয়ে কে বহু সাহস করে বললাম আমার ভালোবাসার কথা।
মেয়ে তো রেগে অস্থির!!! বল্লো, তোর মতো ফেউলা আমাকে প্রপোজ করলো, এর চেয়ে আমাকে স্কুলের দপ্তরী প্রপোজ করলেও খুশী হতাম। তুই তো কোনো কিছুর যোগ্য না। খালি গিটার নিয়া গান গাইতে পারস। তোর গান শুনে হাত তালি দেই, এই তো অনেক বেশী।
শোন পড়াশুনা ছাইড়া গিটার নিয়ে বনে বাদারে ঘুইরা বেড়া, কোনো গ্রামের মেয়ে পটে যাবে।
এই সব শুনে আমার মন টা ভেঙ্গে গেলো। বাসায় এসে গিটার টা আছাড় মারলাম। সে সময় আমি দূর্দান্ত গীটার বাজাইতাম, গান বাজনা তে আমি খুব ভালো ছিলাম। গান, কবিতা ও লিখতাম
সব বাদ দিয়ে পড়া শুনা তে ডুবে গেলাম। যেভাবে হোক, আমার ভালোবাসার মেয়ের সামনে বুক ফুলিয়ে দাড়াতে হবে।
কঠোর পরিশ্রম করে সবাই কে অবাক করে, এবং আমার আম্মা কে অজ্ঞান করে দিয়ে আমি এস,এস,সি তে স্ট্যান্ড করলাম। ছাত্র খারাপ কিন্তু বেসিক ভালো।
মেয়ের সামনে গেলাম। সে ও স্ট্যান্ড করেছে।
মেয়ে কনগ্রাচুলেট করলো। বল্লো, তুমি ঠিকই পেরেছো। তোমার জন্য আমার সেদিনের ধাক্কাটার দরকার ছিলো। চলো তোমাকে আইসক্রিম খাওয়াই।
আমি তো বাকবাকুম। বহু দিনের লালিত ভালোবাসা, ভালোবাসার মেয়ে, আজ আমাকে নিয়ে রিকশা তে বসে আইসক্রিম খাওয়াতে দোকানে নিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু দোকানে বিশাল সারপ্রাইজ ছিলো। সে একটা ছেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। ছেলে টা বেশ হ্যান্ডসাম। মেয়ে টা ছেলে টার হাত ধরে বল্ললো, রাকিব, তোমাকে একটা গবেটের কথা বলেছিলাম না? সে আজ স্ট্যান্ড করেছে। সে আর গবেট নাই। আসো আইসক্রিম খাই। ওহ!!! রাকিব আমার বয়ফ্রেন্ড।
সেইদিনের আইসক্রিম টা আমার জীবনের সব চেয়ে অদ্ভুত আইসক্রিম ছিলো। ঠান্ডা আইসক্রিম, কিন্তু বুক টা গরমে পুড়ে যাচ্ছিলো।
রাকিব সাহেব নটরডেম কলেজের ফার্স্ট বয়।
সদ্য ছ্যাকা খেয়ে আমি পাগল প্রায়। এর পর শপথ নিলাম। যেভাবে হোক নটরডেমেই পড়বো এবং ওর চেয়ে টপ লেভেলের মেয়ের সাথে প্রেম করবো, যে আমাকে ছ্যাকা দেবে না।
নটরডেমে ভর্তি হলাম। ফার্স্ট ইয়ারেই হলিক্রসের এক মেয়ে প্রেমে পড়লাম। কি যে সুন্দর!!! রাতে ঘুমাতে পারতাম না, সারাক্ষন ওর চেহারা চোখে ঘোরাঘুরি করতো। একবার তো বিলবোর্ডের মডেল কে ওকে ভেবে তাকিয়ে দেখতে গিয়ে অ্যাক্সিডেন্ট করে ফেললাম।
মহেন্দ্রক্ষনে কিছু টাকা জমিয়ে ওর জন্য বেশ ভালো গিফট কিনলাম।
ওর জন্মদিনে উপহার নিয়ে ওকে প্রপোজ করলাম।
আল্লাহ!!! আবার এই কী সর্বনাশ!!!
মেয়ে আমার হাত ধরে পূর্ণ চোখে তাকিয়ে বল্লো, তুমি খুব চার্মিং, অনেক ভালো আর খুব সেইফ একটা ছেলে। কিন্তু তোমার ভবিষ্যত কী?? তোমার তো কোনো প্ল্যান নাই। তোমার সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগে সত্যি, কিন্তু বন্ধুর মতো। আমরা কি ভালো বন্ধু হয়ে থাকতে পারি না?
আমার মুখ তিতা হইয়া গেলো। মনে মনে গালি মাইরা বলি, তোর বন্ধুত্বের খ্যাতা পুড়ি!! তুই আমার বন্ধু হবি! হাফিজ, ইমরান, আনোয়ার, ইরফান - ওর কি দোষ করছে!! তুই কি আমার লগে গ্যালাক্সি তে পেগ মারবি! আমার লগে রাত জাইগা মুভি দেখবি? নাকি আমার লগে প্ল্যান ছাড়া হুট কইরা শ্রীমঙল ঘুরতে যাবি। লাত্থি মারি তোর বন্ধুত্বের!!!
এরপর তাকে মাঝে মাঝে রিকশায় এক ছেলের সাথে ঘুরতে দেখি। বাহারী সানগ্লাস পড়ে হাত ধরে রঙ ঢং করতাসে! ওই ছ্যামড়া বুয়েটে পড়ে। ইলেকট্রিক্যালে।
আমি নতুন শপথ নিলাম। শালা, মইরা যামু, কিন্তু বুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যালে আমাকে চান্স পাইতেই হবে। বোহেমিয়ান জীবনের মায়রে বাপ!!!
মেয়ে রা বোহামিয়ান পোলার লগে চিপস খায়, আর বিরিয়ানি মারে বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার দের লগে।
এক্সট্রা কারিকুলার সব অ্যাক্টিভিটি বন্ধ কইরা দিলাম। খিচ্চা পড়াশুনা। ইন্টারে স্ট্যান্ড করলাম। বাপে মিষ্টি বিলাইলো। আমি খুশী না, আমার বুয়েটে পা রাখতে হইবো। এরপর মেয়ে দের তুরি মাইরা প্রেমের প্রস্তাব দিমু। আমি হমু কিং অফ লাভ। মোস্ট এলিজিবল লাভার!!!
আল্লাহ তাকাইলো। বুয়েটের ইলেক্ট্রিকেলেই চান্স পাইলাম। বছর ঘুরতেই এন, এস,ইউ এর এক মেয়ের প্রেমে পড়লাম। এই বার হইলো সিরিয়াস প্রেম। এতো দিনে আল্লাহ মিলাইয়া দিসে, আমার পাজরের হার দিয়া মনে হয় এই মেয়ের ই সৃষ্টি হইসে।
মেয়ে আমাকে ছাড়া কিছু বুঝে না। আমার বুকে অদম্য সাহস।
ক্লাস টেনে ফেল করা পোলা বুয়েটের বুলেট!!! পাশে আমার এন,এস,ইউ এর রকেট।
ফোর্থ ইয়ারে মেয়ে জরুরী ভাবে ডাকলো। ওর বাসায় বিয়ার প্রস্তাব আসছে! ছেলে এম,আই,টি তে মাস্টার্স করে। খুব ব্রিলিয়ান্ট।
আমি কইলাম, আমি কম কি! আমি ও বুয়েট!!
মেয়ে মুখ ঝামটা দিয়া কয়, রাখো তোমার বুয়েট!! বুয়েটের র‍্যাংকিং দেখসো!!! বুয়েটের কোনো বেইল আছে!!!
ও মাইয়া!!! তুমি কি কও এই সব!!! কালে কালে ব্যালা গড়াইয়া সূর্য এখন পশ্চিমে, তুমি এখন নতুন টিউনে গান গাচ্ছো ক্যানো!!
সে বেশ পুলকিত হয়ে বল্লো, ছেলের জব ও কনফার্ম। দেখতে ও জোস!!!
মাইয়া কয় কি!!! এর পিছে কি ই না করসিলাম!! রাত দুই টায় তার চকলেট খাইতে ইচ্ছা করসিলো, আমি শীতের রাতে নানা হুজ্জতি কইরা ওর বাসার সামনে চকলেট নিয়া হাজির। এক দিন রাতে ওর সাথে রাস্তায় দাড়ায়া প্রেমালাপ করার সময় পুলিশের দৌড়ানি ও খাইসিলাম। টিউশোনির সব টাকা ঢালসিলাম হ্যার পিছে!!!
সেই মেয়ে আমাকে বল্লো, তুমি একটা অসাধারন ছেলে। তোমার মন টা আকাশের মতো বিশাল। আমি জানি, তুমি একটা চমৎকার মেয়ে পাবে তোমার পাশে, তোমার মতো রোমান্টিক। আমি সব সময় তোমার জন্য দোয়া করবো।
শেষ ব্যুফে ডিনার কইরা ছ্যাপ দিয়া গুইনা তিন হাজার টাকা বিল দিয়া, 'আকাশের মতো বিশাল' এক ছ্যাকা খাইয়া তার কাছ থেকে বিদায় নিলাম।
বাসায় আইসা দুই দিন ফ্ল্যাট হইয়া পইড়া রইলাম। ইচ্ছা করতাসে বাউল হইয়া নিরুদ্দেশ হইয়া যাই।
তৃতীয় দিন হঠাৎ জিদ চাপলো। ওই এন,এস,ইউ এর মেয়ের ছবি ছিড়া কমোডে ফ্লাশ কইরা দিলাম। ওর কিছু গিফট ফ্লাশ করতে গিয়া কমোড ব্লক কইরা ফেললাম। সে এক ব্যারাছ্যাড়া কান্ড।
আমি নেটে এম,এই,টি নিয়া সার্চ মারা শুরু করলাম। এবারের মিশন এম,আই,টি।
আমার রেজাল্ট খারাপ না, আর বেশ কিছু পাবলিকেশনস ও ছিলো। কুত্তা ফাইট দিয়া জি,আর,ই দিলাম।
জি,আর,ই স্কোর হইলো ফাটাফাটি। ইচ্ছা করতাসিলো, ওই মাইয়ার মুখে স্কোর টা ঠাইসা গুইজা দেই।
নিউ লাইফ, নিউ বিগিনিং, আমার নতুন ঠিকানা - কেমব্রিজ, ম্যাসাচুসেটস। এম,আই,টি তে এ, আই এর উপর পড়া শুনা শুরু করলাম।
মাস্টারস এ ভালো রেজাল্ট হইলো। বাঙ্গলাদেশী মেয়ে দের থেকে গুনে গুনে শত হাত মেইন্টেইন করতাম। কিছু কিছু বাংলাদেশী মেয়ে খুব আবেগ নিয়ে জিজ্ঞাসা করতো, আমি কইতাম, আমি বিয়াইত্তা। দেশে বউ রাইখা আইসি।
আমার টার্গেট ছিলো জাপানি আর ফ্রেঞ্চ। শুনসি এরা এক বার বয়ক্রেন্ড বানাইলে ছ্যাকা দেয় না। বিশেষ কইরা জাপানি গুলা তো মরন কামড় মারে। আমার তো এই রকম ই চাই!!!
আমার প্রেমের ক্ষেত্রে ওপেনিং খুব ভালো। এক্সপেরিয়েন্স থেকে বললাম, কিন্তু ফিনিশিং সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেট টিমের মতো। এক রানে আউট হইয়া যাই।
এই বার পুরা সিরিয়াস লেভেলে ফিল্ডে নামলাম। জাপানি এক মেয়ে আমার স্টাডি মেট। মেয়ে কেমন কেমন কইরা চায়। আমার কাছে ইলিশ মাছ রান্ধনের রেসিপি চায়, তাও রাত দুই টায়, তিন টায়।
এই বার খেলা হবে!!!!
আমি এই বার বেশী তাড়াহুড়া করলাম না। ধীরে চলো নীতি। প্রেমে টি টোয়েন্টি চলে না, প্রেম হবে ক্ল্যাসিক্যাল টেস্ট প্লে।
আমি রবার্ট ব্রুসের মতো টেস্ট খেলতাসি। জাপানি আমারে ডেটে নিয়া গেলো। আমি একটু ভাব দেখাইলাম।
সে ক্যারিয়ার নিয়ে খুব সচেতন না! আলহামদুলিল্লাহ!!!
এই বার হইয়াই গেলো। এখন কথা হইলো, মা বাপ রে বুঝাইতে হইবো। জাপানি বিয়া করুম, আব্বা তো ঢাকা থেকে গুলি মারবো, সোজা এম,আই,টি ক্যাম্পাসে চইলা আসবো।
জাপানি টা নিজে ক্যারিয়ার সচেতন না অথচ আমারে দেখি টুকটাক ক্যারিয়ার নিয়া প্রশ্ন করে। কই চাকরি করতে চাও। প্ল্যান কি?
এই বার আমি বোল্ড। বল ইজ ইন মাই কোর্ট।
আমি খুব উদাস গলায় সিগারেট টেনে বললাম, হয়্যার গড টেকস মি!
জাপানিজ টা কেমন উশখুশ করতাসে। তখনো বুঝি নাই, বেটি নিজে যেমন তেমন কিন্তু জামাই চায় টনটনা মাল।
বাকি টা ইতিহাস। সে নাসার এক জুনিয়র সাইন্টিস্টের লগে হাল্কা খিল্লি খাওয়া শুরু করলো। সে ওই সাইন্টিস্ট সাহেবের সাথে নাইট স্টে কইরা কি কি যে সাইন্স এক্সপেরিমেন্ট করে।
আমার হাতে দুই বল ধরাইয়া কোর্ট লইয়া আমার জাপানি চইলা গেলো। আমি আমার অ্যাডভাইজার রে কই, আমি পড়াশুনা ছাইড়া ডাকোটা চইলা যামু। ওইখানে একটা খামার করুম। আমারে ক্ষ্যান্তি দেন।
সে পারলে স্ট্রোক করে। আমি তার অতি প্রিয় ছাত্র। সে বল্লো, মেয়ে মানুষের পাল্লায় আর পইরো না। এর চেয়ে ওরিয়েন্টেশন চেঞ্জ করো। গে হইয়া যাও।
হালায় কয় কি!!! আমার বাজার এতো ই পইড়া গেসে। সে বদ নজরে আমার দিয়ে চাইয়া কয়, তুমি তো হ্যান্ডসাম। ফিজিক ও ভালো।
আমি ভয়ে কোট দিয়া শরীর ঢাকি।
যাই হোক, পি,এইচ,ডি তে আমার সাবজেক্ট ছিলো নেক্সট জেন এ,আই রোবোটিকস।
এরপর শেষ জেদ চাপলো, চার যায়গা থেকে কল আসলো, গুগল, টেসলা, বস্টন ডায়নামিক্স আর নাসা।
এর মধ্যে নাসার প্যাকেজ টা ই সব চেয়ে কম। এর উপর এক বছর কন্ট্রাক্ট, এরপর পারমানেন্ট হিসাবে তারা চিন্তা করবে।
আমার গে অ্যাডভাইজার আমাকে পরামর্শ দিলো তুমি গুগলে জয়েন করো। নাসাতে যাইও না। ওই জাপানি রে দেইখা তুমি আবার পাগলামি করতে পারো।
আমি বললাম, আমি এক কথার মানুষ। যারে ছাড়ি, তার দিকে আমি তাকাই না।
সেই ফাজিল অ্যাডভাইজার আমারে কয়, সমস্যা তো সেখানেই, এই পর্যন্ত তোমার ফুল লাভ স্টোরি তে তুমি কাউরেই ছাড়ো নাই, সব ডি তোমারে ছাড়সে।
আমি নাসা তেই জয়েন করলাম। দিন রাত কামলা খাটি। প্রেম ভালোবাসা থেকে আমি অনেক দূরে। আমার অ্যাপার্টমেন্টের সামনে লিখে রাখলাম, লাভ অ্যান্ড ডগস আর নট অ্যালাউড।
আমি তখন নাসার নেক্সট প্রোজেক্টে রোবোটিক্স এর লিড দিচ্ছি। ওই জাপানি মাইয়া আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট। খুব প্যারা দেই ওই জাপানি আর ওর জার্মান বয়ফ্রেন্ড রে।
কত গমে কত পাউরুটী বানানি যায়, গুইনা গুইনা বুঝাইতাসি।
ভাই গল্পের ফাকে চার পেগ শেষ করে আরেক পেগ ধরলো। আমাকে কয়, তোমারে একটা সুন্দর কইরা ব্লাডী মেরী বানাইয়া দেই। শীতের রাতে ব্লাডী মেরী খুব কামের জিনিস।
আমি একটা ব্লাডি মেরী নিলাম।
ভাই একটু ক্লান্ত, বিষন্ন।
আমি বললাম, ভাই, এখন তো জীবনে সব ই আছে, নাম, ক্ষ্যাতি, স্পোর্টস কার, বিশাল বাড়ী। মন টা কেমন বিষন্ন লাগতাসে!! ঘটনা কি??
সে ব্লাডি মেরী তে লম্বা চুমুক দিয়া বলে, সব আছে, কিন্তু জীবনে একটা প্রেমের খুব দরকার, একজন সোউল মেট, যে আপ্স অ্যান্ড ডাউনস এ পাশে থাকবে।
এরপর গত বছর এক রাশান মেয়ের সাথে পরিচয় হলো। না, ও নাসার সাইন্টিস্ট না, এম,আই,টি র টপারও না, বা বিশাল কোনো কোম্পানির এম্পয়ি না। ও একটা বুক শপের ওনার।
ওর সাথে পরিচয়ের পর মনে হলো, সারা জীবন আমি ভুল পথে হেটেছি।
যত গুলা মেয়ের পেছনে আমি ঘুরেছি, তারা আমাকে ভালোইবাসে নাই, জাস্ট আমার কোম্প্যানি এনজয় করেছিলো। আমি ও আসলে তাদের ভালোবাসি নাই। জাস্ট জেদের বশে সম্পর্ক গুলা চালিয়েছিলাম।
আসলে এতো বছর পর আমার রিয়েলাইজেশন, আমি আমার আইডেন্টিটিই জানি না। আমি একটা সময় গীটারে ঝড় তুলতাম, কবিতা লিখে সবাই কে বিমোহিত করতাম, গান গেয়ে কান্নায় ভেজাতাম। সেই আমি আসলেই কি বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইসিলাম?? এম,ই,টি, নাসা - এসবে আসতে চাইসিলাম!!!
ভিভিয়ান নামের এই রাশিয়ান মেয়ে টা আমাকে একদিন হাত ধরে নিয়ে গেলো একটা অপূর্ব ফরেস্টে। আমরা রাস্তা হারিয়ে ফেললাম। আমি পাগলের মতো জিপিএস দিয়ে লোকেশন খুজছি, ও হেসে বল্লো, টার্ন অফ ইউর জিপিএস। ইয়োর ডিজায়ার অ্যান্ড ইয়োর গোল উইল গাইড ইউ টু রাইট পাথ।
ভিভিয়ান জানেই না আমি নাসা তে জব করি, আমার স্পোর্টস কার আছে, আমার বিশাল বাড়ী আছে। ও শুধু বলে, আই হ্যাভ ইউ, দ্যাটস অল। হোয়েন উই আর টুগেদার, উই ক্যান কংকার দিস লাইফ।
ছোট ভাই! মানুষের জীবন টা বড়ই অদ্ভুত। জীবনে তুমি অনেক দড়জা পাবে, যেই দড়জার সামনে মাথা কুটে মরে গেলে ও তুমি সেখানে যেতে পারবে না। অথচ অন্য সেই দরজার পাশে দিয়েও তুমি যাও না, যেখানে অপার সুখ তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমি ভিভিয়ানের হাত ধরেছি। যে হাত কখনোই আর ছাড়বো না।
এখন বাপ মা এর গোলাগুলি নিয়া একটু টেনশনে আছি।
আচ্ছা ভালো কথা, ঢাকায় বেস্ট কোয়ালিটির শাড়ি কই পাওয়া যায়? ভিভিয়ান কে একদিন দেখি ইউটিউবে কিভাবে শাড়ি পড়ে সেই ভিডিও দেখতেসে। আমাকে দেখে লজ্জায় ভিডিও ক্লোজ করে দিলো। পুরা ই মমতা ভরা এক বাঙালী মেয়ে!!! আমার জন্য সে গরুর রেজালা বানানো শিখসে। পোলাও রান্না করা শিখসে।
আমি স্তব্দ হয়ে গুরুর কথা শুনছিলাম।
সে সিগারেট ধরিয়ে বল্লো, আমি নাসার চাকরি টা ছেড়ে দিসি। আমি আর ভিভিয়ান সিয়াটোলে একটা রিসোর্ট বানাবো। একটু ন্যাচারাল টাইপের। প্রচুর গাছ, পশু পাখি থাকবে। আর রাতে তারা দেখার ব্যাবস্থা থাকবে। গভীর রাতের পরিষ্কার আকাশে আমি ওকে অ্যান্ড্রোমেডা গ্যালাক্সি দেখাবো। ও গভীর আবেগ নিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরবে।
আর থাকবে কনসার্টের ব্যাবস্থা। আমি আবার গান বাজনা ধরেছি। রাশিয়ান-বাংলা ফিউশন টাইপ আর কি। হাহ হাহ হা।
এই ৪৬ বছর বয়েসে এসে বুঝতে পেরেছি, ভালোবাসা জেদ, প্রতিযোগীতা বা শরীর দিয়ে হয় না। ভালোবাসা বাতাসের মতো। যে বাতাস তোমার গায়ে লাগলে তুমি বুঝবে, এটাই অক্সিজেন। যেখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস নাই।
ভাই এর চোখে পানি।
আমি ভাই এর হাত টা চেপে ধরলাম।
"ছোট ভাই আরেক পেগ হবে নাকি!! টাকিলা আর ম্যালিবু রাম দিয়ে একটা চমৎকার ড্রিংক বানাচ্ছি, প্রচুর লেবু দিবো। খেয়ে আমার নাম সারা জীবন মনে রাখবা।
"ভাই! আপনার নাম এমনি তেই সারা জীবন মনে থাকবে।"
ভাই ব্যাস্ত হয়ে গেলো। ভিভিয়ান ফোন দিয়েছে।
এ প্রান্ত থেকে ভাই বলসে, কসম!! আমি এক পেগ ও খাই নাই। আমি তো শুধু অ্যাপল জ্যুস খাই!"
এই রকম ভালোবাসায় ছোট খাটো মিথ্যা গুলাও বড় মধুর লাগে।
সাব্বির ইমন
৩রা জানুয়ারি,২০২৩😄

14/01/2023

IELTS দিয়ে আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যাওয়ার পর, বাঙালিঃ

31/12/2022

সকলকে বিদ্যাপীঠ পরিবারের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি নতুন বছরের শুভেচ্ছা। 🎉
#2023

Want your school to be the top-listed School/college in Manikganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Manikganj
1800