21/05/2022
The Economics Classroom
"Economics is the science which studies human behaviour as a relationship between end and scarce means which have alternative uses."- Lionell Robbins
21/05/2022
অর্থনীতি পড়ে কী হবে?
একটি জাতির অর্থনীতির কারিগর অর্থনীতিবিদরা। নামের আগে ‘অর্থনীতিবিদ’ পদবি দেখতে কার না ভালো লাগে? শুধু পদবি নয়। অর্থনীতির ছাত্রদের সামনে রয়েছে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবির মতো বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থায় কাজ করার সূবর্ণ সুযোগ। এ ছাড়া অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখেন এমন ব্যক্তিদের প্রতিবছর নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। একটি জাতির কারিগর অর্থনীতিবিদ। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের উন্নয়ন হয়ে থাকে। তাই একজন অর্থনীতিবিদের সরাসরি দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এসব কারণে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ অর্থনীতি। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে নিজেদের দেশের জন্য নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতে চাইছে তরুণরা।
তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের উন্নয়ন হয়ে থাকে। তাই অর্থনীতিবিদের সরাসরি সুযোগ রয়েছে দেশের উন্নয়নে কাজ করার। এ ছাড়া আয়, কাজের সুযোগ ও সামাজিক মর্যাদার কারণে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ অর্থনীতিবিদ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার।
♦যা পড়ানো হয়ঃ
অর্থনীতি বিষয়টিতে সামষ্টিক ও ক্ষুদ্র অর্থনীতি, অংক, পরিসংখ্যান, ব্যাংকিং, ফিন্যান্স ও অর্থনীতির সংশ্লিষ্ট কতকগুলো
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়ানো হয়। এছাড়াও উন্নয়ন অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ইত্যাদি বিষয় পড়ানো হয়।
♦চাহিদা:
একটি দেশের সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব অর্থনীতিবিদদের। তাছাড়া বর্তমানে অর্থ সংশ্লিষ্ট কাজের দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বৃদ্ধি
পাওয়ায় এই বিভাগের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অর্থনীতি ছাড়া সব কিছুই অর্থহীন।একুশ শতকের বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নতির পিছনে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন গবেষণাই মূল ভিত্তি।
আমাদের চারপাশের সীমিত সম্পদের কিভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায় অর্থনীতি তা নিয়েই আলোচনা করে।
অর্থনীতিকে বলা হয় রয়্যাল সাবজেক্ট।বর্তমান পৃথিবী যদি কোনো ধাঁধা হয় তবে তার উত্তর হলো অর্থনীতি।
সময়ের সাথে সাথে বিষয় হিসেবে অর্থনীতির আবেদন বাড়ছে। আসলে অর্থনীতিতে সমাজবিজ্ঞান আর বিজ্ঞানের সংমিশ্রণ ঘটেছে। আর ব্যবসায় প্রশাসনতো খোদ অর্থনীতির কোলেই বেড়ে উঠেছে। অর্থনীতি এমন এক বিজ্ঞান যার গবেষণাগার গোটা পৃথিবী। অর্থনীতির গেম থিওরি এতটাই মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব যে এটা নিয়ে মনোবিজ্ঞান থেকে শুরু করে হালের কম্পিউটার সায়েন্সের বিজ্ঞানীরাও নিজেদের ক্ষেত্রে এটাকে কাজে লাগাচ্ছেন। এখানেই অর্থনীতির শ্রেষ্ঠত্ব। গেম থিউরি কি জিনিস সেটা জানতে "এ বিউটিফুল মাইন্ড" দেখতে পারেন।
♦উচ্চ শিক্ষা:
দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির
অনেক বিষয়ের উপর পিএইচডি করা
যায়। এছাড়াও আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, কানাডায় পিএইচডি সুবিধা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থা (আইএলও), এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক, আঙ্কটাড, আইডিএ এসব আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলো সরাসরি অর্থনীতিবিদদের দখলে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্ল্যানিং ডিভিশনসহ বিভিন্ন পজিশনে শুধু অর্থনীতির ছাত্ররাই নিয়োগ পেয়ে থাকেন। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফোর্ড ফাউন্ডেশন, বিল গেট্স মিলিন্ডা, পেকার্ড ফাউন্ডেশন, আইসিডিডিআরবি, মন বসু, জেএসপিএসে ৮০ থেকে ৯০ ভাগ রিসার্চার অর্থনীতি ব্যাকগ্রাউন্ডের। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হলে ভালো মানের অর্থনীতিবিদ হতে হবে।
অর্থনীতিবিদ হিসেবে ক্যারিয়ারঃ
♦ চাকুরির সুবিধা:
অর্থনীতি বিভাগেন শিক্ষার্থীরা বিসিএস ক্যাডারে যোগদান করা ছাড়াও দেশের ব্যাংক বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যবসা- প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন প্রইভেট ফার্ম,
শিক্ষকতা ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গবেষক হিসেবে চাকুরি লাভ করে থাকে।
চাকরির বাজারে ডিমান্ড কেমন?
আগে সব সাবজেক্ট থেকে ব্যাংক এবং অন্যান্য ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানে এপ্লাই করা গেলেও এখন অনেক জায়গায়ই উল্লেখ করে দেয়া হয় শুধু বিবিএ এবং অর্থনীতি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য।
*উচ্চ সিজিপিএ ধারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারবে এছাড়াও সিপিডির মতো প্রতিষ্ঠানের ফেলোশীপ পেতে পারেন।
*এরপরের মেধাবীদের জন্য আছে বিসিএস এ কোঠা দিয়ে পরিসংখ্যান ভবনের মতো জায়গায় ক্যাডার হওয়ার সুযোগ।
*World Bank এর এদেশীয় শাখা থেকে শুরু করে যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে Economicsকে খুবই prefer করা হয়।
যেকোনো কোম্পানির ম্যানেজমেন্টে ৪-৫ বছরের অভিজ্ঞতায় ৬ অংকের salary হওয়া Economics এর শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার!
*Economics হল All-Rounder Subject.
*বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে গড়ে ৫০টা সিট থাকে Economics এর শিক্ষার্থীদের জন্য।
*অধিকাংশ Private Universityতেই Economics subject আছে That means বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা চাকরী জীবনের শুরুতে Private Universityতেও শিক্ষকতা করতে পারবেন।
এই যে এতগুলো Job sector শুধুই Economics এর student দের জন্য সংরক্ষিত রইল।
আপনি এবার চিন্তা করতে থাকুন কোন Job টা করবেন
***প্রস্তুতিঃ
এইচএসসি পরীক্ষার পর অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য ইংরেজি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াবলি, সাম্প্রতিক বিশ্বের ঘটনাপঞ্জি, চলতি ঘটনা সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ ধারণা অর্জন অতীব জরুরি।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত নিয়মাবলি অনুসরণ করে বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনা করা একান্ত প্রয়োজন। অর্থনীতিতে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর সার্বক্ষণিক অর্থনীতির মৌলিক তাত্ত্বিক বিষয়গুলো, গণিত, পরিসংখ্যান, সামাজিক বিজ্ঞান, সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার-বিষয়ক দক্ষতা, জাতীয় এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে সব সময় নিজেকে আপডেট রাখা জরুরি। আর্থসামাজিক ইস্যুগুলোর সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রতিনিয়ত জ্ঞানার্জন প্রয়োজন। নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণসহ তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি প্রায়োগিক বিষয়গুলো চর্চার মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারে। এ ছাড়া দক্ষ হওয়ার জন্য প্রেজেনটেশন দক্ষতার উপরও জোর দিতে হবে।
Economics 1st Paper.
Economics 1st Paper.
টাকায় কেন লেখা থাকে
‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’
‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’। টাকার গায়ে এই কথাটি সবাই লক্ষ্য করে থাকবেন। কিন্তু কখনো চিন্তা করেছেন কি, কেন টাকার নোটে লেখা থাকে চাহিবামাত্র ইহার বাহককে ২০/৫০/১০০/৫০০/১০০০ টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুব সোজা। এজন্য আপনাকে অর্থনীতিবিদ হতে হবে না। তবে জানতে হবে এর পেছনের কথা।
আমরা জানি বাংলাদেশের মুদ্রা ছাপার একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু কথা হলো এই মুদ্রা আসলে কী? মুদ্রা বলতে কী বোঝায় সেই সম্পর্কে একটু ধারনা রাখা ভালো।
বাংলাদেশের সরকারি মুদ্রা হলো দুটি। ১ ও ২ ,৫ টাকার নোট কিংবা কয়েন হলো সরকারি মুদ্রা আর বাকিগুলো হলো সমপরিমাণ টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ছাপানো বিল অব এক্সচেঞ্জ।
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকার বিপরীতে নোট ছাপে। তাই এটা বাংলাদেশের জনগণের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়।
মনে করুন, আপনি কোন কারণে ব্যাংক নোটের উপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। তাই আপনি ১০০ টাকার একটি নোট বাংলাদেশ ব্যাংক কাউন্টারে জমা দিয়ে বিনিময় চাইলেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিবামাত্র এর বাহককে অর্থাৎ আপনাকে সমপরিমাণ ১ ও ২ ,৫ টাকা প্রদান করে দায় থেকে মুক্তি হবে। এই হচ্ছে মূল বিষয়।
আরেকটু ব্যাখ্যা করা যাক। বাংলাদেশ ব্যাংক যখন কোন নোট বাজারে ছাড়ে তখনই সমপরিমাণ ১ও ২ ,৫ টাকার নোট বা কয়েন সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের অ্যাকাউন্টে নিয়ে নেয়। আবার যখন ১ ও ২ , ৫টাকা মার্কেটে ছাড়ে তখনই সমপরিমাণ নোট সরকারি অ্যাকাউন্টে জমা দেয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের নিকট থেকে টাকা নিয়ে টাকা ছাড়ে। সে হিসেবে মার্কেটে যত টাকার নোট আছে ঠিক সমপরিমাণ টাকা (১ ও ২,৫)বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত আছে। সুতরাং সব নোট ব্যাংকে জমা করলেও ১ ও ২ এবং ৬ টাকার কয়েন/ নোট দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১ ও ২ এবং ৫ টাকা হলো সরকারের টাকা বাকিগুলো বিল অব এক্সচেঞ্জ Bill of Exchange. আর এজন্য ১ ও ২ ,৫ টাকার নোটে লেখা থাকে না ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’। বাকি নোটগুলোয় ঠিকই লেখা থাকে।
///
সংগৃহীত
ব্লু-ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্র সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। সাগরের জলরাশি ও এর তলদেশের বিশাল সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। পৃথিবীর দেশগুলো তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে তাকিয়ে আছে সমুদ্রবক্ষে সঞ্চিত সম্পদের দিকে।
২০৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৯০০ কোটি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্যের জোগান দিতে বাধ্য হয়েই তখন সমুদ্রের মুখাপেক্ষী হতে হবে সবাইকে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সমুদ্র নানাভাবেই অবদান রেখে চলেছে। বিভিন্ন তথ্যমতে, বিশ্বের ৪৩০ কোটিরও বেশি মানুষের ১৫ ভাগ প্রোটিনের জোগান দিচ্ছে সামুদ্রিক মাছ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তু। পৃথিবীর ৩০ ভাগ গ্যাস ও জ্বালানি তেল সরবরাহ হচ্ছে সমুদ্রতলের বিভিন্ন গ্যাস ও তেলক্ষেত্র থেকে।
সমগ্র বিশ্বে ক্রমেই ব্লু-ইকোনমি জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশাল সমুদ্রজয়ের পর সমুদ্র অর্থনীতি ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অর্থনীতির সিংহভাগ সমুদনির্ভর। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি এমন কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যে, তা পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করা গেলে সমুদ্র থেকে আহরিত সম্পদের মূল্যমান জাতীয় বাজেটের দশগুণ হবে। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রসম্পদ থেকে বর্তমানে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাকে। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে ব্লু-ইকোনমির বদৌলতে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই মূল্যবান সম্পদ আহরণে কতটা সক্ষম আমরা?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রে শুধু মাছই রয়েছে প্রায় ৫০০ প্রজাতির। এছাড়াও শামুক, ঝিনুক, শ্যালফিস, কাঁকড়া, অক্টোপাস, হাঙ্গরসহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী, যেগুলো বিভিন্ন দেশে অর্থকরী প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রাণিসম্পদ ছাড়াও ১৩টি জায়গায় আছে মূল্যবান বালু, ইউরেনিয়াম ও থোরিয়াম। এগুলোতে মিশে আছে ইলমেনাইট, গার্নেট, সিলিমেনাইট, জিরকন, রুটাইল ও ম্যাগনেটাইট। এসব সম্পদ অতি মূল্যবান। তা ছাড়া সিমেন্ট বানানোর উপযোগী প্রচুর ক্লে রয়েছে সমুদ্র তলদেশে।
ক্রমাগত সম্পদ আহরণের ফলে বিশ্বে স্থলভাগের সম্পদের পরিমাণ কমে গেছে। তাই নতুন সম্পদের খোঁজে রয়েছে সারা বিশ্ব। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেভ আওয়ার সি’র তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্র থেকে মাছ ধরে শুধু রফতানি করেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। গভীর সমুদ্র থেকে আহরিত টুনা মাছ সারা বিশ্বে খুবই জনপ্রিয়। সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এই মাছটি দেশের আন্তর্জাতিক মানের হোটেলগুলোতে আমদানি করা হয়ে থাকে। এই মাছ সঠিকভাবে আহরণ করতে পারলে নিজ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন দেশে রফতানি করাও সম্ভব।
এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ থেকে খাবার, মাছের তেল দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, সস, চিটোসান ইত্যাদি তৈরি করা সম্ভব, যার ফলে নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তা বিদেশে রফতানি করেও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যেতে পারে। এসডিজি’র ১৪ নম্বর ধারায় টেকসই উন্নয়নের জন্য সামুদ্রিক সম্পদের অনুসন্ধান ও সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। আর তাই ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি পূরণের জন্য সামুদ্রিক সম্পদ আহরণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
সমুদ্র অর্থনীতি বিষয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও হয়েছে। সমঝোতা চুক্তি করার প্রস্তাব দিয়েছে চীন। আগ্রহ রয়েছে জাপানেরও। এছাড়া হাতে নেয়া হয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ। এর বাইরে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। সব মিলিয়ে আশা করা যাচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে ব্লু ওশান ইকোনমি বা নীল সমুদ্র অর্থনীতি।
Source:
Jugantor
হেলিকপ্টার মানি (Money) বলতে কী বোঝায়?
হেলিকপ্টার মানি হচ্ছে কোনো দেশের অর্থনৈতিক মন্দার সময় অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য জনগণের মাঝে বিতরণ করা নতুন মুদ্রিত বিপুল পরিমাণ অর্থ। অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠে দেশের অর্থনীতি গতিশীল করার এক অপরিহার্য মাধ্যম। দেশে সুদের হার শুণ্য বা শুণ্যের কাছাকাছি এবং বাজেট ঘাটতি হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য এই পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।
যেমন: ২০১৬ সালে দেশের অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য জাপান হেলিকপ্টার মানি ব্যবহার করেছিল।
ঠিক একই ভাবে এই করোনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রত্যেক আমেরিকানকে ১০০০ ডলার ক্যাশ দিবে; এইরকম একটা নিউজ হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশ করা হয়। এটাও হেলিকপ্টার মানি।
যদিও এই হেলিকপ্টার মানির ধারণা খুব প্রচলিত কিছু না, তবে অধিকাংশ অর্থনীতিবিদের মত: এটি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর নয়। আবার অনেক অর্থনীতিবিদ যুক্তি দেখান যে, এটি অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার সম্ভাব্য সমাধান নয়।
হেলিকপ্টার মানির কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
আসলে হেলিকপ্টার মানি একধরণের একমুখী কৌশল।
এটি অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি বাড়ায় এবং এতে করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
হেলিকপ্টার মানি সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রার অবমূল্যায়ন করে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, সাময়িকভাবে দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করে।
বর্তমান করোনায় লোকডাউনের সময় হেলিকপ্টার মানি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য এক আলোর দিশারী। সম্প্রতি আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে ঈদে ২৫০০ টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছেন সেটাও হেলিকপ্টার মানির উদাহরণ।
Economics 2nd Paper.
Economics 1st Paper.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Maijdee Court