26/04/2026
নবীজীর আমলে এক নারীকে হাসির পাত্র বানানো হয়েছিল খোলা বাজারে।
আজকের যুগে হলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতো। মিম বানানো হতো। হয়তো কিছু লাইক-কমেন্ট পেয়ে সবাই ভুলে যেত।
কিন্তু সেদিন ছিল ভিন্ন গল্প।
মুসলিম নারীটি এসেছিলেন কাইনুকিদের বাজারে জিনিসপত্র নিয়ে। বেচাবিক্রি শেষে জিরাবার জন্য বসেছিলেন এক ইহুদি স্বর্ণকারের দোকানে।
মশকরা করে ইহুদিরা বলছিল মহিলা যেন তার নিকাব সরান। কিন্তু তিনি একদমই রাজি হননি তাদের কথায়।
একফাঁক স্বর্ণকার চুপিচুপি ওই নারীর পোশাকের নিচের এক কোণা কৌশল করে বেঁধে দেয়।
মহিলা খেয়াল করেননি বিষয়টা। উঠতে গিয়ে তার পর্দা সরে যায়।
ইহুদিদের তখন সে কি উল্লাস।
মহিলার চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন এক মুসলিম। তিনি চোখের পলকে হামলা করে মেরে ফেলেন স্বর্ণকারকে।
সাথের ইহুদিরা তখন আবার মেরে ফেলে সেই মুসলিম পুরুষটিকে।
কাইনুকিদের এরকম খাসলত অবশ্য এবারই প্রথম ছিল না। অনেক দিন ধরে সহ্য করছিলেন নবিজি (ﷺ)।
কিন্তু এবার আর ছাড় দেয়ার উপায় নেই। তিনি সোজা ফৌজ নিয়ে ছুটলেন ওদের জবাব দিতে।
টানা ১৫ রাত ধরে কাইনুকিদের অবরোধ করে রেখেছিলেন নবিজি (ﷺ)। শেষ পর্যন্ত ওরা আত্মসমর্পণ করে দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে।
কাইনুকিদের মদিনার ভিটেমাটি ছেড়ে এককাপড়ে বিদায় হতে হয়েছিল সেদিন।
আজ মুসলিম নারীরা নিজেরাই নিজেদের ইজ্জত বিকিয়ে দিচ্ছেন। অন্যরা আর কী সম্মান দেবে!
সূত্র: আর-রাহীকুল-মাখতুম,
[আল্লামা সফিউর-রাহমান মুবারকপুরি (রহ.)]
24/04/2026
যে তাকে জেনেছে, সেই ভালোবেসেছে 💗💘
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম
17/04/2026
صَلَّىٰ ٱللَّٰهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
14/04/2026
পহেলা বৈশাখ কি আসলেই বাঙালি মুসলিমের হাজার বছরের ঐতিহ্য, নাকি চাপিয়ে দেওয়া কোনো সংস্কৃতি?
আমরা ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি পহেলা বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। কিন্তু ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায় অন্য এক চিত্র।
পহেলা বৈশাখ কি আদতে ‘হিন্দু বিক্রমী দিনপঞ্জি’র অংশ?
কেন ১৯১৭ সালে ব্রিটিশদের বিজয় কামনায় প্রথম এই উৎসবের আয়োজন হয়েছিল?
পূর্ববঙ্গের মুসলিম জাতিসত্তার সাথে এই উৎসবের সংঘাত কোথায়?
বাঙালি সংস্কৃতি বনাম হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির এই সূক্ষ্ম বিভাজন এবং পহেলা বৈশাখের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর বিশ্লেষণ।
পুরো লেখাটি পড়তে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:👇
#পহেলা #বৈশাখ #ইসলাম
~ ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি
10/04/2026
আমি মুসলিম
এটাই আমার পরিচয়
07/04/2026
উম্মুল মু'মিনিন উম্মে সালামাহ (রা.) বলেন,
যখন কুরআনের এই আয়াত নাজিল হলো,
يُدنينَ عَلَيهِنَّ مِن جَلابيبِهِنَّ
'তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়' (সূরা আহযাব: ৫৯)
এরপর থেকে আনসারী নারীরা এমনভাবে (ঘর থেকে) বের হতেন, যেন মনে হতো তাদের মাথার ওপর কালো দাঁড়কাক বসে আছে (অর্থাৎ তারা কালো চাদর দিয়ে মাথা ও শরীর এমনভাবে আবৃত করেছিলেন, যেনো তাদের দেখতে মনে হতো কালো দাঁড়কাক)
خرج نساء الأنصار كأن على رؤوسهن الغربان من الأكسية
📚 সুনানু আবী দাঊদ (হাদিস নং: ৪১০১)
তাহকিক: মুহাদ্দিস নাসিরউদ্দীন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।
05/04/2026
সুস্থ হাসব্যান্ডের হঠাৎ করে বুকে ব্যাথা উঠায়, স্ত্রী একাই হ্যাসব্যান্ডকে নিয়ে হসপিটালে রওয়ানা দিলেন। হসপিটালে পৌছার পর স্বামীর অবস্থা আরও অবনতি হলো। স্ত্রী এই অবস্থা দেখে আর সহ্য করতে পারলেন না। স্ট্রোক করলেন এবং আধা ঘন্টা পর ইন্তেকাল করলেন। ওদিকে ডাক্তারদের চিকিৎসায় স্বামী সুস্থ হতে লাগলেন ক্রমশ।
সকালে যেই স্ত্রী অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে আসলেন, বিকালে সেই স্বামীই মৃত স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা দিলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে।
গত কিছুদিন আগে চট্টগ্রামের একজন ডাক্তার মারা গেলেন হার্ট এটাকে। আগের রাতেও বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা দিয়েছেন। পরেরদিন সকালে যথারীতি কাজে যোগ দিয়েছেন। সকাল ১১টার দিকে বুকে ব্যাথা, আড়াইটার দিকে চলে গেলেন আল্লাহর কাছে। নিজে ডাক্তার, হসপিটালেই তার অবস্থান। চিকিৎসা সরন্জামাদি সবই রেডি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। চলে যেতেই হলো।
আমাদের মাদরাসার মুফতি তৈয়ব সাহেব। মাগরিবের পর ক্লাস নিয়েছেন, সিসি টিভির রেকর্ডে স্পষ্ট দেখা যায়। প্রাণবন্ত মানুষটি ঈশা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে ঈশার পর চলে গেলেন চীরনিদ্রায়।
_________
আশেপাশের মানুষগুলোর এভাবে হঠাৎ চলে যাওয়ায় আমরা শকড হই, ব্যাথিত হই। কিন্তু এই নাসিহাত খুব কম মানুষেরই নেয়ার সৌভাগ্য হয় যে, এরকম দিন তো আমারও আসবে। যে কোন সময়, যে কোন মুহুর্তে। লম্বা লম্বা আশা, বড় বড় স্বপ্ন দেখা তাহলে কমে যেত অনেক। কিছু পাওয়া নিয়ে খুব বেশি আকাংখাও থাকতো না, না পাওয়া নিয়ে থাকতো না আফসোস।
কে দুরে সরে গেলো, কে কাছে আসলো, খুব একটা ভাবান্তর হতো না তখন আর। কারো সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্য লালায়িত না হয়ে শুধুমাত্র রবকে খুশি করাই হত একমাত্র চাওয়া ও পাওয়া।
“দুনিয়ার এই জীবন ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই নয়।” - সুরা হাদিদ।
~রিজওয়ানুল কবির হাফি.
05/04/2026
ফজরের পর মেসেজটা দেখলাম। বয়স ১৪-১৫ বছর হবে। মা*রা গেছে।
প্রতিদিন সকালে উঠেই দেখি "আমি মরিনি, বেঁচে আছি"। সারাজীবন এটাই দেখেছি প্রতিটা সকালে।
ফলে, একটা সিদ্ধান্ত মাথায় গেঁথে গেছে। প্রতিদিনের অভিজ্ঞতালব্ধ সিদ্ধান্ত:
"আমি মরি না। আমি প্রতিদিন বেঁচে থাকি।"
জানি, এটা ভুল সিদ্ধান্ত। কিন্তু নিয়মিত অভিজ্ঞতার কারণে মস্তিস্ক ধোঁকা খেয়ে যায়। ভুলে যায়। পোক্তভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় যে, "আমি বেঁচে আছি, থাকবো।"
এইটুকু বিভ্রান্তি আমরা সবাই বুঝি। এক্সপেরিয়েন্স করি। প্রতিদিনের ভ্রান্তিতে আরো ডুবে যাই।
আজ, এক ঘন্টা পরে যে মা*রা যাবে, সে হসপিটালে থাকলেও এই বিভ্রান্তিতে ভাবতে থাকার কথা, "কতদিন হয়ে গেলো এই হসপিটালে! আরো কতদিন যে থাকতে হবে!"
পাশের বেডের রোগীটা মারা গেলে মনে হয়, "আহারে বেচারা! আমিও একদিন মা*রা যাবো। ইন্না লিল্লাহি..."
মনে হয় না, আমিও হয়তো আর দুই মিনিট পরেই "...ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" এর কাতারে চলে আসবো।
প্রস্তুতি নেয়া হয় না। আজও নিইনি। অথচ আজ বাসায় জীবিত নাও ফিরতে পারি।
আজও বলে আসা হয়নি, লিখে রাখা হয়নি, আজ আমি মা*রা গেলে কী কী করতে হবে, কিভাবে করতে হবে।
এভাবেই দিনগুলো কেটে যাচ্ছে। প্রস্তুতিবিহীন জীবন। যেখানে কবর নিয়ে, হাশর আর পুলসিরাত নিয়ে কোন আশঙ্কা নেই, ভয় নেই। ফলে, সিরিয়াস কোন প্রস্তুতি নেই। অথচ দুনিয়ার একেকটা কাগুজে পরীক্ষা নিয়ে আমাদের প্রিপারেশান...
আমাদেরকে চাঁদের হিসেবে গণণা করতে বলা হইসে। সেই হিসাবে এবং সৌর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ আমি আরো একটা বছর হারালাম। কবরের মাটিচাপার দিকে আরো একটা বছর এগিয়ে গেলাম। অথচ...
এই লেখাটা কতজন যে পড়বে!
কিন্তু সত্যিই কয়জন মানুষ নিজের গুনাহের জীবন ছেড়ে দিবে এই মূহুর্তে?
আল্লাহর অবাধ্যতা ছেড়ে দিয়ে, ক্ষমা চেয়ে, সম্পূর্ণ নতুন জীবন কয়জন শুরু করবে "এক্ষণ" থেকেই?
আপনি শুরু করবেন?
তাহলে জেনে রাখেন, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন, আল্লাহ আপনার উপরে খুশি হয়ে যাবেন ইন-শা-আল্লাহ।
লেখা : মোহাম্মদ তোয়াহা আকবার
#সীরাহ
02/04/2026
প্রচন্ড তপ্ত গরম জাহান্নামের শ্বাস
02/04/2026
⭕শাওয়াল মাসের ৬ টি রোজা রাখার চেষ্টা করুন!!
--------------------------------------------------------------
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন।
আবু আইয়ুব (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল।”
[সহিহ মুসলিম,হা/১১৯৪]