04/05/2024
ইপিএস কর্মসূচীর আওতায় কর্মী নির্বাচন, রোস্টার, শ্রম চুক্তি ইস্যু এবং চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং সচেতনমূলক ভিডিও ডকুমেন্টারী
(সকল ইপিএস প্রার্থী/কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বর্ণিত প্রতিবেদন ও সচেতনমূলক ভিডিও ডকুমেন্টারী অনুসরণ এবং বহুল প্রচারের জন্য পরামর্শ দেয়া হলো)
সংশ্লিষ্ট সকলে অবগত আছেন যে, বাংলাদেশ সরকার ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) ও কোরিয়া সরকারের পক্ষে হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস অব কোরিয়া (এইচআরডি কোরিয়া)’র যৌথ ব্যবস্থাপনায় ইপিএস-এর আওতায় বাংলাদেশি কর্মীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করে থাকে। এইচআরডি কোরিয়া কর্তৃক নির্ধারিত বার্ষিক কোটার ভিত্তিতে কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন প্রাথমিক নিবন্ধন, প্রয়োজনে লটারি, চূড়ান্ত নিবন্ধন ও চূড়ান্ত পাশের সংখ্যা এবং জব রোস্টারভুক্ত করে থাকেন। নিবন্ধন কার্যক্রম থেকে শুরু করে চূড়ান্ত নির্বাচন, জব রোস্টার, শ্রমচুক্তি ইস্যুসহ দক্ষিণ কোরিয়া গমন প্রক্রিয়া এইচআরডি কোরিয়া কর্তৃক বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে বোয়েসেল-এর কোনো ধরণের সুপারিশ বা হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। বোয়েসেল ও এইচআরডি কোরিয়া বর্ণিত কার্যক্রমে বিধি মোতাবেক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
রোস্টার-এ অন্তভূক্তির পদ্ধতি:
এইচআরডি কোরিয়া কর্তৃক কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা, স্কীল টেস্ট ও কালার ব্লাইন্ডনেস টেস্ট গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হয়ে থাকে। সেমতে ২০২৪ সালে ১১তম পয়েন্ট রিক্রুটমেন্ট সিস্টেমে সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে মৎস্য ও নির্মাণ খাতে কাট মার্ক ১৫৫, জাহাজ নির্মাণ শিল্পে কাট মার্ক ১৪৫ বিবেচনায় স্কিল টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এইচআরডি কোরিয়ার চাহিদা মোতাবেক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের চাকরির লক্ষ্যে রোস্টারভুক্ত করা হয়ে থাকে। রোস্টারভুক্ত হওয়ার পর কে আগে বা পরে পাশ করলো, কে বেশি বা কম নম্বর পেলো, কার শিক্ষাগত কম বা বেশি এ তথ্যগুলো জব রোস্টারে উল্লেখ থাকে না বিধায় শ্রম চুক্তি ইস্যুর ক্ষেত্রে ব্যাচ/সাল ভিত্তিক অগ্রাধিকার প্রদানের কোনো সুযোগ নেই। উল্লেখ্য যে, বার্ষিক কোটা অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিনগুণ রোস্টারভুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে