সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন/সুবিধা কমানোর কথা বলা একটা পপুলিস্ট কাজ।
১ম শ্রেণির সরকারি চাকুরিজীবীর বেতন স্কেল ২২,১০০ টাকা। ২০১৫ সালে ছিল এটা, এখনও সেটাই আছে। এই সময়ে তাদের জীবনযাপনের ব্যয় কি বাড়েনি?
যেকোন দেশের সরকারি চাকুরির এই সময়ে বেতন বেড়েছে কিনা তুলনা করে আসতে পারো।
দূর্নীতি কমানো আর বেতন বৃদ্ধি ভিন্ন বিষয়। কেউ দুর্নীতি করলে আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে, এই দাবি করা যৌক্তিক।
কিন্তু একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু কর্মকর্তা দুর্নীতি করেছে বলে সকল কর্মকর্তার বেতন সময়ের সাথে বৃদ্ধি না করে তাদেরকে আর্থিক কষ্ট দেয়াটার যৌক্তিকতা কোথায়?
যারা এফিসিয়েন্টলি সার্ভিস দেয়/দিতে চায় তারা এই দুর্মূল্যের বাজারে চলতে না পেরে বিকল্প আয় করার চেষ্টা করবে না? করলে তাদের এফিশিয়েন্সি বাড়বে না কমবে?
এখনকার মিডিয়াতে সরকারি চাকরিজীবীদের কে সর্বাবস্থায় ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করার একটা প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। যেমন- "নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকার কারণে এবং আগে পরে শুক্র শনিবার থাকার কারণে সরকারি চাকরিজীবীরা তিনদিনের ছুটি পাচ্ছেন।" এরকম হেডলাইন দিয়েও নিউজ করতে দেখেছি। অথচ, নির্বাচনের দিন সবাই সাধারণ ছুটি ভোগ করলেও সরকারি কর্মকর্তাদের ডিউটি করতে হবে।
মিডিয়া/এক্টিভিস্ট যে কোন বিষয়ে মতামত প্রদান করার ক্ষেত্রে পপুলিস্ট মতামত প্রদান করার চেয়ে দায়িত্বশীল মতামত প্রদান করা শ্রেয়।
Bcs Our ambition
সরকারি চাকরি পরীক্ষার পুর্নাঙ্গ প্রস
Want your school to be the top-listed School/college in Lalmonirhat?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Lalmonirhat
5500
5500