09/07/2022
ত্যাগের মহিমায় ঈদ আনন্দে উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন, সবাইকে ঈদ উল আযহা এর শুভেচ্ছা
Lalmonirhat Science & Literature club was established in 2019 by a bunch of friends to encourage the practice of science & literature for a better life.
This club organized its first-ever festival in January 2020.
09/07/2022
ত্যাগের মহিমায় ঈদ আনন্দে উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন, সবাইকে ঈদ উল আযহা এর শুভেচ্ছা
24/06/2022
অভিনন্দন পার্থিব প্রধান💗
বাংলাদেশ দলের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
22/05/2022
জানুক সবাই, দেখাও তুমি
03/05/2022
আমাদের ক্লাব এর কোন আইডিয়া থাকলে আমরাও অংশগ্রহণ করতে পারি।
সকলের কাছে ধারণাপত্র আহ্বান করা যাচ্ছে।
অনুদান প্রাপ্তির সুযোগ: ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি বিভাগ এক উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ঘোষণা দিতে পেরে আনন্দিত। এই প্রতিযোগিতার আওতায় অলাভজনক সংস্থাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যেকার ৫০ বছরের বন্ধুত্বকে আরো শক্তিশালী, প্রসারিত ও উদযাপনের লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থায়নের প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সংস্থাগুলোকে আগামী ১১ মে ২০২২ বাংলাদেশ সময় রাত ১১:৫৯ টার মধ্যে আগ্রহপত্র (অনূর্ধ্ব দুই-পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ধারণাপত্র) জমা দিতে বলা হয়েছে।
সম্পূর্ণ ঘোষণাটি পড়ুন এখানে: http://ow.ly/N0kw50ItTxN
𝐅𝐔𝐍𝐃𝐈𝐍𝐆 𝐎𝐏𝐏𝐎𝐑𝐓𝐔𝐍𝐈𝐓𝐘: The Public Diplomacy Section of U.S. Embassy Dhaka is excited to announce an open competition inviting not-for-profit organizations to submit proposals to fund projects that seek to strengthen, expand, and celebrate 50 years of friendship ties between the people of the United States and the people of Bangladesh. Organizations are asked to submit a statement of interest (concise concept note of no more than two-pages) by no later than 11:59pm (BST) on May 11, 2022.
Read the full announcement here: https://bd.usembassy.gov/embassy/dhaka/grants-and-procurement-opportunities/
02/05/2022
ঈদুল ফিতরের পবিত্রতা ও উৎসবের আনন্দে মহিমান্বিত হয়ে উঠুক আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত।
এই শুভকামনা নিয়ে লালমনিরহাট সায়েন্স অ্যান্ড লিটারেচার ক্লাবের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই
💗ঈদ মোবারক💗
29/04/2022
ইফতার মাহফিল-২০২২💗
12/04/2022
📢আপনার স্কুল/কলেজের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আইসিটি অলিম্পিয়াডে যোগ দিন।
📍আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ এর সাথে কাজ করে বেনিফিট কি?
১। দেশজুড়ে সকল শিক্ষার্থীদের সাথে নেটওয়ার্কিং করার সুযোগ এবং নিজের কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধির সুযোগ যা আপনার চাকরির ইন্টারভিউ সহ চাকরিজীবন প্রত্যাহিক জীবনকে অনেক সহজ করে তুলবে।
২। দেশের আইটি সেক্টরের সেরা ব্যক্তিবর্গের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ এবং তাদের থেকে পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ।
৩। স্টুডেন্ট লাইফ ও জব লাইফে প্রয়োজনীয় আইটি স্কিল যা আপনাদের অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে অনেকখানি এমন কিছু পেইড কোর্স বিনামূল্যে করার সুযোগ।
৪। এপ্রিশিয়েশন সার্টিফিকেট যা আপনার বিদেশে উচ্চশিক্ষা কিংবা চাকুরীর জীবনে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সিভিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
৫। এছাড়াও ভালো পারফর্মেন্স এর জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নধরনের সারপ্রাইজ গিফটস।
Happy New Year ❤️
16/12/2021
স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ হলো। আজ ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী। একটি জাতির জন্য এই বয়স তেমন কিছু নয়; তবে দেশ হিসাবে ৫০ বছর সময় একেবারে কম নয়।১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করেছি। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে প্রাপ্তির হিসেবে গড়মিল থাকলেও অর্জন কম হয়নি। আমাদের প্রাপ্তির তালিকা বেশ বড়, সমৃদ্ধ, গৌরবময়। এ সময়ে আর্থ সামাজিক উন্নতি এবং মানুষের যাপিত জীবনে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। শুধু বার্ষিক অর্থ বছরের বাজেট বেড়েছে ৭৬৭ গুণ।
পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের উদয়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জার তাচ্ছিল্য করে বলেছিলেন ‘বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি।’ সেই তলাবিহীন ঝুড়ি ৫০ বছরে আধুনিক কৃষি, তৈরি পোশাক, দারিদ্র্যতা দূরীকরণ, অর্থনীতি, রেমিট্যান্স, গড় আয়ু, আমদানি, রফতানি, রিজার্ভ, মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার, নারী শিক্ষা, কলকারখানায় উৎপাদনসহ অনেক সূচকে এখন বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে
১৯৭১ এর ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে যে সর্বাত্মক সংগ্রামের শুরু হয়েছিল ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এ রেসকোর্স ময়দানেই তার সমাপ্তি হয়। তবে সেই বিজয়কে অর্থবহ করতে এ দেশের আপামর জনতার সর্বত্মক সংগ্রাম চলছে, চলবে।
CC:Nourin Rahman
১ম বাংলাদেশ উইমেন্স ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন শুরু হয়েছে। অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
শুধুমাত্র ৫ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীরা এই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহন করতে পারবে। পরীক্ষা অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে যার লিংক রেজিস্ট্রেশন শেষে এস, এম, এস এর মাধ্যমে জানানো হবে।
তিনটি ক্যাটাগরীতে অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হবে।
ক্যাটাগরী এঃ ৫ম-৭ম শ্রেনী
ক্যাটাগরী বিঃ ৮ম- ১০ম শ্রেনী
ক্যাটাগরী সিঃ একাদশ এবং দ্বাদশ।
রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রতিযোগীর নাম, স্কুলের নাম, ঠিকানা, ই-মেইল ঠিকানা (ঐচ্ছিক), মোবাইল নম্বর এবং ছবি অবশ্যই সংযোগ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট কর www.bdwpho.org
নিবন্ধনের জন্য টেলিটক নাম্বার ব্যবহার করা যাবেনা।
অনলাইন পরীক্ষা শুরুর পূর্বে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে বাংলাদেশ উইমেন্স ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের পক্ষ থেকে এস,এম,এস এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করা হবে এবং অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রন জানানো হবে।
পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৩ ক্যাটাগরির প্রত্যেক ক্যাটাগরি থেকে বিজয়ী প্রথম ০৩ জনের সকলকে ১০ হাজার টাকার বই (সর্বমোট ৯০ হাজার টাকার বই) পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে। বাকি বিজয়ীদের সনদপত্র, পদক ও টি-শার্ট প্রদান করা হবে।
আহবায়ক
বাংলাদেশ উইমেন্স ফিজিক্স অলিম্পিয়াড কমিটি
12/11/2021
"নন্দিত নরকে" থেকে "দেয়াল" কিংবা "শঙ্খনীল কারাগার" থেকে "ঘেটুপুত্র কমলা" নিজের অনন্য সাধারণ সৃষ্টি দিয়ে যিনি আমাদের আজীবন মুগ্ধ করে গেছেন সেই সাহিত্যের রাজপুত্র, নন্দিত কথাসাহিত্যিক, গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, "হুমায়ূন আহমেদের" আজ ৭২ তম জন্মদিন।
১৯৪৮ সালের ১৩ই নভেম্বর হুমায়ূন আহমেদ জন্ম গ্রহণ করেন নেত্রকোনা জেলার কুতুবপুর গ্রামে। পিতার বদলির চাকরির সুবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে শৈশব কৈশোর কাটে হুমায়ূনের। মা-বাবা আর ছয় ভাই -বোনকে নিয়ে বর্নিল এক জীবন ছিল তাঁর। মুক্তিযুদ্ধের পর এই জীবনযাত্রায় নেমে আসে ভয়াবহতা।তবুও হাল ছাড়েননি হুমায়ূন।নিজ সাহিত্য সাধনা আর লেখনিতে চালেয়ে গেছেন জীবনের অনুসন্ধান।
তুখোড় মেধাবী হুমায়ূন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে, পিএইচডি সম্পন্ন করেন নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে।পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।কিন্তু সাহিত্য আর সৃষ্টি তাকে এতোটাই আকর্ষন করেছিল যে তিনি পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ছেড়ে দেন শুধুমাত্র সাহিত্য চর্চার খতিরে।
আবহমান বাংলাদেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণি তার লেখনিতে ধরা দিয়েছে অসাধারণ রূপে। আর তাই হিমু, মিসির আলি, রূপা, শুভ্র কিংবা মৃন্ময়ীদের কাহিনি পরিনত হয় আমাদের সবার কাহিনিতে। " এইসব দিনরাত্রির" মুনা, বাকের ভাই কিংবা বদির জীবন আমাদের জীবনে রেখাপাত করে। "অয়োময়" এর চরিত্র গুলো যেন আমাদের সাথে কথা বলে প্রতিনিয়ত।
এদেশের মানুষের জীবনধারা ও মনস্তত্ত্বকে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর জাদুকরি কলমে ধারণ করেছিলেন অসাধারণভাবে। তাই তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে। তার লেখনির মাধ্যমেই এদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার এক নতুন দিনের সূচনা হয়। এখনো একুশে বই মেলায় তার জনপ্রিয়তার উত্তাপ আঁচ করা যায়।।
হুমায়ূন আহমেদের মতো জাদুকর, যিনি আমাদের জোছনা আর বৃষ্টি দেখতে শিখিয়েছিলেন তার মৃত্যু নেই।
হিমু, রূপা, শুভ্র আর মৃন্ময়ীরা বেঁচে থাকে আমাদের মাঝে আর হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকেন তার সৃষ্টির মাঝে।
_ Nourin Rahman