খেলতে খেলতে আরবি হরফ শিক্ষা।
Wafi Islamic Institute
Wafi Islamic Institute is an online school for kids and youth.
We teach Qur’an, Tafsir, Seerah, and Arabic in simple and fun ways with caring teachers from around the world.
☞ WhatsApp +8801683047765
হামদান একটি ছোট্ট ছেলে। এবার সে খুব খুশি, কারণ সে তার মা আর বাবার সাথে হজে যাচ্ছে! এটা তার জীবনের প্রথম হজ।
হামদান বিমান থেকে নেমে সবার মতো সাদা কাপড় পরে নিল – এটাকে বলে ইহরাম। এরপর সে দেখল, সবাই একটি কথা বারবার বলছে।
সে তার মায়ের হাত ধরে জিজ্ঞেস করল,
– আম্মু, সবাই যে “লাব্বাইক, লাব্বাইক” বলছে, এটা কী?
তার মা আদর করে বললেন,
– ওটা হলো তালবিয়া, আমার সোনা! হজের সময় আল্লাহর সামনে আমরা এই কথা বলি। বলো তো, তুমি বলতে পারো?
তার বাবা পাশে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তালবিয়া উচ্চারণ করলেন:
> "লাব্বাইকাল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারীকালাকা লাব্বাইক, ইন্নাল-হামদা ওয়ান-নিঅমাতা লাকা ওয়াল-মুলক, লা শারীকালাক।”
হামদান কয়েকবার চেষ্টা করল। প্রথমে একটু গড়মিল হলেও পরে সে ঠিক বলল।
– আম্মু, এর মানে কী?
মা হেসে বললেন,
– এর মানে হচ্ছে: ‘হে আল্লাহ! আমি হাজির, আমি হাজির। আপনার কোনো শরিক নেই। সমস্ত প্রশংসা, নেয়ামত ও রাজত্ব আপনারই। আপনার কোনো অংশীদার নেই।’
হামদান মুগ্ধ হয়ে বলল,
– মানে, আমরা আল্লাহকে বলছি যে আমরা শুধু তারই বান্দা, তাই না?
– একদম ঠিক বলেছো! বাবা গর্ব করে বললেন।
এরপর হামদান কাবা শরিফ দেখতে পেল। তার চোখ বড় হয়ে গেল বিস্ময়ে। সে এক হাতে কাবা দেখছে, আর অন্য হাতে মায়ের হাত ধরে বলছে:
– লাব্বাইকাল্লাহুম্মা লাব্বাইক…
---
🌟 শিক্ষণীয় বার্তা:
ছোটরাও হজে গেলে তালবিয়া শিখে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারে।
তালবিয়া আমাদের শেখায় যে আল্লাহই একমাত্র উপাস্য, তিনিই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।
পরিবার একসাথে ইবাদত করলে ভালোবাসা ও ইমান দুই-ই বাড়ে।
ছোট্ট হামদান, বয়স ৮ বছর। সে থাকত ঢাকার এক ছোট্ট সুন্দর ফ্ল্যাটে। হামদানের সবচেয়ে প্রিয় সঙ্গী ছিল — ওর খুদে রোবট বন্ধু, নাম তাকরিম।
তাকরিম ছিল খেলনা নয়, বরং একটা কথা বলা, দোয়া শেখানো বুদ্ধিমান রোবট! 🧠🤖
🗓️ একদিন সকালবেলা...
হামদান ঘুম থেকে উঠেই তাকরিমকে জিজ্ঞেস করল,
— “তাকরিম, আজকে কি কোনো স্পেশাল দিন?”
তাকরিম চোখের আলো টিমটিম করে জবাব দিল,
— "আজ ৯ জিলহজ — আরাফাহ দিবস! আজ থেকে শুরু হলো তাকবীরে তাশরীক।"
হামদান একটু অবাক হয়ে বলল,
— “ওটা আবার কী?”
তাকরিম বলল,
— “চলো বলি, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার…’”
হামদান ধীরে ধীরে বলল,
—
"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ
الله أكبر،الله أكبر لا إله إلا الله ،الله أكبر، الله أكبر ولله الحمد.
🎉 তাকরিম তখন হাততালি দিয়ে বলল,
— “তুমি একদম ঠিক বলেছো! এখন জানো, এটা আমরা পড়ি নয় জিলহজ ফজর থেকে তেরো জিলহজ আসর পর্যন্ত। মানে টানা ৫ দিন!”
হামদান চোখ গোল গোল করে বলল,
— “তা হলে ঈদের পরও বলা যায়?”
তাকরিম মাথা ঝাঁকালো,
— “হ্যাঁ! ঈদের নামাজের পর মসজিদে সবাই মিলে বলে। এমনকি নামাজের পর বাসায় একা একাও বলা যায়!”
হঠাৎ মজার এক ঘটনা...
হামদান বলল,
— “চলো ছাদে গিয়ে তাকবীর বলি!”
ওরা ছাদে গিয়ে একসাথে বলল,
— “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার…”
ঠিক তখনই আশেপাশের পাখিরা ডানা মেলে ওদের চারপাশে ঘুরতে লাগল। একটানা বাতাস বইল, আকাশে একটা সাদা রঙের মেঘ হেসে হেসে তাকিয়ে রইল।
হামদান তাকরিমকে জড়িয়ে ধরে বলল,
— “তাকরিম, মনে হচ্ছে প্রকৃতিও আমাদের সাথে তাকবীর বলছে!”
তাকরিম বলল,
— “কারণ, আল্লাহর নাম শুনে পুরো দুনিয়া আনন্দিত হয়। আর যারা সত্যি মন দিয়ে বলে, তাদের আল্লাহ অনেক ভালোবাসেন।”
---
⭐ তাকরিমের উপদেশ:
> “তাকবীরে তাশরীক মানে শুধু বলা নয়, এটা আল্লাহর বড়ত্ব বিশ্বাস করা – মন থেকে, ভালোবেসে।”
---
📘 গল্পের শিক্ষা:
তাকবীরে তাশরীক হচ্ছে এক বিশেষ তাকবীর যা কুরবানির ঈদের সময় পড়া হয়।
পড়া শুরু হয় ৯ জিলহজ ফজর থেকে, শেষ হয় ১৩ জিলহজ আসরের পর।
এটা বললে সওয়াব হয়, মন ভালো থাকে, আর আল্লাহ খুশি হন।
ছোটরাও এটা বলতে পারে, মজা করেও, মন দিয়েও।
03/06/2025
গল্পে গল্পে কুরবানি ও ত্যাগের শিক্ষা
শনিবার সকাল।
হামদান মায়ের মোবাইল থেকে ঈদের নাশিদ শুনছিল, হঠাৎ তার চোখে পড়ল এক ভিডিও—একটা গরুতে ফুলের মালা, সবাই হাসছে, ছবি তুলছে।
সে চট করে মাকে জিজ্ঞেস করল,
— মা, মা! এই গরুগুলোকে সবাই এত আদর করছে কেন? ওরা কি সেলিব্রিটি?
মা হেসে ফেললেন,
— না বাবা, এটা কুরবানির ঈদের গরু। কদিন পরেই ঈদুল আযহা। তাই ওদের যত্ন নিচ্ছে সবাই।
— ঈদুল আযহা মানে কুরবানির ঈদ! যেইদিন হালিম, কাবাব, বিরিয়ানি হয়! উফফ, আমি তো এখনই খেতে চাই!
— হেহে, ঠিকই ধরেছ। কিন্তু কুরবানি শুধু খাওয়া-দাওয়ার নাম না। এর পেছনে আছে এক বীরত্বপূর্ণ গল্প!
— আবার গল্প? ইয়েস! গল্প মানেই মজা! শুরু করো মা!
মা চোখে গল্পের আলো নিয়ে বলা শুরু করলেন...
---
অনেক অনেক বছর আগে,
ইব্রাহিম (আঃ) নামের একজন মহান নবী ছিলেন। তিনি ছিলেন আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দাদের একজন।
একদিন তিনি ঘুমে দেখলেন—তিনি তাঁর প্রিয় বস্তু কুরবানির জন্য তাঁকে বলা হয়েছে।
তখন তিনি ভেবেচিন্তে সর্বশেষ দেখলেন তার প্রিয় বস্তু হলেন ইসমাঈল (আ.)।
এইটা স্বপ্ন না, এটা ছিল আল্লাহর আদেশ।
তুমি হলে কী করতে?
হামদান একটু চুপ করে বলল,
— আমি তো ভয় পেয়ে যেতাম...
— হুম, সহজ না। কিন্তু ইব্রাহিম (আঃ) ভয় পাননি। তিনি আল্লাহকে অনেক ভালোবাসতেন। আর ইসমাইল (আঃ) তো ছিল একেবারে সাহসী বাচ্চা, সে বলল—
"আব্বা, আপনি যা করতে বলছেন, করুন। ইনশা’আল্লাহ আমি ধৈর্য ধরব।"
— ও মা গো! ইসমাইল (আঃ) তো একদম হিরো!
— একদম ঠিক! আর যখন ইব্রাহিম (আঃ) সত্যি কুরবানি দিতে গেলেন, তখন আল্লাহ বলে দিলেন:
"হয়ে গেছে! তোমার ত্যাগ আমি কবুল করলাম!"
আর হঠাৎ করেই আকাশ থেকে এক বড়সড় দুম্বা এসে হাজির! ইসমাইল (আঃ) বেঁচে গেল, আর কুরবানি হলো সেই দুম্বা।
— উফফ! কী দারুণ মিরাকল! কুরবানির পেছনে এত মজার আর সাহসী গল্প আছে, আমি জানতামই না!
— হ্যাঁ বাবা। কুরবানি মানে শুধু মাংস না। কুরবানি মানে আল্লাহর জন্য ত্যাগ। এমন কিছু দেওয়া যেটা তুমি খুব ভালোবাসো—শুধু আল্লাহকে খুশি করার জন্য।
হামদান কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর দৌড়ে নিজের ঘরে গিয়ে সবচেয়ে প্রিয় খেলনাটার গায়ে একটি কাগজ লাগিয়ে আনল। কাগজে লেখা:
📦 "ঈদের উপহার: আমার প্রিয় জিনিস, তোমার জন্য!"
— মা, আমি এটা আমাদের পাড়ার মারওয়ান'কে দিব। ওর ঈদে কিছুই থাকে না। আমি চাই আল্লাহ খুশি হোক।
মা চোখ মুছলেন,
— আমার হামদান তো একেবারে ইসমাইল (আঃ)-এর মতো সাহসী!
---
🌟 গল্প থেকে শিক্ষা :-
আল্লাহর জন্য ত্যাগ করাই কুরবানির আসল অর্থ
সাহস, ধৈর্য আর আনুগত্য হলো ঈমানের চাবিকাঠি
ঈদ মানে শুধু খাওয়া না—আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দিন
---
📣 খুশির খবর:
🎓 Wafi Islamic Institute-এ শিশুরা এখন কুরআন ও তাফসীর শিখছে একদম গল্পে গল্পে!
তাদের জন্য আছে রঙিন গল্প, ভিডিও আর ভালোবাসায় ভরা পাঠ।
আপনার সন্তানও থাকুক এই সুন্দর সফরে আমাদের সাথে! 🌙✨
02/06/2025
স্যোশাল নেটওয়ার্কে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।
টেলিগ্রাম চ্যানেল লিংক:
https://t.me/+Lk4F8ZUmeVUxYmJl
WhatsApp চ্যানেল লিংক:- https://whatsapp.com/channel/0029Vb61VLK9mrGXesCUAy2L
ফেসবুক পেইজ লিংক:- https://www.facebook.com/share/1AXvJmVgTa/
02/06/2025
হাতিরা আসছিল, কিন্তু আকাশে এসেছিল পাখির বাহিনী!
(সুরা ফীলের সত্যিকারের গল্প, ছোটদের ভাষায়)
হামদান ক্লাস থ্রিতে পড়ে।
সে খুব কৌতূহলী একটা ছেলে।
রাতে ঘুমানোর আগে তার সবচেয়ে প্রিয় কাজ — মায়ের কাছ থেকে গল্প শোনা।
একদিন রাতে হামদান বলল,
“মা, আজ এমন একটা গল্প বলো যেখানে আকাশ থেকে পাখি আসে, আর হাতিরা ভয় পায়!”
মা আদর করে বললেন,
“আজ তোমাকে এক সত্যিকারের ঘটনা বলি। এটা কুরআনে আছে, আল্লাহ নিজেই বলেছেন — সুরা ফীল নামে।”
---
📖 সেই অনেক অনেক বছর আগের কথা...
এক দূরের দেশে এক রাজা ছিল, নাম ছিল আবরাহা।
সে শুনেছিল, “মক্কায় আছে কাবা ঘর। সবাই সেখানে যায়, আল্লাহকে ডাকে, নামাজ পড়ে।”
আবরাহা হিংসায় ফেটে পড়ল।
সে বলল, “না! সবাই যদি কাবায় যায়, আমার গির্জায় কেউ যাবে না! আমি কাবা ঘরটা ভেঙে ফেলব!”
😠 সে তৈরি করল এক বিশাল বাহিনী।
আর জানো সে সঙ্গে আনল কী?
হাতি! বিশাল বিশাল হাতি!
সবচেয়ে বড় হাতিটার নাম ছিল মাহমূদ।
মক্কার মানুষরা খুব ভয় পেয়ে গেল।
তারা কিছুই করতে পারছিল না।
তারা শুধু বলল,
“আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করি। তিনি আমাদের রক্ষা করবেন।”
---
🌥️ তারপর হঠাৎ...
আকাশে দেখা গেল অজস্র ছোট ছোট পাখি।
তারা পাখির মতোই দেখতে, কিন্তু ওদের ঠোঁটে ছিল পাথরের টুকরো!
তারা এক এক করে সেই পাথর নিক্ষেপ করলো — সোজা সেই বাহিনীর উপর।
💥 পাথরগুলো এত জোরে পড়ছিল যে সৈন্যরা আহত হয়ে পালাতে লাগল।
হাতিরাও ভয় পেয়ে গেল। সৈন্যেদের মাথায় পাথর বিদ্ধ হয়ে হাতির পেট দিয়ে বের হয়ে গেলো।
পুরো বাহিনী নিমিষেই শেষ হয়ে গেল।
কেউই কাবা ঘরের কাছে পৌঁছাতে পারল না।
তুমি কি জানো! সেই পাখিদের নাম কী!?? সেই পাখিদের নাম আবাবিল!
এই হলো হাতি, আবাবিল,ও আবরাহার গল্প।
---
🕌 মা বললেন:
“এইভাবে আল্লাহ কাবা ঘরকে রক্ষা করেছিলেন।
না কোনো ট্যাঙ্ক, না কোনো সৈন্য —
শুধু ছোট আবাবিল পাখি আর ছোট পাথর দিয়ে।”
---
💬 হামদান চোখ বড় করে বলল:
“ওয়াও! মানে আল্লাহ চাইলে ছোট পাখিদের দিয়েও যুদ্ধ জিতিয়ে দিতে পারেন?”
মা হেসে বললেন,
“হ্যাঁ সোনা। তাই আমাদের সব সময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে।
তুমি ছোট, কিন্তু আল্লাহ সবচেয়ে বড়!”
---
🌟 হামদানের জন্য শিক্ষা:
আল্লাহ চাইলে ছোট জিনিস দিয়েও বড় কিছু করতে পারেন।
অহঙ্কার করলে কখনো জয় হয় না।
সত্যের পক্ষে থাকলে আল্লাহ রক্ষা করেন।
আল্লাহকে ডাকলে তিনি সব সময় শুনেন।
Wafi Islamic Institute
🌸 শিশুর হৃদয়ে কুরআনের বীজ বুনুন গল্পের মাধুর্যে 🌸
📖 অনলাইন প্রোগ্রাম: “গল্পে গল্পে তাফসীর”
🕌 আয়োজনে: Wafi Islamic Institute
আজকের শিশুরা যেন আগামীর আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠে — সেই লক্ষ্যে
Wafi Islamic Institute নিয়ে এসেছে একটি বিশেষ অনলাইন আয়োজন,
যেখানে আপনার প্রিয় সন্তান শিখবে কুরআনের তাফসীর, গল্পের মতো করে।
❝ কঠিন ব্যাখ্যা নয়, কোমল ভাষায় —
তাফসীর এবার শিশুর হৃদয়ে পৌঁছাবে গল্প হয়ে। ❞
✨ এই কোর্সে যা থাকছে: ▫️ শিশুদের মানসিক উপযোগী গল্পের মাধ্যমে আয়াতের ব্যাখ্যা
▫️ নৈতিক শিক্ষা, সহমর্মিতা ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলা
▫️ মেধাবী ও শিশু-সুলভ শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান
▫️ আনন্দঘন ও ভাবনাপ্রবণ পরিবেশে অনলাইন ক্লাস
▫️ ঘরে বসেই ইসলামি শিক্ষা, নিরাপদ ও সময়োপযোগী
👧 উপযুক্ত বয়স: ৫–১২ বছর
🗓️ ক্লাস: সপ্তাহে ২ দিন
🌐 মাধ্যম: Zoom / Google Meet
📌 রেজিস্ট্রেশন চলছে!
আসন সীমিত — এখনই রেজিষ্ট্রেশন করুন।
📞 যোগাযোগ: 01683047765]
📩 ইনবক্স: [[email protected]]
—
Wafi Islamic Institute
আমরা গড়ে তুলি হৃদয়বান প্রজন্ম — কুরআনের আলোয় আলোকিত করে।
01/06/2025
📘 Wafi Islamic Institute
জ্ঞান ও নূরের এক অনলাইন বাতিঘর।
❖ পবিত্র কুরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবীদ।
❖ আরবি ভাষা ও ব্যাকরণ—নাহু ও সরফের সূক্ষ্ম জগত।
❖ ইলমুল ফারায়েজ—উত্তরাধিকার জ্ঞানের শরঈ মানচিত্র।
❖ ভূমি জরিপ ও শরয়ী ভূমি আইন—দুনিয়াবি ব্যবস্থাপনার দ্বীনি দিশা।
❖ তাফসীর ও হাদীসের মর্মবাণী—আলোকিত অন্তরের আহ্বান।
🖥️ অনলাইনভিত্তিক — লাইভ ও রেকর্ডেড ক্লাস
📜 প্রত্যেক কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান
🌙 দ্বীন ও দুনিয়ার জ্ঞান একত্রীকরণের নির্ভরযোগ্য প্রয়াস।
📞 যোগাযোগ: [ WhatsApp 01683047765]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
3708
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Tuesday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Wednesday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Thursday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Saturday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Sunday | 09:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 |