লামনগর একাডেমী
ইতিহাস
১৯৯৪ইং সনের ৫ই আগষ্ট এলাকার কতিপয় সনামধন্য ব্যক্তি লামনগর একাডেমীর কার্যক্রম আরম্ভ করেন। বিশেষ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মধ্যে লেঃ কর্নেল প্রকৌশলী এস.আই.এ. নূরম্নন্নবী খান বীর বিক্রম এর সহধর্মীনী মরহুমা জাকিয়া নবীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার লক্ষ্যে রেখে যাওয়া বীমাকৃত ৫ লক্ষ টাকা এবং তাহার সাথে জনাব ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়ার দেওয়া ১৮, ৮৪৩২৩ টাকা, জনাব আমিন আহমেদ ভূঁইয়ার ৭৮০০০০/- টাকা, জনাব
আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর ৭৮৫,০৪০/- টাকা, লেঃ কর্নেল প্রকৌশলী এস.আই.এম নূরম্নন্নবী খান বীর বিক্রমএর ২৮২০০০/- টাকা এবং জনাব তাফাজ্জল হোসেন ভূইয়ার ১,৩৩,৩৫৩/- টাকা, এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি বর্গের মধ্যে জনাব আবুল কাশেম, ৫০,০০০/- টাকা, জনাব সহিদ উল্যাহ চৌধুরী ৩৫০০০/- টাকা, জনাব আবদুর রহমান খানঁ শামিম ১০,৩৭৮/- টাকা বীর মুক্তিযোদ্দা কমান্ডার জনাব হাজী ফজলুল হক ১০,০০০/- টাকা জনাব আহম্মদ আলী ১০,০০০/- টাকা জনাব ইদ্রিস খান ১০,০০০/- টাকা, জনাব মঞ্জুর আহম্মদ ভূঁইয়া ২৫,০০০/- টাকা জনাব বেলায়েত হোসেন ভূইয়া ১০,০০০/- টাকা জনাব লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ১০,০০০/- টাকা জনাব সফীক মাহমুদ পিন্টু ১০,০০০/- জনাব আবুল হাসেম চৌধুরী ৫৫০০/- টাকা জনাব আবু তাহের চৌধুরী ৮৮০০/- টাকা দিয়ে আজীবন দাতা সদস্য হন। উক্ত একাডেমীর ভবনটি ১ একর ৫০শতক নাল জমিন লক্ষ্মীধরপাড়া এবং মুক্তার পুর মৌজায় নিজেদের নামে খরিদ করে তাহা প্রতিষ্ঠানকে দান করে। এ নীচু ভূমিতে মাটিকাটা মাঠ ভরাট রাসত্মা নির্মণ সহ ৫ তলা ফাউন্ডেশান নিয়ে ২০০র্ ৪০র্ = ৮০০০ বর্গফুট ভবনটির নীচ তলায় কাজ শেষ করে। পরবর্তীতে জনাব আবদুল মোতালেস্নব চেয়ারম্যন ৫০,০০০/- হাজার টাকা,জনাব আবদুর রহিম বি.এস.সি ১,০০,০০০/- টাকা,জনাব মনির হোসেন ভূঁইয়া ১,০০,০০০/- টাকা, জনাব কামাল হোসেন চৌধুরী ১,০০,০০০/- টাকা, জনাব ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়ার সহধর্মীনী ডাঃ তাজকেরা খানম ২,৫০,০০০/- টাকা দান করে আজীবন দাতা সদস্য হন। প্রতিষ্ঠানটি ০১-০১-১৯৯৫ইং সনে নিমণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে প্রথম স্বীকৃতি পায়। ১২-০১-১৯৯৫ইং সনে প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন আলহাজ্ব ডাঃ মফিজ উদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া, এবং ক্লাস উদ্ভোধন করেন ডাঃ সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী। ০১-০১-১৯৯৭ইং সনে নিমণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে প্রথম এম.পি.ও ভূক্ত হয় এবং নবম শ্রেনী খোলার অনুমতি পায়। ১৯৯৮ইং সনে বিজ্ঞান মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাশাখায় এস.এস.সি পরীক্ষাদেওয়ার অনুমতি পায়। ০১-০১-১৯৯৯ইং সনে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়। এবং ২০০২ইং সনে মাধ্যমিক বিদ্যায় হিসাবে এম.পি.ও ভূক্ত হয়। ১৯৯৯ইং সনের এস.এস.সি পরীক্ষায় ৯১.১১ % ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি লক্ষ্মীপুর জেলার প্রথম স্থান অর্জন করে। তারই ধারা বাহিকতায় ২০১০ইং এবং ২০১১ইং সনে প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ ফলাফল অর্জন করে। ১৯৯২ সনে সরকার থেকে রাষ্টীয় খেতাব প্রাপ্ত ভি.আই.পি (রাজস্ব), সমাজ সেবক দানবীর, শিক্ষানুরাগী বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়া দীর্ঘ দিন থেকে বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ১৯৯৮ইং সনে বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের সম্পূর্ণ কাজ একক অর্থায়নে সম্পন্ন করেন। বর্তমানে ও তিনি বিদ্যালয়ের চার পাশের সীমানা প্রাচীরের কাজ আরম্ভ করেন। এছাড়াও তিনি প্রতিবছর বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারীদেরকে দান অনুদান দিয়ে আসছেন। তাঁর উদ্যেগে গত ১২-১২-২০১১ইং তারিখে বিদ্যালয়ে বি.এন.সি.সি পস্নটুন উদ্ভোদন হয়। উদ্ভোধন করেন লেঃ কর্ণেল গাজী ছালাউদ্দিন । শিক্ষানুরাগী সদস্য অবসর প্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা জনাব ইদ্রিস খান, শিক্ষক মন্ডলী, জনা আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, জনাব হাজী ফজলুল হক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের আমত্মরিক প্রচেষ্ঠা ও সহযোগীতায় বিদ্যালয়টি শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছেন। উক্ত ফলাফলেল ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বহু দূর দূরামত্ম থেকে ছাত্র ছাত্রী ভর্তির আগ্রহ ও ইচ্ছা পোষন করছে। বিদ্যালয়ে কোন ছাত্রাবাস নাথাকায় এবং শিক্ষক আবাসন না থাকায় দুর দূরামেত্মর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি দেওয়া সম্ভাব হচ্ছে না। এব্যাপরেও সভাপতি মহোদয়ের পরিকল্পনা রহিয়াছে।