10/01/2022
১০০% ফ্রি অনলাইন কোর্সগুলা এর কথা বলবো।
১. কম্পিউটার সায়েন্সের ডিগ্রি ১০০% ফ্রি:
আমার সবচেয়ে পছন্দের ফ্রি কোর্স এর লিস্ট হচ্ছে Open Source Society University (OSSU) এখানে পুরা কম্পিউটার সায়েন্স আন্ডারগ্রেডের ডিগ্রি পাওয়ার জন্য কোন ধাপে কোন জিনিস শিখতে হবে। এবং সেটা কোন জায়গা থেকে শিখতে হবে সেটার লিংক দেয়া আছে। যে কোর্স গুলোর লিংক দেয়া আছে সেগুলা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে MIT, Harvard এর টিচারদের কোর্স। সো, কারো হাতে যদি ২-৩ বছর সময় থাকে এবং ওয়ার্ল্ডক্লাস প্রোগ্রামার হতে চায় তার জন্য আমি বলবো ধরে ধরে এই লিস্টের ফ্রি সব কোর্স করে ফেলো। তোমাকে আর কেউ ঠেকাতে পারবে না।
লিংক: ossu/computer-science
২. মেশিন লার্নিং শিখো গুগল ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে ১০০% ফ্রি
লার্ন ডিজিটাল উইথ গুগল ওয়েবসাইট এ গেলে তুমি প্রচুর ফ্রি কোর্স পাবে। যার বেশিরভাগ কোর্সই গুগল এর ইঞ্জিনিয়াররা এবং আরো কিছু ইউনিভার্সিটি, coursera মিলে অনেকগুলা বাঘা বাঘা কোর্স অফার করছে। ১০০% ফ্রি। শুধু তাই না। বেশিরভাগ কোর্সেই সার্টিফিকেট দিচ্ছে।
লিংক: Machine Learning Crash Course | Google Developers
স্ট্যানফোর্ড এর মেশিন লার্নিং কোর্স। জাস্ট সার্টিফিকেট না নিলেই ১০০% ফ্রি এবং শেখাচ্ছে সবচেয়ে পপুলার মিশন সায়েন্টিস্ট
Machine Learning
৩. ডিজিটাল মার্কেটিং শিখো ফ্রি ফ্রি
গুগলের কাছে থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখো Fundamentals of digital marketing
ফেইসবুক এর কাছ থেকে শিখ ডিজিটাল মার্কেটিং: Explore free online courses to grow your digital skills
ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য হাবস্পট এর ফ্রি কোর্স: Courses & Lessons | HubSpot Academy
কনটেন্ট মার্কেটিং শিখো coursera থেকে: The Strategy of Content Marketing
SEO শিখো UC Davis থেকে: Search Engine Optimization (SEO)
৪. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ১০০% ফ্রি:
কারো হাতে যদি ছয় মাস থেকে এক বছর সময় থাকে এবং ওয়েব ডেভেলপার হতে চায়। তাহলে আমি বলবো ফ্রি কোড ক্যাম্প এ গিয়ে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখো। ওয়াল্ডক্লাস ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য যা যা লাগবে স্টেপ বাই স্টেপ সেই জিনিসগুলো শেখাবে। কোথাও আটকে গেলে ফোরামে গিয়ে প্রশ্ন করতে পারবে। এবং পুরা কোর্স এর জন্য তোমাকে কোন ফি দেয়া লাগবে না।
Learn to code at home
৫. ডাটা সায়েন্স এ মাস্টার্স ১০০% ফ্রি:
ডাটা সায়েন্স মাস্টার্স করতে চাও। ফ্রি ফ্রি। তাহলে এই কারিকুলাম দেখে ফেলো। datasciencemasters/go
এছাড়াও OSSU এর এই রকম ডাটা সায়েন্সের কারিকুলাম এবং ফ্রি কোর্সের লিংক সিরিয়াল অনুসারে দেয়া আছে।
ossu/data-science
৬. স্টার্টআপ শিখো:
স্টার্টআপ এ যারা ফান্ডিং করে তাদের মধ্যে সবচেয়ে নামকরা হচ্ছে Y Combinator তারা ফ্রি একটা কোর্স করায় যেটার নাম Startup School। আমি নিজেও এই কোর্স করছিলাম।
Startup School - The Best Online Resource for Founders
এছাড়াও আরো কোর্স করতে চাইলে কোর্সের অভাব নাই। যেমন,
কিভাবে স্টার্টআপ শুরু করবে: How to Build a Startup | Udacity Free Courses
উদ্যেক্তা হিসেবে কিভাবে চিন্তা করবে: Essentials of Entrepreneurship: Thinking & Action
বিজনেস শুরু করার সময় কিভাবে চিন্তা করবে: Starting a Business 1: Vision and Opportunity - FutureLearn
৭. কম্পিউটার সায়েন্স রিলেটেড আরো কিছু কোর্স
যারা প্রোগ্রামিং শিখতে চায় তাদের জন্য একদম প্রথম দিকেই রাখবো হার্ভার্ড এর টিচারদের এই কোর্স CS50's Introduction to Computer Science
পাইথন শেখার জন্য ডাটা ক্যাম্প: Hello Python! | Python
কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং: Computational Thinking for Problem Solving
পাইথন কোর্স: Programming for Everybody (Getting Started with Python)
৮. গ্রাফিক ডিজাইন
যারা গ্রাফিক ডিজাইন করে তারা অনেকেই canva এর নাম শুনে থাকবে। সেই canva এর একটা ফ্রি কোর্স আছে। গ্রাফিক ডিজাইন বেসিক https://designschool.canva.com/courses/graphic-design-basics এইটা দিয়ে শুরু করে দাও।
গ্রাফিক ডিজাইন এ স্পেশালাইজেশন করার জন্য তোমাকে গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে হবে। টাইপোগ্রাফি জানতে হবে। নতুন একটা ব্র্যান্ড কিভাবে তৈরি করতে হয় সেগুলা জানতে হবে। এর পাশাপাশি কিছু ডিজাইন প্রিন্সিপাল জানতে হবে। (আমি ডিজাইনা না। এইসব গুগল করে জেনেছি)
Graphic Design
ডিজাইন প্রিন্সিপাল শিখো: Online Graphic Design Tutorial - Design Principles | Alison
৯. ফ্রী শেখার সবচেয়ে বস জায়গা
তোলপাকা খামার থেকে শুরু করে মঙ্গল গ্রহে আলু চাষ-- সবকিছুই শিখতে পারা যায় ইউটিউবে। জাস্ট একটা সার্চ দিলেই হলো। এছাড়াও স্কুল কলেজ, ভার্সিটি, চাকরি জীবন, ফ্রিলানচিং, প্রোগ্রামিং, ম্যাথ, এমনকি প্রেমিকা জোগাড় করার টিউটোরিয়ালসহ সবই আছে ইউটিউবে।
তাই ইউটিউব এর কথা না বললেই না।
১০. বেস্ট অনলাইন কোর্স
এই খানে একটা লিনিস্ট আছে। যেখানে প্রতিবছর সবচেয়ে ভালো ভালো ফ্রি অনলাইন কোর্স এর লিস্ট দেয়া হয়। The Best Free Online Courses of All-Time
ফ্রি ভালো ভালো কোর্সের অভাব নাই। সো, তোমার কাছে সবচেয়ে ভালো ফ্রি অনলাইন কোর্স কোনটা বা কোনগুলা সেটা নিচে কমেন্ট করে জানাও।
15/12/2021
SSD মানে কী?
আমরা যখন কোনো কম্পিউটার কিনবো বলে প্ল্যান করি তখন আমরা SSD স্টোরেজ টাইপের কম্পিউটার কিনবো নাকি HDD স্টোরেজ টাইপের কিনবো তা ঠিক করতে পারি না । এখানে যেহেতু SSD নিয়ে কথা বলা হচ্ছে তাই জেনে নেওয়া যাক এসএসডি (SSD) কি? কম্পিউটারে SSD কি কাজ করে।
SSD কি? SSD এর কাজ ও সুবিধা:
এসএসডি (SSD) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Solid state drive । SSD হলো কম্পিউটারে ব্যাবহৃত নতুন প্রজন্মের স্টোরেজ ডিভাইস । SSD একই রকম ভাবে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের মতো কম্পিউটারে ডাটা গুলিকে স্টোর করে রাখে।
কিছু বছর আগে কম্পিউটারগুলোতে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করা হত এবং বর্তমানেও ব্যাবহৃত হয় । এই পুরানো প্রযুক্তি ব্যাবহারের ফলে কম্পিউটার খুব ধীর গতিতে কাজ করে ।
কিন্তু সেই সময়েও SSD প্রযুক্তি চালু হয়েছিল , তবে তা ব্যায়বহুল ছিল। বর্তমানে SSD র দাম আগের তুলনায় অনেক সস্তা হয়েছে । তাই বেশিরভাগ কম্পিউটারে এখন পুরানো প্রযুক্তির হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের পরিবর্তে নতুন প্রযুক্তির ফ্ল্যাশ ভিত্তিক স্টোরেজ SSD ব্যবহার করা হচ্ছে । এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের গতি আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
কয়েক দশক ধরে ডেটা মূলত যান্ত্রিক হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষণ করা হত । এই হার্ড ডিস্ক ড্রাইভগুলির (HDD) ভিতরে একটি চলমান ডিস্ক থাকে যার নাম হল Platter , যেখানে ডেটা স্টোর হয় । এই Platter এর স্পিড যত হবে read এবং right এর স্পিড তত হবে । ঠিক এই জন্যই HDD তে লেখা থাকে 5201 RPM ( Round per minuit ) , 7200 RPM ইত্যাদি । বিভিন্ন হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের স্পিড বিভিন্ন রকমের হয় ।
অন্যদিকে SSD সুম্পূর্ণ আলাদাভাবে কাজ করে। SSD তে একটি সাধারণ মেমোরি চিপ থাকে যার নাম ন্যানো ফ্ল্যাশ মেমোরি । যেখানে HDD র মত কোনো মুভিং পার্ট নেই ।
SSD প্রযুক্তি 1950 সালে শুরু হয়েছিল এবং 1970 ও 1980 এর দশকে উচ্ছ ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার কম্পিউটারে ব্যবহার হত । এছাড়া যেখানে হাই পারফরমেন্স প্রযুক্তির কাজ করা হত সেখানে SSD ব্যবহার করা হত ।
যাই হোক , এই প্রযুক্তি অত্যন্ত ব্যায়বহুল ছিল। দামের তুলনায় স্টোরেজ ছিল অনেক কম। সামরিক ও মহাকাশ ক্ষেত্রগুলিতে মাঝে মাঝে SSD ব্যবহার করা হত , তবে 1990 এর দশক পর্যন্ত কোনো সাধারণ ডিভাইসে ব্যবহৃত হত না।
90 এর দশকের গোড়ার দিকে হার্ডওয়্যার উদ্ভাবনের ফলে SSD র দাম কমতে শুরু করে। তবে ওই সময়ে SSD র আয়ু ও সাইজ নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল। কিন্তু 2000 সালের পর থেকে SSD আরো উন্নত হল এবং মানুষের কাছে ধীরে ধীরে গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকল।
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD) এর তুলনায় কোনো এসএসডি (SSD) ভালো :
যেহেতু SSD এখন আগের থেকে সস্তা হয়ে গেছে তাই সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে অফিস-আদালত ব্যবসার ক্ষেত্রে ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার করা হচ্ছে ।
বিপুল পরিমাণে ডেটা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে যারা কাজ করেন সেখানে SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার খুব দ্রুত কাজ করে এবং ফাইল ট্রান্সফারের স্পিড ও বেশি হয়।
SSD ব্যবহারের সুবিধা হলো হার্ড ডিস্কের তুলনায় এর আয়ু অনেক বেশি। এছাড়া SSD আকারে অনেক ছোট হয় ।
গেমিং কম্পিউটার গুলিতে SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত গতিতে কাজ করে এবং বড় বড় গেমিংয়ের ফাইলগুলো তাড়াতাড়ি লোড হয়ে যায় ।
SSD খুব কম পাওয়ারে চলতে পারে। তাই যে কম্পিউটার বা ল্যাপটপে SSD থাকে সেখানে খুব কম পাওয়ার লাগে, এর জন্য ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু বাড়ে ও ব্যাটারির ব্যাকআপ ভালো পাওয়া যায় ।
SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের রিড এবং রাইট এর স্পিড ও বেশি হয় ।
SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার বুটিং হতে কম সময় নেয়, এবং অ্যাপ্লিকেশন গুলি খুব ফার্স্ট ওপেন হয় ।
SSD কত প্রকার হয় ও কি কি ?
যখন আমরা কোন দোকানে SSD কিনতে যাই তখন আমাদের SATA SSD, mSATA SSD, M.2 SSD এরকম কিছু নামের সম্মুখীন হতে হয় । এইগুলির মানে কি? সেই জন্য SSD কেনার আগে এইগুলো একটু জেনে নেওয়া দরকার ।
1 SATA SSD
SATA SSD গুলি দেখতে অনেকটা ল্যাপটপের হার্ড ডিক্সের মতোই। এই ধরনের SSD SATA কানেক্টরে কম্পিউটারের মধ্যে যুক্ত করা থাকে। এই ধরনের SSD গুলি সাধারণত নিম্নমানের হয় , তাই এই ধরনের SSD গুলির দাম তুলনামূলক ভাবে কম। সেইজন্য এই ধরণের SSD গুলি বাজারে বেশি পাওয়া যায় ।
2 mSATA SSD
এই ধরনের SSD গুলো SATA SSD র তুলনায় আকারে অনেক ছোট হয় । তাই একে micro-ssd ও বলা হয়ে থাকে। সাধারণত এই ধরনের SSD সব কম্পিউটারে লাগানো যায় না। তাই এই ধরনের SSD ব্যবহার করতে হলে কম্পিউটারে অবশ্যই m SATA পোর্ট থাকতে হবে।
3 M.2 SSD
m.2 SSD গুলি mSATA SSD র একটি আপডেটেড ভার্সান । এ ধরনের SSDগুলি অধিক ফাস্ট কাজ করে। m.2 SSD গুলি সাধারণ SSD র তুলনায় বেশি দ্রুত কাজ করে তাই এর দামও অনেকটা বেশি।
4 SSHD
এই ধরনের স্টোরেজ ডিভাইসকে পুরোপুরি SSD বলা যায় না । কারণ, এই ধরনের ডিভাইসে SSD ও HDD প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে । তাই এই ধরনের স্টোরেজ ডিভাইসকে বলা হয় (Solid state hybrid drive) SSHD । SSD ও HDD এই দুটি প্রযুক্তির সংমিশ্রণে যেহেতু এটি তৈরি করা হয়েছে সেহেতু এখানে SSD র মত দ্রুত কাজ এবং HDD র মত অধিক ক্যাপাসিটি স্টোরেজ পাওয়া যায় ।
কারা SSD ব্যবহার করবেন আর কারা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD) ।
যে সব ব্যাবহারকারীদের স্টোরেজ সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও বেশি রিড ও রাইট এর প্রয়োজন হয়না এবং ফাস্ট ডেটা ট্রান্সফারের ও প্রয়োজন নেই সেই সব ব্যাবহারকারীরা কম বাজেটের মধ্যে অধিক স্টোরেজ এর HDD ব্যবহার করতে পারেন ।
আপনার কাছে যদি ল্যাপটপ থাকে অথবা যদি একটি কম্পিউটার কিনবেন বলে ভাবছেন তাহলে আপনি SSD ও HDD কম্বিনেশন করে ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ অধিক স্টোরেজের জন্য HDD থাকবে আর ফাস্ট অ্যাপ্লিকেশন ওপেন, উইন্ডোজ ইনস্টল, যাবতীয় ফাস্ট কাজের জন্য থাকবে SSD ।
এছাড়া যে ব্যবহারকারীরা হাই গ্রাফিক্সের গেম খেলেন , যারা বড় বড় ভিডিও এডিট করেন , গ্রাফিক্সের কাজ করেন ও যারা বিপুল পরিমাণে ডাটা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করেন তারা SSD ব্যবহার করতে পারেন ।
08/11/2021
জেনে নেওয়া যাক অজানা গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি ওয়েবসাইট:-
১, Quora.com
(সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উত্তর ফোরাম)
২. Canva.com
(ডিজাইনের চমৎকার একটি ফ্রি ওয়েবসাইট)
৩. Upwork.com
(সবচেয়ে বড় freelancing ওয়েবসাইট)
৪. Wikipedia.org
(যে কোন দেশের যে কোন ভাষা শিখতে )
৫. Drive.google.com
(যে কোন ফাইল ক্লাউড স্টোরেজে backup রাখতে)
৬. Duolingo.com
(ফ্রীতে বিশ্বের যে কোন ভাষা শিখতে)
৭. Alibaba.com
(যে কোন বিদেশী পণ্য কিনে নিজের retail বা wholesale ব্যবসা করতে)
৮. pdfpro.co
(যে কোন PDF file অনলাইন এডিট করতে)
৯. maps.goole.com
বিশ্বের যে কোন জায়গার যে কোন এড্রেস (address) খুঁজে বের করতে
১০.Thunkable.com
(কোডিং নলেজ ছাড়া android app তৈরি করতে)
১১. Filehippo.com
(ফ্রীতে আনলিমিটেড কম্পিউটার সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে)
১২. Everytimezone.com
(বিশ্বের যে কোন জায়গার টাইম দেখতে)
১৩. Screenshot.guru
(যেকোন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট নিতে)
১৪, Fast.com
(নিজের ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করতে )
১৫. Virusscan.jotti.org
(কম্পিউটারে থাকা যে কোন ফাইল স্ক্যান করে ভাইরাস দূর করতে)
১৬. Copychar.cc
(Special character, smiley বা emoji সরাসরি কপি করে ব্যবহার করতে)
১৭. Codecademy.com
(কোডিং languages অনলাইনে শেখার জন্য)
১৮. Iconfinder.com
(ফ্রীতে লোগো, ব্লগ বা যে কোন প্রয়োজনে হাজার হাজার ICON iamges পেতে)
১৯. Al Quran: Digital
http://www.quran.gov.bd
পবিত্র কুরআন বাংলা অনুবাদ সহ
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ ) শুরু করছি আল্লাহর নামে যিন পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
http://www.quraanshareef.org/
(পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদের জন্য)
২০. Unsplash.com
(যে কোন প্রয়োজনে ফ্রি স্টক ইমেজের জন্য)
২১. Faxzero.com
(অনলাইন ফ্রীতে ফ্যাক্স পাঠাতে)
২২. Grammarly.com
(English writing শুদ্ধ করতে)
২৩. Google Translate
(এক ভাষাকে অন্য ভাষাতে ট্রান্সলেট করার জন্য)
২৪. Kleki.com
(অনলাইন drawing, painting এবং sketch করতে)
২৫. Homestyler.com
(আপনার ঘরের নতুন design এবং style করতে)
©jh guidelines
Quora
Quora is a place to gain and share knowledge. It's a platform to ask questions and connect with people who contribute unique insights and quality answers. This empowers people to learn from each other and to better understand the world.
20/10/2021
আপনি কি জানেন?😃
শুধুমাত্র ক্লাস ১০ পাশ হওয়া সত্ত্বেও তার দক্ষতা এবং কাজের প্রতি আগ্রহের ভিত্তিতে তাকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়!
19/10/2021
এ বছর অক্টোবর মাসে ৫টি শুক্রবার, ৫টি শনিবার এবং ৫টি রবিবার যা কিনা দীর্ঘ ৮২৩ বছর পর পর ফিরে আসে!
19/10/2021
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সবচেয়ে বড় আপ্লিকেশন হচ্ছে গ্রিড আটোস্পর্টস। সাইজে প্রায় ৮ জিবি।
08/09/2021
ফেটে যাওয়া ছবির ঠিক করে দেবে Google এর নতুন AI প্রযুক্তি!
সকলের কাছেই কিছু লো-রেজোলিউশন ছবি থাকে, যেগুলি হাই-রেজোলিউশনে কনভার্ট করতে না পারলে, ঠিকঠাক ভাবে দেখা যায় না। সম্প্রতি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছে Google। অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তির সাহায্যে লো-রেজোলিউশন ছবিকে হাই-রেজোলিউশনে কনভার্ট করা যাবে। পুরনো ফ্যামিলি ফোটো হোক বা হোক সে পোট্রেইট ও অন্যান্য যে কোনও ছবি -- সেগুলিকে Super Resolution প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও ভালো করা যাবে। Google এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, 2015 সালে এই কাজ শুরু হলেও ট্রেনিং ও স্টেবিলিটির জন্য ফিচারটি সামনে আসতে দেরি হয়েছে।
সম্প্রতি, Google এর গবেষকরা এই কাজ করার জন্য নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। ইতিমধ্যেই মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে ছবির গুণমান ভালো করার কাজ শুরু হয়েছে। তার জন্য দুটি পৃথক মডেল ব্যবহার করছে Google। Google এর তরফ থেকে বলা হয়েছে, 'এর ফলে ইমেজ সিন্থেসিস কোয়ালিটি ও ডিফিউশন মডেল আগের থেকে অনেকটাই ভালো হয়েছে।'
Google এর তরফে আরও জানানো হয়েছে, SR3 একটি সুপার রেজোলিউশন ডিফিউশন মডেল, যা ব্যবহার করে কম রেজোলিউশন ছবি থেকে হাই-রেজোলিউশন ছবি তৈরি করা যাবে। একটি ব্লগ পোস্টে Google বলছে, 'এই মডেলকে ইমেজ করাপশন প্রসেসে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে ধাপে ধাপে একটি হাই-রেজোলিউশন ছবি নয়েজ় যোগ করা হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত পুরো ছবিতে শুধুমাত্র নয়েজ় অবশিষ্ট থাকবে, ততক্ষণ এই কাজ করা হবে। এর পরে উল্টো পদ্ধতি অবলম্বন করে লো-রেজোলিউশন ছবিকে দেখে ফাইনাল ইমেজ তৈরি কাজ করা হবে।'
Google এর দাবি, বিভিন্ন পোট্রেইট ও প্রাকৃতিক ছবির আপস্কেলিংয়ের জন্য এই মডেল খুব ভালো কাজ করবে। এই মডেল ব্যবহার করে প্রায় 34 শতাংশ ছবিকে 8 গুণ পর্যন্ত বড় করা সম্ভব হয়েছে।
SR3 এর সাফল্যের পরেই CDM মডেল সামনে নিয়ে এসেছ Google। যা ছবির রেজোলিউশন আরও বড় করতে সাহায্য করবে।
23/05/2021
ঝড়ের সময় বিদ্যুৎ কেন চলে যায়?
আর সবার মতো একসময় আমারও ধারণা ছিলো, ঝড়ে বিদ্যুৎ এর তার ছিড়ে গেলে যদি বিদ্যুৎ বন্ধ না করা হয় তাহলে ভয়ানক দুরঘটনা ঘটতে পারে, এই জন্য সতর্কতা অবলম্বন করে বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়?
ভুল, ভুল ধারণা
আবার অনেক সময় দেখা যায়, এই বিদ্যুৎ যাচ্ছে, এই আসছে। মিনিটে কয়েকবার আসে যায়। আমরা গালি দেই, দূর!! একটা তামাশা শুরু করছ
আপনি ভাবতেছেন এটা ইচ্ছা করে কেউ করছে? শতভাগ ভুল কিছু ভাবছেন তাহলে।
তাহলে ব্যাপার টা কি?
আসুন একটু মেকানিজম খুব সহজ করে বুঝে নিই।
বিদ্যুৎ যে যায়গা থেকে বিতরন করা হয়, এটাকে উপকেন্দ্র (সাব স্টেশন) বলে। এই উপকেন্দ্রের ভিতর একটা খুব বড়সড় রুমে আলমারির মতো বড়সড় ম্যাশিন টাইপের কিছু থাকে। এগুলো কে ফিডার বলে। এক একটা ফিডার এক একটা এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ করে। এই ফিডার অফ, মানে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ অফ।
এখন আসুন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণ খুজি
আপনার বাসায় বিদ্যুৎ যে কারণে চলে যায়, আমরা সে কারণগুলো কে ফল্ট বলি।
বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কি কি ফল্ট হলে আপনার বাসায় বিদ্যুৎ চলে যায়??
অনেক কারণ হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
১) বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে দেখবেন ৩ টা তার থাকে, এগুলো কে আমরা ফেইজ বলি। A, B, C ফেইজ। বাতাসের কারণে যদি এই ৩ টা ফেইজ কোন কারণে এক সাথে লেগে যায়, তাহলে উপকেন্দ্রের ফিডার (মানে আপনার বাড়িতে বিদ্যুৎ যাওয়ার সুই) ফল্ট করে।
২) ঝড়ে বা বাতাসে গাছ ভেঙে ফেইজের উপর পড়লে বা একবার বাড়ি খেলেও ফিডার ফল্ট করে
৩) ট্রান্সফরমার এ সমস্যা হলেও ফল্ট করে।
৪) কোন মানুষের হাতের স্পর্শ পেলেও ফল্ট করে
এখন আসুন জেনে নিই ফল্ট করলে কি হয়। ফল্ট করার মানেই অটোম্যাটিক বিদ্যুৎ অফ হয়ে যাবে। আমাদের হাতে কোন শক্তি ই নেই অফ রোধ করার। মনে করেন ২০ কিমি দূরে গাছের ঢাল বাতাসে বাড়ি মারছে, অটো বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাবে।
ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তার ছিড়ে গেছে? মিলি সেকেন্ড এ বিদ্যুৎ লাইন অফ হয়ে যাবে। তার না লাগানো পর্যন্ত আমরা ইচ্ছা করলেও লাইন চালু হবে না। কোনভাবেই না।
তাহলে মিনিটে কয়েকবার বিদ্যুৎ আসে যায় কেন?
বাতাসে বাড়ি মারে, অফ হয়ে যায়, আমরা চালু করি, আবার বাড়ি মারে, অফ হয়। এই জন্যই তারের আশেপাশে থাকা গাছের ঢাল নির্দয় ভাবে কেটে ফেলা হয়
কারণ ঢালের সংস্পর্শে আসলে কোনভাবেই বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখা যাবে না......।
উপকেন্দ্রে যিনি থাকেন, তিনি কখনোই নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করতে পারেন না, চালু করতেও পারেন না। যে সকল ফল্ট বললাম, এইগুলো হলে অটো বন্ধ হয়ে যায়, আর যদি ফল্ট না হয়, তাহলে মেরামতের কাজ বা নতুন লাইনের সংযোগ এর জন্য কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর অফিসার এর নির্দেশে বন্ধ হয়। কোথাও আগুন লাগলে বন্ধ হয়।
গ্রামে অনেক সময় ২/৩ দিন বিদ্যুৎ থাকে না কেন?
গ্রামের লাইন এতো চিপা চাপা দিয়ে যায় যে, অনেক সময় খুঁজেই পাওয়া যায় না ফল্ট কোথায়।
লোড শেডিং কেন হয়?
হ্যা, একমাত্র লোড শেডিং এর জন্য ইচ্ছা করে লাইন বন্ধ করা হয়। এটাও হয় একমাত্র প্রথম শ্রেণীর বা তার উপরের অফিসার এর নির্দেশে। এটাও ইচ্ছা করে করা হয় না। যখন লোড অনেক বেশী হয়ে যায়, Power Transformer লোড নিতে পারে না, তখনই কেবল কোন একটা ফিডার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
11/04/2021
ডিজিটাল মিটারের আওতায় এসেছে সেহেতু জেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ
-------------------------
প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।
কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার)
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।
পোস্টটি প্রয়োজনীয় হলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন।
16/03/2021
পিএইচপি শেখার জন্য Beginner লেভেলের (যারা এখনো পিএইচপি টাচও করেননি) হাইলি ইন্টারেস্টেড কয়েকজন ডেভলপার নিতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আমরা গুগোল মিটের থ্রওতে নিচের বইটি ফলো করে পিএইচপি শিখব।এখানে কেউই টিচার থাকবে না তবে সিনিয়র হিসেবে আমরা দুজন যতটুকু সম্ভব হেল্প করার চেষ্টা করব। তাই যারা যারা পিএইচপি শেখার জন্য খুব বেশি আগ্রহী তারাই শুধু আমাকে কমেন্ট বক্সে কনফার্ম করবেন। যেহেতু আমরা বিগিনার এবং কেউই টিচার হিসেবে থাকছে না, তাই অ্যাডভান্স লেভেলের কেউ দয়া করে কনফার্ম করবেন না।
ধন্যবাদ।।
09/02/2021
রসায়নের কিছু মজাদার তথ্য :-
১. আপনি যদি এক গ্লাস জলে এক মুঠো লবন দেন তাহলে তো গ্লাসের জল পরে যাবে ,তাই না ? দিয়ে দেখুন তো পরে কি না । কি অবাক হচ্চেন , জলের উচ্চতা আরও কমে গেল , তাই না ?
২. আপনার শরীরে যে পরিমান কার্বন আছে তা দিয়ে ৯০০০ পেন্সিল বানানো যাবে !!!
৩. সোনা অনেক দুর্লভ। দাম তো আকাশচুম্বী। কিন্তু আপনি কি জানেন, পৃথিবীতে যে পরিমান সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান উচ্চতা হবে।
৪. অক্সিজেন গ্যাস এর কোন বর্ণ নেই, কিন্তু তরল ও কঠিন অক্সিজেন নীল বর্ণের।
৫. হাইড্রফ্লুরিক এসিড এতবেশি ক্ষয়কারী যে গ্লাস গলিয়ে (dissolve ) ফেলে, কিন্তু তারপরেও এটাকে দুর্বল এসিড বলা হয় ।
৬. পৃথিবীর সবচে দুর্লভ মৌল এস্তেতিন, সারা পৃথিবীতে মাত্র ২৮ গ্রাম এস্তেতিন আছে।
৭. বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২০ % অক্সিজেন শুধুমাত্র আমাজন রেইন ফরেস্টের মাধ্যমেই উৎপন্ন হয় ।
৮. সাধারন তাপমাত্রায় ব্রোমিন ও পারদ এ দুটো মৌল ই তরল ।
৯. আমরা জানি জলের রাসায়নিক নাম (H2O ) এইচ টু ও , কিন্তু ইউপ্যাক (IUPAC) অনুযায়ী জলের রাসায়নিক নাম ডাইহাইড্রজেন মনোঅক্সাইড।
১০. মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় হাইড্রোজেন কিন্তু পৃথিবীতে সবচে বেশি পাওয়া যায় অক্সিজেন (প্রায় ৪৯% বায়ুমণ্ডল+ ভুমি+সাগর)
১১. বজ্রপাতে প্রতিবছর অনেক লোক মারা যায়, কিন্তু আপনি কি জানেন বজ্রপাত না থাকলে পৃথিবীর প্রাণীকুল ধ্বংস হয়ে যেত।কারন বজ্রপাতের মাধ্যেমেই ওজোন তৈরি হয় ।
JH Guidelines
Send a message to learn more