Ashraful Islam Bin Rejaul Haque

Ashraful Islam Bin Rejaul Haque

Share

নির্ভেজাল বিশুদ্ধ আকিদা ও মানহাজ প্রচারই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। অতি নগণ্য আল্লাহর একজন গোলাম, পড়তে ও লিখতে ভালবাসি। মানুষকে শেখাতে ও শিখতে ভালবাসি।

16/03/2024

আসসালামুয়ালাইকুম,
সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,
আশরাফুল ইসলাম বিন রেজাউল হক ভাই এর পূর্বের ফেইসবুক একাউন্টটি হ্যাক হয়েছে। ভাইয়ের নতুন একাউন্টের লিংক কমেন্টে বক্সে দেওয়া হলো...

পোষ্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন...
___এডমিন

11/03/2024

🖋খেজুর দিয়েই ইফতার করতে হবে এমনটা ফরজ বা ওয়াজিব নয়, বরং সুন্নাহ বা মুস্তাহাব।
খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করা সুন্নাহ বা মুস্তাহাব।
অন্য যে কোন খাবার দিয়েও ইফতার করলে হয়ে যাবে।

সুতরাং রমজানে প্যারা নিবেন না, যারা দেশের জনগণকে বিজনেসের পণ্য মনে করে তাদের হাতে আপনি নিজে পণ্য হয়েননা ।

খেজুর বাদেই ইফতার করুন, দাম বাড়িয়ে তারা কি করবে? আমরা না কিনলে খেজুরে পোকা ধরবে।

পানি দিয়ে ইফতার করুন।

আপনার সিয়াম বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য খেজুর দিয়ে ইফতার করা জরুরী না। বরং জরুরী হলো পাপাচার মুক্ত থাকা। সারাদিন পাপের মধ্যে ডুবে থেকে সন্ধ্যাতে মদিনার খেজুর দিয়ে ইফতার করেও আপনার সিয়াম বিশুদ্ধ হবেনা।

যারা খেলতে চাই তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতারা কবরে হাশরে জাহান্নামে খেলবে। আল্লাহ তাদেরকে খেলাবে। আপনি নিজে নিজেকে পরিবর্তন করুন।

মনে রাখবেন তাদের এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আল্লাহ অবগত, জেনে রাখুন,
وَ مَکَرُوۡا وَ مَکَرَ اللّٰہُ ؕ وَ اللّٰہُ خَیۡرُ الۡمٰکِرِیۡنَ
আর তারা কুটকৌশল করেছিল আল্লাহ্‌ও কৌশল করেছিলেন; আর আল্লাহ্‌ শ্রেষ্ঠতম কৌশলী।
📖আল ইমরান ৫৪।

08/03/2024

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
إِنّمَا الْعِلْمُ بِالتّعَلّمِ.
ইলম হাসিল করতে হবে শেখা-শেখানোর মাধ্যমে।
📖সহীহুল জামে 2328
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস খতীব বাগদাদী রাহ. বলেন-
وَيَكُونُ قَدْ أَخَذَ فِقْهَهُ مِنْ أَفْوَاهِ الْعُلَمَاءِ، لَا مِنَ الصّحُفِ.
ইলম অন্বেষণকারী দ্বীনের বুঝ ও সমঝ গ্রহণ করবে আলেমদের যবান থেকে; বই-পুস্তক থেকে নয়। -
📖আলফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, খতীব বাগদাদী ২/১৯৩
কুরআনে কারীমের এক আয়াত থেকেও বুঝা যায় ইলম শিক্ষার ক্ষেত্রে আসল পদ্ধতি হল আলেমদের শরণাপন্ন হওয়া। ইরশাদ হয়েছে-
فَسْـَٔلُوْۤا اَهْلَ الذِّكْرِ اِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُوْنَ.
তোমরা যদি না জানো তবে আহলে যিক্রের কাছে জিজ্ঞাসা করে নাও। -📖সূরা নাহল (১৬) : ৪৩
বিশিষ্ট ফকীহ আল্লামা শাতেবী রাহ. তাঁর ‘আলমুআফাকাত’ গ্রন্থে লিখেছেন-
قالوا إِنّ الْعِلْمَ كَانَ فِي صُدُورِ الرِّجَالِ، ثُمّ انْتَقَلَ إِلَى الْكُتُبِ، وَصَارَتْ مَفَاتِحُهُ بِأَيْدِي الرِّجَالِ.
আহলে ইলম বলেন, ইলম (প্রথমে) সংরক্ষিত ছিল মনীষীদের বুকে। পরে তা চলে এসেছে পুস্তকে। তবে চাবি রয়ে গেছে তাদেরই হাতে।
📖আলমুআফাকাত, শাতেবী ১/১৪০
এজন্য শুধু বই-পত্র পড়াকেই ইলম শিক্ষার জন্য যথেষ্ট মনে করা ভুল। পড়তেও হবে, আলেমদের কাছেও যেতে হবে। তবে পড়ার চেয়ে আলেমদের কাছে গিয়ে শেখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

08/03/2024

🖋️গরীব হয়েই থাকুন,
কারন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরীবদেরকে সুসংবাদ দিয়েছেন ।
দরিদ্র হয়ে থাকুন, মনে রাখবেন দরিদ্ররা ধনিদের ৫০০ বছর আগে জান্নাত চলে যাবে।

08/03/2024
05/03/2024

🖋️আজকে জনৈক রোগীর শরীরে থাকা জিন কে ইসলাম বোঝাতে যেয়ে এক পর্যায়ে তাকে বলছিলাম, ইসলাম গ্রহণ করলে আল্লাহই তোমাকে রক্ষা করবেন। তখন সে বলল আসলেই কি রক্ষা করেন?

আমি বললাম বিশ্বাস হচ্ছেনা?
ঠিক আছে তুমি আমার শরীরে ঢুকে দেখাও।
সে বলল না থাক।
আমি বললাম দেখইনা পার কি না।

সে চেষ্টা করল কিছুক্ষণ, আলহামদুলিল্লাহ সে প্রবেশ করতে না পেরে বলল আমি প্রবেশ করতে চাইলে আমার ক্ষতি হবে।
আমি পারবনা।

আমি বললাম, আমার শরীরের আসে পাশে কি কোন জিনদের দল অস্ত্র নি‌য়ে পাহারাতে আছে?
সে বলল, না নেই।

আমি বললাম তবুও তুমি প্রবেশ করতে পারছনা, কারন আল্লাহই রক্ষা কারী।
এখন কি বিশ্বাস হয়েছে?

সে বলল হ্যাঁ।....

🔴 প্রশংসাহ এক মাত্র আল্লাহরই, তিনি সর্বোত্তম অভিভাবক, তিনিই সর্বোত্তম রক্ষাকারী।
حسبي الله ونعم الوكيل نعم المولى ونعم النصير


০৫/০৩/২০২৪

04/03/2024

‏قال رسول الله ﷺ:
خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم، فيه طعام من الطعم، وشفاء من السقم.
📚صحيح الجامع (3322)

04/03/2024

কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জিনকে জালিয়ে দেওয়া সম্ভব?

🔴এমন কোন কথা কুরআন ও হাদীছে পাওয়া যায়না, যেখানে বলা হয়েছে কুরআনের ওমুক আয়াত পড়লে জিন পুড়ে যাবে।
🔴এগুলো মূলত রাক্বীদের অভিজ্ঞতা যা তারা তাদের জীবনে দেখেছেন, বুঝেছেন।
যেমন, হাদীছে এসেছে আয়াতুল কুরসী পড়লে শয়তান থাকেনা, কিন্তু জিনের রোগীর কাছে আয়াতুল কুরসী পড়লে জিন কষ্ট পায় এমন কথা হাদীছে কোথাও নাই।
অথচ ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহ জিনের রোগীর নিকটে কুরসী পড়তেন । এছাড়াও তিনি সূরা মুমিনুনের শেষ আয়াত গুলো পড়তেন।

ইমাম ইবনুল কাইয়্যুম রহ নিজেও এমনটাই বলেছেন।

🔴পুরো কুরআন হলো শিফা, কিন্তু রাসূল স সূরা ইখলাস ফালাক নাস বেশি পড়তেন। কোথাও এমনটা তিনি বলেননি ওমুক ওমুক আয়াত পড়ে ফু দাও ।কিছু হাদীছে সূরা ফাতিহার কথা এসেছে, অথচ সাহাবীদেরকে রাসূল স বলেননি সূরা ফাতিহা পড়ে ফু দিলে রোগ মুক্তি হবে। কিন্তু সাহাবীরা সূরা ফাতিহা পড়ে ফু দিয়েছেন, পরে রাসূল স সমর্থন করেছেন।

🔴জিনের রোগীর সামনে, সুলাইমান আ এর কথা যে আয়াতে আছে সেই আয়াত সাথে সূরা জিনের কিছু আয়াত পাঠ করলে জিন হাজির হয়ে যায়। অথচ এমন কোন বর্ণনা নেই, যেখানে বলা হয়েছে এগুলো পাঠ করলে জিন হাজির হবে।

🔴জিনের যখন রোগীর শরীরে থাকে তখন তার সামনে জাহান্নাম, নার, উল্লেখিত আয়াত গুলো পড়লে রোগী ছটফট করতে থাকে, অথচ এমন কোন আয়াত বা হাদীছ নেই যেখানে বলা হয়েছে এগুলো পড়লে এমন হবে।

🔴যারা রুকইয়া করেন, করেছেন তারা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে এগুলো বলে থাকেন, যেমন জাদুর চিকিৎসা হিসেবে ইমাম আবু হাতীম ও ইমাম আবুশ শাইখ, লাইস ইবনে আবি সালিম থেকে বর্ননা করেছেন,
تقرأ في إناء فيه ماء، ثم يصب على رأس المسحور

কুরআনে এই আয়াত গুলো পড়ে পানিতে ফু দি‌য়ে যাদুগ্রস্থ রোগীর মাথাতে পানি ঢেলে দিলে জাদু কেটে যাবে।
আয়াত গুলো হলো........مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ﴾ ٢ إلى قوله: ﴿وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ﴾ ٣، وقوله: ﴿فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴾ ٤ إلى آخر الآيات الأربع، وقوله: ﴿إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ وَلا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى

দেখুন, 📚শারহু কিতাবিত তাওহীদ লি আব্দির রহমান ইবনে হাসান (১৪৬)
✅অথচ এমনটা কোন হাদীছে বর্ণিত হয়নি।

আবার একই পৃষ্ঠাতে শায়েখ উল্লেখ করেছেন,
وقال ابن بطال: «في كتاب وهب بن منبه: أن يأخذ سبع ورقات من سدر أخضر فيدقه بين حجرين، ثم يضربه بالماء ويقرأ فيه آية الكرسي والقواقل، ثم يحسو منه ثلاث حسوات، ثم يغتسل به يذهب عنه كل ما به،
ইবনু বাত্তাল রহ বলেছেন, ৭টি বরইয়ের পাতা পিশে ফেলে পানিতে মিশিয়ে আয়াতুল কুরসী চার কুল পড়ে সেই পানিতে ফু দিয়ে তিন অঞ্জলি পানি সেখান থেকে পান করতে হবে, বাকিটা দিয়ে গোসল করতে হবে 📚(ঐ)

অথচ এগুলো কোন হাদীছে এভাবে বর্ণীত হয়নি । এমন আরো পদ্ধতি ইমামদের থেকে বর্ণনা করা সম্ভব। ইমাম ইবনু বাজ রহ আরো একটি পদ্ধতি উল্লেখ করেছেন।

🔴সর্বোপরি যে সকল ভাইয়েরা এগুলো নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করেন, তাদের উচিত নিজে রুকইয়ার কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করা অথবা চুপ থাকা।
👉হ্যাঁ, যারা কুরআনের আয়াত বা সুন্নাহর দুয়া ছাড়া অন্য কোম উপায় অবলম্বন করেন, জিনের সাহায্য নেন। তারা ভণ্ড আপনারা তাদের বিষয়ে কথা বলুন। যারা গায়েব জানার ও গায়েবের খবর দেওয়ার দাবি করে তাদের বিষ‌য়ে কথা বলুন।

03/03/2024

শায়খ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম মাদানী হাফিযহুল্লাহ এর বক্তব্যের অর্থ নিঃসন্দেহে সঠিক, কিন্তু শব্দ ব্যবহারে কিছুটা ত্রুটি হয়েছে!

যারা শাইখের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বা করতে চেয়েছে তাদের সম্পর্কে প্রশাসনের প্রতি কিছু কথা...

প্রফেসর ড. মুসলেহউদ্দীন হাফিজাহুল্লাহ

Want your school to be the top-listed School/college in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Kushtia