15/10/2025
আসসালামু আলাইকুম
আমি ইবি ইমন
আগে ছাত্রলীগ করতাম
লীগের সাথে লিয়াজু করে জুলাই আন্দোলন প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।
এখন ছাত্রদল করি
এখন সেই হেডাম
দলে যোগ দেওয়ার পর দুই একজন সিনিয়র কেও মারধোর করেছি
প্লিজ কেউ আমাকে ছাত্রলীগ বলবেন না।
09/10/2025
আপনাদের (ছাত্রদল, ছাত্র শিবিরের) সহযোগিতায় প্রশাসন বাস দিয়েছে — তাই আপনাদের সংগঠনবিরোধী কেউ সেই বাসে উঠতে পারবে না, বিষয়টি এমন নয়।
ছাত্র সংগঠনগুলোর মূল কাজই তো ছাত্রদের দাবি-দাওয়া প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা।
উদার হোন, ভালো কাজের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ান।
ছাত্রলীগের নিপীড়নে ছাত্র রাজনীতির ট্রমা এখনো শিক্ষার্থীদের কাটেনি।
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির পক্ষে আপনি যেমন যুক্তি দেন, তেমনি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ‘ছাত্র রাজনীতি চাই না’— এটা বলা তার বাকস্বাধীনতা।
উল্লেখ্য: মন্তব্যকারী ইবি শাখা ছাত্রদলের হেভিওয়েট নেতা।
09/10/2025
ডাকসু ভিপির পাশে বসে আছে ইকসু ভিপি।
08/10/2025
শহীদ আবরার ফাহাদ স্মরণে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র “রুম নম্বর ২০১১” প্রদর্শনী আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট, ইবি।
আজ ৮ অক্টোবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে প্রদর্শিত হবে এই হৃদয়স্পর্শী চলচ্চিত্র। যার নির্মাণ ও পরিচালনা করেছেন জাবি শিক্ষার্থী Sheikh Jisan Ahamed।
সবাইকে আন্তরিক আমন্ত্রণ রইল।
03/10/2025
গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধ ও নিরীহ মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি সংহতি প্রকাশের লক্ষ্যে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে “March for Gaza” শীর্ষক একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
📅 তারিখ: ০৩.১০.২০২৫ (আজ)
⏰ সময়: বাদ জুম্মা
📍 স্থান: সেন্ট্রাল মসজিদ প্রাঙ্গণ।
আপনাদের সকলকে উপস্থিত হওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।
02/10/2025
এরকম হাজারো আশ্বাসের মধ্যে কেটে গেল একবছর। এ যেন গ্রামের ইউপি চেয়ারম্যানের নির্বাচনের ইশতেহার।
02/10/2025
ডাকসু ভিপিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাগতম।
01/10/2025
শাটল কারে যাতায়াত করতে পেরে আনন্দে আত্মহারা ইবি শিক্ষার্থীরা।
06/09/2025
আগামীকাল ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলে শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৪ টি বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাস সংযুক্ত হবে। দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে প্রশাসন ভবন চত্বরে, উক্ত বাস গুলো উদ্বোধন করবেন মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ স্যার , প্রো-ভিসি ড. এম এয়াকুব আলী স্যার ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম স্যার।
উল্লেখ্য বাস গুলো রুট নির্ধারণ সাপেক্ষে আগামী ৮ তারিখ সোমবার থেকে বাস গুলো চলাচল করবে।
31/08/2025
ইকসুতে কোন ছাত্র সংগঠন বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা সময় সাপেক্ষে বোঝা যাবে।
21/08/2025
ঢাবি ছাত্রদলের ভিপিপ্রার্থী মাদরাসার ছাত্র, শিবিরের ভিপি-জিএস প্রার্থী মাদরাসার ছাত্র। শুধু প্রধান এই দুই সংগঠন নয়, আরও শতশত মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এবার ডাকসুর জন্য লড়ছেন। সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রার্থী যারা তারা মাদরাসার শিক্ষার্থী। বলে রাখি এই ঢাবিসহ অনেক জায়গা ই আলিয়া মাদ্রাসা থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীরা নের্তৃত্ব দিবে। যে এডমিন এই পোস্ট লিখছেন তিনিও একজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী 😎
15/08/2025
লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মতিনুর রহমান স্যারের সাথে ছাত্রশিবির নেতাদের অনভিপ্রেত ঘটনা ও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পর্যালোচনা
গত ১৩ আগস্ট বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন দায়িত্বশীল ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য বেশ কয়েকটি বিভাগে যান। এরই ধারাবাহিকতায় তারা লোক প্রশাসন বিভাগেও যান। বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সেক্রেটারি ইউসুফ আলী ভাই এই সাক্ষাতে নেতৃত্ব দেন। বিভাগের সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডঃ ফখরুল ইসলাম স্যারের সঙ্গে কথা বলে নবীনদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি চাইলে স্যার কয়েক মিনিটের জন্য অনুমতি দেন। এসময় নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাসে কোনো শিক্ষক ছিলেন না বা কাছাকাছি সময়ে কোনো শিক্ষকের ক্লাসের শিডিউল ছিল বলেও সভাপতি স্যার জানাননি।
সভাপতি স্যারের অনুমতি পেয়ে দায়িত্বশীলরা নবীনদের ক্লাসে গিয়ে নিজেদের পরিচয় দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কথা শুরু করেন। কথা শুরুর ৩-৪ মিনিট হতেই বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মতিনুর রহমান স্যার ক্লাসে প্রবেশ করেন। উনি ক্লাসে ঢুকেই রাগান্বিত স্বরে জিজ্ঞেস করেন, 'তোমরা কারা?' তখন একজন বলেন, 'স্যার, আমরা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এসেছি।' স্যার তখন রাগান্বিত হয়ে বললেন, 'তোমরা এখানে কেন? এটা তো এন্টারটেইনমেন্টের জায়গা না।'
তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সেক্রেটারি ইউসুফ ভাই বারবার বলছিলেন, 'স্যার এখনই শেষ করছি।' স্যার তখনও রাগান্বিতভাবে 'বের হও, বের হও' বলতে থাকেন। তখন শিবিরের দায়িত্বশীলগণ বললেন 'স্যার চলে যাচ্ছি।' তখন স্যার রাগান্বিত হয়ে বললেন, 'গেট আউট'। স্যারের এই কথা শোনার পর শিবিরের দায়িত্বশীলগণ ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে আসেন। এসময় মতিন স্যার আবার দুই জনকে পেছন থেকে ডেকে দাঁড়াতে বলেন। তারা দাঁড়ালে জিজ্ঞেস করেন, ' তোমরা কার অনুমতি নিয়ে এখানে এসেছো?' তখন তারা বলেন, 'আমরা সভাপতি স্যারের অনুমতি নিয়ে এসেছি। স্যার তখনই সভাপতি স্যারকে কল দেন।
সভাপতি স্যার তার অফিস থেকে বের হয়ে ক্লাসের দিকে আসছিলেন, শিবিরের দায়িত্বশীলগণ সভাপতি স্যারের অফিসে যাচ্ছিলেন। এসময় মতিনুর রহমান স্যারও সম্ভবত অফিসের দিকেই যাচ্ছিলেন । মাঝখানে সবাই একত্রিত হন। তখন শিবির দায়িত্বশীলগণ খুবই নমনীয়ভাবে বলেন, 'স্যার,আমরা আপনার ছাত্র, সেই জায়গা থেকে সন্তান হিসেবে সুন্দর করে বললেই আমরা বের হয়ে যেতাম। তখন স্যার বারবার বলেন 'তোমরা ক্লাসে কেন গেলে? কার অনুমতি নিয়েছো?' তখন শিবিরের দায়িত্বশীলগণ বলেন, 'স্যার আমরা সভাপতি স্যারের অনুমতি নিয়ে গিয়েছি।' তখন মতিন স্যার বলেন, 'আমার ক্লাসে সভাপতি অনুমতি দেওয়ার কে?' তখন সভাপতি স্যারও বারবার বলছিলেন 'স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে। আপনাকে আগে জানানো দরকার ছিল।' তখন শিবিরের কেউ একজন বলেন, 'স্যার আমরা যতটুকু জানি, সকল শিক্ষকগণ সভাপতি স্যারের অধীনে থাকেন, আর সভাপতি স্যার বিভাগের সবকিছু দেখাশোনা করেন।' মতিন স্যার তখন রেগে গিয়ে বলেন, 'সভাপতি কেন আমি ভাইস চ্যান্সেলরেরও অধীনে না।' এসময় আরও বেশকিছু কথাবার্তা হয়।
সেখানে মতিনুর রহমান স্যার ছাত্রদলের নেতাদের ফোন দেন। শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতিও ওই ভবনে আসেন। শিবির সভাপতি উপস্থিত হয়ে স্যারের সাথে সালাম বিনিময় করে স্যারের রুমে যান। কিছু সময়ের মধ্যে ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কও আসেন। পরে সম্মানিত প্রক্টর স্যার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ রোকসানা মিলি ম্যাডাম ও বিভাগের সভাপতি স্যারের উপস্থিতিতে মতিন স্যারের অফিসে আলোচনা হয়।
এসময় শিবির সভাপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একজন কর্মী যদি কোনো ভুল করে এর দায়ভার আমার।' এসময় তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য সবার পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। বিভাগের সভাপতি স্যারও মতিন স্যারের ক্লাসের শিডিউল সম্পর্কে না জেনে অনুমতি দেওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে উপস্থিত শিবিরের দায়িত্বশীলরা স্যারের সঙ্গে দেখা করেন। মতিনুর রহমান স্যার বলেন, 'তোমরা যেহেতু স্যরি বলেছো আমার আর কিছু বলার নেই। আমি মানুষ হিসেবে অনেক শক্ত, কিন্তু শক্ত মানুষের মন অনেক নরম হয়।' বিষয়টি সেখানেই সৌহার্দপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে সমাধান হয়।
ঘটনাটি সেখানে যেভাবে সমাধান হয়েছে এরপর এ নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা না হওয়াটা ছিল প্রত্যাশিত। শিক্ষক-ছাত্রদের মাঝে একটি মিস-আন্ডারস্ট্যান্ডিং হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ক্ষমা প্রার্থনা ও শিক্ষকের ক্ষমা প্রদর্শনের চিত্রটাই থাকা দরকার ছিল শেষ বাক্য। কিন্তু দেখতে পেলাম এটাকে নিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন আঙ্গিকে রাজনীতি ও কূটচাল চালা হচ্ছে। ছাত্রশিবিরকে নিয়ে বাজেভাবে প্রচারণা চালানো হলো, গণমাধ্যমগুলোতে শিবিরকে জড়িয়ে সারাদিন সংবাদ পরিবেশন হলো, যে ঘটনা ঘটেনি সেগুলোও এলো অনেকের আলোচনায়। সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকেই যে ইনসাফ করতে পারেননি এটি স্পষ্ট।
এরপর দেখা গেলো এটিকে ইস্যু হিসেবে তৈরির চেষ্টা। বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের দুটি সংগঠন এ নিয়ে নিন্দা জানালো। সাবেক শিক্ষার্থীদের একটি প্লাটফর্ম থেকে ঘোষণা দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হলো। অনেকেই মীমাংসিত ইস্যুতে জড়িতদের শাস্তি চাইতেও ভাবলো না। শুধু শিবির বিদ্বেষ থেকে যেভাবে বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা করা হয়েছে তা রাজনৈতিক বিরোধীতা ছাড়া কিছু নয়।
অবাক করা বিষয় হচ্ছে দুপুরে মতিনুর স্যার বললেন তার মন অনেক নরম, আন্তরিক সমাধান হলো কিন্তু রাতে দেখলাম শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপে এই ঘটনায় মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হচ্ছে। নিচে লেখা 'আদেশক্রমে- মতিন স্যার'। আজ মতিন স্যার একটা শিক্ষক সংগঠনের প্রতিবাদলিপিও পোস্ট করলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহমদ ভাই নিজেও পোস্ট করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারী দিলেন বিচার চেয়ে। অথচ যখন সমাধান হলো তখন উনি সেখানেই ছিলেন। পরে হয়তো প্রেসক্রিপশন পেয়েছেন বা সহসা বুঝতে পেরেছেন এটাকে দারুণ শিবির বিরোধী ইস্যু বানানো যায়। তাই অবস্থান বদলেছেন।
আমি মনে করি, শিবিরের নেতাকর্মীরা মানুষ ও শিক্ষার্থী হিসেবে ভুল করতে পারে, ইনসাফপূর্ণ আলোচনাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু এটি যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ইনসাফবহির্ভুত হয় তখন এটি নোংরামির পর্যায়ে চলে যায়। এটি কাম্য নয়।
একইভাবে বিভিন্ন জনের আইডিতে-পেজে দেখলাম মতিন স্যারের বিষয়ে মদ্যাপান, নারী কেলেঙ্কারী, বিএপিপন্থিদের মধ্যে ভাঙন সৃষ্টি ইত্যাদি অভিযোগ নিয়ে পূর্বে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের অংশ তুলে ধরেছেন। ঘটনা সত্য-মিথ্যা যাইহোক কালকের ঘটনার আলোচনায় তার পূর্বের অভিযোগ টেনে আনা ব্যক্তিগত আক্রমন মনে করি। যারা এটি করেছেন তারা কাজটি ঠিক করেননি। শেষ কথায় বলি, একসঙ্গে চলতে গেলে ভুল হবে সেই ভুলের সমালোচনা হোক সমাধানের জন্য ও ইনসাফপূর্ণ। ধন্যবাদ।
হাসানুল বান্না অলি
DIS
১৮-১৯