Al Jaami Accadamy

Al Jaami Accadamy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Jaami Accadamy, Computer training school, 43 M. A. Rahim Road, Kalisonkorpur, Kushtia.

06/10/2024

ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট হিসেবে গড়ে তোলা আর ব্যবহারযোগ্য করার প্রক্রিয়াই হল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। তাই যতদিন ওয়েবসাইট থাকবে ততদিন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদাও থাকবে। এজন্যই ওয়েব ডেভেলপারদের কাজের পরিসর বাড়ছে দিন দিন।

এজন্যই আমাদের কোর্স সাজানো হয়েছে আপডেটেড মডিউল দিয়ে। এখানে বেসিক SQL থেকে শুরু করে প্রফেশনাল স্কিল গড়ে তোলা পর্যন্ত সব কিছুই রাখা হয়েছে। প্রাকটিক্যাল প্রজেক্ট করার মাধ্যমে আপনি দ্রুত শেখার পাশাপাশি একটি স্মার্ট পোর্টফোলিও বানিয়ে ফেলতে পারবেন কোর্স চলাকালীন সময়েই। আর কোর্স যথাযথভাবে শেষ করতে পারলে পাচ্ছেন কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেট। তাই আল জামি একাডেমীর আধুনিক ও বিশ্ব মানের মডিউল ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের সাথে শুরু হোক আপনার Web Development CareerPath।

05/10/2024

এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক ডিজিটাল মার্কেটিং কি কি ধরনের ও কত প্রকারের হতে পারে:

1. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
2. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
3. কন্টেন্ট মার্কেটিং
4. ইমেইল মার্কেটিং
5. ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
6. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং

ধরো তুমি একটি অনলাইন বইয়ের দোকান চালু করতে চাচ্ছো। মানুষজন বই অর্ডার করলে তোমার দোকান থেকে সেটি হোম ডেলিভারি দেয়া হবে। এখন কেউ তোমার দোকানের ব্যাপারে জানে না। কারো যদি অনলাইনে বই কেনার দরকার পরে, তখন সে গুগল মামাকে জিজ্ঞাসা করবে “Online Book Shops in Bangladesh.” গুগল মামাও সুন্দর মতো বর্তমান বুকশপগুলোর ব্যাপারে তাকে বলে দিবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, ভদ্রলোক সেই শপগুলোর ব্যাপারেই জানবে যেগুলো গুগলের প্রথম পেইজে আছে।

নতুন দোকানের মালিক হিসেবে গুগল তোমাকে নাও চিনতে পারে। তাই গুগল হয়তো তোমাকে প্রথম পেইজে দেখালো না। এখন SEO হলো এমন একটি পদ্ধতি যা গুগলকে বাধ্য করবে তোমাকে সার্চের প্রথম পেইজে নিয়ে আসতে। এজন্য ওয়েবসাইট ডেভলপ করার সময় বেশ কিছু কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। আবার গুগলকে পে করলে সে নিজেই তোমাকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসবে। সেটিকে আবার বলে SEM বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। এছাড়াও SEO এর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে গেলে অনেক মজার মজার তথ্য পাবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

বড় রকমের সম্ভাবনা আছে যে, তুমি এই লেখার লিঙ্কটি প্রথম দেখেছ টেন মিনিট স্কুলের ফেইসবুকে পেইজে। কারণ দিনের একটা বড় অংশ তুমি, আমি এবং অন্য সকলেই সোশ্যাল মিডিয়াতে কাটিয়ে দেই। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমান সমাজে যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি বড় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য এটি একটি বড় মঞ্চ সকলের কাছে। কোনো ইভেন্ট কিংবা কোনো পণ্য বিক্রির প্রচারণার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এখন সকলেই ব্যবহার করছে। এছাড়াও দেখা যায় কোনো ইভেন্টের প্রচারণার জন্য অনেকে এখন প্রোফাইল পিকচারে ফিল্টার হিসেবে ফ্রেম ব্যবহার করে। এগুলোর মাধ্যমেও ইভেন্টের মার্কেটিং করা যায়। পোস্ট শেয়ারিং এবং বুস্টিং এর মাধ্যমে সহজেই মানুষের দ্বারে দ্বারে তোমার প্রচারণা চালাতে পারো।

সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরির মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং

প্রতিদিন প্রতি ঘণ্টায় কেউ না কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টোরি আপলোড দিচ্ছেই। কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে যাচ্ছে এই সবকিছু স্টোরিতে শেয়ার দেয়া লাগবেই। পণ্য বিক্রি করার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই স্টোরির সুবিধা নিচ্ছে। সেই সাথে দেখা যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের অ্যাফিলিয়েটদের দিয়ে স্টোরিতে তাদের পণ্যের প্রমোশন করাচ্ছে। এধরণের প্রচারণা সত্যিই এখন বেশ প্রচলিত হয়ে উঠেছে এবং সবাই তা গ্রহণও করছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ ভিডিও শেয়ারিং এখন এতো বেশি হয় যে, মার্কেটাররাও এর সুবিধা নিতে ভুল করেনি। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবহারের উপর লাইভ ভিডিও কিংবা পণ্যের মোড়ক উন্মোচনের লাইভ ভিডিও এখন গ্রাহকদের অনেক বেশি আকর্ষণ করছে। ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নিজেদের বার্তা অনেক সহজেই তুলে ধরা যায়। অনেকে ৩৬০° ভিডিও ব্যবহার করে যা আরও আকর্ষণীয় করে তুলে পুরো ব্যাপারটিকে।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এ ধরণের মার্কেটিং। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর মূল বিষয় হলো, জনসাধারণের কাছে পরিচিত এবং জনপ্রিয় এমন কাউকে দিয়ে পণ্যের প্রচারণা চালানো। হতে পারে তিনি কোনো বিখ্যাত খেলোয়াড়, সেরা কোনো অভিনেতা কিংবা জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী। মূল কথা হলো এমন কাউকে দিয়ে প্রচারণা করা যার কথা সবাই শুনে এবং বিশ্বাস করে। তখন অনেকের মনে এই ধারণা জন্ম নেয় যে, “আমার প্রিয় তারকা এই পণ্যটি ব্যবহার করে। তাহলে আমিও এই পণ্যই কিনবো।” মূলত এই ধরণের মানসিকতা তৈরি লক্ষ্যই হলো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং।

কন্টেন্ট মার্কেটিং -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং

এখন প্রায়ই দেখা যায় যে, বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো অনলাইন পত্রিকায় কিংবা ব্লগ সাইটে প্রোমোশনাল ব্লগ লেখা হচ্ছে। সেই ব্লগ পড়ে মানুষজন সেই প্রতিষ্ঠানে কী রকম সেবা দেয় তা জানতে পারছে। এগুলো হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। মার্কেটিং এর জগতে নিজের ঢোল নিজে পিটানো তো লাগবেই, সেই সাথে অন্যদের হাতেও ঢোল দিতে হবে একটু পিটিয়ে দেয়ার জন্য। নিজের প্রতিষ্ঠানের সেবার ব্যাপারে মানুষজনকে জানানোর জন্য এরকম মার্কেটিং এখন বেশ কার্যকরী। নিজে লিখতে না পারলে কোনো পেশাদারী ব্লগ লেখককে দিয়েও নিজেদের ব্যাপারে কন্টেন্ট লিখিয়ে নেয়া যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং

এটি অনেকটা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর অনুরূপ। তবে এখানে জনসাধারণের পরিচিত মুখ থাকাটা তেমন জরুরি না। ধরো তোমার একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে। সেখানে তুমি যা কিছু করো না কেনো, তার জন্য সবসময় নির্দিষ্ট একটি ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহারের কথা উল্লেখ করো। তোমার যদি একটি রান্নার চ্যানেল থাকে, তাহলে সেখানে একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে সবাইকে বলতে পারো। এর বিনিময়ে সেই ব্র্যান্ড তোমাকে একটি সম্মানি প্রদান করে থাকে। এখানে তুমি সেই ব্র্যান্ডের অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছো। অর্থাৎ, তুমি তোমার কাজের মাধ্যমে সবাইকে সেই ব্র্যান্ডের ব্যাপারে বলছো। অনেক সময় অ্যাফিলিয়েটদের জন্য আলাদা প্রোমো কোড দেয়া হয়, যার মাধ্যমে ক্রেতারা কোনো পণ্যের উপর বিশেষ ছাড় পেতে পারে।

05/10/2024

ভালো ডিজাইন করতে হলে জানতে হবে - ব্র্যান্ডিং এ কালার সাইকোলজি!!

“ব্র্যান্ডিং ও প্রোডাক্ট ডিজাইনের প্রাথমিক বিষয় হচ্ছে কালার সাইকোলজি। এই গাইডটি আপনাকে কালার সাইকোলজি কি এবং কিভাবে কালার সাইকোলজি ব্যবহার করে নিজের ব্র্যান্ডকে আরো উন্নত করতে হয় সে বিষয়ে পুরোপুরি ধারণা পেতে সাহায্য করবে।

প্রতিদিনের জীবনে আমরা এরকম অসংখ্য জিনিস দেখি ও ঘটনার সম্মুখীন হই যা আমাদের মন, দৃষ্টিভঙ্গি, পছন্দ এবং সিদ্ধান্তের উপর প্রভাব ফেলে। রঙ এত দ্রুত যোগসূত্র তৈরি করতে পারে যে, আমরা টের পাবার আগেই এটি আমাদের আবেগকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। এজন্যই ডিজাইনারদেরকে বুঝতে হবে কিভাবে কালার সাইকোলজি কাজ করে; হোক সেটি ফাংশনাল কিংবা ইমোশনাল। তাই কালার সাইকোলজি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার আগে আসুন শিখি কালার সাইকোলজির বেসিক ব্যাপারগুলো কি এবং এটা কিভাবে ইউজার বিহেভিয়ারের উপর প্রভাব ফেলে।

কালার সাইকোলজি কী?

কালার সাইকোলজি হচ্ছে কিভাবে এবং কেন রঙ আমাদের অনুভূতি এবং আচরণের উপর প্রভাব ফেলে সেটা বোঝার বিদ্যা।যখন আমরা কোনো রঙের মুখোমুখি হই আমাদের ব্রেন এবং এন্ডোক্রাইন সিস্টেম সেটি ইনপুট হিসেবে নিয়ে হরমোন নিঃসরণ করে। তাই এটি আমাদের আবেগের উপর অবচেতনভাবেই প্রচন্ড প্রভাব ফেলতে পারে।

The Institute Of Color Research এর মতে মানুষ অবচেতনভাবে কোনোকিছু দেখার ৯০ সেকেন্ডের মধ্যেই বস্তুটি বা ব্যক্তিটিকে তাৎক্ষণিকভাবে বিচার করে এবং এর ৬২% থেকে ৯০% -ই হয়ে থাকে শুধুমাত্র রঙের উপর ভিত্তি করে। তাই একজন ডিজাইনারকে অবশ্যই UI/UX -এর পেছনের রঙের খেলা বুঝতে হবে।
যেখানে কালার থিওরি ডিজাইনারদের রঙের প্রকৃতি বুঝতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন রঙের মেলবন্ধন তৈরি করা শেখায় , সেখানে কালার সাইকোলজি আমাদের মন ও আবেগের রঙ বুঝতে শেখায়। রঙের ব্যবহার UX/UI ডিজাইনের মেমোরেবিলিটি বাড়ায়।

কালার সাইকোলজির মূলনীতি
রঙের সাইকোলজি ছয়টি প্রাথমিক বিষয়কে ধারণ করেঃ

১। রঙের অর্থ রয়েছে
২।জীবন ও পরিবেশ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থেকে রঙের অর্থ করা হয়।
৩।রঙের অনুভূতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের বিচার করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
৪। রঙ বিচার করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে আচরণকেও নির্ধারন করে।
৫। রঙ স্বতন্ত্রভাবেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।
৬।রঙের অর্থ এবং এর প্রভাব কোনো বিষয় বা প্রসঙ্গ দ্বারা নির্ধারিত হয়।

এই মূলনীতিগুলো ডিজাইনাররা ভিন্ন ভিন্ন ইউজারের ইউজেবিলিটি বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করতে পারে।

ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে কালার সাইকোলজি কেনো গুরুত্বপূর্ণ ?

মার্কেটিং এর উপর রঙের প্রভাব সম্পর্কিত একটি রিসার্চে দেখা যায় ৬২-৯০% ক্ষেত্রে মানুষ শুধুমাত্র রঙের উপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বস্তুকে বিচার করে থাকে। মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং -এ কালার সাইকোলজি ব্যবহার করে রাইট ইম্প্রেশন তৈরি করার মাধ্যমে ব্র্যান্ডের সাথে কাস্টমারের ইউজার এনগেজমেন্ট বাড়ানো হয়।

কিন্তু এখানে একটি সূক্ষ্ণ চাল রয়েছে। ডিজাইনাররা সবসময় রঙের সার্বজনীন অর্থের উপর ভরসা করতে পারবেন না। কারণ রিসার্চে দেখা গেছে, মানুষ কালার চয়েজের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ, অভিজ্ঞতা, বেড়ে-ওঠা, জাতিগত বৈচিত্র এবং কনটেক্সট এর উপরেও নির্ভর করে। যেমন, হলুদ রঙের একটি গাড়ি যদি কোনো কাউকে ধাক্কা দেয় তাহলে হলুদ রঙটি ব্যক্তির নেগেটিভ ইমোশন জাগিয়ে তুলতে পারে যতোই হলুদ রঙ এর সার্বজনীন অর্থ পজিটিভিটি, ইতিবাচকতা, সূর্য এবং আনন্দ হোক না কেন।

এখানে ভালো বিষয়টি হচ্ছে যদি আপনার ব্র্যান্ডের কালারটি আপনার ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় তাহলে ইন্ডিভিজুয়াল কালার মিনিং এর নিয়মটি এখানে প্রভাব ফেলবে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সঠিক ব্র্যান্ড কালার খুঁজে বের করার জন্য কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে ?

রঙ— যা ব্র্যান্ডের পার্সোনালিটি ফুটিয়ে তোলে
সাইকোলজিস্ট, স্ট্যান্ডফোর্ড প্রফেসর জেনিফার অ্যাকার এর মতে, ৫ টি ডাইমেনশন একটি ব্র্যান্ডের পার্সোনালিটিতে প্রভাব ফেলে। কিছুটা মানুষের বাহ্যিক আচরণের মত। একটি ব্র্যান্ড সাধারণত নিচের একটি বা দুইটি বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হতে পারেঃ

সিনসিয়ারিটি : ডাউন-টু-আর্থ, অনেস্ট, হোলসাম
এক্সাইটমেন্ট : ইমাজিনেটিভ, আপ-টু-ডেট
কম্পিটেন্স : রিলায়েবল, ইন্টিলিজেন্ট, সাকসেস্ফুল
সফিস্টিকেশন : আপার-ক্লাস, চার্মিং
র‍্যাগেডনেস : আউটডোর্সি, টাফ

অডিয়েন্সকে জানুন
অডিয়েন্স ডেমোগ্রাফিক এর উপর ভিত্তি করে আপনার ব্র্যান্ডের রং নির্বাচন করা পুরোপুরি সঠিক সিদ্ধান্ত নাও হতে পারে। যদিও কিছু গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে পুরুষরা বোল্ড কালার এবং শেড পছন্দ করেন (কালচে), অন্যদিকে নারীরা সফট কালার এবং টিন্ট পছন্দ করেন (হালকা সাদাটে)। কিন্তু শুধুমাত্র এর উপর নির্ভর করে ব্র্যান্ড কালার নির্বাচন করা উচিত নয়। পরিবর্তে, আপনার ব্র্যান্ড ইউজাররা কী প্রেফার করে সেটির উপর ফোকাস করুন। মূলত কালচারাল ও জেন্ডার স্টেরিওটাইপগুলিকে দূরে সরিয়ে ইউজারদের তাঁদের প্রত্যাশার চাইতে ভালো কিছু দেওয়া আপনার ব্র্যান্ডকে আরও বেশি উপকৃত করতে পারে।

ব্র্যান্ড পরিচিতিতে জোর দিন
কিছু রঙ নির্দিষ্ট ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত, যেমন-লাল এবং কমলা ফাস্ট ফুডের সাথে,সবুজ ইকোলজি এবং বায়ো-প্রডাক্টের সাথে সম্পর্কিত হলেও ক্রিয়েটিভ ব্র্যান্ড কালার বাছাই আপনার ব্র্যান্ডকে সবার চেয়ে আলাদা একটি পরিচয় তৈরি করে দিতে পারে যা আপনার ব্র্যান্ডকে প্রতিযোগীদের মধ্যে উদাহরণ করে তুলতে পারে।

এছাড়া, মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং উপকরণ (লোগো, ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া, বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি) জুড়ে এবং ইন্টারফেসে সেম ব্র্যান্ড কালার ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করা হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার ব্র্যান্ড কানেকটিভিটি এবং ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস দুটোই বাড়াতে সাহায্য করবে।

ব্র্যান্ড কালারে সাইকোলজি এবং বিভিন্ন রঙের অর্থ

মানুষের চোখ মূহুর্তের মধ্যে রঙকে প্রসেস এবং ডিকোড করে, ডিজাইনারদের ভিজুয়াল হায়ারার্কি এমপ্লিফাই করতে এবং বিশেষ উপাদানগুলির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম করে। তাই রঙের পিছনের সাইকোলজি শেখা UX ডিজাইন শিক্ষার একটি অপরিহার্য অধ্যায়। এবার আসুন জেনে নেয়া যাক কিছু রঙের অর্থ করি এবং কেন রঙ আমাদের প্রভাবিত করে। তবে মনে রাখা ভালো যে, এগুলি তথাকথিত পশ্চিমা সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য মনে হতে পারে।

কালার সাইকোলজি—লাল

লাল মূলত শিশুদের রঙ। এটি অনেক উজ্জ্বল হওয়ায় মনযোগ আকর্ষণে সক্ষম। লাল মূলত শক্তির প্রতীক।অনেক সময় এটি প্রেম-আবেগ-রাগ-বিপদের তীব্রতা বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়। যেহেতু লাল হাই টেনশন শো করে, তাই অনেকসময় এটি উদ্বেগ ও ক্লান্তির কারণ হতে পারে।তাই লাল রঙটি খুব ভেবেচিন্তে ব্যবহার করা উচিৎ।

লাল রঙের ব্যবহার

লাল ও কমলা রঙ ক্ষুধা বাড়ায় তাই এটি ফাস্ট ফুড ও খাবারের এপসে ব্যবহার করা হয়।
তীব্র আবেগ, শক্তি, কনফিডেন্স ও যৌন আবেদন বোঝায়।
লাল যুদ্ধ, আক্রমণ এবং ক্ষমতার প্রতীক।

কালার সাইকোলজি—সবুজ

সবুজ প্রকৃতির প্রতীক। একে বলা হয় ভারসাম্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।সবুজ তারুণ্য, উন্নতি ও পুনর্জীবন এর সাথে সম্পৃক্ত।সবুজ বিভিন্ন “গ্রীন” টপিক যেমন, ইকোলজি,সাসটেইনিবিলিটি, এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশোন এবং সুষম খাবার -এ ব্যবহৃত হয়।

সবুজ রঙের ব্যবহার

সবুজ মানসিক শান্তি ও মনযোগ বাড়ায়।
সবুজ স্বাস্থ্য-সম্পদ-বৃদ্ধির সাথে সম্পৃক্ত।
গাঢ় সবুজ বিশ্বাস ও আনুগত্য বোঝায়।

কালার সাইকোলজি—নীল

নীল বিশ্বাস, স্থায়িত্ব, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক হওয়ায় বিজনেস ও ব্যাংকিং সফটওয়্যারে নীল বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।কিন্তু ওয়ার্ম কালারের বিপরীতে নীল কিছুটা ডিসটেন্ট ও ইমোশনলেস মনে হতে পারে।

বেগুনি রঙের ব্যবহার

বেগুনি আধ্যাত্নিকতা, আভিজাত্য ও সৃজনশীলতার প্রতীক।
বেগুনি দ্বারা ব্র্যান্ডকে প্রতুলতা, অন্তর্মূখী ও বিষাদের রূপ দেয়া যায়।

কালার সাইকোলজি—কালো

কালো এমন একটি রঙ যাকে সব রঙের সাথে ব্যবহার করা যায়। কালো মূলত কনট্রাস্ট ক্রিয়েট করে তাই এটি ব্যাকগ্রাউন্ড কালার হিসেবে পারফেক্ট, বিশেষ করে মোবাইল ও ওয়েব ইন্টারফেজের জন্য। কালো দিয়ে শোক, আভিজাত্য, ঐতিহ্য থেকে আবিষ্কার সবকিছু প্রকাশ করা যায়।

কালো রঙের ব্যবহার

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কালো আভিজাত্য, বিলাশ ও শৌখিনতা ফুটিয়ে তোলে।
কালো কতৃত্ব, ক্ষমতা, গাম্ভীর্য ও জ্ঞানের প্রতীক।
নেতিবাচক অনুভূতি— শোক, অবসাদ, দুঃখ ও শোকের প্রতীক।

কালার সাইকোলজি—সাদা

সাদা পবিত্রতা ও স্বচ্ছতার প্রতীক। অনেক সময় এক টুকরো সাদা কাগজ দ্বারা নতুন আবিষ্কার করা বোঝাতে পারে।অতিরিক্ত সাদা রঙ ব্যবহার একাকীত্ব ও শূন্যতা বোঝায়। তবে সাদা একটি বহুল ব্যবহৃত ব্যাকগ্রাউন্ড কালার যা ইন্তারফেজে স্পেস বোঝাতে সাহায্য করে।

সাদা রঙের ব্যবহার

সাদা সহজ ও স্বচ্ছতার প্রতীক
সাদা একাকীত্ব, শূন্যতা ও ঊষরতার প্রতীক ও হতে পারে।

কালার সাইকোলজি— ধূসর

ধূসর কুল ও নিউট্রাল ক্যাটাগরির একটি কালার। গ্রে এর টোন-ভ্যারাইটির উপর ভিত্তি করে ডিজাইনকে বেশ সফিস্টিকেটেড ও এলিগেন্ট লুক দেওয়া যায়।

ধূসর রঙের ব্যবহার

ক্লাসিক, সিরিয়াস ও রিলায়েবল কালার।
ব্যালেন্স ও নিউট্রিয়ালিটির জন্য ডিজাইনারদের দ্বারা সমাদৃত।
অবসাদ, বিষন্নতার প্রতীক হতে পারে।

কালার সাইকোলজি—বাদামী

বাদামী মাটি ও কাঠের রঙ। এর আর্থি লুকের কারণে এটি ব্যাকগ্রাউন্ড কালার হিসেবে বেশ ভালো। নিরাপত্তা, রক্ষা, আরাম স্থায়িত্ব বোঝাতে বাদামী বেশ কার্যকর।

কালার সাইকোলজিতে ডেমোগ্রাফিকস এর গুরুত্ব

যেহেতু কালার সাইকোলজিতে বয়স, জেন্ডার ও কালচার গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে তাই ব্র্যান্ড কালার সিলেকশোনে ডেমোগ্রাফিকসকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিৎ ।

জেন্ডার বিবেচনায়

রঙ নির্বাচনে ব্যক্তির জেন্ডার গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। আসুন এর ভূমিকা জেনে নেয়া যাক।
কুল টোন > ওয়ার্ম টোন; যদিও নীল, সবুজ এবং এদের টিন্টগুলো উভয়ের কাছেই সমাদৃত।
উভয়েরই প্রথম পছন্দ নীল।
কমলা ও বাদামী খুব একটি জনপ্রিয় নয়।
পুরুষের পছন্দ রঙ, নারীরা রঙের বিভিন্ন শেডকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

বয়স বিবেচনায়

বয়সের উপর কালার প্যালেট অনেকাংশে নির্ভর করতে পারে। বাচ্চারা ওয়ার্ম কালার
(লাল, কমলা) বেশি পছন্দ করে।বাচ্চারা অনেক সময় রঙ পরিবর্তন করতে ভালোবাসে, কিন্তুরা বড়রা তাঁদের পছন্দের রঙকেই বেশি প্রাধান্য দেয়।

সাংস্কৃতিক বিবেচনায়

বিভিন্ন সংস্কৃতিতে বিভিন্ন রঙের আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। যেমন, নীল পাশ্চাত্যে একটি পুরুষতান্ত্রিক রঙ হলেও চীনা সংস্কৃতিতে এটি নারীর প্রতীক। কিন্তু সাদাকে ধরা হয় মৃত্যু ও দুর্ভাগ্য যেখানে কমলা সুস্বাস্থ্যের প্রতীক।
হিন্দুধর্মানুসারে, হলুদ বাণিজ্য ও পবিত্রতার প্রতীক। ল্যাটিন আমেরিকায় লাল যুদ্ধ ও সামরিকতার প্রতীক।

▫️উপসংহার

পজেটিভ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স তৈরির জন্য কালার সাইকোলজি খুবই পাওয়ারফুল একটি টুল। এটি ডিজাইন শিল্পে এমন একটি তুলির ছোঁয়া যা একই সাথে ব্র্যান্ড ও প্রোডাক্টকে পজেটিভ লুক দেয় এবং ডিলাইটেড ইউজার এক্সপেরিয়েন্স তৈরি করে। পরিশেষে, কালার সাইকোলজি সেরকমই হতে হবে যেরকমটা অডিয়েন্স প্রেফার করে।
কি? রঙের সাইকোলজিক্যাল বিষয়গুলো জানলেন তো? Now Just Practice!

এখনই শুরু করে দিন আপনার UI/UX ডিজাইন জার্নিটা। ভালো ডিজাইন ফাউন্ডেশন, ডিজাইন সেন্স, কোনো একটি স্পেসিফিক নিশ- এ দক্ষ হবার এখনই তো সময়।

হ্যাপি ডিজাইনিং…

03/10/2024

💥 ভর্তি চলছে
🔥আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং নিশ্চিত সাফল্যের সিঁড়ি এখন আপনার শহর কুষ্টিয়াতে।
💥 ৩০% স্কলারশিপে ভর্তি চলছে 🌟এ সুযোগ শুধুমাত্র প্রথম ব্যাচের স্টুডেন্টদের জন্য🌟

আল-জামি একাডেমিতে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ,ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং বেসিক এপ্লিকেশন কোর্সে ভর্তি চলছে যেখানে থাকছে কোর্স শেষে শতভাগ কাজের নিশ্চয়তা ।

🔥আমরা আন্তর্জাতিক মানের সিলেবাসের আলোকে প্রত্যেকটি কোর্সকে এমনভাবে সাজিয়েছি যেন প্রত্যেকটি স্টুডেন্ট বেসিক থেকে শুরু করে এডভান্স পর্যন্ত শিখতে পারে ।

🔥ফ্রিল্যান্সিং কিংবা চাকরির বাজারে সফলতার জন্য দক্ষতার বিকল্প নেই। কোন বিষয়ে দক্ষ না হয়ে আপনি কোন ভাবেই অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে ইনকাম করতে পারবেন না। এজন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে একজন দক্ষ এবং পেশাদার হিসেবে। আপনাকে দক্ষ এবং পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা নিয়ে এসেছি ৪ টি কোর্স ।

🔥🔥 আমাদের কোর্সসমূহ -
✅ ডিজিটাল মার্কেটিং
✅ গ্রাফিক্স ডিজাইন
✅ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
✅ বেসিক এপ্লিকেশন

🔥আমাদের বৈশিষ্ট্য সমূহ :
১. দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দ্বারা ক্লাস গ্রহণ।
২. সুন্দর মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশের ব্যবস্থা।
৩. অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক ফ্যাসিলিটি সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব।
৪. মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার দেওয়া।
৫. অত্যাধুনিক ডিসপ্লে সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব।
৬. সাপ্তাহিক ও মাসিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা।
৭. ইয়াতিম ও প্রতিবন্ধীদের জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা।
৮. প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সার্টিফিকেট প্রদান।
৯. চাকরিজীবীদের জন্য সন্ধ্যাকালীন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।
১০. প্রতিটি স্টুডেন্টের জন্য কোর্স শেষে থাকছে শতভাগ কাজের নিশ্চয়তা ।

🌟আপনাকে দক্ষ এবং পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলায় আমাদের মূল লক্ষ্য।

🔥🔥 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন ঃ
আল-জামি একাডেমি
গহর জান কুঠি, ৪৩, ম.আ.রহিম সড়ক
কদমতলা মোড়, জেলখানার প্রাচীলের পিছনে,
কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া ৭০০০

ফোন নাম্বারঃ
+৮৮০ ২৪৭৮ ৮৫৩ ৮৬৬
+৮৮০ ১৭৭৬ ০২১ ৮৭৬
+৮৮০১৭৪৯০০৮০১১

ইমেইল : [email protected]
ওয়েবসাইট: academy.aljaami.com.bd

01/10/2024

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধারণাটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য একজন মার্কেটারকে অবশ্যই বেশ কিছু ব্যাপারে দক্ষ হতে হবে। তার আগে ডিজিটাল মার্কেটিং এর পূর্বসূরি অ্যানালগ মার্কেটিং এর ব্যাপারে একটু জেনে নেই। ডিজিটাল মার্কেটিং এ আমরা ঘরে বসেই নতুন কোনো পণ্যের ব্যাপারে বা কোনো সংগঠনের ব্যাপারে জানতে পারছি। কিন্তু অ্যানালগ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি ততো সহজ ছিলো না। বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানোর বদলে তখন বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচারণা চালাতে হতো। বর্তমানে নির্বাচনের সময় যেমন আমরা দেখি প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট চাচ্ছে ব্যাপারটা অনেকটা সেরকম।

এখানে প্রার্থীরা নিজে উপস্থিত থেকে তার সংগঠনের ব্যাপারে সবাইকে জানান দেয়। এখানে তারা চায় ওয়ান টু ওয়ান সম্পর্কটাকে গড়ে তুলতে। অ্যানালগ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই রকম। ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে দিলেই একসাথে কয়েক হাজার কিংবা কয়েক লাখ মানুষ জেনে যাচ্ছে। কিন্তু অ্যানালগ মার্কেটিং -এ একজনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে সেই একজনের মাধ্যমে আরো ১০ জনের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এজন্য এখানে ওয়ান টু ওয়ান সম্পর্কটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্পর্ক ধরে নিজের প্রচারণার জন্য একটি কার্ড বা লিফলেট সবাইকে দেয়া হয়, যেখানে ব্যক্তির পরিচয় এবং তার ঠিকানা দেয়া থাকে। নতুন কোনো সিনেমা বের হলে দেখা যায় এলাকায় এলাকায় পোস্টারিং করা হচ্ছে এবং খবরের কাগজেও এর পোস্টার ছাপা হচ্ছে। এগুলো সবই অ্যানালগ মার্কেটিং এর আওতাভুক্ত।

এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, ডিজিটাল মার্কেটিং কি অ্যানালগ মার্কেটিং কে সরিয়ে দিয়েছে? উত্তর হলো, না। ডিজিটাল মার্কেটিং এসে অ্যানালগ মার্কেটিং এর কাজটি আরও সহজ করে দিয়েছে। আগে যেখানে বাড়ি বাড়ি ঘুরে নিজের প্রচারণা চালাতে হতো কিংবা লোকজনের কাছে নিজের পরিচয়ের একটি কার্ড বিলি করতে হতো প্রচারণার জন্য, সেখানে আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো একটি পোস্ট কিংবা কোনো প্রকার অ্যাডভার্টাইজম্যান্টের মাধ্যমেই নিজের পরিচয় জানান দেয়া যায়।

বাংলাদেশে এখনও অনেক জায়গায় সাধারণ বিলবোর্ডের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে দেখা যায়। এটি কিন্তু এক প্রকার অ্যানালগ মার্কেটিং। কিন্তু নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে কিংবা জাপানের টোকিও শহরে তো বিলবোর্ডের ছড়াছড়ি। এতো আধুনিক দেশ কিন্তু এতো পুরনো পদ্ধতিতে মার্কেটিং করছে কেন? আসলে তাদের সবকটি বিলবোর্ডে রয়েছে উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়া। তারা তাদের প্রায় সবকটি বিলবোর্ডে ডিসপ্লে স্ক্রিন ব্যবহার করে, কেননা তারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব বুঝে। মার্কেটিং সফল হওয়ার পিছনে মূলমন্ত্র হলো তুমি দর্শককে কতটুকু আকৃষ্ট করতে পারছেন। তোমার অ্যাডভার্টাইজিং যতো বেশি জাঁকজমকপূর্ণ হবে, দর্শক ততো বেশি আকৃষ্ট হবে।

30/09/2024

এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক ডিজিটাল মার্কেটিং কি কি ধরনের ও কত প্রকারের হতে পারে:

☑️ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
☑️ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
☑️ কন্টেন্ট মার্কেটিং
☑️ ইমেইল মার্কেটিং
☑️ ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
☑️ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং :

ধরো তুমি একটি অনলাইন বইয়ের দোকান চালু করতে চাচ্ছো। মানুষজন বই অর্ডার করলে তোমার দোকান থেকে সেটি হোম ডেলিভারি দেয়া হবে। এখন কেউ তোমার দোকানের ব্যাপারে জানে না। কারো যদি অনলাইনে বই কেনার দরকার পরে, তখন সে গুগল মামাকে জিজ্ঞাসা করবে “Online Book Shops in Bangladesh.” গুগল মামাও সুন্দর মতো বর্তমান বুকশপগুলোর ব্যাপারে তাকে বলে দিবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, ভদ্রলোক সেই শপগুলোর ব্যাপারেই জানবে যেগুলো গুগলের প্রথম পেইজে আছে।

নতুন দোকানের মালিক হিসেবে গুগল তোমাকে নাও চিনতে পারে। তাই গুগল হয়তো তোমাকে প্রথম পেইজে দেখালো না। এখন SEO হলো এমন একটি পদ্ধতি যা গুগলকে বাধ্য করবে তোমাকে সার্চের প্রথম পেইজে নিয়ে আসতে। এজন্য ওয়েবসাইট ডেভলপ করার সময় বেশ কিছু কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। আবার গুগলকে পে করলে সে নিজেই তোমাকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসবে। সেটিকে আবার বলে SEM বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। এছাড়াও SEO এর ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে গেলে অনেক মজার মজার তথ্য পাবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং :

বড় রকমের সম্ভাবনা আছে যে, তুমি এই লেখার লিঙ্কটি প্রথম দেখেছ টেন মিনিট স্কুলের ফেইসবুকে পেইজে। কারণ দিনের একটা বড় অংশ তুমি, আমি এবং অন্য সকলেই সোশ্যাল মিডিয়াতে কাটিয়ে দেই। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমান সমাজে যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি বড় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য এটি একটি বড় মঞ্চ সকলের কাছে। কোনো ইভেন্ট কিংবা কোনো পণ্য বিক্রির প্রচারণার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এখন সকলেই ব্যবহার করছে। এছাড়াও দেখা যায় কোনো ইভেন্টের প্রচারণার জন্য অনেকে এখন প্রোফাইল পিকচারে ফিল্টার হিসেবে ফ্রেম ব্যবহার করে। এগুলোর মাধ্যমেও ইভেন্টের মার্কেটিং করা যায়। পোস্ট শেয়ারিং এবং বুস্টিং এর মাধ্যমে সহজেই মানুষের দ্বারে দ্বারে তোমার প্রচারণা চালাতে পারো।

সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরির মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং :

প্রতিদিন প্রতি ঘণ্টায় কেউ না কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টোরি আপলোড দিচ্ছেই। কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে যাচ্ছে এই সবকিছু স্টোরিতে শেয়ার দেয়া লাগবেই। পণ্য বিক্রি করার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই স্টোরির সুবিধা নিচ্ছে। সেই সাথে দেখা যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের অ্যাফিলিয়েটদের দিয়ে স্টোরিতে তাদের পণ্যের প্রমোশন করাচ্ছে। এধরণের প্রচারণা সত্যিই এখন বেশ প্রচলিত হয়ে উঠেছে এবং সবাই তা গ্রহণও করছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও মার্কেটিং :

সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ ভিডিও শেয়ারিং এখন এতো বেশি হয় যে, মার্কেটাররাও এর সুবিধা নিতে ভুল করেনি। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবহারের উপর লাইভ ভিডিও কিংবা পণ্যের মোড়ক উন্মোচনের লাইভ ভিডিও এখন গ্রাহকদের অনেক বেশি আকর্ষণ করছে। ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নিজেদের বার্তা অনেক সহজেই তুলে ধরা যায়। অনেকে ৩৬০° ভিডিও ব্যবহার করে যা আরও আকর্ষণীয় করে তুলে পুরো ব্যাপারটিকে।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং :

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এ ধরণের মার্কেটিং। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর মূল বিষয় হলো, জনসাধারণের কাছে পরিচিত এবং জনপ্রিয় এমন কাউকে দিয়ে পণ্যের প্রচারণা চালানো। হতে পারে তিনি কোনো বিখ্যাত খেলোয়াড়, সেরা কোনো অভিনেতা কিংবা জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী। মূল কথা হলো এমন কাউকে দিয়ে প্রচারণা করা যার কথা সবাই শুনে এবং বিশ্বাস করে। তখন অনেকের মনে এই ধারণা জন্ম নেয় যে, “আমার প্রিয় তারকা এই পণ্যটি ব্যবহার করে। তাহলে আমিও এই পণ্যই কিনবো।” মূলত এই ধরণের মানসিকতা তৈরি লক্ষ্যই হলো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং।

কন্টেন্ট মার্কেটিং -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং :

এখন প্রায়ই দেখা যায় যে, বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো অনলাইন পত্রিকায় কিংবা ব্লগ সাইটে প্রোমোশনাল ব্লগ লেখা হচ্ছে। সেই ব্লগ পড়ে মানুষজন সেই প্রতিষ্ঠানে কী রকম সেবা দেয় তা জানতে পারছে। এগুলো হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। মার্কেটিং এর জগতে নিজের ঢোল নিজে পিটানো তো লাগবেই, সেই সাথে অন্যদের হাতেও ঢোল দিতে হবে একটু পিটিয়ে দেয়ার জন্য। নিজের প্রতিষ্ঠানের সেবার ব্যাপারে মানুষজনকে জানানোর জন্য এরকম মার্কেটিং এখন বেশ কার্যকরী। নিজে লিখতে না পারলে কোনো পেশাদারী ব্লগ লেখককে দিয়েও নিজেদের ব্যাপারে কন্টেন্ট লিখিয়ে নেয়া যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং -এর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং :

এটি অনেকটা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর অনুরূপ। তবে এখানে জনসাধারণের পরিচিত মুখ থাকাটা তেমন জরুরি না। ধরো তোমার একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে। সেখানে তুমি যা কিছু করো না কেনো, তার জন্য সবসময় নির্দিষ্ট একটি ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহারের কথা উল্লেখ করো। তোমার যদি একটি রান্নার চ্যানেল থাকে, তাহলে সেখানে একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে সবাইকে বলতে পারো। এর বিনিময়ে সেই ব্র্যান্ড তোমাকে একটি সম্মানি প্রদান করে থাকে। এখানে তুমি সেই ব্র্যান্ডের অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছো। অর্থাৎ, তুমি তোমার কাজের মাধ্যমে সবাইকে সেই ব্র্যান্ডের ব্যাপারে বলছো। অনেক সময় অ্যাফিলিয়েটদের জন্য আলাদা প্রোমো কোড দেয়া হয়, যার মাধ্যমে ক্রেতারা কোনো পণ্যের উপর বিশেষ ছাড় পেতে পারে।

30/09/2024

ডিজিটাল ও প্রিন্ট মিডিয়া জগতে গ্রাফিক ডিজাইন একটি অপরিহার্য বিষয়। ব্যবসা কিংবা চাকরির জগতেও প্রতিনিয়ত প্রয়োজন হয় গ্রাফিক ডিজাইন। গ্রাফিক ডিজাইন এমন একটি স্কিল যা একজন মানুষকে তার ক্যারিয়ারে একধাপ এগিয়ে রাখে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে, অধিকাংশ মানুষই ডিজাইনের বেসিক বিষয়গুলো জানেন না।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা ডিজাইন সম্পর্কে বেসিক বিষয়গুলো জানেন, তাদের যেকোনো বিষয় উপস্থাপন করার দক্ষতা বেশ উন্নত। পাশাপাশি, যারা গ্রাফিক ডিজাইন জানেন ও পারেন, তাদের জন্য ক্যারিয়ারে আয়ের বিভিন্ন দ্বার উন্মোচন হয়। হতে পারে সেটি চাকরি কিংবা ফ্রিল্যান্সিং। অনলাইন ও অফলাইন মার্কেটিং এবং প্রিন্টিং এর দুনিয়ায় গ্রাফিক ডিজাইনারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিলিয়ন ডলারের গ্রাফিক ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে তারাই উন্নত ক্যারিয়ার ও বেশি আয় করতে সক্ষম যারা সময়ের সাথে উপযোগী করে নিজেকে প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলেছে।

‘গ্রাফিক ডিজাইন’ এই কোর্সটি আপনাকে ডিজাইন জগত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে। গ্রাফিক ডিজাইন করে কী কী করা যায়, কিভাবে ক্যারিয়ার করা যায়, চাকরি কিংবা ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়, প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার কলাকৌশলসহ পোর্টফোলিও তৈরি করার সিক্রেট শিখতে পারবেন এই কোর্স থেকে। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই করতে পারবেন এই কোর্সটি। সকল বয়স-শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে, গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী সকলেই এই কোর্সটিতে এখনই ভর্তি হন।

29/09/2024

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

সহজ ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো যোগাযোগ মাধ্যমের সকল প্রকার আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে ইন্টারনেটের সুবিধা ব্যবহার করে কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারণা চালানো। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক ধরণ ও প্রকারভেদ রয়েছে এবং তা নির্ভর করে কোন ধরণের প্রচারণার জন্য এটি ব্যবহার করা হচ্ছে। উপরের কথা মতো যে কেবল ব্যবসার প্রসারের জন্যই মার্কেটিং করতে হয় তা কিন্তু না।

বর্তমান যুগে যেকোনো ধরণের সেবা প্রদান কিংবা নতুন কিছু শুরু করার জন্য চাই প্রচারণা। হোক সেটি কোনো অনুষ্ঠান কিংবা প্রতিযোগিতার প্রচারণা অথবা কোনো নির্বাচনী প্রচারণা। আর যেহেতু সময়টি এখন ডিজিটাল, তাই প্রচারণার মাধ্যমটিও হওয়া চাই ডিজিটাল। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে আমরা টেলিভিশনে যতো অ্যাড দেখি, সোশ্যাল মিডিয়াতে যতো অ্যাড দেখি, মোবাইলে গেইম খেলার সময় যতো অ্যাড দেখি, তার সবই ডিজিটাল মার্কেটিং কি? উত্তরটি হচ্ছে ‘হ্যা’, এগুলো সবই ডিজিটাল মার্কেটিং। এখন বুঝতে পারছেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব?

29/09/2024

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশে একজন Web Developer গড়ে প্রায় ২-৩ লাখ টাকা বা তারও বেশি আয় করে থাকেন। দেশের বাইরে বা ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যও এই সেক্টর অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন। যদি আপনার প্রোগ্রামিং-এর নেশা থাকে, তাহলে Web Development Course করে দারুণ একটি ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

ওয়েব সার্ভারে জমা রাখা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট হিসেবে গড়ে তোলা আর ব্যবহারযোগ্য করার প্রক্রিয়াই হল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। তাই যতদিন ওয়েবসাইট থাকবে ততদিন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদাও থাকবে। এজন্যই ওয়েব ডেভেলপারদের কাজের পরিসর বাড়ছে দিন দিন।

এজন্যই আমাদের কোর্স সাজানো হয়েছে আপডেটেড মডিউল দিয়ে। এখানে বেসিক SQL থেকে শুরু করে প্রফেশনাল স্কিল গড়ে তোলা পর্যন্ত সব কিছুই রাখা হয়েছে। প্রাকটিক্যাল প্রজেক্ট করার মাধ্যমে আপনি দ্রুত শেখার পাশাপাশি একটি স্মার্ট পোর্টফোলিও বানিয়ে ফেলতে পারবেন কোর্স চলাকালীন সময়েই। আর কোর্স যথাযথভাবে শেষ করতে পারলে পাচ্ছেন কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেট। তাই Al Jaami Academy আধুনিক ও বিশ্ব মানের মডিউল ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের সাথে শুরু হোক আপনার Web Development Careerpath।

26/09/2024

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ৪.৬৬ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। অর্থাৎ, ডিজিটাল মার্কেটিং এর বদৌলতে কিন্তু পুরো বিশ্বই হতে পারে আপনার টার্গেট মার্কেট।

তাই যদি চান নিজের ব্র্যান্ডকে জনপ্রিয় করতে, এমনকি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে, ডিজিটাল মার্কেটিংই কিন্তু সেরা উপায়!

ডিজিটাল মার্কেটিং এর A-Z নিয়ে Al Jaami Accadamy নিয়ে এলো “Digital Marketing Career Path” প্রোগ্রাম!

ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিংয়ের চেয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কস্ট ব্যারিয়ার কম আর তাই এন্ট্রি অনেক সহজ! তাই, ছোট বাজেটেও ইফেক্টিভ প্রোমোশনের মাধ্যমে নিজের ব্র্যান্ডের ভিত্তি করতে পারবেন মজবুত। আরও পারবেন টার্গেট ডেমো গ্রাফিকের সাথে নিজের বিজনেজকে সংযুক্ত করতে সহজেই, যা আপনার বিজনেজ গ্রোথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে!

৮০% মানুষ এখন যেকোনো সেবা গ্রহণের আগে ইন্টারনেটে রিসার্চ করে নেন। তাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনার টার্গেট মার্কেট শুধু হাতে গোনা কিছু এলাকায়ই থেমে থাকবে না; বরং পৌঁছে যাবে অসংখ্য মানুষের মোবাইলে, ল্যাপটপে, ট্যাবলেটে। অর্থাৎ, you won’t have to find people, people will find you.

Want your school to be the top-listed School/college in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

43 M. A. Rahim Road, Kalisonkorpur
Kushtia
7000

Opening Hours

Monday 10:00 - 14:00
Tuesday 10:00 - 14:00
Wednesday 10:00 - 14:00
Thursday 10:00 - 14:00
Friday 10:00 - 00:00