10/04/2024
ঈদ মোবারক
The official page of HARINARAYANPUR SECONDARY SCHOOL SCIENCE CLUB(HSSSC), is directed by the member of the club.. Any student of H.S.S. can join the club.
10/04/2024
ঈদ মোবারক
20/07/2021
13/11/2019
হরিনারায়ণপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়❤❤
22/05/2019
হরিনারায়ণপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণ 😍
ভালবাসায় তুমি মিশে আছো, মিশে রবে প্রতিক্ষনে।
27/09/2017
আমাদের সেই চিরচেনা স্কু্লের নতুন রুপ দেয়ার চেষ্টা.........🤔😎😎
সেই মধুর পাচ টা বছর......😔😔😔
চাইলেও সেটা ফিরে পাওয়া সম্ভব না......
HSSSC পরিবারের পক্ষ থেকে
সকলকে পবিত্র ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা "ঈদ মোবারক"
আপনাদের ঈদ ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে উঠুক সেই শুভ কামনা রইলো। পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
04/05/2017
its a bad news for of all us. after a long time , this result is very bad. just 11 student get gpa 5 , 63 student get gpa 0 means fail out of 204.
but our girls school have only 5 gpa 5....
so cheer buddy with sadness mind.
but remember, once a hnpian, always a hnpian....
proud to be a hnpian...
29/12/2016
এবং হরিনারায়নপুর বয়েজ ফাটায়ে দিলো।
জিপিএ-৫ ২০ জন।
মোট পরিক্ষার্থী ২১৬ জন।
পাস করেছে ১৯৮ জন।
ফেল করেছে ১৮ জন।
পাসের হার ৯১.৬৭ %।
বুয়েটঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগেজরিপকারদেরজন্য একটিজরিপশিক্ষালয়হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।১৮৭৬সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকারঢাকা সার্ভে স্কুলনামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল সেই সময়কার ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজে অংশগ্রহনকারী কর্মচারীদের কারিগরী শিক্ষা প্রদান কর।১৯০৫সালেঢাকারতৎকালীনখাজা আহসানউল্লাহএ বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহী হন এবং মুসলমানদের শিক্ষাদীক্ষার অগ্রগতির জন্য বিদ্যালয়ে ১.১২ লক্ষ টাকা দান করেন। তাঁর মহৎ অনুদানে এটি পরবর্তীতে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষালয় হিসেবে প্রসার লাভ করে এবং তাঁর স্বীকৃতি হিসেবে১৯০৮সালে বিদ্যায়নটির নামকরণ করা হয়আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলনামে।আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলতিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স দিতে শুরু করেপুরকৌশল,তড়িৎকৌশলএবংযন্ত্রকৌশলবিভাগে। শুরুতে একটি ভাড়া করা ভবনে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলত।১৯০৬সালে সরকারী উদ্যোগেঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরশহীদুল্লাহ হলের কাছে এর নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। এস্থানের একটি উচুঁ চিমনি কিছুদিন আগেও এই স্মৃতি বহন করত।১৯২০সালে এটি বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয়।শুরুতে বিদ্যালয়টিঢাকা কলেজেরসাথে সংযুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এটি জনশিক্ষাপরিচালকের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। মিঃ এন্ডারসন এর প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এরপর১৯৩২সালে শ্রী বি. সি. গুপ্ত ও১৯৩৮সালে জনাব হাকিম আলী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর[সম্পাদনা]দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরপর বাংলার শিল্পায়নের জন্য তৎকালীন সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তখন এতদঞ্চলে দক্ষ জনশক্তির অভাব দেখা দেয়। তৎকালীন সরকার নিযুক্ত একটি কমিটি যন্ত্র, তড়িৎ, কেমি ও কৃষি প্রকৌশলে ৮ বছর মেয়াদী ডিগ্রী কোর্সে ১২০ জন ছাত্রের জন্য ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপন এবং স্কুলটিকে তৎকালীন পলাশী ব্যারাকে স্থানান্তর করে পুর, যন্ত্র, ও তড়িৎ কৌশলে ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সে ৪৮০ জন ছাত্র ভর্তির সুপারিশ করেন।১৯৪৭সালের মে মাসে সরকার ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেনও ছাত্র ভর্তির জন্য বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শিবপুরস্থ বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ঢাকায় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে পরীক্ষা নেয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]দেশবিভাগের পর[সম্পাদনা]১৯৪৭এর দেশবিভাগের ফলে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের মুষ্টিমেয় কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া বাকী শিক্ষকদেরসবাই ভারতে চলে যান ওভারতথেকে ৫ জন শিক্ষক এ স্কুলে যোগদান করেন। ১৯৪৭ এর আগস্ট মাসে এটিকেআহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজরুপে উন্নীত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হিসেবে। জনাব হাকিম আলী এর অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।১৯৪৮সালের ফেব্রুয়ারীতে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার এই কলেজটিকে অনুমোদন দেন এবং এটি তখনপুর প্রকৌশল,তড়িৎ প্রকৌশল,যন্ত্র প্রকৌশল,কেমি কৌশল,কৃষি প্রকৌশলওটেক্সটাইল প্রকৌশলবিভাগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর ডিগ্রী এবংপুর প্রকৌশল,তড়িৎ প্রকৌশলওযন্ত্র প্রকৌশলবিভাগে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রদান করতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত কৃষি ও টেক্সটাইলের পরিবর্তেধাতব প্রকৌশলঅন্তর্ভুক্ত হয়।১৯৫৬সালে কলেজে সেমিস্টার প্রথা চালু হয় ও নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদিত হয়।১৯৫৭সালে ডিগ্রী কোর্সে আসন সংখ্যা ১২০ থেকে বাড়িয়ে ২৪০ করা হয়।১৯৫৮সালে কলেজ থেকে ডিপ্লোমা কোর্স বন্ধ করে দেয়া হয়।এর মধ্যে১৯৫১সালে টি. এইচ. ম্যাথুম্যান এবং১৯৫৪সালে ডঃ এম. এ. রশিদ কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন। এসময়েএগ্রিকালচারাল এন্ড মেকানিক্যাল কলেজ অব টেক্সাস(বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) ও আহসানউল্লাহ কলেজের সাথে যৌথ ব্যবস্থাপনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ফলে ওখান থেকে অধ্যাপকগন এদেশে এসে শিক্ষকতার মান, ল্যাবরেটরী ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষকদের মানোন্নয়নের জন্য কিছু শিক্ষককে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য টেক্সাস এ. এন্ড এম. কলেজে পাঠানো হয়। এসময় এশিয়া ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীকে কিছু প্রয়োজনীয় বইপত্র দান করে এবং রেন্টাল লাইব্রেরি প্রথা চালু করা হয়। কলেজ থাকা অবস্থায় ছাত্রদের জন্য কেবল দুটি ছাত্রাবাস ছিলঃ মেইন হোস্টেল (বর্তমান ডঃ এম. এ. রশীদ ভবন) ও সাউথ হোস্টেল (বর্তমান নজরুল ইসলাম হল)প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু[সম্পাদনা]ডঃ এম. এ. রশীদ ভবনপাকিস্তান আমলে১৯৬২সালের ১ জুনতারিখে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে নাম দেয়া হয়পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়(East Pakistan University of Engineering and Technology, or EPUET)। তৎকালীন কারিগরী শিক্ষা পরিচালক ডঃ এম. এ. রশিদ প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন। অধ্যাপক এ. এম.আহমেদ প্রকৌশল অনুষদের প্রথম ডীন নিযুক্ত হন। খ্যাতনামা গণিতজ্ঞ এম. এ. জব্বার প্রথম রেজিস্ট্রার ও মমতাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম কম্পট্রোলার নিযুক্ত হন। ডঃ এম. এ. রশিদের যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।বিশ্ববিদ্যালয়রূপে প্রতিষ্ঠিত হবারপরে ছাত্রদের জন্য তিনটি নতুন আবাসিক হল তৈরি করা হয়। অধ্যাপক কবিরউদ্দিন আহমেদ প্রথম ছাত্রকল্যাণ পরিচালক পদেনিযুক্ত হন। ১৯৬২ সালেই প্রথম স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদে স্থাপত্য বিভাগ গঠন করা হয়, এই বিভাগের জন্য টেক্সাস এ. এন্ড এম. কলেজের কয়েকজন শিক্ষক যোগদান করেন। এভাবে প্রকৌশল ও স্থাপত্য এই দুটি অনুষদে পুর, যন্ত্র, তরিৎ, কেমি ও ধাতব প্রকৌশল এবং স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য১৯৬৪ সালে আসন সংখ্যা ২৪০ থেকে ৩৬০ জনেবৃদ্ধি করা হয়। একই বছরে বর্তমান ৭ তলা পুরকৌশল ভবন নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৬৯-৭০ সালে আসন সংখ্যা ৪২০ জনে উন্নীত হয়। এসময় স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদে ফিজিক্যাল প্ল্যানিং নামে একটি নতুন বিভাগ চালু হয়। এটিই পরবর্তীকালে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে পরিণত হয়েছে।স্বাধীনতার পর[সম্পাদনা]১৯৭১ এ বাংলাদেশেরমুক্তিযুদ্ধেরপরে এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমানের নাম, অর্থাৎ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয়।ক্যাম্পাস[সম্পাদনা]বুয়েট ক্যাম্পাসঢাকারপ্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এটি একটি ছোট্ট ক্যাম্পাস। ছাত্রদের আবাসিক হলগুলো একাডেমীর ভবন থেকে হাঁটার দূরত্বে অবস্থিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের আয়তন হল ৭৬.৮৫একর(৩১১,০০০ব.মি.)।অনুষদ এবং বিভাগ সমূহ[সম্পাদনা]বুয়েটের ইএমই ভবনপুরকৌশল ভবনস্থাপত্য ভবনবুয়েটে বর্তমানে ৫ টি অনুষদের অধীনে ১৮ টি বিভাগ রয়েছে।স্থাপত্য এবং পরিকল্পনা অনুষদ[সম্পাদনা]*.স্থাপত্য বিভাগ,*.নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ,*.মানবিক বিভাগ।শিরোনাম লেখ[সম্পাদনা]পুরকৌশল অনুষদ[সম্পাদনা]*.পুরকৌশল বিভাগ,*.পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ।তড়িৎ এবং ইলেক্ট্রনিক কৌশল অনুষদ[সম্পাদনা]*.তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ,*.কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগ,*.জৈব চিকিৎসা কৌশল বিভাগ।প্রকৌশল অনুষদ[সম্পাদনা]*.কেমিকৌশল বিভাগ,*.বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ,*.রসায়ন বিভাগ,*.গণিত বিভাগ,*.পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ,*.পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ কৌশল বিভাগ।যন্ত্র কৌশল অনুষদ[সম্পাদনা]*.যন্ত্রকৌশল বিভাগ,*.নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ,*.শিল্প ও উৎপাদন কৌশল বিভাগ।ইনস্টিটিউটসমূহ[সম্পাদনা]জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্প্রসারণ এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বুয়েটে ৪টি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলঃ*.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট (আইআইসিটি),*.পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (আইডব্লিউএফএম),*.এপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি ইনস্টিটিউট(আইএটি),*.দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউট (এআরআই)।ডাইরেক্টরেট, সেন্টারসমূহ এবং অন্যান্য[সম্পাদনা]*.Directorate of Advisory, Extension and Research Services(DAERS)*.Directorate of Students Welfare(DSW)*.Directorate of Planning and Development(P&D)*.Directorate of Continuing Education(DCE)*.Centre for Energy Studies(CES)*.Centre for Environmental and Resource Management(CERM)*.Biomedical Engineering Centre*.Bureau of Research, Testing and Consultation(BRTC)*.International Training Network Centre(ITN)*.Bangladesh Network Office for Urban Safety(BNUS),BUETসংগঠনসমূহ[সম্পাদনা]ছাত্র সংগঠন[সম্পাদনা]*.সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট*.বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন*.বাংলাদেশ ছাত্রলীগ*.বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলবিজ্ঞান সংগঠন[সম্পাদনা]*.সত্যেন বোস বিজ্ঞান ক্লাব*.বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চসাংস্কৃতিক সংগঠন[সম্পাদনা]*.বুয়েট ড্রামা সোসাইটি*.মূর্ছনা*.কণ্ঠস্থাপত্যসমূহ[সম্পাদনা]*.শহীদ মিনার*.নিহত সনি স্মরনে ভাস্কর্য*.শহীদ আরিফ রায়হান দীপ স্মরণে ভাস্কর্যকৃতি ছাত্র-ছাত্রী[সম্পাদনা]*.ফজলুর রহমান খান*.এ কে এম ফজলে হোসেন[২][৩]*.তাহের সাইফ,[৪][৫]*.এম আমানুল হক,[৬][৭]*.এম রেজওয়ান খান[৮][৯]*.জামিলুর রেজা চৌধুরী*.মুহম্মদ আশরাফুল আলম,[১০][১১]*.সায়ীফ সালাহউদ্দিন*.এম নাজমুল করিম,[১২]*.এম স্যাম মান্নান,[১৩]*.এম এম ফারুক হাসান,[১৪]*.মোশারফ চৌধুরী,[১৫][১৬]*.মাহমুদুল হাসান সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, পাইল্যাবস, রকমারি.কম, অন্যরকম ইলেক্ট্রনিক্স, টেকশপ[১৭]*.তৌকির আহমেদ- অভিনেতা ৷কৃতি শিক্ষক[সম্পাদনা]*.এম রেজওয়ান খান[১৮][১৯][২০][২১][২২][২৩]*.আব্দুল জব্বার*.কায়কোবাদ*.এনামুল হক*.আলী আসগর*.এ. কে. এম. বজলুর রশিদ।সুযোগ-সুবিধাসমূহ[সম্পাদনা]মিলনায়তন[সম্পাদনা]বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১০৩৬ আসনের একটি কেন্দ্রীয় মিলনায়তন কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক সহ আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান। এ কমপ্লেক্সে মিলনায়তন ছাড়াও ১৮৬ আসনের সেমিনার কক্ষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। এছাড়া পুরকৌশল ভবনের দোতলায় ২০০ আসন বিশিষ্ট আরেকটি সেমিনার কক্ষ আছে। শিক্ষা ও বিনোদনের জন্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য এতে ৩৫ ও ১৬ মি. মি. ফিল্ম প্রোজেক্টর বয়েছে।লাইব্রেরী[সম্পাদনা]প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট জুড়ে বিশ্ব
please ensure your college selection very intelligently