20/03/2017
ইবিতে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন
স্টারমেইল টােয়েন্টিফোর ডটকম: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভূক্ত ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। কতিপয় শিক্ষকের প্রভাব রক্ষার্থে এমন ঘটনাে ঘটছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে নতুন প্রশাসনের অধীনেও ফের শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং প্রকাশ্যে রূপনিতে যাচ্ছে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফঁসের ঘটনা তদন্তে ভিসি প্রফেসর ড. হারুন উর রশিদ আসকারী গত ২৫ ডিসেম্বর ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এতে গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোস্তফা কামালকে আহবায়ক এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মো মাহবুবর রহমান ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়াকে সদস্য করা হয়।
তদন্ত কমিটি গঠনের শুরু থেকেই শিক্ষকদের মধ্যে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। গণিত বিভাগের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাবেক প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিনের গ্রুপ করায় ওই বিভাগের প্রফেসর ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক ড. মোস্তফা কামালের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিল।
এদিকে অর্ন্তদ্বন্দ্ব কেন্দ্র করে মোস্তফা কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান গ্রুপের হওয়ায় তদন্ত কমিটিতে থেকে যোগসাজস করে নুরুল ইসলামকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
গত ৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৩তম সিন্ডিকেট সভা ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এতে ওই ইউনিটের সমন্বয়কারী ও গণিত বিভাগের সভাপতি নুরুল ইসলামসহ ২কর্মচারীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় এবং ওই ইউনিটভূক্ত অপর দুইসদস্যকে পরবর্তী ২ বছরের জন্য সকল ভর্তি কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। এছাড়া ওই ইউনিটের ১০০শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তে গত ১৬ মার্চ পুন:ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে যে তদন্ত রিপোর্টের আলোকে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে সিন্ডিকেট সে তদন্ত কমিটির আহবায়ক নিজেই সিন্ডিকেট সদস্য হওয়ায় বিচার কার্যের সাথেও সংযুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নিয়েও শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে, যা এখনও চলমান রয়েছে।
এদিকে সিন্ডিকেটের এমন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা লক্ষ্য করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বিষয়টি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা জামাল সিন্ডিকেটের এমন সিদ্ধান্তকে অমানবিক ও ইমম্যাচিউরড বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান স্বীয় স্বার্থ সিদ্ধির জন্য কৌশলে ভিসিকে দিয়ে তাকে শোকজ করান এবং বিভিন্নভাবে চাপে রাখেন।
অন্যদিকে, ওই শিক্ষককে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তুমুলভাবে সমালোচনা করেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো মাহবুবর রহমানের একনিষ্ট সহকর্মী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জসীম উদ্দিন। কিন্তু, প্রক্টরের অনুসারী হওয়ায় তার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এসব কর্মকাণ্ডে ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষকদের মধ্যে কখনো প্রকাশ্যে আবার কখনো আড়ালে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে সকল দায়ভারের তীর প্রক্টর মাহবুব গ্রুপের দিকেই যাচ্ছে। কেননা, তিনি স্বীয় প্রভাবকে বিস্তর রাখতে জোর যার মুল্লুক তার নীতি গ্রহণ করে সামনে অগ্রসর হচ্ছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীণ শিক্ষক জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমান ভিসি স্যারকে আমরা সবাই সহযোগিতা করতে চাই। কেননা, তিনি অত্যান্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ। কিন্তু, তিনি যদি এভাবে প্রক্টরের কথা মতো সিদ্ধান্ত নিতেই থাকেন তবে একটা সময় তার সাথে থাকা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না।
ওই ইউনিটের সদস্যরাও ফেসবুকে তাদের দুঃখের কথা শেয়ার করছেন। তাদের উপরে এমন শাস্তি তারা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেন নি। ওই ইউনিটের সদস্য আলতাফ হোসেনও ফেসবুকে বিভিন্ন সমালোচনা করলেও প্রক্টর তাকে বিভিন্নভাবে চাপে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। আলতাফ ভিসি গ্রুপের হওয়ার পরেও প্রক্টর তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সুযোগ গ্রহণ করে চলেছেন বলে দাবি শিক্ষকদের।
এদিকে ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি তদন্ত নিয়ে শিক্ষকরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. হারুন উর রশিদ আসকারী দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে শিক্ষকদের এক কাতারে নিয়ে আসতে পারলেও কতিপয় শিক্ষকের কারণে তা ফের ভাঙন ধরতে শুরু করেছে। শিক্ষকদের মাঝে সম্পর্কের টানাপোড়েন, অন্তর্দ্বন্দ্ব, বিভেদ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।
এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক স্টারমেইল টােয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এখন চলছে সাপলুডুর খেলা। একজন আরকেজনকে সাপের গালে ফেলতে তৎপর রয়েছে। বিশেষ করে এফ ইউনিটের প্রশ্নপত্রের উত্তর ফাঁসকে কাজে লাগিয়ে একটি গ্রুপ অপর একটি গ্রুপকে অব্যহত ভাবে চাপে রেখেছে। এভাবে চলতে থাকলে যে কোন সময় আবারও ক্যাম্পাসে আন্দোলনের দানা বাধতে পারে।
ইবিতে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভূক্ত ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।
02/12/2016
এবারের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবে হবে বলেছিল। কিন্তু কই? শোনলাম ভর্তি পরীক্ষায় বি এবং এইচ ইউনিটে র প্রশ্ন ফাঁস করার চেষ্টা চলছে। ওই ভর্তি পরীক্ষায় জড়িতরা নাকি মালের বিনিময়ে প্রশ্ন দিয়ে দিচ্ছে। কি আর করার টাকার কাছে মেধা আজ আকাশ কুসুম কল্পনা।
আমাগেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম যেন না হয়। যেমন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
http://www.banglanews24.com/education/news/537455/%E0%A7%AF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%98-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A7%AB%E0%A6%AE
৯ লাখ টাকায় ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে মেধাক্রম ৫ম!
নয় লাখ টাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটে মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অর্জন করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে।
18/08/2016
শোকের মাসে পুকুর পাড়ে চলছে বারবিকিউ পার্টি, গাজা ও নেশার আড্ডা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকলকে হত্যার মাসে সারাদেশ যেখানে শোকাহতো সেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলের পুকুরের পাড়ে বাংলা বিভাগের সাবেক ছাত্র গান্জা খোর, নারীবাজ সৌরভের নেতৃত্বে অবাদে চলছে বারবিকিউ পার্টি, গাজা, মদ ও ইয়াবা নোশার আশোর। আইজ ১৮ই আগষ্ট সন্ধার পর থেকে বঙ্গবন্ধু হলের বিপরিত পারে গভির রাত পর্যন্ত চলছে তাদের নেশা সেবনের আড্ডা ও চিল্লাচিল্লি। বহিরাগতদের পার্টিসিপেসনের মধ্য দিয়ে এ পার্টি হচ্চে। এ পার্টিতে সৌরবের সাথে আরোও যারা গান্জা খোর গুলা যোগ দিছে এর মধ্যে সাবেক ছাত্র তুর্কী, বহিরাগত আলামীন, সিএসির বিল্লাল, জ্যাকি, ক্যামেসটিরির রাতুল, বহিরাগত লামন, বাংলার বাসুদেব, শামীম, রকি, ফিন্যান্সের নারীবাজ সাদ্দামসহ আরো কয়েকজন।
বঙ্গবন্ধুর শোকের মাসে জাতি যেখানে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যার ঘটনায় কাতর হয়েছে, বেদনায় বিধুর রয়েছে- ঠিক সেই সময়ে কিছু কুলাঙ্গার প্রকাশ্যে এধরনের অপকর্ম করছে। ওদের মধ্যে আলামিন, লামন, জ্যাকিসহ কয়েকজন বঙ্গবন্ধু হল ও ক্যাম্পাসে ইয়াবা ও গাজা সরবরাহ করে ।
13/08/2016
ইবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্রপ্রদর্শনী-
ইবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্রপ্রদর্শনী
লাস্টনিউজবিডি, ১৩ আগস্ট, ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পোস্টার লাগানোর নামে অস্ত্রপ্রদর্শনী করেছে ছাত্রলীগ। আগামী ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের শিশির ইসলাম বাবুর অনুসারীরা পোস্টার লাগানোর নামে রামদা, চাপাতি, রড, হকিস্টিক, পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে অস্ত্রপ্রদর্শন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচী পালনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগানো শুরু করে ছাত্রলীগের কর্মীরা। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে এ পোস্টার লাগানো চলে রাত প্রায় পৌনে ১২টা পর্যন্ত।
শিক্ষার্থীরা জানান, পোস্টার লাগানোর সময় তাদের হাতে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, রড, পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে।
তারা আরও জানায়, প্রতিটা হলের সামনে তারা অস্ত্রে অস্ত্রে আঘাত করে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেয়। এ সময় আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ও পথচারীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে।
ছাত্রলীগের দলীয় সূত্রে জানায়, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলামের অনুগত শিশির ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে ওই অস্ত্র প্রদর্শনী হয়। এতে অংশ নেয় বাবুর আস্থাভাজন আতাউর রহমান আতা, শিথুন, আরিফ, নোমানসহ ১৫/২০ জন।
এদিকে মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনে অনেকে রুম থেকে বের হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুবীর বলেন, হঠাৎ অস্ত্রের শব্দ শুনতে পাই। রুম থেকে বের হয়ে দেখি হলের সামনে বেশ কিছু শিক্ষার্থী জটলা হয়ে আছে। পরে জানতে পারলাম শোক দিবসের পোস্টার লাগাতে এসেছে।
ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগানো হয়েছে।
আমার জানা মতে, পোস্টার লাগানোর সময় অস্ত্র নিয়ে কোন মহড়া হয়নি।
http://www.lastnewsbd.com/2016/08/13/%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA/
ইবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্রপ্রদর্শনী
লাস্টনিউজবিডি, ১৩ আগস্ট, ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পোস্টার লাগানোর নামে অস্ত্রপ্রদর্শনী করেছে ছাত্রলীগ। আগামী ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের শিশির ইসলাম বাবুর অনুসারীরা পোস্টার লা
12/03/2016
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যে খেলা আবার শুরু হয়েছে তাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কপালে কালো মেঘ দেখা দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় যখন খুব সুন্ধর ভাবে চলছে তখন নারী লুভি সেই শাহিনুর রহমান আবারও ক্ষমতার জন্য কুত্তার মত পাগল হয়ে গেছে।
তার এ নারী লিপ্সর কারণে বিভাগের ভাল ভাল মেয়ে গুলো সতির্থ হারিয়ে এখন অন্দকার পথ কে বেচে নিয়েছে। নারী লুভি এ শাহিনুর রহমান ইংরেজি বিভাগের অনেক মেয়েকে বাচায় নিয়ে আকাম করেছে। তার নজরে আসা মেয়েরাই ক্লাসে ভাল ফলাফল করে থাকে। তার জন্য জিবন বিলিয়ে দিতে হয়েছে ইয়রেজি বিভাগের মেধাবী ছাত্রী লিপিকে। তার জন্য জিবন দিতে হয়েছে আরও অজানা মেয়েকে । যার খবর আমরা রাখি না। তার হাত থেকে রক্ষা পেতে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া বাদ দিয়ে চলে গেছে অনেক ছাত্রী। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রো-ভিসি শাহিনুর রহমানের যে বউ রয়েছে সেটাও নিজ ছাত্রী । তাকে ফসলে নিয়ে বিয়ে করে সে। তর জন্য বিভাগ ছাড়তে হয়েছে তার বর্তমান বউয়ের বই ফ্রেন্ড কে ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা শাহিনুর রহমানের মত নষ্টদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়।
15/02/2016
http://www.campusnews24.com/index.php/content/news/20898
ইবি’র ফোকলোর বিভাগের সভাপতি হতে মরিয়া প্রো-ভিসি ড. শাহিন
ইবি নিউজ: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি এবার ফোকলোর স্টাডিস বিভাগের চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। একরে পর এক নাটকের জন্মদাতা প্রো-ভিসি শাহিনুর রহমন ক্রেডিট নিতে নিজ ইচ্ছায় সভাপতি পদ থেকে অব্যহতি নিয়ে আবার সেটি পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফোকলোর স্টাডিস বিভাগের সভাপতি হতে সে বর্তমানে ভিসিকে চ…
04/02/2016
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রোফেসর ড. শাহিনুর রহমান নাটকে হেরে গেয়ে এবার নতুন খেলায় নেমেছে। সে কিছু দালাল সাংবাদিককে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করতে উঠেপঢ়ে লেগেছে।
ব্যাক্তিজীূবনে নারী লুভী প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান নিজ বিভাগের ছাত্রী ( ইংরেজি বিভাগের) মেধাবী ছাত্রী লিপি তার যৌন লালসার বলি।
প্রফেসর শাহিনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় বায়োটেকনোলজি বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্সের ছাত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া তার একান্তসহচর খ্যাতেইংরেজি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসরাম জিল্লু মিলে নারী ভোগ করে থাকে। বর্তমানে জিল্লু শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট। সে শাহিনুর রহমানকে মেয়ে সাপ্লাই করে । তার হলের ইংরেজি, বাংলা, পরিসখ্যান বিভাগের বেশ কয়েক জন মেয়েকে তোর যৌন দাসি হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসেক বেকায়দায় ফেলতে পদত্যাগের নাটক করে।ভেবেছিল নাটকে সে জয়ী হবে কিন্তু না হয়নি। সরকার তার চালাকি ধরে ফেলে । শেষ পর্যন্ত নিজের পদ বাচাতে সে গত ২৮ জানুয়ারি পদ ফিরে পেতে আবেদ করে।
বর্তমানে এই বোকা**** শাহিন নিজেকে সাধু পরিচয় করতে নতুন নতুন গেমে মেতেছে।
07/01/2016
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেলেন ইবির চার শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চার শিক্ষার্থী। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর হল রুমে এ পদক প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামীক স্টাডিস বিভাগের ছাত্র মো. গাফ্ফার, মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ছাত্র মো. সাইফুল ইসলাম, ফলিত ও বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের ছাত্র শেখ দবির হোসেন, এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ছাত্রী নাজনিন আক্তার।
জানা গেছে প্রতিটি অনুষদ থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তরা এ পদক পেয়েছেন।
- See more at: http://www.jugantor.com/online/campus/2016/01/07/1038/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80 .8lg9FMCY.FVH6GAZO.dpuf
06/01/2016
আগামীকাল ০৭/০১/২০১৬ ইং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী বহনকারী গাড়ী শুধুমাত্র কুষ্টিয়ার কাস্টম মোড়,শৈলকুপা এবং ঝিনাইদহের আরাপপুর মোড় থেকে সকাল ০৮.0০ টায় ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং বেলা দুইটায় ক্যাম্পাস ছেড়ে একই স্থানে ফিরে আসবে।
11/06/2014
Please Like this page
https://www.facebook.com/pages/lekhapora24com/783220518354749
lekhapora24.com
With ecstasy we are going to inform that , Online news portal www.lekhapora24.com has started its journey including all the news of education .