JUS Perspective

JUS Perspective

Share

Founder of Josim’s Struggle with Study
Tutor | Learner | Student

28/05/2026

গত ২৮ দিনে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ আমার ভিডিও দেখেছেন। ভাবলাম সবাই যদি ১ টাকা করেও দিতেন তাহলে আজ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা দিয়ে ধুমায় ঈদ'টা (সাথে ১টা কুরবানীও) করতে পারতাম 🙂💔
কিন্তু দুঃখের বিষয়… আপনারা কেউই দিলেন না। আপনাদের এই হারামি আচরণ গভীরভাবে মনে রাখা হবে।
অথচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকার মধ্যে ১১৮ টাকাও আসলো না। Audience হিসেবে তোরা disappointing 😤😪

Anyways, Eid Mubarak Guy's 🌙✨

27/05/2026

ঈদের আগের দিন পাবলিক থেকে মাস্টার্স পাশ করা ছেলে রফিক হলেই থেকে গেলো। হল ছেড়ে যাচ্ছে তার রুমমেট সহপাঠীরা৷ কী হৈহুল্লোড়! বাড়িতে যাওয়ার আমেজ দেখে রফিকেরও মন চায়। কিন্তু কীভাবে যাবে? রফিক বাড়ি যাবে সেই গাড়ি ভাড়াও তার কাছে নেই। কৃষক বাবার সন্তান রফিক। কোন রকম জীবনের সাথে যুদ্ধ করে ভার্সটি চান্স পেয়েছে সে। চান্স পাওয়ার পর গ্রামে তার অনেক সুনাম ছিল। কিন্তু এখন আর সেটা নেই। গ্রামের মানুষ বুঝে চাকরি। বাড়িতে গেলে গ্রামের কিছু বিষাক্ত মানুষ রফিকের জীবনটা বিষিয়ে তুলে। এই ধরুন বলতে থাকে, কিরে রফিক তোর চাকুরি আর কবে হবে? কি দরকার ছিল এতো পড়ালেখার। গরীবের কি চাকুরি আছে? মামা খালু ছাড়া চাকুরী হয় না বুঝলি। এসব শুনতে শুনতে রফিক গ্রামের কথা আর শুনতেই পারে না।
ঈদের দিন রাত ১২ টা জনশূন্য হলে রুমে একাই জোড়ে জোড়ে পড়ছে। মনে হচ্ছে সকল রাগ সে বই এর উপর ঝাড়ছে। মূহুর্তেই রফিক বিছানায় শুয়ে ২কেজি ওজনের জব সল্যুশনসটা বুকের উপর নিয়ে ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদছে। কান্নায় বুকটা এতো ফুলে যাচ্ছে যে ২ কেজি ওজনের বইটার সাথে বালিশটা দিয়ে বুকে ভর দিয়ে কান্না দমানোর চেষ্টা করছে। হঠাৎ মায়ের ফোন। ও রফিক, রফিক বাবাটা তুই বাড়ি আইলিনা ক্যান। তোর মুখটা খুব দেখার ইচ্ছা করে বারে৷ তুই আয় বাপ। তোর বাপের শরীরটাও ভালো না বাপ। হাঁপানি আরো বেরে গেছে। মাঝে মাঝে নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে রফিকের চোখ দিয়ে বালতির মত ধর ধর করে পানি পড়ছে৷ একটু নিজেকে সামলে নিয়ে রফিক মাকে বলতে লাগলো, মা ঈদের কয়েকদিন পর আমার একটা চাকুরি পরীক্ষা আছে। বাড়িত গেলে পরীক্ষা ভালো দিতে পারবো না মা।

এদিকে কথা শেষ করে রফিক মনে মনে বলতে থাকে দোয়া করো মা। পরের ঈদের আগেই যেন একটা চাকুরি হয়৷ আর তোমার জন্য শাড়ি, বাবার জন্য লুঙ্গি, পিচ্ছি ভাতিজা ভাতিজি গুলোর জন্য জামা নিয়ে বাড়িতে যাবো মা। এই বলতে বলতে রফিক ঘুমিয়ে গেলো। সকালে খালি পেটেই ঈদের নামাজ পড়তে গেলো। নামাজ পড়ে হলে ফিরে আবার বই নিয়ে পড়তে বসলো। মাঝে মাঝে ডুকরে ডুকরে কাঁদছে। কান্না যেন আর থামছেই না।

এই কান্না থামার একটাই সমাধান একটা চাকুরি। একটা পরিচয় দেয়ার মত অবস্থান। চাকুরি কবে হবে? হবে। চাকুরি একদিন ঠিকই হবে কিন্তু সেই দিনের কথাগুলো কি ভুলতে পারবে রফিক? চাকুরি একদিন ঠিকই হবে কিন্তু বেকার দিনে মধ্যরাতে বালিশভেজা কান্নার কথাগুলো ভোলা সম্ভব নয়।

জসিম উদ্দিন সরদার

25/05/2026

আমি নিজের ক্ষ'ত নিজেই সরাই, আবার ভে'ঙ্গে পড়লে একাই উঠে দাঁড়াই 🙌

© জসিম উদ্দিন

23/05/2026

জীবনের খারাপ সময় স্থায়ী না। আজকের কঠিন সময়ই হয়তো আগামী দিনের শক্তি আর সফলতার কারণ হবে। 🖤🌸

21/05/2026

আমাকে দেখে হাসি খুশি মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে আমার অনেক পড়া বাকি..!!🥲

20/05/2026

পরীক্ষায় মার্জিন টানার Ultimate Shortcut | Students Must Know This Trick | Exam Hall Secret Trick 😱🔥






19/05/2026

Life is # # #

Yesterday is Xperience
Today is Xperiment
Tomorrow is Xpectation

So use your Xperience in your Xperiment to achieve your Xpectation ❤️‍🔥

16/05/2026

রাতের পর রাত পড়ার টেবিলে বসে মাঝে মাঝে একটা প্রশ্ন খুব বেশি ভাবায় আমাকে…
আমাদেরকে স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক কিছু শেখানো হয় কিন্তু জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোর একটা “ফিনান্সিয়াল লিটারেসি” কখনো শেখানো হয় না।
আমরা শিখি GPA, CGPA, সূত্র আর থিওরি।
কিন্তু শেখানো হয় না— সময়, শ্রম, টাকা আর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান বছরগুলো ইনভেস্ট করার পর সেই ইনভেস্টমেন্টের বিনিময়ে রিটার্ন বা ROI (Return on Investment) আমরা আসলে কী বা কতটুকু পাচ্ছি।

সমাজের বেশিরভাগই ক্যারিয়ারকে দেখে আবেগ দিয়ে, বাস্তবতা দিয়ে না। সমস্যাটা শুধু শিক্ষা ব্যবস্থায় না, আমাদের সামাজিক চিন্তাধারাতেও। এই যেমন—
মানুষ কি বলবে?
কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ো?
এই ভার্সিটিতে পড়তে হবে!
এই সাবজেক্ট না হলে জীবন শেষ!
সরকারি চাকরি পেয়েছো?
এমন এক অদৃশ্য চাপের মধ্যে বড় হই আমরা। এসব প্রশ্নের সামাজিক মূল্য হয়তো আছে কিন্তু অর্থনৈতিক মূল্য অনেক ক্ষেত্রেই আশঙ্কাজনকভাবে মূল্যহীন বা কম।

কিন্তু আবেগ সরিয়ে যদি বাস্তবতা দিয়ে হিসাব করি,
তাহলে দেখা যায়—
হিউজ পরিমাণ একটা এমাউন্ট ইনভেস্ট করার পর ১৫-২০ হাজার টাকার একটা চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে হয়, দিনশেষে সেটাই বা পায় ক'জন। কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে, কেউ মেডিকেল পড়ে, কেউ ন্যাশনাল বা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরও বছরের পর বছর আন্ডারভ্যালুড থেকে যায়।

আর সরকারি চাকরি?
অনেকের জন্য সেটা স্বপ্নের চেয়ে বেশি একটা সামাজিক চাপ। যার আর্থিক ব্যাকাপ আছে। জুয়ায় বার বার হারলেও যাদের সমস্যা নেই তারাই কিন্তু জুয়ায় জেতে। টিউশনি করিয়ে, জমি বন্ধক রেখে দিনের পর দিন মাসের পর মাস প্রিপারেশন নেয়া সবার পক্ষে সম্ভব নয় অন্তত Middle & lower middle class ছেলেমেয়েদের। হাজার হাজার মেধাবী তরুণ তাদের জীবনের সবচেয়ে energetic সময়টা একটা অনিশ্চিত প্রতিযোগিতার পিছনে ব্যয় করে দেয়। কেউ সরকারি চাকরির আশায় নিজের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলো অপেক্ষায় কাটিয়ে দেয়। মাঝেমধ্যে মনে হয় সরকারি চাকরিটাই একটা হাইপ, একটা ট্রাপ আর সমাজ ও পরিবারের চাপিয়ে দেয়া একটা প্রত্যাশা মাত্র। কেউ পরিবার আর সমাজের প্রত্যাশার বোঝা বইতে বইতে নিজেকেই হারিয়ে ফেলে।
কখনো কখনো মনে হয়—
এই একই মেধা, একই পরিশ্রম যদি private career, business, freelancing কিংবা বিদেশে skill development-এ দিতো তাহলে হয়তো গ্রোথ টা অন্য লেভেলের হতে পারতো। হয়তো আজ জীবনের অর্থনৈতিক অবস্থান সম্পূর্ণ আলাদা হতো। কিন্তু আমরা হাইপের ট্রাপে আটকে গেছি।
আমাদের সমাজে এখনো “stable future” বলতে শুধু নির্দিষ্ট কয়েকটা পথকেই বোঝানো হয়। বাকি সম্ভাবনাগুলোকে গুরুত্বই দেয়া হয় না।
সবচেয়ে বড় irony হলো—
আমাদেরকে সবসময় বলা হয় “পড়াশোনা করো, জীবন সেট হয়ে যাবে।” কিন্তু বাস্তব জীবনে এসে অনেকেই বুঝে, ডিগ্রি আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এক জিনিস না।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় কী জানেন?
আমরা ক্লান্ত, কিন্তু সেটা কাউকে বলতে পারি না।
হাসির আড়ালে চাপা পড়ে থাকে হতাশা, অনিশ্চয়তা আর এক ধরনের নীরব ভয়। আর এই পুরো journey-তে সবচেয়ে neglected বিষয়টা হলো — mental health।
একটা generation ধীরে ধীরে ভিতরে ভিতরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। রেজাল্টের চাপ, comparison, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, family expectation —সব মিলিয়ে আমরা প্রতিদিন silently battle করছি।
বাইরে থেকে সবাই পড়াশোনা দেখছে কিন্তু কেউ দেখছে না একটা ছেলে বা মেয়ে প্রতিরাতে কতটা মানসিক চাপ নিয়ে ঘুমাতে যায়। আমরা হয়তো academic excellence নিয়ে অনেক কথা বলি কিন্তু একজন শিক্ষার্থী মানসিকভাবে কতটা প্রস্তুত, সে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপদ বোধ করছে কিনা — এই প্রশ্নগুলো এখন আরো বেশি জরুরি।

পরিশেষে বলা যায়,
শিক্ষা এমন কিছু হওয়া উচিত,
যেটা শুধু একটা সার্টিফিকেট না, যেটা একজন মানুষকে মানসিকভাবে শক্ত করে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখায়,
আর জীবনের বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার সাহস দেয় এবং মানুষকে financially aware, mentally strong এবং realistically prepared করে তোলে।
তবুও আমরা পড়ে যাচ্ছি।
হয়তো পরিবারের স্বপ্নের জন্য,
হয়তো একটা ভালো ভবিষ্যতের আশায়,
হয়তো পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য,
নয়তো নিজের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য,
অথবা শুধু এই বিশ্বাস আর আশায়—
একদিন এত বছরের struggle আর এই দীর্ঘ রাতগুলোরও একটা সুন্দর সকাল হবে (ইনশাআল্লাহ ) 🤍

জসিম উদ্দিন সরদার ✍🏻

15/05/2026

একটা বয়সের পর আমাদের আসলে তেমন কেউ থাকে না। আমরা পারি না খুব আপনজনদের আপন বলতে.!

13/05/2026

দিনশেষে মানুষকে মেপে মূল্য দিতে পারলে ভালোই হয়

যে লেইট রিপ্লাই দিচ্ছে, আপনিও তাকে লেইট রিপ্লাই দিন। যে রেসপন্স করতে ঘন্টা নেয়, তার জন্য মিনিটে মিনিটে অপেক্ষা করা আসলেই বোকামি।
যে আপনাকে ৫০% গুরত্ব দিচ্ছে, আপনিও তাকে ৮০ বা ১০০ না দিয়ে ৫০%-ই দিন। যে আপনাকে option ভাবে তাকে কেন life centre বানাবেন? মানে যে যেভাবে ট্রিট করে তাকে ঠিক সেভাবে ফিরিয়ে দেয়া উচিত। নো এক্সট্রা, নো ডিসকাউন্ট!
মানুষকে তার আচরণ দিয়েই চিনুন,
আর ঠিক সেভাবেই treat করুন।
আপনাকে ছাড়া যার চলে,
তাকে ছাড়া আপনার যেন দৌড়ায়!

আই নোউ এটা মেনে চলা কঠিন। তবে বাস্তবতা আরও কঠিন! কারণ অতিরিক্ত গুরুত্বের শেষটা বেশিরভাগ সময় কষ্টেই গিয়ে থামে।

© জসিম উদ্দিন সরদার

11/05/2026

Life gives only 2 options 💭

👍 Uninstall 💖 Update

Want your school to be the top-listed School/college in Kurigram?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Rangamati, Phulbari
Kurigram
5680